• দুপুর ১:০০ মিনিট সোমবার
  • ৮ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শরৎকাল
  • ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সড়ক দূর্ঘটনায় শাওন নামের কলেজ ছাত্র নিহত সোনারগাঁয়ে এবার ভুল চিকিৎসায় ছাগরের মৃত্যু সোনারগাঁয়ে এনামুল হক সাগর নামে এক ভূয়া ডাক্তার আটক লাগামহীন হয়ে পড়ছে সোনারগাঁয়ের ক্লিনিকগুলো মোবাইল চোর ধরতে থানায় জিডি চেক জালিয়াতি মামলায় আওয়ামীলীগ নেতার ২ বছরের কারাদন্ড সোনারগাঁয়ে সপ্তম শেণির ছাত্রীকে ধর্ষন, ধর্ষক গ্রেপ্তার ডাঃ শিউলী সরকারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল ঝনা সোনারগাঁ রয়েল প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন সোনারগাঁয়ে অটোগাড়ীর ধাক্কায় শিশু নিহত জিকে শামীম নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে নাই জি কে শামীমের বিতর্কিত কর্মকান্ডে ছিলেন সোনারগাঁয়ের একাধিক ব্যক্তি সিনহা গার্মেন্টে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ: ৪ শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা পলাশকে গুলি করে হত্যার হুমকী দিয়েছিল জি.কে শামীম! হত্যা মামলার আসামীরা জামিনে এসে বাদির ঘর পুড়িয়ে দিল বিপুল টাকাসহ যুবলীগ নেতা জি কে শামীম আটক সোনারগাঁয়ের ছেলে জি কে শামীম যুবদল থেকে যু্বলীগে, চলেন ৬জন দেহরক্ষী নিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পরিবর্তন আনুন খাদ্যভ্যাসে সোনারগাঁ রয়েল প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন শনিবার সিনহা গার্মেন্ট শ্রমিকদের সমাবেশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ থেকে ২০১৪, প্রেক্ষিত সোনারগাঁও

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ থেকে ২০১৪, প্রেক্ষিত সোনারগাঁও

রবিউল হুসাইন, নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:

১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসন থেকে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের সামগ্রিক চিত্র সংক্ষেপে এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। বিগত দশটি সংসদ নির্বাচনে সোনারগাঁও থেকে মোট ছয় জন সংসদ সদস্য প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এদের মধ্যে আ,লীগ থেকে মোবারক হোসেন দুই বার (১৯৭৩ ও ১৯৮৬), গণফ্রন্ট থেকে একবার এ.এস.এম সোলায়মান ( ১৯৭৯), জাতীয়পার্টি (জাপা) থেকে আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক একবার (১৯৮৮), বিএনপি থেকে অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম চারবার ( ১৯৯১,১৯৯৬,১৯৯৬ ও ২০০১), আওয়ামীলীগ থেকে আব্দুল্লাহ আল কায়সার একবার (২০০৮) ও জাতীয়পার্টি (জাপা) থেকে লিয়াকত হোসেন খোকা একবার (২০১৪)।

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় বর্তমান সোনরগাঁও আসনের নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ১৯৮, ঢাকা – ২৮। মোট ভোটার ছিল ৯০,৪৭৫। ভোট কেন্দ্র ছিল ৪০টি। ওই নির্বাচনে সোনারগাঁও থেকে প্রথমবারের মতো আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হন মোবারক হোসেন। মোবারক হোসেন ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি মোট ৪২,৮৭২ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। তৎকালীন সংসদে বয়সের দিক থেকে মোবারক হোসেন ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ সংসদ সদস্য। প্রথম সংসদ নির্বাচনে মোবারক হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন ন্যাপ(ভাসানী) দলের মনোনীত প্রার্থী এম. এ হামিদ তিনি পেযেছিলেন মোট ৬,৩৪৯ ভোট। অপর প্রতিদ্বন্ধি জাসদ প্রার্থী মোস্তফা মীর পান ১,০৭১ ভোট।

দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রয়ারি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফ্রন্টের প্রার্থী এ.এস.এম সোলায়মান ২০,৩৫০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন বিএনপি’র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি পান ১৩,২৭৮ ভোট। ১৯৭৫ সালে স্ব পরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামীলীগ দ্বি বিভক্ত হয়ে যায়। তাই ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মোবারক হোসেন নির্বাচন করা থেকে বিরত থাকেন। সে সময় এ আসনে দ্বি বিভক্ত আওয়ামীলীগের দুই জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। আ,লীগ(মালেক) গ্রুপ থেকে নির্বাচনে অংশ নেন সোনারগাঁওউপজেলা আওয়ামীলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মজিবুর রহমান। তিনি মোট ১,৫৫২ ভোট পেয়েছিলেন। অপরদিকে আ,লীগ (মিজান) গ্রুপ থেকে অংশ নেন তাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি পান মোট ৩৩৩ ভোট। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১,০০,৪২০জন। ভোট কেন্দ্র ছিল ৫৮টি। নির্বাচনী এলার নাম্বার ছিল ২০৩, ঢাকা-৩০।

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৬০টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৪, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে মোবারক হোসেন ৫১,১৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মিলু পান ২৪,৮৮৫ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী ফ্রন্টের এ.এস.এম সোলায়মান পান ১৭,০৫২ ভোট ও জাতীয় পার্টি(জাপা) প্রার্থী শফিউদ্দিন ভূঁইয়া পান ৯০১১ ভোট। এ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করেনি।

চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচন নানা কারণে বেশ বিতর্কিত হয়েছিল। নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক পার্টির প্রার্থী এ.এস.এম সোলায়মান এর সাথে জাতীয়পার্টির আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হকের প্রতিদ্বন্ধিতা হয়। এ নির্বাচনে জাতীয়পার্টির সাথে কৃষক শ্রমিক পার্টি জোটগত ভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ফলে সোনারগাঁও আসন থেকে কৃষক শ্রমিক পার্টির এ.এস.এম সোলায়মানকে সাংসদ হিসেবে গোষনা দেয়ার প্রক্রিয়া করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকা আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক ও তার কর্মী সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ.এস.এম সোলায়মানকে ঠেকানোর জন্য বাহাউল হকের সাথে তখন যোগ দেন আওয়ামীলীগের আবুল হাসনাত ও তার সমর্থকরা। তীব্র আন্দোলন ও অবরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত এ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হককের নাম ঘোষনা করা হয়। ফলে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয়পার্টির সাংসদ নির্বাচিত হন বাহাউল হক। পরবর্তীতে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৯১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন । এ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১,৬১,০৯৫ জন। ভোট কেন্দ্র ছিল ৬২ টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৪, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল করিম ৫০,৭৬৯ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ মোবারক হোসেনের ভাই আবুল হাসনাত আওয়ামীলীগের মনোনয়নে অংশ গ্রহন করেন। আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে তিনি পান ২৯,৬১৩ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির(জাপা) প্রার্থী আহমেদ হোসেন ভূঞাঁ পান ৮,১৬৬ ভোট, জাকের পার্টির প্রার্থী এ.এস.এম সোলায়মান পান ৫,০৬৫ ভোট এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল(বাসদ) প্রার্থী জহিরুল ইসলাম পান ৪৬৫ ভোট।

ষষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ অংশ নেয়নি। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকার গঠন করলেও আওয়ামীলীগের তীব্র আন্দোলনের মুখে সংসদ ভেঙ্গে দিতে বাধ্য হয়। এ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এ নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে ভোটার ছিল ১,৪১,৬৪৫জন। ভোট কেন্দ্র ছিল ৬৮টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৪, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম ৫০,৭৯১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি আবুল হাসনাত পান ৩৮,৫২৯ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে জাতীয়পার্টি (জাপা) প্রার্থী আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক পান ২৪,৩৯৯ ভোট, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী আবু জাফর মো. আতাউল্লাহ পান ১৫৩৬ ভোট, জাকেরপার্টির হাবিবুর রহমান ৮৮৪ ভোট এবং সর্বহারা দলের সিরাজুল ইসলাম ১৪০ ভোট পান।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০০১ সালের ১ নভেম্বর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অষ্টম সংসদ নির্বাচনে এ আসনে মোট ভোটার ছিল ১,৯৬৬৯৫ জন। ভোট কেন্দ্র ছিল ৭২টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৪, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন। তিনি মোট ৫৮,৬৮৩ ভোট পান। বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম ধানের শীষ প্রতীকে মোট ৮৪,০০১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয়পার্টি(জাপা) প্রার্থী গোলাম মশিহ লাঙ্গল প্রতীকে পান ৭৪০১ ভোট ও সিপিবি প্রার্থী জিয়া হায়দার ডিপটি পান ৩৬৩ ভোট।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০০৬ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও দেশে জরুরী অবস্থা জারি থাকায় এবং সেনা শাসিত তত্ত্ববধায়ক সরকার টানা দুই বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নবম সংসদ নির্বাচনে সোনারগাঁওয়ের ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ৫টি ইউনিয়ন যুক্ত করে নির্বাচনী এলাকা ঘোষনা করা হয়। সোনারগাঁও ও সিদ্ধিগঞ্জ মিলে এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৩,৬৫১২২ জন। এর মধ্যে সোনারগাঁও উপজেলার ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ২,২১০০০ এর মতো। ভোট কেন্দ্র ছিল ১২৯ টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৬, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন মরহুম আবুল হাসনাতের পুত্র আব্দুল্লাহ আল কায়সার। তিনি মোট ১,৯২,৬৫৯ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিম ধানের শীষ প্রতীকে পান ১,১০,০৬২ ভোট। এ নির্বাচনে অধ্যাপক রেজাউল করিম প্রথম বারের মতো পরাজিত হন। অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আতিকুর রহমান মোট ১০,৬৩৬ ভোট এবং সিপিবি প্রার্থী জিয়া হায়দার ডিপটি পান ৮২৩ ভোট।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সোনারগাঁওয়ের সাথে সিদ্ধিরগঞ্জের যে ৫টি ইউনিয়ন যুক্ত করা হয়েছিল তা এ নির্বাচনে বাদ দেয়া হয়। ফলে দশম সংসদ নির্বাচনে শুধুমাত্র সোনারগাঁও উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়েই নির্বাচনী এলাকা ঘোষনা করা হয়। দশম সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৬, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করেনি। ফলে জাতীয়পার্টি(জাপা) ও আওয়ামীলীগের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় দেশের বেশীর ভাগ আসনে আওয়ামীলীগের সাংসদ নির্বাচিত হয়ে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে। নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁও) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হন সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সার। তার পরিবর্তে মনোনয়ন পান তার আপন চাচা সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন। জোটগত কারণে হাই কমান্ডের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন মোশারফ হোসেন। ফলে এ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয়পার্টির(জাপা) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা। তথ্যসূত্রঃ চারদিক

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution