• রাত ৪:৫২ মিনিট শনিবার
  • ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শীতকাল
  • ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
মজহমপুর একাদশ বিজয়ী হৃদয়ে-৯৮ ব্যাচের শীত বস্ত্র বিতরণ ঢাকা এ বছর পাচ্ছে না শৈত্যপ্রবাহের দেখা হঠাৎ থমকে গেছে সোনারগাঁও পৌরসভা কাঁচপুরে এক জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৮ নেতাদের নালিশের পর এড: সামসুল ইসলামকে এমপি মির্জা আজমের ফোন এ এক দুঃখী বালিকার অশ্রুঝরা গল্প পাঁচ হেলিকপ্টার বহনে সক্ষম বিশাল যুদ্ধজাহাজ সামনে আনল ইরান সোনারগাঁয়ে তাহুরা ইমতিয়াজ ফাউন্ডেশনের শীত বস্ত্র বিতরণ কাঁচপুরে শীতলক্ষা নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সোনারগাঁয়ে আরো ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৩ বাকি তিন ম্যাচ ওমানে করার প্রস্তাব, রাজি নয় বাংলাদেশ মেকআপ উঠে লিপস্টিক মুছে গেলেও যা করেন দীপিকা পানাম নগরীতে ফেনসিডিলসহ আসিফ নামের এক ভাড়াটিয়া আটক সোনারগাঁয়ে আরো ২ জনের দেহে করোনা সানাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৬ সাংবাদিকদের তিন দিন প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ সোনারগাঁ থানা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পৌরসভা ও বৈদ্যেরবাজার এলাকায় ২ জনের দেহে করোনা সনাক্ত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার জমি জোর করে বালু ভরাটের চেষ্টা
ঠাণ্ডায় থার্মোমিটার ভেঙে যায় যে গ্রামে

ঠাণ্ডায় থার্মোমিটার ভেঙে যায় যে গ্রামে

Logo


আমাদের দেশে শীতকালে প্রতিবছর যে পরিমাণ ঠাণ্ডা পড়ে, এবার তার চেয়ে অনেক বেশি পড়েছে। উত্তরাঞ্চলে ৩ ডিগ্রির নিচে রেকর্ড পরিমান ঠাণ্ডা ছিল গত সপ্তাহে। কিন্তু বিশ্বের এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানকার ঠাণ্ডার তুলনায় এ ঠাণ্ডা একেবারেই কিছু না।

রাশিয়ার এমনই একটি গ্রামের নাম ওইমিয়াকন। এটি বিশ্বের শীতলতম গ্রাম। এখানে এত আবহাওয়া এত ঠাণ্ডা হয় যে পারদ নামতে নামতে থার্মোমিটার পর্যন্ত ভেঙে যায়।

মঙ্গলবার ইয়াকুশা অঞ্চলের ওই গ্রামে তাপমাত্রা নেমেছিল মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তর-পূর্ব রাশিয়ায় সাইবেরিয়া অঞ্চলে গ্রামটির অবস্থাণ।

ইয়াকুশা মস্কো থেকে ৩ হাজার ৩শ’ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। সেখানে মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতেও স্কুল খোলা থাকে। রোববার সেখানে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় জমে মারা গেছেন দুইজন। গাড়ি নষ্ট হওয়ায় রাস্তায় বের হওয়ার পর তারা ঠাণ্ডায় জমে যান।

ইয়াকুশার গ্রাম ওইমিয়াকনে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মানুষের বসতি আছে এমন স্থানের মধ্যে শীতলতম ওইমিয়াকন।

মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ডিজিটাল থার্মোমিটার ধারণ করতে পারে না, অর্থাৎ ভেঙে যায়। কেননা, এই থার্মোমিটারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেয়া আছে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এরকম প্রচণ্ড ঠাণ্ডা পড়লে স্থানীয়রা আশ্রয়শিবিরে চলে যান। স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। রাস্তায় হঠাৎ দু’ একজনকে চোখে পড়ে, তারা হয়তো সেলফি তোলার জন্য বের হন, অর্থাৎ চোখের পাতা জমে কেমন হয় সেটার ছবি তোলেন।

প্রত্যন্ত এই গ্রামটি সবসময়ই বরফে ঢাকা থাকে। কিন্তু শীতকালে ভয়াবহ ঠাণ্ডা পড়ে সেখানে। এই গ্রামে থাকেন প্রায় ৫০০ জন মানুষ। গ্রীষ্মের সময়ে আগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকত ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, ২০১০ সালে সেই তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডটটি ছিল ১৯৩৩ সালে, মাইনাস ৬৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মানুষের বসতি আছে এমন স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড এটি। নাসা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড অ্যান্টার্কটিকায়, মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution