জানাগেছে, জমি সংক্রান্ত্র বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই বিধবাকে ঘরছাড়া করেছেন এই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তোতা মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে পাশের বাড়ির জমি বেদখল করার পর তারা জোড়পূর্বক সাহিদা বেগমের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলে নিতে বেশ কয়েক দিন যাবৎ যন্ত্রণা দিয়ে আসছে তোতা মিয়া।

জোয়ারদি গ্রামের মৃত জহিরুল হকের বিধবা স্ত্রী ও মৃত বাবুর স্ত্রী শাহিদা বেগমের সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে মামলা করে। এ বিষয়ে জানতে পেরে সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার করে আসছে। শাহিদা বেগমের উপর হামলার বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান জিন্নাহকে জানান। কিছুদিন পরে শাহিদা বেগমকে ও আয়েশা বেগমের উপর আরো অত্যাচার বেড়ে যায়। তোতা মিয়ার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে শাহিদা বেগমকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ ব্যাপারে ২০১৯ সালের সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মৃত জহিরুল ইসলামের স্ত্রী মোছাম্মৎ আয়েশা বেগম ও মৃত বাবুর স্ত্রী শাহিদা বেগমকে দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ি ছাড়ার হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। বাড়ি না ছাড়ায় অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও দুই বিধবা সহ ২ বিধবার ২ ছেলেকে মারধর করা হয়।

এ বিষয়ে সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান জিন্নাকে অবগত করলে তিনি বাদীদের বলেন, তোতা বেয়াদব, আপনারা আইনি সহায়তা গ্রহণ করেন। তারপর নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেট আদালতে একটি ২৫৬/১৯ মামলা দায়ের করেন। এ সময় মামলা চলতে থাকায় সাহিদা বেগম, আয়েশা বেগম, মামুন ও আলামিনকে বেদম মারধর পিটিয়ে আহত করা হয়।

আরও জানাগেছে, মামলার বিষয়ে আদালত মামলার বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যূরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের এসআই এসএম জাহাঙ্গীর আলম তদন্তের দায়িত্ব পালন করেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি ঘটনাস্থানে তদন্তের জন্য আসলে তিনি তদন্ত শেষে চলে যাওয়ার পরপরই পুণরায় আবার বাদী ও তাদের সন্তানদের মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত করা হয়- মেম্বার তোতা মিয়া, বাচ্চু মিয়া, বসরউদ্দিন, নাজুন নাহার, ছাদিয়া, রূপা সহ তাদের লোকজন বিধবী নারীদের বাড়ি ছাড়া করে। ঘরছাড়া হয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।