• সকাল ৯:৪০ মিনিট সোমবার
  • ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শরৎকাল
  • ২৬শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে ডিজিটাল উপায়ে সামাজিক ভাতা প্রদানে অবহিতকরণ সভা সোনারগাঁয়ে শীতলক্ষ্যার তীরে কারখানা ডকইয়ার্ড ৬তলা ভবনসহ অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ইমামের গলাকাটা লাশ : পুলিশের দাবি ‘ক্লুলেস মার্ডার’ ভ্যাপসা গরমেই বাজারে শীতের সবজি সোনারগাঁয়ে শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী নুর হোসেন ইয়াবাসহ গ্রেফতার বৃষ্টি উপেক্ষা করে শোক সভায় হাজারো নেতাকর্মীদের ঢল সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় মাদক প্রতিরোধ কমিটির নেতার বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট উপজেলা আওয়ামীলীগকে ওরা ওরস্যালাইনের মত বানাতে চায়..কালাম আহ্বায়ক কমিটি মাঠে নামলেই কোমর ভেঙ্গে দিন…মোশারফ হোসেন আগামী দিনে প্রমান হবে কারা থাকবে কারা থাকবে না.. মাসুদ দুলাল স্থানীয় প্রশাসনকে কায়সার হাসনাতের হুশিয়ারী সোনারগাঁয়ে শোকসভা উপলক্ষে জনসভা সোনারগাঁয়ে বিয়ের প্রলোভনে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক ইঞ্জিনিয়ার মাসুমকে নিয়ে নেতাকর্মীদের আবেকঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল আজ কায়সার, মোশারফ, কালাম ও দুলালের উদ্যোগে শোকসভা, জনস্রোতের প্রস্তুতি সোনারগাঁয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত-৪ সিদ্ধান্ত আমরা নিবো কোন পেতাত্মার খবরদারি চলবেনা..কায়সার হাসনাত দুষ্টের দমন সৃষ্টের পালনের প্রত্যয়ে সোনারগাঁয়ে শোভাযাত্রা সোনারগাঁয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা, স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা কায়সার, মোশারফ, কালাম ও দুলালের উপস্থিতে বর্ধিত সভায় নিজেদের ঐক্য অটুট রাখার প্রত্যয়
আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:
পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ, বাঙালীর প্রাণের উৎসব, ”এসো হে বৈশাখ ” বলে আহ্ববান জানাতে মন প্রাণ আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠে। এ বৈশাখ উদ্যাপনে নতুন উৎসাহ উদ্দীপনার সঞ্চার ঘটে । আজ বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ ১৪২৬।

পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ সালের পুরাতন হলেও তা উদ্যাপনের ইতিহাস অতটা পুরাতন নয়। আমাদের দেশের নববর্ষ উদ্যাপনের প্রচলিত কোন নিয়ম ছিল না, ফসল তোলার সময়কে বছরের প্রথম দিন ধরা হত। নবান্ন উৎসবই ছিল নববর্ষ উদ্যাপনের বিকল্প। অনেকেই শৈশবে বৈশাখী মেলার কথা বলে থাকি, কিন্তু বৈশাখী মেলা বলে কোন কিছু ছিল না, ছিল চৈত্র সংক্রান্তি মেলা। এ ফসল তোলার সময় কে বছরের প্রথম ধরা হতো, কিন্তু এতে করে কৃষকের খাজনা জমা দিতে অনেক অসুবিধা হতো, আর তাই মোগল বাদশাহ্ আকবর বাংলা সনের প্রবর্তনের প্রস্তাব দিলেন, আর তাতেই চন্দ্র বর্ষ হিজরির সংগে সেীর বর্ষ গননার সংযোগ গঠিয়ে যে নতুন পদ্বতিতে বর্ষ রীতি চালু করেন তা এ দেশে বাংলা সন হিসাবে পরিচিত। ইতিহাস আজ সে কথা ই বলে। অনেক পরেও দেখা গেছে নতুন বছর আগমনের চেয়ে বর্ষবিদায় বা চৈত্রসংক্রান্তি ছিল অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। নওরোজ নামে নববর্ষ উৎসব এ উপমহাদেশে আসে মুসলমানদের হাত ধরে। বাদশাহ দের পৃষ্টপোষকতায় নওরোজ উদ্যাপন হিজরি সনেরই ছিল প্রধান্য। শাহী দরবারের রীতিনীতি, আচার-আচরণ স্বাভাবিক ভাবে নীচের দিকে গড়ায়। এ উৎসব ক্রমে প্রাদেশিক ও সামস্থ স্তরে বিস্তার লাভ করে। অন্য দিকে পহেলা বৈশাখ এর উৎসব উদ্যাপন ঠাই করে নেয়, তা হচ্ছে জমিদার সেরেস্তার পূর্ণহ্য আর মহাজনীর গদির ’হালখাতা ’।যদিওবা এসব আয়োজন সাধারণের উৎসব বলা যায় না। কেননা জমিদারদের খাজনা প্রতি, ব্যবসায়িদের হাল খাতা বকেয়া পাওনা আদায় ছিল এ আয়োজনের মূল অংশ। কিছুটা মিষ্টান্ন বিতরণ করা হলেও বিষয়টি সবার জন্য সূখবর ছিলনা।

উনিশ শতকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তরুনরা জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকশিত হতে শুরু করে। আর তাদের মধ্যে একজন রাজ নারায়ণ বসু (মাইকেল মদুসূদন দত্তের বন্ধু) যিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তখন ইংরেজী শাসন সূপ্রতিষ্ঠিত, তখন জানুয়ারী নববর্ষ উদ্যাপনের ব্যাপক প্রসার ঘটে গেছে। তখন রাজ নারায়ণ বসু তার বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু এর প্রভাব শান্তি নিকেতন ও শিক্ষাজ্ঞনে পরতে আরো বেশ অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়। যার মূলে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধের উন্মেষ। ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষকে বিশেষ করে বুদ্বিজীবিদের স্বকীয়তা সন্ধানী করে তুলে। এভাবে নজরে আসে বাংলা নববর্ষের প্রতি। ১৯৬৪ সালে কবি জাহানারা আরজু নিজ বাসায় বেশ ঘটা করে পালিত হয় বাংলা নববর্ষ । যাতে প্রয়াত কবি হাসান হাফিজুর রহমান একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন এবং গানে অংশ নেয় ছায়নটের শিল্পিরা এই সান্ধ অনুষ্টানের মূখ্য ভুমিকায় ছিলেন প্রয়াত সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সঙ্গীত অন্ত প্রাণ সাংবাদিক ওয়াহিদুর রহমান ।

১ লা বৈশাখ নি:সন্দেহে আমাদের জাতীয়তার ধর্ম নিরপেক্ষ সার্বজনীন চরিত্রের সঙ্গে জড়িত। এই আবেগ ই এ দিন হাজার হাজার মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনে। গ্রীস্মের জনারন্য দাবদাহ অগ্রাহ্য করে নারী পূরুষ কে নির্বিশেষে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। আর তারই মধ্য দিয়ে যে আকুতি এই দিনে মানুষের পদ চারনায় ভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ফুটে উঠে তা হলো জাতি সত্ত্বার প্রতি মানুষের নারীর টানের অভিব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাংলাদেশের উৎসবের সঙ্গে মেলার যোগ সনাতন কাল থেকে থেকেই চলে আসছে। যার ফলে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে আর্থ সামাজিক জীবনের সম্পর্ক হয়ে উঠেছে ঘনিষ্ঠতা । আর এমন টাই কাম্য।

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution