• ভোর ৫:৩৯ মিনিট মঙ্গলবার
  • ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে রিক্সা মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি সমর আলী মিয়ার ইন্তেকাল শবে মেরাজ আগামী ২২ মার্চ শুভেচ্ছা জানাতে আসা পিরোজপুরবাসীর সাথে উঠান বৈঠক ইঞ্জিনিয়ার মাসুমের আমি দোয়া করি খন্দকার জাফর সু-শিক্ষায় আরো উচ্চ শিক্ষিত হওক.. আজহারুল ইসলাম মান্নান মসজিদে ঢুকে পেটায় ইয়ানবী ও তার বাহিনী, পুলিশ বলেছে ছোটখাটো ঘটনা সোনারগাঁও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন স্টল বরাদ্দে শঙ্কা কাটেনি দরিদ্র ৩৫ কারুশিল্পীর সোনারগাঁয়ে স্বর্ণের দোকানে লুট জুয়েল বাঁচতে চায় সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে নারী পিটিয়ে আহত সোনারগাঁয়ে ঘুড়ি খেলাকে কেন্দ্র প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১০ শেষ হলো তিনদিন ব্যাপী সোনারগাঁও জাদুঘরের জামদানী মেলা শিশুদের জীবন গড়তে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে..ইঞ্জি: মাসুম সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদক বিরোধী সভা খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে পঞ্চমীঘাট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সাদিপুর ছাত্রলীগের পক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ দর্শণার্থী ও ক্রেতাদের পদচারনায় মুখোরিত সোনারগাঁয়ের জামদানী মেলা সাদিপুর যুব সমাজের উদ্যেগে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান সোনারগাঁ জাদুঘর এর উদ্যোগে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত, মান্নান শিবিরে স্বস্তি  সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন
কুমারী পুজো কেন হয়? কুমারী হওয়ার যোগ্যতাই বা কী?

কুমারী পুজো কেন হয়? কুমারী হওয়ার যোগ্যতাই বা কী?

দেবী পুরাণে কুমারী পুজোর সুষ্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্র অনুসারে সাধারণত এক বছর থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পুজোর উল্লেখ রয়েছে। ব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যা অথবা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কন্যাকেও পুজো করার বিধান রয়েছে।

দেবী পুরাণে কুমারী পুজোর সুষ্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। শাস্ত্র অনুসারে সাধারণত এক বছর থেকে ১৬ বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষণা কুমারীকে পুজোর উল্লেখ রয়েছে। ব্রাহ্মণ অবিবাহিত কন্যা অথবা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কন্যাকেও পুজো করার বিধান রয়েছে। বয়স ভেদে কুমারীর নাম হয় ভিন্ন। শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন, শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতীর প্রকাশ। কুমারী পুজোর মাধ্যমে নারী জাতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার বেলুড় মাঠে নয় কুমারীকে পুজো করেন। তখন থেকে প্রতি বছর দুর্গাপুজোর অষ্টমী তিথিতে বেলুড় মঠে মাহা ধুমধাম করে এই পুজোর প্রথা চলে আসছে।

সেকালে মুনিঋষিরা কুমারীপুজোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে পুজো করতেন। প্রকৃতি মানে নারী। সেই প্রকৃতিরই আর এক রূপ কুমারীদের মধ্যে দেখতে পেতেন তাঁরা। তাঁরা বিশ্বাস করতেন মানুষের মধ্যেই রয়েছে ঈশ্বরের অযুত প্রভাব। কারণ মানুষ চৈতন্যযুক্ত। আর যাঁদের সৎ মন কলুষতামুক্ত, তাঁদের মধ্যে আবার ঈশ্বরের প্রকাশ বেশি। কুমারীদের মধ্যে এই গুণগুলি থাকে মনে করেই তাদের বেছে নেওয়া হয় এই পুজোর দেবী হিসেবে।

মাদুরাইয়ের মীনাক্ষী দেবী মন্দিরে ও কন্যাকুমারীতেও মহা ধুমধামের সঙ্গে কুমারী পুজো হয়। কথিত আছে, কুমারীপুজো ছাড়া হোম-যজ্ঞ করেও দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না। কুমারীপুজোর আগে সাধক কুমারীকে নতুন বস্ত্র, ফুলের মালা ও মুকুটে সাজান। পায়ে আলতা, কপালে সিঁদুর ও তিলক সৌন্দর্যে রাঙিয়ে তোলেন। সুত্রঃ এসময়

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution