• বিকাল ৫:০৭ মিনিট বুধবার
  • ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনীকে কেন্দ্র করে ঘোড়া প্রতিকের সমর্থকের পুকুরে বিষ প্রয়োগ সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনীকে কেন্দ্র করে ঘোড়া প্রতিকের সমর্থকের পুকুরে বিষ প্রয়োগ সোনারগাঁয়ে অ্যাম্বুলেন্স দূর্ঘটনার নিহত -১ উপজেলা নির্বাচনে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করায় গাছ কর্তন নব নির্বাচিতত উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে এতিমদের দোয়া সোনারগাঁয়ে ট্রান্সফরমার চুরির সময় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ আটক-৪ হাসনাত পরিবারের প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত করলেন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান তুমি যদি মুমিন হও তাহলে নিরাশ হইওনা. নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান সোনারগাঁয়ে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী হত্যা, স্বামী আটক সোনারগাঁয়ে তাঁত শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় দুই সহোদর গ্রেপ্তার শম্ভুপুরার চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরার জাল ভোট ঠেকাতে চ্যালেঞ্জের মুখে প্রশাসন ‘যারা আনারসে ভোট দিতে চান, কেন্দ্রে আইসেন, না দিতে চাইলে ঘরে থাইকেন’ বাবুল ওমরের হুমকি-ধামকিতে ভোটের মাঠে প্রভাব পড়েছে আনারস প্রতিকের সোনারগাঁয়ে চোরাই মোবাইলসহ সাতজন গ্রেফতার  আজ থেকে কালাম আমার পরিবারের একজন সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা বিরুর বংশ উচ্ছেদের হুমকির ঘটনায় বাবুল ওমরকে শোকজ ঘোড়াকে জয়ী করতে নির্বাচনী মাঠে কাঁচপুরের খাঁন পরিবার ঘোড়ার পক্ষে যু্বলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেনের উঠান বৈঠক উপজেলা আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারক সোহাগ রনি? সোনারগাঁয়ে গত ৯ দিন ধরে দুই সহোদর নিখোঁজ
মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী’ র মামলা

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী’ র মামলা

Logo


হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা। আজ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় মামলাটি করেন তিনি। সোনারগাঁ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৩০।

মামুনুল হক দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও মামলায় জান্নাত নিজেকে মামুনুল হকের স্ত্রী বলেননি। তিনি বলেছেন, ‘বিয়ের প্রলোভন ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছেন। কিন্তু বিয়ের কথা বললে মামুনুল করছি, করব বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। ২০১৮ সাল থেকে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্টে আমাকে নিয়ে যান।’

মামুনুলের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে জান্নাত বলেন, ‘২০০৫ সালে তাঁর স্বামী মাওলানা শহীদুল ইসলামের মাধ্যমে মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় আমাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়াত ছিল। মামুনুলের সঙ্গে পরিচয়ের আগে আমরা সুখে–শান্তিতে বসবাস করছিলাম। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মতানৈক্যের মধ্যে প্রবেশ করে মামুনুল হক শহীদুল ও আমার মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারণে আমাদের দাম্পত্য জীবন চরমভাবে বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়েনে একপর্যায়ে মামনুলের পরামর্শে বিবাহবিচ্ছেদ হয়।’

অভিযোগে জান্নাত বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েন। এ সময় মামুনুল আমাকে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার জন্য বলেন। আমি ঢাকায় চলে আসি। মামুনুল আমাকে তাঁর অনুসারীদের বাসায় রাখেন। সেখানে নানাভাবে আমাকে প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে তাঁর প্রলোভনে পা দিই। এরপর তিনি উত্তর ধানমন্ডির নর্থ সার্কুলার রোডের একটি বাসায় আমাকে সাবলেট রাখেন। একটি বিউটি পারলারে কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকায় থাকার খরচ মামুনুলই দিচ্ছিলেন।’

জান্নাত আরা ঝর্ণা অভিযোগে বলেন, ‘৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘোরাঘুরির কথা বলে মামুনুল হক নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কিছু মানুষ আমাদের আটক করে ফেলে। পরে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হামলা করে আমাদের নিয়ে যায়। কিন্তু মামুনুল আমাকে নিজের বাসায় ফিরতে না দিয়ে পরিচিত একজনের বাসায় অবৈধভাবে আটকে রাখেন। কারও সঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি।

জান্নাত বলেন, পরে কৌশলে আমি আমার বড় ছেলেকে আমার দুরবস্থার সব কথা জানাই এবং আমাকে বন্দিদশা থেকে উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে বলি। পরে ডিবি পুলিশ আমাকে উদ্ধার করলে জানতে পারি, আমার বাবা রাজধানীর কলাবাগান থানায় আমাকের উদ্ধারের জন্য একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পুলিশ আমাকে উদ্ধারের পর বাবার জিম্মায় দেয়। সেখানে আমি আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করায় অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হয়।’

জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে গত ২৪ এপ্রিল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ২৬ এপ্রিল মেয়েকে উদ্ধারে পুলিশের সহায়তায় চেয়ে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন তিনি। পরদিন মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে ঝর্নাকে উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। ঝর্না উদ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এই মামলা করলেন।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution