• ভোর ৫:০৪ মিনিট শনিবার
  • ৭ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ১৯শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁ থানার ৬ অফিসার বদলী সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে মহিলা সহ ১০জন আহতের ঘটনায় থানায় মামলা, গ্রেফতার ১ সোনারগাঁয়ে ৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট, যাত্রী দূর্ভোগে শেষ নেই সোনারগাঁয়ে আলো দিশারীর ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মাদক বিরোধী সভা সোনারগাঁয়ে মাদক সেবনে বাঁধা দেয়ায় এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা সোনারগাঁয়ে উপজেলা নির্বাচনে কালামের পক্ষে কাজ করায় ছেলেকে মারধর রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে রনি ইয়াবাসহ আটক সোনারগাঁয়ে শনিবার সারা দিন যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবেনা ৬৯ এসে কেক কেটে জম্মদিন পালন করলেন রশিদ মোল্লা সোনারগাঁয় মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা তিন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী’কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচী পালন সোনারগাঁয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত অজ্ঞাত মহিলা পরিচয় সনাক্ত সোনারগাঁয়ে আ.লীগের বিদ্রোহী পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক ৩ পরিবারকে সমাজচ্যুত সোনারগাঁয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১০, বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাট ২১ এপ্রিলই শবে বরাত ঢাকা বিভাগের সেরা অফিসারের পুরস্কার পেলেন এস আই আজাদ সোনারগাঁয়ে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজিত বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

আজ বাঙালীর প্রাণের মেলা… শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী শিপন

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:
পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ, বাঙালীর প্রাণের উৎসব, ”এসো হে বৈশাখ ” বলে আহ্ববান জানাতে মন প্রাণ আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠে। এ বৈশাখ উদ্যাপনে নতুন উৎসাহ উদ্দীপনার সঞ্চার ঘটে । আজ বাংলা বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ ১৪২৬।

পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ সালের পুরাতন হলেও তা উদ্যাপনের ইতিহাস অতটা পুরাতন নয়। আমাদের দেশের নববর্ষ উদ্যাপনের প্রচলিত কোন নিয়ম ছিল না, ফসল তোলার সময়কে বছরের প্রথম দিন ধরা হত। নবান্ন উৎসবই ছিল নববর্ষ উদ্যাপনের বিকল্প। অনেকেই শৈশবে বৈশাখী মেলার কথা বলে থাকি, কিন্তু বৈশাখী মেলা বলে কোন কিছু ছিল না, ছিল চৈত্র সংক্রান্তি মেলা। এ ফসল তোলার সময় কে বছরের প্রথম ধরা হতো, কিন্তু এতে করে কৃষকের খাজনা জমা দিতে অনেক অসুবিধা হতো, আর তাই মোগল বাদশাহ্ আকবর বাংলা সনের প্রবর্তনের প্রস্তাব দিলেন, আর তাতেই চন্দ্র বর্ষ হিজরির সংগে সেীর বর্ষ গননার সংযোগ গঠিয়ে যে নতুন পদ্বতিতে বর্ষ রীতি চালু করেন তা এ দেশে বাংলা সন হিসাবে পরিচিত। ইতিহাস আজ সে কথা ই বলে। অনেক পরেও দেখা গেছে নতুন বছর আগমনের চেয়ে বর্ষবিদায় বা চৈত্রসংক্রান্তি ছিল অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। নওরোজ নামে নববর্ষ উৎসব এ উপমহাদেশে আসে মুসলমানদের হাত ধরে। বাদশাহ দের পৃষ্টপোষকতায় নওরোজ উদ্যাপন হিজরি সনেরই ছিল প্রধান্য। শাহী দরবারের রীতিনীতি, আচার-আচরণ স্বাভাবিক ভাবে নীচের দিকে গড়ায়। এ উৎসব ক্রমে প্রাদেশিক ও সামস্থ স্তরে বিস্তার লাভ করে। অন্য দিকে পহেলা বৈশাখ এর উৎসব উদ্যাপন ঠাই করে নেয়, তা হচ্ছে জমিদার সেরেস্তার পূর্ণহ্য আর মহাজনীর গদির ’হালখাতা ’।যদিওবা এসব আয়োজন সাধারণের উৎসব বলা যায় না। কেননা জমিদারদের খাজনা প্রতি, ব্যবসায়িদের হাল খাতা বকেয়া পাওনা আদায় ছিল এ আয়োজনের মূল অংশ। কিছুটা মিষ্টান্ন বিতরণ করা হলেও বিষয়টি সবার জন্য সূখবর ছিলনা।

উনিশ শতকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তরুনরা জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকশিত হতে শুরু করে। আর তাদের মধ্যে একজন রাজ নারায়ণ বসু (মাইকেল মদুসূদন দত্তের বন্ধু) যিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তখন ইংরেজী শাসন সূপ্রতিষ্ঠিত, তখন জানুয়ারী নববর্ষ উদ্যাপনের ব্যাপক প্রসার ঘটে গেছে। তখন রাজ নারায়ণ বসু তার বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু এর প্রভাব শান্তি নিকেতন ও শিক্ষাজ্ঞনে পরতে আরো বেশ অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়। যার মূলে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবোধের উন্মেষ। ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষকে বিশেষ করে বুদ্বিজীবিদের স্বকীয়তা সন্ধানী করে তুলে। এভাবে নজরে আসে বাংলা নববর্ষের প্রতি। ১৯৬৪ সালে কবি জাহানারা আরজু নিজ বাসায় বেশ ঘটা করে পালিত হয় বাংলা নববর্ষ । যাতে প্রয়াত কবি হাসান হাফিজুর রহমান একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন এবং গানে অংশ নেয় ছায়নটের শিল্পিরা এই সান্ধ অনুষ্টানের মূখ্য ভুমিকায় ছিলেন প্রয়াত সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সঙ্গীত অন্ত প্রাণ সাংবাদিক ওয়াহিদুর রহমান ।

১ লা বৈশাখ নি:সন্দেহে আমাদের জাতীয়তার ধর্ম নিরপেক্ষ সার্বজনীন চরিত্রের সঙ্গে জড়িত। এই আবেগ ই এ দিন হাজার হাজার মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনে। গ্রীস্মের জনারন্য দাবদাহ অগ্রাহ্য করে নারী পূরুষ কে নির্বিশেষে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। আর তারই মধ্য দিয়ে যে আকুতি এই দিনে মানুষের পদ চারনায় ভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ফুটে উঠে তা হলো জাতি সত্ত্বার প্রতি মানুষের নারীর টানের অভিব্যক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাংলাদেশের উৎসবের সঙ্গে মেলার যোগ সনাতন কাল থেকে থেকেই চলে আসছে। যার ফলে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে আর্থ সামাজিক জীবনের সম্পর্ক হয়ে উঠেছে ঘনিষ্ঠতা । আর এমন টাই কাম্য।

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution