• রাত ১২:৪৬ মিনিট বুধবার
  • ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ২রা জুন, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
জান্নাতি ও জাহান্নামিদের মাঝে কথোপকথন!.. তুহিন মাহমুদ করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফনের ব্যবস্থা করলেন এমপি খোকার টিম বারদীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে ২ ব্যক্তির মৃত্যু লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩০ তিরোধান উৎসব স্থগিত সোনারগাঁয়ে করোনার উপসর্গ নিয়ে মেয়ের পর মায়ের মৃত্যু প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে সোনারগাঁয়ে সোনারগাঁয়ে জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ত্রাণ বিতরণ সোনারগাঁয়ে এ পর্যন্ত করোনায় ১০ জনের মৃত্যু, লাশ দাফনে এমপি খোকার টিম স্বাস্থ্যবিধি মেনে সোনারগাঁয়ে চলছে গণপরিবহন কাঁচপুর যুবলীগের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে উপজেলা যুবলীগের শোক সোনারগাঁয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরেক জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ে কোন সিন্ডিকেট নয়, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় শুরু সোনারগাঁয়ে জিপিএ ৫ এ সেরা মোগরাপাড়া স্কুল, শতভাগ পাশ নুনেরটেক ও রিবর সোনারগাঁয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের হার ৮৭.৮১% করোনার হটস্পট সোনারগাঁয়ে চলছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান সোনারগাঁয়ে আরো ১০ জনের দেহে করোনা সনাক্তসহ মোট আক্রান্ত ২১৩ জন সোনারগাঁ টু গুলিস্থান: স্বদেশ পরিবহনে আনুমানিক ৭৩, দোয়েলে ৭৫ টাকা মান্নানের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকীতে করোনা থেকে মুক্তির জন্য দোয়া এই তো জীবন… রবিউল হুসাইন করোনার উপসর্গ নিয়ে আরেক ব্যক্তির মৃত্যু, লাশ দাফনে এমপি খোকার স্বেচ্ছাসেবক টিম
আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

Logo

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:
পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ, বাঙালীর প্রাণের উৎসব, ”এসো হে বৈশাখ ” বলে আহ্ববান জানাতে মন প্রাণ আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠে। এ বৈশাখ উদ্যাপনে নতুন উৎসাহ উদ্দীপনার সঞ্চার ঘটে । আজ বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ ১৪২৬।

পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ সালের পুরাতন হলেও তা উদ্যাপনের ইতিহাস অতটা পুরাতন নয়। আমাদের দেশের নববর্ষ উদ্যাপনের প্রচলিত কোন নিয়ম ছিল না, ফসল তোলার সময়কে বছরের প্রথম দিন ধরা হত। নবান্ন উৎসবই ছিল নববর্ষ উদ্যাপনের বিকল্প। অনেকেই শৈশবে বৈশাখী মেলার কথা বলে থাকি, কিন্তু বৈশাখী মেলা বলে কোন কিছু ছিল না, ছিল চৈত্র সংক্রান্তি মেলা। এ ফসল তোলার সময় কে বছরের প্রথম ধরা হতো, কিন্তু এতে করে কৃষকের খাজনা জমা দিতে অনেক অসুবিধা হতো, আর তাই মোগল বাদশাহ্ আকবর বাংলা সনের প্রবর্তনের প্রস্তাব দিলেন, আর তাতেই চন্দ্র বর্ষ হিজরির সংগে সেীর বর্ষ গননার সংযোগ গঠিয়ে যে নতুন পদ্বতিতে বর্ষ রীতি চালু করেন তা এ দেশে বাংলা সন হিসাবে পরিচিত। ইতিহাস আজ সে কথা ই বলে। অনেক পরেও দেখা গেছে নতুন বছর আগমনের চেয়ে বর্ষবিদায় বা চৈত্রসংক্রান্তি ছিল অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। নওরোজ নামে নববর্ষ উৎসব এ উপমহাদেশে আসে মুসলমানদের হাত ধরে। বাদশাহ দের পৃষ্টপোষকতায় নওরোজ উদ্যাপন হিজরি সনেরই ছিল প্রধান্য। শাহী দরবারের রীতিনীতি, আচার-আচরণ স্বাভাবিক ভাবে নীচের দিকে গড়ায়। এ উৎসব ক্রমে প্রাদেশিক ও সামস্থ স্তরে বিস্তার লাভ করে। অন্য দিকে পহেলা বৈশাখ এর উৎসব উদ্যাপন ঠাই করে নেয়, তা হচ্ছে জমিদার সেরেস্তার পূর্ণহ্য আর মহাজনীর গদির ’হালখাতা ’।যদিওবা এসব আয়োজন সাধারণের উৎসব বলা যায় না। কেননা জমিদারদের খাজনা প্রতি, ব্যবসায়িদের হাল খাতা বকেয়া পাওনা আদায় ছিল এ আয়োজনের মূল অংশ। কিছুটা মিষ্টান্ন বিতরণ করা হলেও বিষয়টি সবার জন্য সূখবর ছিলনা।

উনিশ শতকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তরুনরা জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকশিত হতে শুরু করে। আর তাদের মধ্যে একজন রাজ নারায়ণ বসু (মাইকেল মদুসূদন দত্তের বন্ধু) যিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তখন ইংরেজী শাসন সূপ্রতিষ্ঠিত, তখন জানুয়ারী নববর্ষ উদ্যাপনের ব্যাপক প্রসার ঘটে গেছে। তখন রাজ নারায়ণ বসু তার বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু এর প্রভাব শান্তি নিকেতন ও শিক্ষাজ্ঞনে পরতে আরো বেশ অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়। যার মূলে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধের উন্মেষ। ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষকে বিশেষ করে বুদ্বিজীবিদের স্বকীয়তা সন্ধানী করে তুলে। এভাবে নজরে আসে বাংলা নববর্ষের প্রতি। ১৯৬৪ সালে কবি জাহানারা আরজু নিজ বাসায় বেশ ঘটা করে পালিত হয় বাংলা নববর্ষ । যাতে প্রয়াত কবি হাসান হাফিজুর রহমান একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন এবং গানে অংশ নেয় ছায়নটের শিল্পিরা এই সান্ধ অনুষ্টানের মূখ্য ভুমিকায় ছিলেন প্রয়াত সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সঙ্গীত অন্ত প্রাণ সাংবাদিক ওয়াহিদুর রহমান ।

১ লা বৈশাখ নি:সন্দেহে আমাদের জাতীয়তার ধর্ম নিরপেক্ষ সার্বজনীন চরিত্রের সঙ্গে জড়িত। এই আবেগ ই এ দিন হাজার হাজার মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনে। গ্রীস্মের জনারন্য দাবদাহ অগ্রাহ্য করে নারী পূরুষ কে নির্বিশেষে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। আর তারই মধ্য দিয়ে যে আকুতি এই দিনে মানুষের পদ চারনায় ভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ফুটে উঠে তা হলো জাতি সত্ত্বার প্রতি মানুষের নারীর টানের অভিব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাংলাদেশের উৎসবের সঙ্গে মেলার যোগ সনাতন কাল থেকে থেকেই চলে আসছে। যার ফলে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে আর্থ সামাজিক জীবনের সম্পর্ক হয়ে উঠেছে ঘনিষ্ঠতা । আর এমন টাই কাম্য।

Logo
এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution