• রাত ২:২৬ মিনিট সোমবার
  • ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ২৩শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
আগামী শুক্রবার সোনালী অতীত বনাম প্রেস ক্লাবের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সোনারগাঁয়ে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার মাদ্রাসার নতুন ভবন পরিদর্শনে এমপি খোকা বেঙ্গালুরুতে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ১১ বাংলাদেশির কারাদণ্ড সোনারগাঁয়ে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালন সাদিপুরে শ্রমিকলীগের পুর্ণমিলনী মোগরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে ২ ইউপি সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের ৩জনকে পিটিয়ে জখম বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট ফাইনালে বৈদ্যেরবাজার ইউপি ১-০ গোলে জয়ী বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে নোয়াগাঁওকে হারিয়ে বৈদ্যেরবাজার ফাইনালে সোনারগাঁও পৌরসভাকে হারিয়ে জামপুর ফাইনালে আলেমদের তালিকার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ আলেমদের তালিকার প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ কাঁচপুরে মিরাজ নামের ১২ বছরের কিশোর নিখোঁজ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুনামেন্টে জামপুর ইউনিয়ন ৩ – ২ গোলে জয়ী যেতে_যেতে_পথে দরগাবাড়ি_নহবতখানা মনোনয়ন জমা দিয়ে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে নৌকার পরিবার দাবি, নৌকা না পেলেই বিদ্রোহী, এড. সামসুল ইসলাম মোগরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যারা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আহবায়ক কমিটি, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
করিমের মৃত্যুর ঘটনায় আপন ১৬ ভাতিজা-ভাগিনাসহ আসামী ৩৫ জন

করিমের মৃত্যুর ঘটনায় আপন ১৬ ভাতিজা-ভাগিনাসহ আসামী ৩৫ জন

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁ উপজেলার বারদীর ইউনিয়নের সেনপাড়া গ্রামে আব্দুর করিম সরকার (৭০) নামের এক ব্যক্তি মারা যান। করিমের মৃত্যুর ঘটনায় করিমের ছেলে সাদেক সরকার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। করিম সরকারের আপন ভাতিজা সাবেক ইউপি সদস্য দাইয়ান সরকারকে প্রধান আসামী ও করিম সরকারের আপন ভাগিনা বারদী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হকসহ ৮ আপন ভাতিজা ৬ ভাগিনা ও ২ আপন নাতিসহ ৩৫জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গত শুক্রবার রাতে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি হাফিজুর ইসলাম জানান, গত ২০ তারিখে করিম সরকার নামের এক ব্যক্তি মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ছেলে সাদেক ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, করিম হত্যার বিষয়টি যত্ন সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনও ময়না তদন্তের রির্পোট হাতে পাইনি। ময়না তদন্তের রির্পোটটি হাতে পেলে মামলার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মামলায় করিমের ছেলে সাদেক উল্লেখ করেন, গত ১৩ এপ্রিল সকালে জহিরুহকের নির্দেশে দাইয়ান সরকার করিম সরকারকে মাথায় উঠাইয়া মাটিতে আছাড় মারিয়া তার বুকে বেদনাদায়ক জখম করে এবং ২ নং আসামী নাজমুল সরকার করিম সরকারের গলায় চাপ দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এসময় অন্যান্য আসামীরা লাঠি সোটা দিয়ে তাকে পিটিয়ে আহত করে। আহত করিম সরকারের স্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। গত ২০ তারিখ সকালে পুনরায় করিম সরকারের স্বাসকষ্ট শুরু হলে পুনরায় সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করলে পথিমধ্যে তিনি মারা যান। পরে তাকে মোগরাপাড়া চৌরাস্তার সেবা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় করিম সরকারের ছেলে গত ২০ তারিখ রাতে ৪৯ জনকে আসামী করে একটি হত্যার অভিযোগ করেন। পরে ২১ তারিখ রাতে ৩৫ জনের নাম উল্লখ করে আরো ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৩ এপ্রিল উপজেলার বারদী ইউনিয়নের বারদী বাজার এলাকায় নাজমুলের চাচা মুজিবুল্লাহ এর সাথে ইবুর সমর্থক হাসানের সাথে বংশ নিয়ে তর্ক হয়। এক পর্যায়ে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অর্তকিত ভাবে মুজিবুল্লাহ এর সাথে থাকা সাবেক ইউপি সদস্য তাজুল ইসলামের উপর অর্তকিত হামলা চালায় ইবুর সমর্থকরা। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বর্তমান ইউপি সদস্য নাজমুল ঘটনাস্থলে এসে বিবাদ মিমাংশা করার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় জাকির, সামসুলকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এর মধ্যে মৃত করিমও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। যিনি গত বুধবার বিকেলে মারা যান। এ ঘটনায় গত ১৩ এপ্রিল তারিখ রাতে উভয় পক্ষের পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সজিব রায়হান জানান, মৃত করিম সরকার গত বুধবার সকালে প্রচন্ড স্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তখন তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেলে তার স্বজনরা তাকে নিয়ে আবার হাসপাতালে এসে জানান, রাস্তায় জ্যাম থাকার কারনে তাকে ঢাকা হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেনি। সেই জন্য আবার এখানে নিয়ে এসেছেন। আসার পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখেন হাসপাতালে আসার আগেই রোগী মারা গেছেন।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাবরিনা খাঁন জানান, মৃত করিম সাহেব গত ১৩ তারিখে তিনি শারীরিক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। তখন মেজর কোন সমস্যা না থাকায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। গত ২০ এপ্রিল সকালে তিনি আবার প্রচন্ড স্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এখানে তাকে সুস্থ করার মতো সরঞ্জামাদি না থাকায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বিকেলে আবার তাকে তার স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। তিনি আরো জানান, আমি যতটুকু জানি তিনি নরমান স্বাসকষ্টে মারা গেছেন এটার সাথে শারীরিক ইনজুরির কোন সর্স্পক নাই।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution