• রাত ৮:০৫ মিনিট বৃহস্পতিবার
  • ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শরৎকাল
  • ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
কাঁচপুরে চালককে মারধর ও অচেতন করে অটো ছিনতাই. newssonargaon24.com সোনারগাঁয়ে শোক দিবস উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ। newssonargaon কাঁচপুরে টাইগার গ্রুপের ৬ সদস্য আটক জামপুরে নাজমুল করিম এর উদ্যােগে জাতীয় শোক দিবস পালন। সোনারগাঁয়ে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে যুবলীগের প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল সোনারগাঁয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় যুবক নিহত জামপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত-২ নোয়াগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলমের উদ্যােগে শোক দিবস পালন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জম্মদিন উপলক্ষে জাসাস এর দোয়া সোনারগাঁয়ের উর্মি গার্মেন্টের শ্রমিক পদ্মা সেতু থেকে ঝাপ দিয়ে নিখোঁজ নিখোঁজের ২ দিন পর নদীতে মিলল অর্ধগলিত লাশ আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন বঙ্গবন্ধু কোন ব্যক্তি বা দলের না, তিনি সারা বাংলার: এমপি খোকা শাহ মো. সোহাগ রনি’র উদ্যোগে ৭টি স্পটে দোয়া মাহফিল ও গনভোজ উপজেলা আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে শোক দিবস পালন দীপক কুমার বনিকের উদ্যোগে শোক দিবসে আলোচনা ও খাবার বিতরণ জাতীয় শোক দিবসে দীপকে সোনারগাঁবাসী হাতে তুলে দিলেন জেলা আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মাহফুজুর রহমান কালাম জিএম কাদেরের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা ও সুস্থতা কামনায় এমপি খোকার দোয়া সোনারগাঁয়ে ব্যাটারী চালিত অটো উল্টে যাত্রী নিহত
পিঠা বিক্রিতে চলে সফিয়ার সংসার, আশ্রয়ণ প্রকল্পের নতুন ঘর পাওয়ার বাসনা

পিঠা বিক্রিতে চলে সফিয়ার সংসার, আশ্রয়ণ প্রকল্পের নতুন ঘর পাওয়ার বাসনা

Logo


আশরাফুল আলম. নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  শীত, গ্রীস্ম, বর্ষা সারা বছরই চিতই পিঠা বিক্রিতেই চলে জীবন সংগ্রামী বিধবা নারী সফিয়ার (৫৫) একলা সংসার। বিয়ের প্রায় ৯ বছর পর তিন সন্তানের জনক সফিয়ার স্বামী আব্দুল খালেক মারা যায়। স্বামীর কোন ভিটে মাটি না থাকায় সোহরাব হোসেন, জোনাব মিয়া ও শরীফ হোসেন নামে ছোট ছোট তিনটি পুত্র সন্তান রেখে স্বামী মারা যাওয়ার পর সফিয়া বেগম একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েন। সে সময় সফিয়ার নিকট আতœীয় স্বজনের কিছুটা সহায়তা পেলেও কয়েক দিন পর তা বন্ধ হয়ে যায়। নিরুপায় মা সফিয়া বেগম ছোট ছোট তিন পুত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও এলাকায় তার বাবা মৃত একরাম আলীর বাড়িতে ফিরে আসে। প্রথম প্রথম সফিয়ার দুই ভাই, সামর্থ অনুযায়ী বোন ভাগিনাদের লালন পালনের জন্য সহায়তার চেষ্টা করেন। এক সময় ভাইদের সংসারে অভাব অনটন থাকায় তাদের সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে নিকট আতœীয়সহ ও অন্য কারো সাহায্য সহায়তা না পেয়ে চার জনের সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হয় মা সফিয়ার। পরে ছোট্ট তিন পুত্র সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে প্রত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জীবনের শেষ সম্ভল মাত্র তিন শতাংশ জায়গা অন্যত্র বিক্রি করে দেন অসহায় এই নারী সফিয়া। দীর্ঘদিন অন্যের বাড়ীর আ¯্রীতা হয়ে সহায় সম্ভলহীন এই নারী মানুষের বাড়ীতে ঝিয়ের কাজ করে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে সন্তানদের বড় করে তুলেন তিনি। সন্তানরা এখন বড় হয়ে মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুর এলাকায় কাজ কর্ম করে আলাদা সংসারে আয় উপার্জন করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হলেও মায়ের খবর কেউ রাখেনা। স্বামী ও সন্তানহারা সফিয়া বেগম এখনও পিঠা বিক্রি করে চালিয়ে যাচ্ছে তার জীবন সংগ্রাম। দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতির এই সময়ে প্রতিদিন সকাল বিকাল দুই বেলা উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও বটতলা বাজারে পিঠা বিক্রি করে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা আয় করেন। প্রতিমাসে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে কোন রকম চলে তার জীবন। দেশের প্রায় সব জেলা উপজেলায় মানণীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের অধীনে ভূমিহীন অসহায় অনেক মানুষ জমিসহ নতুন ঘর পেলেও সফিয়ার ভাগ্যে জোটেনি আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি ঘর। স্বামী, সন্তানহারা সফিয়া আক্ষেপ করে জানান, শুনেছি আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন, অসহায় গরীব মানুষকে জমি ও একটি করে নতুন পাকা ঘর দেয়। একটু জমি ও নতুন ঘরের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের কাছে কাগজপত্র নিয়ে অনেক দৌড়ঝাপ করেছি। কিন্তু কেউ আমাকে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেও দেয় নাই। জানিনা সরকারের দেয়া ঘর আমার ভাগ্যে আছে কিনা? সরকারের দেয়া একটু জায়গা ও একটি নতুন ঘর পেলে অনেক খুশি হইতাম।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution