• সকাল ৯:৩০ মিনিট শনিবার
  • ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বর্ষাকাল
  • ১১ই জুলাই, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
যুবদল নেতা সেলিমের নানার ইন্তেকাল, মান্নানের শোক সোনারগাঁয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪শত ছাড়ালো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুম সোনারগাঁয়ে একযোগে তিন কর্মকর্তার বদলি বারদীতে মার্কেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সোনারগাঁয়ে আরো ১ জনের দেহে করোনা, সুস্থ ১ মোট আক্রান্ত ৪৪৭ সােনারগাঁয়ে অননুমােদিত ভােজ্য তেল বিক্রিতে ৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড সোনারগাঁয়ে নন-এমপিও শিক্ষক কর্মচারীদের প্রণোদনার চেক বিতরণ সোনারগাঁয়ে একদিনে ৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, সুস্থ ২ মোট আক্রান্ত ৪৪৬ শ্রমিকলীগের উদ্যোগে নুনেরটেকের মায়াদ্বীপে বৃক্ষরোপন সপ্তডিঙ্গা সমবায়ের সাধারণ সম্পাদকের ইন্তেকাল সোনারগাঁয়ে একদিনে আক্রান্ত ২, সুস্থ ৬ মোট আক্রান্ত ৪৪১ সোনারগাঁয়ে শিক্ষকসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে আরো ৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত মোট আক্রান্ত ৪৩৯ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইসিজি মেশিন দিলেন এমপি পত্নী ডালিয়া করোনা ভাইরাস: রবিবারের তথ্যে আরো ৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৪৩৬ রবিবার থেকে খুলছে কলাপাতা রেস্টুরেন্ট, চালু হলো ডেলিভারি সার্ভিস সোনারগাঁয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রহরি নিহত এমপি খোকার উদ্যোগে করোনা আক্রান্তদের খাদ্য সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ সোনারগাঁয়ে যুবককে কুপিয়ে আহত
পহেলা বৈশাখ নববর্ষ হলো যেভাবে

পহেলা বৈশাখ নববর্ষ হলো যেভাবে

Logo

আজ থেকে ৪৬২ বছর আগেও পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ হিসেবে স্বীকৃত ছিল না। তখন ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষ স্থানীয় যে বর্ষপঞ্জি অনুসরন করতেন তার নাম হচ্ছে শকাব্দ। অনেক আগে থেকেই ভারত বর্ষে হিন্দু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বার মাসের গননা প্রচলিত ছিল। শকাব্দ (অথবা শালীবাহনাব্দ) হল ভারতবর্ষের বহুলপ্রচলিত এক প্রাচীন সৌর অব্দ। ঐতিহাসিকের মতানুসারে প্রাচীন ভারতীয় নৃপতি শালীবাহনের প্রয়ান দিবস থেকেই শকাব্দের সূচনা। রাজা শালীবাহনের রাজত্বকালে একবার বহিরাগত শক জাতি তাঁর রাজ্য আক্রমণ করে। তখন শালীবাহন শকদের পরাজিত করেন এবং ‘শকারি’ উপাধি গ্রহন করেন। সেখান থেকেই এই অব্দের নাম হয় শকাব্দ। যখন শকাব্দের প্রচলন ছিল তখন বছর শুরু হতো চৈত্র মাস থেকে। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন শকাব্দের পর রাজা শশাঙ্ক প্রথম বাংলা বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেছিলেন। কিন্তু বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রবক্তা হিসেবে মুঘল স¤্রাট আকবরই সর্বজন স্বীকৃত। প্রথম দিকে মুঘল শাসকরা তাদের রাষ্ট্রীয় কাজে আরবী হিজরী সন ব্যবহার করতেন। হিজরী সন অনুসারে তখন প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করা হতো । তবে হিজরী সন অনুসারে খাজনা আদায় করতে গিয়ে কিছু বিপত্তি দেখা দেয়। প্রজারা তাদের ফসল তোলাকে কেন্দ্র করে খাজনা আদায় করতে চাইতো। তাই প্রজাদের খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য সৃষ্ট সমস্যা দূর করতে মুঘল স¤্রাট ফসল ঘরে তোলাকে কেন্দ্র করে একটি নতুন বাংলা সন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতবর্ষে বহুকাল ধরে প্রচলিত প্রাচীন সৌর পঞ্জিকা শকাব্দকে সংস্কার করে নতুন বর্ষপঞ্জি প্রনয়নের নির্দেশ দেন মুঘল স¤্রাট আকবর । তাঁর নির্দেশ মতে মুঘল রাজ দরবারের তৎকালীন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি প্রাচীন সৌর সন শকাব্দ এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে ১৫৮৪ সালে নতুন বাংলা সনের পঞ্জিকা প্রবর্তন করেন। নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জির এ গণনা শুরু হয় ১৫৫৬ সাল থেকে অর্থাৎ আরো উনিশ বছর আগে থেকে। যেদিন স¤্রাট আকবর সিংহাসনে আরোহন করেছিলেন সেদিন থেকেই বাংলা সনের গননা শুরু। মূলত তাঁর সিংহাসনে আরোহনের দিনটিকে স্মরনীয় করে রাখার জন্য তিনি এটি করেছিলেন । ১৫৫৬ সালে ছিল ৯৬৩ হিজরী এবং বাংলা সনও ছিল ৯৬৩ বঙ্গাব্দ। ৯৬৩ হিজরীতে যখন বাংলা সন শুরু করা হয় তখন ছিল মহরম মাস অপরদিকে বাংলা বৈশাখ মাস। সে থেকে বৈশাখ মাসটিই বাংলাবর্ষপঞ্জির প্রথম মাস হিসেবে প্রচলিত হয়। হিজরী সনের সাথে মিল রেখেই বাংলা সনের গননা শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সৌর সনের সাথে চন্দ্র সনের পার্থক্য হয়ে যায়। সে সময় এটি ছিল ফসলি সন, পরে “বঙ্গাব্দ” নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যে ১২টি মাস রয়েছে এগুলো বিভিন্ন নক্ষত্রের নামে করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিশাখা নক্ষত্রের নামে বৈশাখ, জ্যোষ্ঠা নক্ষত্রের নামে ‘জ্যৈষ্ঠ’, উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্রের নামে ‘আষাঢ়’, শ্রবনা নক্ষত্রের নামে ‘শ্রাবন’, পূর্বভাদ্রপদা নক্ষত্রের নামে ‘ভাদ্র’, অশ্বিনী নক্ষত্রের নামে ‘আশ্বিন’, কৃত্তিকা নক্ষত্রের নামে ‘কার্তিক’, মৃগশিরা নক্ষত্রের নামে ‘অগ্রহায়ন’, পুষ্যা নক্ষত্রের নামে ‘পৌষ’, মঘা নক্ষত্রের নামে ‘মাঘ’, উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্রের নামে ‘ফাল্গুন’ ও চিত্রা নক্ষত্রের নামে ‘ চৈত্র’। বর্তমান বাংলা বর্ষপঞ্জি প্রবর্তনের অনেক পূর্বে অগ্রহায়ন মাসই বছরের প্রথম মাস অর্থাৎ নববর্ষ ছিল বলে অনেক ঐতিহাসিকের ধারনা। পরে শকাব্দকে সংস্কার করে যখন বঙ্গাব্দ করা হয় তখন বৈশাখকে বছরের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারন করা হয়। সেসময় বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকত প্রজারা। এর পর দিন পহেলা বৈশাখে ভূমি মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠান হিসিবেই বিস্তৃতি লাভ করে। যা ধাপে ধাপে পরিবর্তন হয়ে বর্তমান অবস্থায় এসে দাড়িয়েছে। পরে এই দিনের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাড়ায় হালখাতা। হালখাতা হচ্ছে একটি নতুন হিসাব বই । বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাটের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে হালখাতা। গ্রাম, শহর বা বাণিজ্যিক এলাকা, সকল স্থানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে নতুন হিসাব বই খোলা হয় হালখাতার দিনে। দোকানদাররা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকেন। এ প্রথাটি এখনও অনেকাংশে প্রচলিত রয়েছে। তবে বাংলাদেশে ১৯৬৭ সনের পূর্বে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি ছিল না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বল্প পরিসরে পহেলা বৈশাখ পালন করা হতো। পরে নব্বইয়ের দশকে এর ব্যাপ্তি বাড়তে থাকে। বর্তমানে পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতীয় উৎসবে পরিনত হয়েছে। পহেলা বৈশাখ এখন বাঙ্গালির একটি সার্বজনীন উৎসব।

Read more: http://www.newssonargaon24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a6%b0/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%af%e0%a7%87-2/#ixzz5ERMFMyop

Logo
এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution