• সকাল ৭:১১ মিনিট শুক্রবার
  • ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁও জাদুঘরের কারুশিল্পীদের দোকান বরাদ্দে উচ্চ আদালতে রিট ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াটার সাপ্লাই পাইপের উদ্ধোধন সোনারগাঁয়ে ৭ হাজার ৭ শত পিস ইয়াবাসহ আটক ৩ ভোটারদের স্মার্ট কার্ড তুলে দিলেন চেয়ারম্যান শিপলু মাসব্যাপী লোকজ ও মেলা নিয়ে মত বিনিময় সভা আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহাগ রনি’র উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হত্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসা যন্ত্রণাদায়ক: জয়া বুধবার ১০ জনের নমুনা পরিক্ষায় ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত সোনারগাঁয়ে বান্ধবীর সহায়তায় কিশোরীকে ধর্ষণ, বান্ধবী গ্রেপ্তার আল- মোস্তফা গ্রুপের জমি দখলের অভিযোগ আনন্দ শিপ ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে টেকনাফে নারায়নগঞ্জের পর্যটকের লাশ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে ১১ জনের নমুনায় ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত নয়াগাঁও’য়ে সংষর্ঘের ঘটনায় আলী আহম্মেদ নামে আরেক জনের মৃত্যু ইজিবাইক ডাম্পিং দেয়ায় ছুরি চালিয়ে চালকের আত্মহত্যার চেষ্টা না.গঞ্জেও সংসার ছিল ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রীর জিন্নাহ এর উদ্যোগে সনমান্দীতে ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধণা ও স্মৃতিচারণ সোনারগাঁয়ে সমাজ সেবা ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু নয়াগাঁওয়ের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের মান্নানের পক্ষে আল-মুজাহিদ মল্লিক ও মাসুমের উদ্যোগে জেলায় একুশের র‌্যালী
আল্লাহ তায়ালার স্পেশাল কাজ”! তুহিন মাহমুদ

আল্লাহ তায়ালার স্পেশাল কাজ”! তুহিন মাহমুদ

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আল্লাহ তায়ালা নিজে একটা স্পেশাল কাজ করেন। জানেন সেই স্পেশাল কাজটি কি?

এবং সেটি তিনি একবার বা দু’বার নয় বরং অনবরতই করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ।
যেহেতু আল্লাহ তায়ালা নিজেই এই কাজটি করে থাকেন তাহলে ফেরেশতারা কি সে কাজটি না করে থাকতে পারেন?
না, কখনই না! ফেরেশতারাও নিয়মিত এই কাজটি করেন।

এবং আমাকে আপনাকে, সবাইকে আল্লাহ তায়ালা আদেশ করেছেন যেন আমরাও সেই কাজটি করি। জানেন সে কাজটি কি?

হ্যাঁ! সেটি হল, তাঁর প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দুরুদ পাঠ করা। এটিই হলো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি আল্লাহ তায়ালার ভালবাসা!

মহান আল্লাহ বলেন,

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত/দুরুদ প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে দুরুদ পাঠ কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর। [ সুরা আহযাব ৩৩:৫৬ ]

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ, ওয়ালিহি ওয়াসাল্লিম.

আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহব্বতের আরেকটি নমুনা হলোঃ
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ৪জায়গায় “মুহাম্মাদ” শব্দটি ব্যবহার করেছেন। “মুহাম্মাদ” শব্দটি “ইসমে মাফউল” থেকে যার অর্থ হলঃ প্রশংসিত।
এ শব্দটি কোরআনে ৪স্থানে দেখা যায়। যথাঃ

১| সুরাঃ আল-ইমরানে ৩ঃ১৪৪ নং আয়াতে।
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلاَّ رَسُولٌ
“মুহাম্মাদ একজন রাসুল”।

২| সুরাঃ আল-আহযাব ৩০ঃ আয়াত-৪০।
مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
” মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।”

৩| সুরাঃ মুহাম্মাদ ৪৭ঃ আয়াত ২,
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَآمَنُوا بِمَا نُزِّلَ عَلَى مُحَمَّدٍ وَهُوَ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ كَفَّرَ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَأَصْلَحَ بَالَهُمْ

“আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, আল্লাহ তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।”

৪|সুরাঃ ফাতহ ৪৮ঃ আয়াত ২৯
مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ
“মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল”

আর ১জায়গায় এসেছে “আহমাদ” শব্দটি যা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরই নাম। ‘আহমাদ’ এবং ‘মুহাম্মাদ’ উভয় শব্দের উৎপত্তি “হামদুন” মূল শব্দ থেকে।
“আহমাদ” শব্দটি এসেছে ‘ইসমে তাফধিল’ থেকে। যার অর্থ হল, অধিক প্রশংসিত।

ঈসা আলাইহিস সালাম এর ২টি দায়িত্ব ছিল। একটি হল তাঁর পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতের সত্যতা প্রমাণ করা কেননা, তাওরাতে ঈসা আ. এর আগমনের কথা ছিল সেটি তিনি এসে প্রমাণ করলেন। আর অন্যটি হল, পরবর্তী রাসুল আসার সুসংবাদ দেয়া।

وَإِذْ قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُم مُّصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَمُبَشِّرًا بِرَسُولٍ يَأْتِي مِن بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ فَلَمَّا جَاءهُم بِالْبَيِّنَاتِ قَالُوا هَذَا سِحْرٌ مُّبِينٌ
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু। [ সুরা সফ ৬১:৬ ]

কিন্তু কোরআনের এ ৫ জায়গার কোথাও কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নাম ধরে ডাকেন নি। অর্থাৎ, “ইয়া মুহাম্মাদ” নাম ধরে সম্বোধন করেন নি। যেমনটা অন্যান্য নবী রাসূলগনের বেলায় সরাসরি নাম সম্বোধন করেছেন। যেমনঃ কোরআনে পাওয়া যায়, ইয়া আদাম, ইয়া ইবরাহীম, ইয়া নুহ, ইয়া যাকারিয়া, ইয় ইয়াহিয়া, ইয়া মুসা, ইয়া ইসা আলাইহিমুস সালাম। কিন্তু প্রিয় হাবিবের বেলায় তার ব্যাতিক্রম।
আল্লাহ তায়ালা বরং তার প্রিয় হাবিবের লকব বা উপাধি সম্বোধন করে ডেকেছেন যেমনঃ
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّيَ
হে নবী!
يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ

হে রাসুল!

অর্থাৎ, বিশেষ সম্মানের খাতিরে অন্যান্য নবি রাসুলগণের মত সরাসরি নাম উল্লেখ করে কখনো বলেন নি, ” ইয়া মুহাম্মাদ”। সুবহানাল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালা নিজেই যেখানে তাঁর প্রিয় হাবিবকে নাম ধরে ডাকেন নি বরং উপাধি সম্বোধন করেছেন তাই পরবর্তীতে আর কেউ নাম ধরে ডাকেননি। জিবরাইল আমিনও উপাধি সম্বোধন করেই ডেকেছেন। এমনকি রাসুলুল্লাহ সাঃ এর পরিবারের মানুষজন,বন্ধুবর, সাহাবায়ে কেরাম কেউই নাম ধরে ডাকেননি বা আত্মীয়তার সম্বোধন করেও ডাকেননি বরং সবাই লকব মেনশন করে ডেকেছেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ” “ইয়া হাবিব আল্লাহ” বলে।

আয়েশা রা. সহ সকল স্ত্রীগণ ‘স্বামী’ সম্বোধন না করে বরং লকব মেনশন করেই ডেকেছেন। ফাতিমা রা. সহ অন্যান্য কন্যারাও ‘বাবা’ বলে না ডেকে, ডেকেছেন “ইয়া রাসুলুল্লাহ” “ইয়া হাবিব আল্লাহ” বলে। বন্ধু আবুবকর রা. এভাবেই ডেকেছেন, উমর রা., উসমান রা., আলী রা. সহ অন্যান্য সাহাবা আজমাইনও এভাবেই ডেকেছেন। এবং উনার চাচা বা অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরাও তাই করেছেন। পরবর্তীতে কেউ আর উনার নাম ধরে ডাকেনি। সবাই “ইয়া রাসুলুল্লাহ” “ইয়া হাবিব আল্লাহ” বলে ডেকেছেন।
সুবহানাল্লাহ।
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি ওয়াসাল্লিম।❤

তুহিন মাহমুদ


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution