• রাত ৩:২৩ মিনিট সোমবার
  • ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ২৩শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
আগামী শুক্রবার সোনালী অতীত বনাম প্রেস ক্লাবের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সোনারগাঁয়ে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার মাদ্রাসার নতুন ভবন পরিদর্শনে এমপি খোকা বেঙ্গালুরুতে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ১১ বাংলাদেশির কারাদণ্ড সোনারগাঁয়ে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালন সাদিপুরে শ্রমিকলীগের পুর্ণমিলনী মোগরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে ২ ইউপি সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের ৩জনকে পিটিয়ে জখম বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট ফাইনালে বৈদ্যেরবাজার ইউপি ১-০ গোলে জয়ী বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে নোয়াগাঁওকে হারিয়ে বৈদ্যেরবাজার ফাইনালে সোনারগাঁও পৌরসভাকে হারিয়ে জামপুর ফাইনালে আলেমদের তালিকার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ আলেমদের তালিকার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ কাঁচপুরে মিরাজ নামের ১২ বছরের কিশোর নিখোঁজ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুনামেন্টে জামপুর ইউনিয়ন ৩ – ২ গোলে জয়ী যেতে_যেতে_পথে দরগাবাড়ি_নহবতখানা মনোনয়ন জমা দিয়ে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে নৌকার পরিবার দাবি, নৌকা না পেলেই বিদ্রোহী, এড. সামসুল ইসলাম মোগরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যারা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আহবায়ক কমিটি, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় আবার বাশ

মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় আবার বাশ

Logo


নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:

মাহে রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ঐতিহাসিক গ্রান্ডট্যাংক রোড যানজটমুক্ত রাখতে প্রশাসনের উদ্যোগে আবারও বাশ লাগিয়ে ভারী যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এ উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।

এর আগে গত মাস চারেক আগে একে ভাবে বাশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলো প্রশাসন কিন্তু অজ্ঞাত কারণে দুদিন পর সেই বাশ রাতের আধারে অপসারন করা হয়েছিলো।

জানা গেছে, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার এলাকায় আমান সিমেন্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। সোনারগাঁয়ে কিছু দালালের মাধ্যমে হাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি কিনে বালু ভারাট শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। পরে প্রতিষ্ঠানটি জোড় পূর্বক অন্যের জমি ও সরকারী খাস জমি ও নদীর ভরাট করে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। ওই সময় এলাকাবাসীর বাধার মুখে পড়ে কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর আমান সিমেন্ট কোম্পানীটি আমান ইকোনোমিক জোনের পরিনত হয়ে নিজেদের ইচ্ছা মতো অন্যের জমি খাল-বিল ভরাট করে রাতারাতি আমান ইকোনোমিক জোন নির্মান শুরু করে। ইকোনোমিক জোন তৈরী করার মতো অবকাঠামো ও রাস্তাঘাট না থাকার পরও এক হিসেবে জোড় পূর্বক ইকোনোমিক জোনটি তৈরী করা হয়। বর্তমানে এ জোনে আমান সিম নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালু হয়েছে বাকিগুলি চালুর পথে। এ প্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক ট্রাক ও লরি মোগরাপাড়া চৌরাস্তার গ্রান্ডট্যাংক রোড় ও পৌরসভার টিপরদী সড়ক হয়ে হাড়িয়া ইকোনোমি জোনে প্রবেশ করে। এসব ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক ও জনপথের কোন অনুমতি না থাকার পরও আমান ইকোনোমিক জোনের দোহাই দিয়ে চলাচল করছে। ফলে এ সড়কগুলোতে দেখা দিয়ে বড় ফাটল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে রাস্তা ফেলে ঢালু হয়ে পিচ উঠে গিয়ে কয়েকটি স্থানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে অযোগ্য হয়ে পড়ছে এ রাস্তাগুলো। এছাড়া ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহাসড়ক থেকে শহীদ মজনু পার্ক পর্যন্ত অসহনীয় যানজট লেগে থাকে। ২ মিনিটের রাস্তা গাড়ী দিয়ে পেরুতে লাগে ২০/২৫ মিনিট। এতে চরম ভোগান্তীতে পরতে হয় সাধারন মানুষকে। এ যানজট নিরসনে প্রশাসনে উদ্যোগে একাধিকবার পদক্ষেপ নেওয়ার অনরোধ জানানোর পর প্রশাসন যানজট নিরসনে জোড়ালো কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। ফলে বাধ্য হয়ে প্রতিদিনের এ কৃত্রিম যানজট সহ্য করতে হয়েছে এ পথে চলা কয়েক হাজার যাত্রী সাধারনকে। এ যানজট নিরসনে মাস চারেক আগে প্রশাসনের উদ্যোগে বাশ দিয়ে এ পথে ভারী যানবাহর চলাচল বন্ধ করে দেয়। কিন্তু বন্ধ করার দু দিনের মাথায় রাতের আধারে বাশ সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে, আগামী ঈদ উল ফেতরকে সামনে রেখে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে মহাসড়ক থেকে গ্রান্ডট্যাংক রোড়ের প্রবেশ মূখে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ও শহীদ মজনু পার্ক এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাশ দিয়ে ভারী যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে স্বস্থি মেলে স্থাণীয় লোকজন ও দুরপাল্লার যাত্রীদের মাঝে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যানজটমুক্ত ছিলো এ সড়কটি। প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সুশীল সমাজের লোকজন। তারা জানান, ঈদকে সামনে রেখে নয় সব সময়ের জন্য সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ পথে ভারী যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হওক। এ জন্য তারা স্থানীয় সাংসদের হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution