• সন্ধ্যা ৬:০৩ মিনিট রবিবার
  • ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
ফেলা যাওয়া টাকা ও টুপির মালিককে খুঁজছে ফার্মেসী মালিক সোনারগাঁয়ে ভেজাল খাদ্য তৈরির দায়ে গ্রেফতার ১ রোজা রেখে চুল ও নখ কাটা যাবে? না.গঞ্জের সেই সিংহামের হাতে বন্দি হলেন মামুনুল রোযাও কমছেনা তরমুজ ও আনারসের দাম সোনারগাঁও পৌরসভার কাউন্সিলর তপন গ্রেফতার লক ডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ সোনারগাঁয়ে করোনা আক্রান্ত ১৪, মৃত্যু ১ সুস্থ ৪০ সোনারগাঁয়ে করোনা আক্রান্ত ১৪, মৃত্যু ১ সুস্থ ৪০ চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহাগ রনি’র উদ্যোগে মাস্ক ও ইফতারি বিতরন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযুদ্ধা ওবায়দুল হকের দাফন সোনারগাঁয়ে একদিনে করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত ১১ সনমান্দিতে দুই ডাকাত আটক বন্দরে চোরাই গার্মেন্ট পণ্য উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২ আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে ইঞ্জিনিয়ার মাসুমের আর্থিক সহায়তা প্রদান কঠোর লকডাউনের ২য় দিনের জনজীবন স্বাভাবিক পিরোজপুরে ৪টি বসত ঘরে আগুন মাহে রমজান উপলক্ষে সনমান্দী ইউনিয়নে অসহায়দের মাঝে ত্রান বিতরণ সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় মামা-ভাগ্নে নিহত মৃত শিশুকে কবর দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিশুর স্বজনদের বাড়ীতে হামলা
পাঁচ মাস পর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

পাঁচ মাস পর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

Logo


ফিফা র‌্যাংকিং, প্রচন্ড গরম, ঘাসের মাঠ আর গ্যালারির দর্শক- সবকিছুই প্রতিকুলে। এত প্রতিকুলতার বিপক্ষে লড়াই করে বাংলাদেশ জিততে পারবে, এমন প্রত্যাশা মুখে বললেও অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা কঠিন। মুখে বলেছিলেন কোচ জেমি ডে। কম্বোডিয়া যাওয়ার আগেই বলেছিলেন, ম্যাচটা জিততে চাই। অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া বলেছিলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে খেলছি। একটা জয় আশা করতেই পারি।

কথা রাখলেন কোচ, অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা। নমপেনের পমপেন ন্যাশনাল অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে স্বাগতিক কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে জয়সূচক অসাধারণ গোলটি করেন পরিবর্তিত খেলোয়াড় রবিউল হাসান।

BD

তারওপর, তারা খেলেছে নিজেদের মাঠে। বাংলাদেশে এখনও শীত পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। সকাল-সন্ধ্যা শীত শীত একটা পরিবেশ। এখান থেকে নমপেনে গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলাররা পড়েছে প্রচন্ড গরমের মধ্যে। নমপেনের তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। মাঠটাও আর্টিফিসিয়াল টার্ফের।

আগেরদিনও বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের নমপেনে অনুশীলন করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। আজও প্রচন্ড গরমের মধ্যে খেলতে হয়েছে জামাল ভুঁইয়াদের। কিন্তু ৫ মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে নিজেদের যেভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা, তা ছিল অসাধারণ।

ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই কম্বোডিয়ার জালে ছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের পসরা। বার বার আক্রমণ করেও অবশ্য গোল পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার গোলরক্ষকই ছিল যেন বাংলাদেশের সামনে বড় প্রতিপক্ষ। কিন্তু ৮৩ মিনিটে আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি স্বাগতিকদের গোলরক্ষক।

BD

পাল্টা আক্রমণে মাঝ মাঠ থেকে লেফট উইংয়ে বল পান ১৬ নম্বর জার্সিধারী, পরিবর্তিত ফুটবলার মাহবুবুর রহমান সুফিল। নাবীব নেওয়াজ জীবনের পরিবর্তে তাকে মাঠে নামান কোচ জেমি ডে। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসেন সুফিল। কম্বোডিয়ান এক ডিফেন্ডার তাকে থামানোর জন্য শরীরের সাথে লেগে থাকলেও সুফিল দারুণ দক্ষতায় বক্সের বাম পাশে এগিয়ে আসা মাহবুবুর রহমানকে পাস দেন।

চলমান বলে বাম পায়ের টোকা দেন মাহবুবুর রহমান। সেটিই শেষ পর্যন্ত ফাঁকি দিলো কম্বোডিয়ার গোলরক্ষককে। তার মাথা এবং কাঁধের ফাঁক দিয়ে বল গিয়ে প্রবেশ করলো কম্বোডিয়ার জালে। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইলো জয় নির্ধারক হিসেবে।

ম্যাচের শুরু থেকে দাপট ছিল বাংলাদেশেরই। কিন্তু স্বাগতিকরা ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো। গোলরক্ষক গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা ত্রাতা হয়ে না দাঁড়ালে পিছিয়েই পড়তে হতো বাংলাদেশকে। অনেকটাই ফাঁকায় থাকা কম্বোডিয়ার এক ফুটবলার বল পেয়ে যান। তার সামনে তখন শুধুই গোলরক্ষক রানা। তার বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্তহ এবং পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে দলকে বিপদমুক্ত করেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের এ গোলরক্ষক।

এরপরই ম্যাচে বাংলাদেশের একচ্ছত্র আধিপত্য। তিনি মিনিটের ব্যবধানে দু’বার গোল করার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি বিপলু আহমেদ এবং নাবীব নেওয়াজ জীবন। ম্যাচের ১২ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নার কিক থেকে বল পান বিপলু। তার নেওয়া শট কম্বোডিয়ার এক খেলোয়াড়ের পায়ে লাগার পর পোস্টে আঘাত হেনে বাইরে চলে যায়।

BD Foootball

দুর্ভাগ্যের কারণে এগিয়ে যেতে না পারা বাংলাশেকে তিনি মিনিট পরই হতাশায় ডোবান স্বাগতিক দলের গোলরক্ষক। সতীর্থের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাস খেলে বক্সে ঢুকে পড়া জীবন যে শট নেন তা কম্বোডিয়ার গোলরক্ষক কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।

একের পর এক গোল মিস করার কারণে বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন আনেন কোচ জেমি ডে। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের মাথায় মিডফিল্ডার বিপলুকে উঠিয়ে রবিউলকে মাঠে নামান জেমি। আর ৭৬ মিনিটে নাবীব নেওয়াজ জীবনের বদলে মাঠে নামানো হয় মাহবুবুর রহমান সুফিলকে। দুই বদলিতেই ভাগ্য ফেরে বাংলাদেশের।

এ দু’জনের বোঝাপড়াতেই ৮৩ মিনিটে গোল পেলো লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। শেষ মুহূর্তে গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কম্বোডিয়া এবং একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আর জাল খুঁজে পায়নি।

কম্বোডিয়ার সঙ্গে আগের তিন সাক্ষাতে দুবারই জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ জেতে ২-১ গোলে। পরের বছর দিল্লিতে নেহরু কাপে ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচ। আর ২০০৯ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ জিতেছিল ১-০ গোলে। এবার নিয়ে চার সাক্ষাতে ৩বারই জিতলো বাংলাদেশ।

আইএইচএস/এমকেএইচ


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution