• সকাল ১০:৫৪ মিনিট বুধবার
  • ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষনের প্রস্তুতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জামপুর ইউনিয়নে জাতীয়পার্টির প্রার্থী ঘোষনা দিলেন এমপি খোকা সোনারগাঁয়ে হত্যার ৩ মাস পর বিল্লাল হোসেনের মাথা উদ্ধার সোনারগাঁও জাদুঘরের মাসব্যাপী লোকজ মেলা উদ্ধোধন সোনারগাঁয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ গ্রেফতার পুলিশের এএসআই’য়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ উপজেলা মৎসজীবী লীগের কমিটি গঠন আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু মাসব্যাপী সোনারগাঁও লোকজ মেলা সোনারগাঁ বঙ্গবন্ধু ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বারদী বুলস ক্লাব বিজয়ী ঢাকার ছাত্রদলের সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জে সোনারগাঁয়ের জনি আহত মোরগের ‘ছুরিকাঘাতে’ মালিকের মৃত্যু নাসিরকে নিয়ে এবার ঢালিউড নায়িকার ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা স্বল্পদৈর্ঘ্য থ্রিলারে স্পর্শিয়া টিকা নিলেন প্রায় ৩০ লাখ মানুষ জাহানারা বললেন, ‘এখন আমরা ফিট’ রাস্তার কাজ সম্পন্ন করতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন এমপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন সনমান্দিতে আমিনুল ইসলাম আমান ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সোনারগাঁয়ে আ.লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা
নেতাকর্মীদের ক্ষোভ ও সংঘর্ষের নেপথ্যে ইয়াসিনুল হাবিবের বিতর্কিত উপস্থাপনা

নেতাকর্মীদের ক্ষোভ ও সংঘর্ষের নেপথ্যে ইয়াসিনুল হাবিবের বিতর্কিত উপস্থাপনা

Logo


নিউজ সোনারগাঁ ২৪ ডট কমঃ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিতর্কিত উপস্থাপনা করে লীয় নেতাকর্মীরে মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ইয়াসিনুল হাবিব। উপজেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করার জন্য মাইক থাকে তার খলে।এ উপস্থাপনার সুযোগে তিনি মেতে উঠেন তার পছন্দের নেতাদের তোষামোদীতে। উপস্থাপনার বেশির ভাগ সময়ই নষ্ট করেন অযথা তোষামোদী করে। যখন যে ল ক্ষমতায় আসেন তাকেই ম্যানেজ করে হয়ে যান তার প্রিয়পাত্র তাছাড়া সোনারগাঁয়ে যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাই বলী হয়ে আসেন না কেন তিনি তাকেই প্রথম টার্গেট করেন। তার তোষামোদী করে বাগিয়ে নেন উপস্থাপনার দায়িত্ব।

জানা যায়,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হাবিব তালুকদার ২০০৯ সালে কায়সার হাসনাত এমপি থাকাকালীন সময়ে তাকে ম্যানেজ করে সোনারগাঁ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। একমাত্র তোষামোদীকে পুজি করে সোনারগাঁয়ে টানা ৮ বছর থাকার পর ২০১৭ সালে তিনি বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। এর ১ বছর পর আবারও তিনি গত বছরের আগষ্ট মাসে পুরনায় সোনারগাঁয়ে বদলি হয়ে আসেন। ীর্ঘনি তিনি সোনারগাঁয়ে থাকাকালীন কোন দিনও নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসেননি। এমনকি টানা ছুটি ছাড়াও ২/৩ দিনও অফিসে আসেন না। অফিসে গিয়ে জিজ্ঞেস করলে শিখানো অনুযায়ী পিওনরা বলনে স্যার ফিল্টে আছেন, ট্রেনিংয়ে আছেন কিংবা ছুটিতে আছেন। এ কর্মকর্তা কখনো বেলা ১২টার আগে অফিসে আসেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন লের এমপিরে ম্যানেজ করে তিনি অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা জানান, ইয়াছিনুল হাবির একজন দুর্ধষ তৈলবাজ ও চাটুকার। তিনি যে সময় যে ক্ষমতায় থাকে তার তোষামোি করে তার মন জয় করে সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত অফিস করেন। নেতাদের তেলবাজির কারনে উপজেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার মাইকটিও থাকে তার খলে। সেজন্য তিনি কায়সার হাসনাতের পুরো সময় ধরে উপস্থাপনারায়িত্ব পালন করে নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও জনগুরুত্বপূর্ন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতারা স্টেজে উপস্থিত হলেও তিনি তার পছন্দের নেতা ছাড়া অন্যদের না ঘোষনা করতেন না। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ রয়েছে।

কায়সার হাসনাতের শেষ সময়ে ২১ শে ফেব্রয়ারীতে শহীদ বেধিতে ফুল দেয়ার সময় নাম বলা নিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ও কালাম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ লাগিয়ে দেন তিনি। সে সংঘর্ষের কারনে তাদের দুজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনমালিন্য চলে। এছাড়া ২০১৪ সালে সোনারগাঁয়ে একটি সংবাদিক সংগঠন বিজয় দিবসে বাদ্যবাজনা নিয়ে আমিনপুর মাঠে প্রবেশ করলে ইয়াছিনুল হাবিব তাদের মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এনিয়ে সাংবাদিকদের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। এরপর গত বছর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের তৎকালীন মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. সেলিনা আক্তার তার নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন। এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ড. সেলিনার নাম ঘোষনা করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। এতে ড. সেলিনা ও তার নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। সম্প্রতি ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশাসনের আমন্ত্রনে উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন, জেলা যুব আইনজীবি পরিষদের সভাপতি এডভোকেট ফজলে রাব্বিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে মঞ্চে বসেন। নিয়ম অনুযায়ী কোন নেতা বা অতিথি অনুষ্ঠান স্থলে আসলে মাইকে তাদের নাম ঘোষনা করার কথা থাকলেও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হাবির তাদের নাম ঘোষনা করেননি। লীয় কর্মীরা তারে নাম ঘোষনার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তাতে তিনি কোন কর্ণপাত করেননি। এমনকি আমন্ত্রিত অনেক গূরুত্বপূর্ন অতিথিদের নামও তিনি ঘোষনা করেননি।

অনুরোধের অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর অনেকটা অনিচ্ছায় তিনি নাম ঘোষনা করেন। এতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিলম্বে নাম ঘোষনার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ইয়াছিনুল হাবিবকে বকাঝকা করেন। এসময় কেন্দ্রীয় জাতীয়পার্টির নেতা আজিজুল ইসলাম বাদল ইয়াছিনুল হাবিবের পক্ষ নিয়ে পাল্টা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হন। এ নিয়ে জাতীয়পার্টি ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। এতে কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। পরে উপস্থিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দু’পক্ষকে শান্ত করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইয়াসিনুল হাবিব জানান, আমি সরকারী চাকরী করি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা আমাকে যে ভাবে নির্দেশ দেন আমি সে ভাবে কাজ করি। বাকি কিছু জানার াকলে আপনি ইউএনও’র সাে কথা বলেন।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুর রহমান খাঁন জানান, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। অনেক কিছুই আমার জানা নেই। তবে ভবিষ্যতে কিভাবে কি করতে হবে সেটা আমার মাথায় আছে।সে অনুযায়ী কাজ করা হবে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution