• রাত ৮:২৯ মিনিট শনিবার
  • ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ৬ই জুন, ২০২০ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মানে না অনেকেই সোনারগাঁয়ে আরো ৮ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২৭৯ করোনার উপসর্গ নিয়ে নারীর মৃত্যু, ৬ ঘন্টা পর এমপি খোকার সহায়তায় দাফন সোনারগাঁয়ে ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত নেই দুধঘাটা ও পাঁচানী সড়কে বৃষ্টি হলেই বন্যা ! মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেনের মৃত্যুতে উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের শোক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেনকে রাষ্টীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানালেন ইউএনও সাইদুল ইসলাম বৈরী আবহাওয়ায়ও লক ডাউন পরিবারে পৌছে যাচ্ছে এমপি খোকার খাবার সোনারগাঁয়ে ২দিনে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা গড়ে সাড়ে ৩৮% সোনারগাঁয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য নিহত সোনারগাঁয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৩ জনের মধ্যে ২৮ জনের দেহে করোনা সনাক্ত সোনারগাঁয়ে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ গোপন করছে পরিবার মৃত ব্যক্তির দেহে কতক্ষণ সক্রিয় থাকে করোনা ভাইরাস প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের পৌছে দিলেন চেয়ারম্যান ইঞ্জি: মাসুম সোনারগাঁয়ে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামুলক নয়তো জরিমানা সোনারগাঁয়ে ৭৫ জনের মধ্যে ২৫ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ২৩৮ জান্নাতি ও জাহান্নামিদের মাঝে কথোপকথন!.. তুহিন মাহমুদ করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফনের ব্যবস্থা করলেন এমপি খোকার টিম বারদীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে ২ ব্যক্তির মৃত্যু লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩০ তিরোধান উৎসব স্থগিত
সোনারগাঁয়ের ফলজ গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে অবৈধ মাছের ঝোপে, প্রশাসন বললেন কিছু করার নাই

সোনারগাঁয়ের ফলজ গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে অবৈধ মাছের ঝোপে, প্রশাসন বললেন কিছু করার নাই

Logo

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম:  সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা আম, জাম ও পেয়ারাসহ অন্যান্য ফলজ ও বনজ গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে নদীতে মাছ শিকারের ফাঁদ অবৈধ মাছের ঝোপে। ফলে এদিকে যেমন বিনীত হয়ে যাচ্ছে ফলজ ও বনজ গাছ অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পবিবেশের ভারসাম্য আর অবৈধ ঝোপের কারনে মাছ শুন্য হচ্ছে নদীগুলো। এতো ক্ষতির পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলেছেন তাদের কিছুই করার নেই।

বর্ষাকালের শেষের দিক হাওর, জলাশয়, খাল বিলের পানি নেমে যাওয়ার সময় কিছু অবৈধ মুনাফা লোভী লোক মেঘনা, ব্রক্ষ্মপুত্র ও ধলেম্বরী নদী ও বড় বড় খালের স্রোত নামার স্থানগুলোতে যেখানে মাছেরা বি¯্রামের জন্য বেছে নিয়ে সে সব জায়গাগুলোতে নিদিষ্ট জায়গা দখল করে গাছের ঢালপালা ও কচুরীপানা দিয়ে একটি ঘের তৈরী করে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের খাবার দিয়ে নদীতে থাকা মাছগুলোতে সেই ঘেরের মধ্যে নেয় এবং একটি নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানে তারা মাছ আটকানোর বিভিন্ন ফন্দি আটে। এ ফন্দির জন্য আম, জাম ও পেয়ারাসহ আরো বিভিন্ন পদের গাছের ঢাল ব্যবহার করা হয়। বর্ষার শেষ সময় আগষ্ট মাস আসলে এসব অবৈধ মাছ ঝোপ ব্যবসায়ীরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফলজ ও বনজগাছগুলো গাছ মালিকদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে নৌকা ও ট্রলার বোঝাই করে গজারিয়া, আড়াইহাজার, মেঘনাসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়ে মাছের ঝোপ তৈরী করে। গাছের মালিকরাও বেশী মুনাফা লাভের আশায় তাদের ফলজ ও বনজগাছগুলো ঝোপ ব্যবসায়ীদের কাছ বিক্রি করে দেয় । এতে করে উপজেলার পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফলজ ও বনজ গাছ শুন্য হয়ে পড়েছে। অপরদিকে বিনীত হয়ে যাচ্ছে ফলজ ও বনজ গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পবিবেশের ভারসাম্য আর অবৈধ ঝোপের কারনে মাছ শুন্য হচ্ছে নদীগুলো। উপজেলা প্রশাসনের চোখের সামনে প্রতিদিন গড়ে ৫/৬টি নৌকা বোঝাই করে গাছের ঢালপালা নৌকায় করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার পর তারা কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। তারা বলেন, ফলজগাছ গুলো যেভাবে কেটে নিয়ে গিয়ে নদীতে অবৈধ ঝোপ তৈরী করছে এতে আমরা কিছুদিন পর দেশীয় ফলফলাদির অভাবে পরবো অপরদিকে, গাছ কেটে ফেলার কারনে বিরুপ প্রভাব পড়বে পরিবেশের উপর। এছাড়া নদীগুলো অবৈধ ঝোপগুলোর কারনে নৌযান চলাচলে যেমন অসুবিধে হচ্ছে তেমনি মাছ শুন্য হয়ে পড়ছে নদী ও খালবিলগুলো।

এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার জানান, যারা নদীতে ঝোপ তৈরী করে তারা এতো ক্ষমতাধর যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। এছাড়া মানুষ যদি তাদের গাছ বিক্রি করে দেয় এতে আমাদের কি করার আছে।

এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা মনিরা আক্তার জানান, এটি আমাদের দেখার বিষয় না। উপজেলা প্রশাসন যদি আমাদের দায়িত্ব দেন তাহলে আমরা বিষয়টি ভেবে দেখবো।

Logo
এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution