• রাত ৩:৫৪ মিনিট শনিবার
  • ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
রাস্তার কাজ সম্পন্ন করতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন এমপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন সনমান্দিতে আমিনুল ইসলাম আমান ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সোনারগাঁয়ে আ.লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা সোনারগাঁও জাদুঘরের কারুশিল্পীদের দোকান বরাদ্দে উচ্চ আদালতে রিট ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াটার সাপ্লাই পাইপের উদ্ধোধন সোনারগাঁয়ে ৭ হাজার ৭ শত পিস ইয়াবাসহ আটক ৩ ভোটারদের স্মার্ট কার্ড তুলে দিলেন চেয়ারম্যান শিপলু মাসব্যাপী লোকজ ও মেলা নিয়ে মত বিনিময় সভা আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহাগ রনি’র উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হত্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসা যন্ত্রণাদায়ক: জয়া বুধবার ১০ জনের নমুনা পরিক্ষায় ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত সোনারগাঁয়ে বান্ধবীর সহায়তায় কিশোরীকে ধর্ষণ, বান্ধবী গ্রেপ্তার আল- মোস্তফা গ্রুপের জমি দখলের অভিযোগ আনন্দ শিপ ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে টেকনাফে নারায়নগঞ্জের পর্যটকের লাশ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে ১১ জনের নমুনায় ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত নয়াগাঁও’য়ে সংষর্ঘের ঘটনায় আলী আহম্মেদ নামে আরেক জনের মৃত্যু ইজিবাইক ডাম্পিং দেয়ায় ছুরি চালিয়ে চালকের আত্মহত্যার চেষ্টা না.গঞ্জেও সংসার ছিল ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রীর
লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

Logo


লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসী শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যের পরিবারের লোকজন। নিহত বাকি চারজন আফ্রিকান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের মিজদা শহরের এ ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বাংলাদেশিসহ ওই অভিবাসীদের মিজদা শহরের একটি জায়গায় টাকার জন্য জিম্মি করে রেখেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ নিয়ে এক পর্যায়ে ওই চক্রের সঙ্গে মারামারি হয় অভিবাসী শ্রমিকদের। এতে এক মানবপাচারকারী মারা যায়। তারই প্রতিশোধ হিসেবে সেই মানবপাচারকারীর পরিবারের লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ বিষয়ে লিবিয়ার পশ্চিমা-সমর্থিত জাতীয় সরকার (জিএনএ) জানিয়েছে, মানবপাচারকারী চক্র ও অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে যে বিরোধ চলে আসছিল, তার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) লিবিয়া কার্যালয়ের মুখপাত্র সাফা সেহলি বলেন, আমরা এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবরটি শুনেছি এবং বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। যারা বেঁচে গেছেন তাদের পাশে আছে আইওএম।

মোয়াম্মার গাদ্দাফির সময় থেকে তৈল-নির্ভর অর্থনীতির দেশ লিবিয়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর অন্যতম বড় শ্রমবাজার। এই দশকের শুরুতে আরব বসন্তের জেরে গাদ্দাফির পতনের পর গৃহযুদ্ধ বেঁধে গেলে লিবিয়ার শ্রমবাজারও ধাক্কা খায়। এক পর্যায়ে দেশটি হয়ে ওঠে ইউরোপে পাড়ি দেয়ার প্রধানতম রুট।

অন্যদিকে জিএনএকে পশ্চিমা দেশগুলো স্বীকৃতি দিয়ে এলেও সেখানে ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর শাসন কায়েম রয়েছে। ক্ষমতার সংঘাতে লিবিয়ায় প্রায়ই বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সুত্র: জাগো নিউজ


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution