• রাত ১:৪৫ মিনিট রবিবার
  • ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ৬ই জুন, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মানে না অনেকেই সোনারগাঁয়ে আরো ৮ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২৭৯ করোনার উপসর্গ নিয়ে নারীর মৃত্যু, ৬ ঘন্টা পর এমপি খোকার সহায়তায় দাফন সোনারগাঁয়ে ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত নেই দুধঘাটা ও পাঁচানী সড়কে বৃষ্টি হলেই বন্যা ! মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেনের মৃত্যুতে উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের শোক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেনকে রাষ্টীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানালেন ইউএনও সাইদুল ইসলাম বৈরী আবহাওয়ায়ও লক ডাউন পরিবারে পৌছে যাচ্ছে এমপি খোকার খাবার সোনারগাঁয়ে ২দিনে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা গড়ে সাড়ে ৩৮% সোনারগাঁয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহত সোনারগাঁয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৩ জনের মধ্যে ২৮ জনের দেহে করোনা সনাক্ত সোনারগাঁয়ে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ গোপন করছে পরিবার মৃত ব্যক্তির দেহে কতক্ষণ সক্রিয় থাকে করোনা ভাইরাস প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের পৌছে দিলেন চেয়ারম্যান ইঞ্জি: মাসুম সোনারগাঁয়ে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামুলক নয়তো জরিমানা সোনারগাঁয়ে ৭৫ জনের মধ্যে ২৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ২৩৮ জান্নাতি ও জাহান্নামিদের মাঝে কথোপকথন!.. তুহিন মাহমুদ করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফনের ব্যবস্থা করলেন এমপি খোকার টিম বারদীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে ২ ব্যক্তির মৃত্যু লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩০ তিরোধান উৎসব স্থগিত
পেয়াজের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে

পেয়াজের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে

Logo

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম ডেস্ক: পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর সব রেকর্ড ভেঙ্গে গেল শনিবার (২৬ অক্টোবর)। সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে আবারও খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ দর ১৩০ টাকায় ঠেকেছে পেঁয়াজ।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও আমদানি করা দুই ধরনের পেঁয়াজের দামই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। সব ধরনের পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার উপরে। এর মধ্যে খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়, যা গেল সপ্তাহে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এর আগের সপ্তাহে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি। অপরদিকে মান ও আকার ভেদে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়, যা গেল সপ্তাহে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।

খুচরার পাশাপাশি পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। কারওয়ান বাজারের পাইকারিতে দেশি ও ভারতীয় দুই ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। আর মিসরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। যদিও আমদানি শুরুর পর দুই সপ্তাহ আগেও এ পেঁয়াজের দাম ছিল পাইকারিতে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। তবে খুচরা বাজারে এ পেঁয়াজ দেশি বলেই বিক্রি হয়।

জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে ভারত রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিলে পেঁয়াজের বাজারে সংকট শুরু হয়। ওই সময় ৫০ টাকার পেঁয়াজ এক লাফে ৮০ টাকায় পৌঁছায়।

অপর দিকে দুই সপ্তাহ পর ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে এ দেশের বাজারে হু-হু করে বাড়তে থাকে দর। একদিনের ব্যবধানেই দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা এবং ভারতীয় পেয়াঁজ ১০০ টাকা কেজি ছাড়ায়। এ অবস্থায় পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক করতে ভারতের বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার, মিসরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সেখানে কেজিপ্রতি ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। মাঝে কয়েকদিন দাম কিছুটা কমার পর আবারও বাড়তে শুরু করেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দেশের পেঁয়াজের মজুদ প্রায় শেষের পথে। সরবরাহ সংকটেই দাম আবার বেড়েছে। তাই নতুন পেঁয়াজ এলেই বাজার স্বাভাবিক হবে। দুই মাসের আগে বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজ ওঠছে না। তাই তার আগে দাম কমার সম্ভাবনা কম। তবে ভারতে ক্ষেতের পেঁয়াজ তোলা শুরু হয়েছে। দেশটি রপ্তানি শুরু করলে আবারও দাম কমবে।

পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদা ও রসুনের দামও। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে খুচরায় দেশি ও আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। এছাড়া মানভেদে আদা ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা হয়েছে। মুদি পণ্যের মধ্যে প্রতিকেজি লবণ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, খোলা আটা ২৮ থেকে ৩০, প্যাকেট ৩৪ থেকে ৩৫, খোলা ময়দা ৩৪ থেকে ৩৬, প্যাকেট ময়দা ৪৫ থেকে ৪৮, চিনি ৫৫ থেকে ৬০, ছোলা ৭৫ থেকে ৮০, বড় দানার মসুর ডাল ৬০ থেকে ৬৫, দেশি মসুর ডালের কেজি ১০০ থেকে ১১০, প্রতিলিটার খোলা পামওয়েল ৬২ থেকে ৬৫, খোলা সয়াবিন তেল ৮০ থেকে ৮২, কোম্পানিভেদে বোতলজাত সয়াবিনের লিটার ১০০ থেকে ১১০ এবং ৫ কেজির বোতল বিক্রি হয়েছে ৪৪০ থেকে ৫০০ টাকায়।

Logo
এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution