• রাত ২:৫৫ মিনিট মঙ্গলবার
  • ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : হেমন্তকাল
  • ১১ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ের আওলাদ হোসেনের ১৪ বছরের কারাদন্ড কায়সার বাদে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলী সােনারগাঁয়ে সাহায্য দেওয়ার কথা বলে ২ সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ সোহেল নামের এক যুবকের ২ মাসের কারাদন্ড সোনারগাঁ নয়াপুরে নাহিত ও রাজীব চোরের উপদ্রবে অতিষ্ট এলাকাবাসী স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন মেয়র, ভয়ে চুপ স্বামী পুলিশের সোর্স পুলিশ পরিচয় দিয়ে ২ যুবককে অপহরন করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার ঘোষনা দিলেন লিয়াকত হোসেন খোকা নারীদের ভোগ্যপণ্য বানাবেন নাঃ কবি লেখকদের উদ্দেশ্যে ড. সেলিনা সোনারগাঁয়ে ইয়াবাসহ আওয়ামীলীগ নেতা মুজিবুর আটক পিএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় ও এস এম সির কমিটির বরণ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া সোনারগাঁয়ে সাংসদের উদ্যোগে মুক্ত আলোচনা কাঁচপুরে মোশারফ ওমর ঠেকাতে মাহবুব খাঁন সংঘাতের আশংকায় ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করলো পুলিশ প্রতিবন্ধীর ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধারে দায়িত্ব নিলেন ওসি মনিরুজ্জামান সোনারগাঁয়ে বসত ঘর থেকে ৮ টি বিষধর সাপ উদ্ধার কাঁচপুর শহীদ মিনার দখলমুক্ত করে বেষ্টুনী দিলেন হাইওয়ে ওসি মোজাফ্ফর সোনারগাঁ উপজেলা ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর হোসনে আরা কে শিক্ষক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা সোনারগাঁয়ে মাছ ধরতে বাঁধা দেয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত
ডাঃ শিউলী সরকারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল ঝনা

ডাঃ শিউলী সরকারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল ঝনা

নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম: সোনারগাঁয়ে একের পর এক ভুল চিকিৎসায় ২ প্রসূতির মৃত্যুর পর এবার ডাক্তার শিউলী সরকার নামের এক ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেলে ঝনা নামের গৃহবধূ। ডাক্তার শিউলী সরকার দালালের মাধ্যমে ওই গৃহিনীকে তার হাসপাতালে আনতে বাধ্য করেন। পরে ভুল চিকিৎসার কারনে ওই রোগী শিউলী সরকারের নির্মানাধীন হাসপাতালের সিড়ির নিচে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারায়। পরে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে শিউলী সরকারের হাত থেকে রক্ষা করে ওই রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়।

আজ শনিবার সকালে মোগরাপাড়া হাবিবপুর এলাকায় একটি নির্মানাধীন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সোনারগাঁ উপজেলার আয়েশা আমজাদ ক্লিনিক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আমজাদ ডাক্তারের ছেলে দুলাল মিয়ার স্ত্রী শিউলী সরকার তার ক্লিনিকে ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন রোগের রোগী দেখতেন। পরে ভুল চিকিৎসায় কয়েকজন রোগী তার ভুল চিকিৎসায় মারা যাবার পর তিনি একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস পাশ করেন বলে দাবি করেন। সেই শিউলী সরকার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় একটি নতুন হাসপাতাল নির্মানের প্রক্রিয়া শুরু করেন। হাসপাতালটি চালু করার আগেই তিনি দালালের মাধ্যমে মেঘনা নদীর চলাঞ্চল এলাকা থেকে গাইনীসহ বিভিন্ন নিরিহ রোগীকে কম খরচে ভাল চিকিৎসা দিবেন বলে নির্মানাধীন হাসপাতালে এনে বেঞ্চে বসিয়ে পেসক্রিপশন লিখে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকালে দালালের মাধ্যমে ঝনা নামের এক রোগীকে তার হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় ডাঃ শিউলী সরকার তাকে একটি রুমে নিয়ে যায় সেখানে একটি বেঞ্চে বসিয়ে তার কি সমস্যা শুনেই তার কাছ থেকে টাকা রেখে একটি পেসক্রিপশন ধরিয়ে দেন। পরে রোগী ঝনা আক্তার সিড়ি দিয়ে নামার সময় জ্ঞান হারিয়ে সিড়ির মধ্যে পড়ে যান। এসময় তার সঙ্গে থাকা মায়ের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে ধরাধরি করে একটি সিড়িতে বসিয়ে মাথায় পানি দিতে থাকেন এতেও তার জ্ঞান না ফিরলে কিছুক্ষন পর শিউলী সরকার সিড়ির মধ্যে বসিয়েই তাকে চিকিৎসা দিতে থাকেন। পরে পথচারী ও স্থানীয়রা ডাঃ শিউলী সরকার তাকে হাসপাতালে না পাঠিয়ে সিড়িতে বসিয়ে চিকিৎসা দেয়ায় তার উপর চড়াও হয়। পরে স্থাণীয় ও পথচারীরা রোগী ঝনা আক্তারকে অজ্ঞান অবস্থায় গাড়ীতে তুলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়।

ঝর্না আক্তারের মা জানান, কতদিন ধরে তার মেয়ের মাথায় খুব ব্যাথা সে জন্য তাকে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে প্রবেশ করার সময় একজন মহিলা বলে আপনার মেয়ের কি হয়েছে। আমি বললাম আপনি কে? সে তখন বললো আমি আয়েশা আমজাদ ক্লিনিকের লোক। রোগীর অবস্থা তো খুব খারাপ তাকে এ হাসপাতালে নিয়ে কোন চিকিৎসা পাবেন না। বরং সময় নষ্ট করে মেয়ের বারোটা বাজাবেন। আমারও মেয়ে আছে আমি মেয়ের কষ্ট বুঝি। চলেন আমি আপনার মেয়েকে একটা ভাল হাসপাতালে কম টাকার মধ্যে ভাল চিকিৎসা করিয়ে দেই। এই ভুলভার বুঝিয়ে সে আমাকে ডাঃ শিউলী সরকারের কাছে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শিউলী সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এমবিবিএস ডাক্তার আপনাদের কৈইফত দিয়ে ডাক্তারী করতে হবে। আমার স্বামী ও শশুরবাড়ীর লোকজন এ হাসপাতাল করেছে আমি আমাদের হাসপাতালে বসি। এখানে বসে কি চিকিৎসা দিব সেটা কি আপনাদের কাছে বলতে হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হালিমা সুলতানা জানান, ঝনা নামের যে রোগীটা আমাদের হাসপাতালে এসেছে তাকে আমি দেখেছি সে একেবারে দূর্বল তার পেসার কমে গেছে। সেজন্য সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেছে। যে ডাক্তার তার চিকিৎসা করেছে সে ঝর্নার শারীরিক অবস্থা না দেখেই তারাহুরো করে পেসক্রিপশন করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। ভাগ্য ভাল স্থানীয় লোকেরা তাকে সময় মত হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল নয়ত রোগীর ভাগ্য খারাপ হতে পারতো।

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution