• বিকাল ৩:৩৫ মিনিট রবিবার
  • ২২শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
বন্দরে করোনা রোগীকে দেখতে যাওয়া সোনারগাঁয়ে ২ মহিলাকে আইসোলেটে সোনারগাঁয়ে জ্বর- সর্দি কার্শিতে এক বৃদ্ধার মৃত্যু, করোনা আতঙ্কে কাছে যাচ্ছে না কেউ পিরোজপুর ইউপির ৩ গ্রামের অসহায়দের মাঝে চেয়ারম্যান মাসুমের ত্রাণ বিতরন উপজেলার ৮ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুম ভাইস চেয়ারম্যান বাবু ওমরের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ সাদিপুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ও দুস্থ- অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সোনারগাঁয়ে ত্রাণ বিতরণের ছবি ফেসবুকে পোষ্ট করে সমালোচনার মুখে ডাক্তার বিরু মোগরাপাড়া বিদ্যায়তনের ২০০৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ত্রান বিতরণ এখনো করোনামুক্ত রয়েছে যে ১৮ রাষ্ট্র ২৫০ প্রতিবন্ধী ও ৭০ জন হিজরার মাঝে নগদ অর্থ ও ত্রান সামগ্রী প্রদান চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ মাসুমের সোনারগাঁয়ে মঙ্গলেরগাঁও কান্দাপাড়া এলাকায় সৌদি প্রবাসী ব্যবসায়ীর উদ্যোগে ত্রান বিতরন সোনারগাঁয়ে দুস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বারদীতে তরুচ্ছায়া সংগঠনের নানা উদ্যোগ উপজেলা আওয়ামীলীগে আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে জামপুরে অসহায়দের মাঝে ত্রান বিতরণ করোনায় মধ্যবিত্তের কান্না… রবিউল হুসাইন সোনারগাঁও পৌরসভা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশে আরও ৫ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন বন্দরে করোনায় এক নারীর মৃত্যু ঘরে থাকবেন আপনারা খাবার পৌছে দিব আমরা. চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাসুম
সোনারগাঁও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন স্টল বরাদ্দে শঙ্কা কাটেনি দরিদ্র ৩৫ কারুশিল্পীর

সোনারগাঁও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন স্টল বরাদ্দে শঙ্কা কাটেনি দরিদ্র ৩৫ কারুশিল্পীর

নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করে ছয় বছর পর রায় পেয়েও স্টল বরাদ্দে শঙ্কা কাটেনি ৩৫ দরিদ্র কারুশিল্পীর। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে স্টল বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তসহ এই কারুশিল্পীরা ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন। ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর রিট পিটিশনের রায়ে উল্লেখিত কারুশিল্পীদের নামে স্টল বরাদ্দের নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে স্টল বরাদ্দ পাওয়া নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কায় কারুশিল্পীরা বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন। তবে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ আদালতের রায় বাস্তবায়নে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে ৩৫টি ছনের ঘরে কারুশিল্পীরা নিজেদের তৈরি কারুপণ্য বিক্রি শুরু করেন। ২০১০ সালে কর্তৃপক্ষ ছনের ঘরের স্থলে প্রায় ১ কোটি ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪৮টি পাকা স্টল নির্মাণ করে। ২০১২ সালের ৩০ জুন এ কাজ শেষ হয়। পরে আগস্ট মাসে স্টলগুলোয় পুরান ৩৫ কারুশিল্পীসহ ৪৮ জনের নামে বরাদ্দ দেয় ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ। পরে ফাউন্ডেশন পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তে ওই বরাদ্দপত্র স্থগিত করা হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সারকে সভাপতি, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপসচিব মোশারফ হোসেন ও বিসিকের প্রধান নকশাবিদ এসএম সামসুদ্দিনকে সদস্য এবং ফাউন্ডেশনের তৎকালীন পরিচালক কবি রবীন্দ্র গোপকে সদস্য সচিব করে কারুপণ্য বিপণন স্টল বণ্টন কমিটি গঠন করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ের বরাদ্দে বাদ পড়েন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তসহ ২২ কারুশিল্পী। আর বাদ পড়াদের পরিবর্তে স্টল বরাদ্দ পান স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং তাদের স্বজনরা।

এ পরিপ্রেক্ষিতে বাদ পড়া কারুশিল্পীরা ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন। শুনানি শেষে আদালত স্টল বরাদ্দের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে নতুন বরাদ্দের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ফাউন্ডেশনের তৎকালীন পরিচালকসহ তিনজনের প্রতি রুল জারি করে প্রকৃত কারুশিল্পীদের আগের অবস্থায় বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর এ রিট পিটিশনের রায়ে উল্লেখিত কারুশিল্পীদের নামে স্টল বরাদ্দের নির্দেশ দেওয়া হয়।

কারুশিল্পী কবির হোসেন জানান, আদালতের আদেশ কপি প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে কারুশিল্পীদের নামে স্টল বরাদ্দ প্রদানের কথা বলা হলেও তারা এ নিয়ে অজানা শঙ্কায় রয়েছেন। তিনি আরও জানান, দ্রুত স্টল বরাদ্দের পাওয়ার জন্য কারুশিল্পীরা বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন। অনুলিপি দিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে।

এ ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। উল্লেখিত ৩৫ জনসহ ৪৮ কারুশিল্পীর নামেই স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution