• দুপুর ১:২২ মিনিট শনিবার
  • ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : হেমন্তকাল
  • ২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী জয়ের ট্রাম্পকার্ড বিএনপি নৌকা জেতাতে মাঠ ছাড়ছেন না কালাম আজ মধ্যে রাতে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারনা নৌকা জেতাতে চেয়ারম্যান মাসুমের অবিরাম গণসংযোগ জামপুরে নৌকার সমর্থকদের উপর গুলি, সংঘর্ষে আহত ২০, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশের গুলি আচারন বিধি লঙ্ঘন করে আল-আমিন সরকারের মনোনয়নপত্র জমা মেম্বার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন আলমগীর মেঘনা শিল্প শিল্লাঞ্চলে আশরাফ প্রধানের ২ সমর্থককে পিটিয়ে আহত ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী ও জনগনের ভোটাধিকার হনন করতে মিথ্যা মামলা. সোহাগ রনি জনগনের সেবা ও ভালবাসায় পুনরায় প্রার্থী হয়েছি. চেয়ারম্যান রব দীর্ঘদিন পর সোনারগাঁয়ে ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত আমরা চোরের ভালবাসাও চাই আবার দলের মানও রাখতে চাই. কায়সার সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে উন্নয়নের প্রতীক লাঙ্গলে ভোট দিবেন. ডালিয়া লিয়াকত চারদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোষ্টার ছেড়ার মহোৎসব চলছে. চুন্নু চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে? হেঁশেলে ধনেপাতা আছে তো লাঙ্গলের দায়িত্ব আপনাদের হাতে দিয়ে গেলাম. ডালিয়া লিয়াকত সোনারগাঁয়ে তালাবদ্ধ ঘরে গলাকাটা লাশ উদ্ধার শম্ভুপুরায় পরিবর্তনের অঙ্গিকার চান আওয়ামীলীগ নেতারা সোনারগাঁয়ে তালাবদ্ধ ঘরে গলাকাটা লাশ উদ্ধার হিমঘরে রাখার ৭ ঘণ্টা পর জানা গেলো ‘মৃত’ শ্রীকেশ বেঁচে আছেন
পেয়াজের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে

পেয়াজের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে

Logo


নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম ডেস্ক: পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর সব রেকর্ড ভেঙ্গে গেল শনিবার (২৬ অক্টোবর)। সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে আবারও খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ দর ১৩০ টাকায় ঠেকেছে পেঁয়াজ।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও আমদানি করা দুই ধরনের পেঁয়াজের দামই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। সব ধরনের পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার উপরে। এর মধ্যে খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়, যা গেল সপ্তাহে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এর আগের সপ্তাহে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি। অপরদিকে মান ও আকার ভেদে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়, যা গেল সপ্তাহে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।

খুচরার পাশাপাশি পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। কারওয়ান বাজারের পাইকারিতে দেশি ও ভারতীয় দুই ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। আর মিসরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। যদিও আমদানি শুরুর পর দুই সপ্তাহ আগেও এ পেঁয়াজের দাম ছিল পাইকারিতে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। তবে খুচরা বাজারে এ পেঁয়াজ দেশি বলেই বিক্রি হয়।

জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে ভারত রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিলে পেঁয়াজের বাজারে সংকট শুরু হয়। ওই সময় ৫০ টাকার পেঁয়াজ এক লাফে ৮০ টাকায় পৌঁছায়।

অপর দিকে দুই সপ্তাহ পর ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে এ দেশের বাজারে হু-হু করে বাড়তে থাকে দর। একদিনের ব্যবধানেই দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা এবং ভারতীয় পেয়াঁজ ১০০ টাকা কেজি ছাড়ায়। এ অবস্থায় পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক করতে ভারতের বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার, মিসরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সেখানে কেজিপ্রতি ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। মাঝে কয়েকদিন দাম কিছুটা কমার পর আবারও বাড়তে শুরু করেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দেশের পেঁয়াজের মজুদ প্রায় শেষের পথে। সরবরাহ সংকটেই দাম আবার বেড়েছে। তাই নতুন পেঁয়াজ এলেই বাজার স্বাভাবিক হবে। দুই মাসের আগে বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজ ওঠছে না। তাই তার আগে দাম কমার সম্ভাবনা কম। তবে ভারতে ক্ষেতের পেঁয়াজ তোলা শুরু হয়েছে। দেশটি রপ্তানি শুরু করলে আবারও দাম কমবে।

পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদা ও রসুনের দামও। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে খুচরায় দেশি ও আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। এছাড়া মানভেদে আদা ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা হয়েছে। মুদি পণ্যের মধ্যে প্রতিকেজি লবণ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, খোলা আটা ২৮ থেকে ৩০, প্যাকেট ৩৪ থেকে ৩৫, খোলা ময়দা ৩৪ থেকে ৩৬, প্যাকেট ময়দা ৪৫ থেকে ৪৮, চিনি ৫৫ থেকে ৬০, ছোলা ৭৫ থেকে ৮০, বড় দানার মসুর ডাল ৬০ থেকে ৬৫, দেশি মসুর ডালের কেজি ১০০ থেকে ১১০, প্রতিলিটার খোলা পামওয়েল ৬২ থেকে ৬৫, খোলা সয়াবিন তেল ৮০ থেকে ৮২, কোম্পানিভেদে বোতলজাত সয়াবিনের লিটার ১০০ থেকে ১১০ এবং ৫ কেজির বোতল বিক্রি হয়েছে ৪৪০ থেকে ৫০০ টাকায়।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution