• রাত ৪:৩৩ মিনিট রবিবার
  • ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : হেমন্তকাল
  • ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে পল্লী বিদ্যুতের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত দাবি দাওয়া নিয়ে সোনারগাঁয়ে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি সোনারগাঁয়ে ১৯ জনের নমুনা পরিক্ষায় ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত মাঠে-ঘাটে সাধারণ মানুষের সাথে নৌকার প্রার্থী ঝরার গণসংযগোগ সোনারগাঁও জাদুঘরে দুইজনসহ একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪ আশরাফুল ইসলাম মাকসুদেরর গণসংযোগ সোনারগাঁয়ের সোয়াইব হত্যার রায় পিছিয়ে ৩০ নভেম্বর ধার্য্য সোনারগাঁয়ে মাদ্রাসার শিক্ষককে পিটিয়ে জখম করলো ছাত্র সোনারগাঁয়ে গবাদি পশুকে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান সোনারগাঁয়ে ১২ জনের নমুনায় ৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ৬৮৭ এমপি খোকাকে নিয়ে কুরুচিপুর্ণ বক্তব্য প্রদানকারী জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি এমপি’র বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে জাতীয় পার্টির প্রতিবাদ সভা সোনারগাঁয়ে ঈদগাহর জমি দখলের পায়তারা, বিক্ষোভ মিছিল সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগকে শোকজ ! কলাপাতা রেষ্টুরেন্টের নতুন সংযোজন জন্মদিনের কেক সোনারগাঁয়ে ৮ জনের নমুনায় ৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত আমি বিএনপি করি স্যার জানে ফোনালাপে অধ্যক্ষ সুলতান মিয়া আমি নারী তাই মেয়র নির্বাচিত হলে নারী উন্নয়নর কাজ করবো.. ঝরা বির্তক পিছু ছাড়ছে না নাম ফলকের তড়িঘড়ি করে লাগানো হলো সোনারগাঁও জি আর ইনিষ্টিটিউশনের নাম ফলক
কুমারী পুজো কেন হয়? কুমারী হওয়ার যোগ্যতাই বা কী?

কুমারী পুজো কেন হয়? কুমারী হওয়ার যোগ্যতাই বা কী?

Logo


দেবী পুরাণে কুমারী পুজোর সুষ্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্র অনুসারে সাধারণত এক বছর থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পুজোর উল্লেখ রয়েছে। ব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যা অথবা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কন্যাকেও পুজো করার বিধান রয়েছে।

দেবী পুরাণে কুমারী পুজোর সুষ্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্র অনুসারে সাধারণত এক বছর থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পুজোর উল্লেখ রয়েছে। ব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যা অথবা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কন্যাকেও পুজো করার বিধান রয়েছে। বয়স ভেদে কুমারীর নাম হয় ভিন্ন। শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন, শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর প্রকাশ। কুমারী পুজোর মাধ্যমে নারী জাতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার বেলুড় মাঠে নয় কুমারীকে পুজো করেন। তখন থেকে প্রতি বছর দুর্গাপুজোর অষ্টমী তিথিতে বেলুড় মঠে মাহা ধুমধাম করে এই পুজোর প্রথা চলে আসছে।

সেকালে মুনিঋষিরা কুমারীপুজোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে পুজো করতেন। প্রকৃতি মানে নারী। সেই প্রকৃতিরই আর এক রূপ কুমারীদের মধ্যে দেখতে পেতেন তাঁরা। তাঁরা বিশ্বাস করতেন মানুষের মধ্যেই রয়েছে ঈশ্বরের অযুত প্রভাব। কারণ মানুষ চৈতন্যযুক্ত। আর যাঁদের সৎ মন কলুষতামুক্ত, তাঁদের মধ্যে আবার ঈশ্বরের প্রকাশ বেশি। কুমারীদের মধ্যে এই গুণগুলি থাকে মনে করেই তাদের বেছে নেওয়া হয় এই পুজোর দেবী হিসেবে।

মাদুরাইয়ের মীনাক্ষী দেবী মন্দিরে ও কন্যাকুমারীতেও মহা ধুমধামের সঙ্গে কুমারী পুজো হয়। কথিত আছে, কুমারীপুজো ছাড়া হোম-যজ্ঞ করেও দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না। কুমারীপুজোর আগে সাধক কুমারীকে নতুন বস্ত্র, ফুলের মালা ও মুকুটে সাজান। পায়ে আলতা, কপালে সিঁদুর ও তিলক সৌন্দর্যে রাঙিয়ে তোলেন। সুত্রঃ এসময়


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution