• সন্ধ্যা ৬:২৪ মিনিট শুক্রবার
  • ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
মেঘনা টোল প্লাজায় তিশা বাসে আগুন বন্দরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ২ ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ,  সোনারগাঁয়ে ৩ মিষ্টির দোকানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে নদী থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে মাদকের টাকা লেনদেনের জেরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা সোনারগাঁয়ে আ.লীগ নেতার প্রতারণার নতুন ফাঁদ অনিয়ম ও দূর্নীতি যেন সমাজ ব্যবস্থায় স্বাভাবিক ঘটনা. জিএম কাদের কাল থেকে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৪ তম তিরোধান উৎসব শুরু সোনারগাঁয়ে ডিম ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনীকে কেন্দ্র করে ঘোড়া প্রতিকের সমর্থকের পুকুরে বিষ প্রয়োগ সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনীকে কেন্দ্র করে ঘোড়া প্রতিকের সমর্থকের পুকুরে বিষ প্রয়োগ সোনারগাঁয়ে অ্যাম্বুলেন্স দূর্ঘটনার নিহত -১ উপজেলা নির্বাচনে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করায় গাছ কর্তন নব নির্বাচিতত উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে এতিমদের দোয়া সোনারগাঁয়ে ট্রান্সফরমার চুরির সময় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ আটক-৪ হাসনাত পরিবারের প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত করলেন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান তুমি যদি মুমিন হও তাহলে নিরাশ হইওনা. নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান সোনারগাঁয়ে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী হত্যা, স্বামী আটক সোনারগাঁয়ে তাঁত শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় দুই সহোদর গ্রেপ্তার
চেয়ার হারিয়ে নিরাপত্তায় ভুগছেন জহিরুল হক চেয়ারম্যান

চেয়ার হারিয়ে নিরাপত্তায় ভুগছেন জহিরুল হক চেয়ারম্যান

Logo


নিউজজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন।

বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলনকে বারদী বাজারে একা পেয়ে লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় সাবেক চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে উধ্যত হয়। এসময় তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিকেলে চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক উল্লেখ করেন, উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দু’দফায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাননি। কিন্তু নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে কোন প্রার্থীর পক্ষেও ছিলেন না। নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। এর মধ্যে নাজমুল হক নির্বাচিত হন। পরাজিত হয়ে ইব্রাহিম খলিল ইবু ও জাকির হোসেন নির্বাচনের দিন রাতে একত্রিত হয়ে তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। ইব্রাহিম খলিল ও জাকির হোসেন পরাজিত হয়ে জহিরুল হক চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করে বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই তাইজুল ইসলাম, ভাতিজা সাকিব, তানজিল, ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস, মুন্না, আমেনা বেগম আহত হন। আহতদের ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়াও নির্বাচনে পর্যবেক্ষনে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িসহ প্রায় ২০-২৫টি গাড়ি ভাংচুর করে। এ ঘটনার পর তৃতীয় ধাপে এ ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল মিমাংসা করে দেন।

এ ঘটনায় প্রায় এক মাস পর বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলন বারদী বাজারে গেলে একা পেয়ে ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে সৈকত রাসেল, মানিকসহ ১০-১২ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে উধ্যত হয়। এসময় তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিকেলে চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, আমি এখনো এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। আমার ও আমার জীবনের নিরাপত্তা নেই। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাড়ি পর্যন্ত আমার পরিবারের সদস্যদের ধাওয়া করে নিয়ে যায়। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সোনারগাঁ থানায় আমি সাধারণ ডায়েরী করেছি।

অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল বলেন, জহির চেয়ারম্যান তার প্রভাবে ভাতিজাকে নির্বাচিত করেছেন। তবে হুমকির বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান জহিরুল হক নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution