• সকাল ১০:১৯ মিনিট বৃহস্পতিবার
  • ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : হেমন্তকাল
  • ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ৯ বছরে অনেক উন্নয়ন করেছি, ভবিষ্যতেও করবো ইনশাআল্লাহ. এমপি খোকা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথে বাড়তে যাচ্ছে ট্রেনের সংখ্যা আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি হবে নিয়ামক শক্তি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি বারদি জাতীয়পার্টির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত ১১৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা আজ কি চমক দেখাবে পারবে ব্রাজিল? মাদক মামলায় ফেঁসে যাচ্ছে না.গঞ্জের ৪ পুলিশ সদস্য ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সেক্রেটারী সহ বিএনপি ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার দলিল লিখক মোশারফ এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন সোনারগাঁয়ে এক সঙ্গে তিন পুত্র সন্তানের জম্ম প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সোনারগাঁয়ে শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা নদী খনন করে নৌ-জেটি নির্মাণ ও আনন্দবাজারের নিম্ন অংশ ভরাটে চেয়ারম্যানের অভিনন্দন সোনারগাঁয়ে চেয়ারম্যানের পুত্রসহ দুইজন ইয়াবাসহ গ্রেফতার কাঁচপুর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ নিখোঁজ সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানে আরো ৪ জন গ্রেপ্তার সাংবাদিক পরিমল বিশ্বাস এর মায়ের পরলোক গমন নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে থানা বিএনপির নিন্দা সোনারগাঁয়ে ৬ বিএনপির নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা
ডাঃ শিউলী সরকারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল ঝনা

ডাঃ শিউলী সরকারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল ঝনা

Logo


নিউজ সোনারগাঁ২৪ডটকম: সোনারগাঁয়ে একের পর এক ভুল চিকিৎসায় ২ প্রসূতির মৃত্যুর পর এবার ডাক্তার শিউলী সরকার নামের এক ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু থেকে রক্ষা পেলে ঝনা নামের গৃহবধূ। ডাক্তার শিউলী সরকার দালালের মাধ্যমে ওই গৃহিনীকে তার হাসপাতালে আনতে বাধ্য করেন। পরে ভুল চিকিৎসার কারনে ওই রোগী শিউলী সরকারের নির্মানাধীন হাসপাতালের সিড়ির নিচে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারায়। পরে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে শিউলী সরকারের হাত থেকে রক্ষা করে ওই রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়।

আজ শনিবার সকালে মোগরাপাড়া হাবিবপুর এলাকায় একটি নির্মানাধীন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সোনারগাঁ উপজেলার আয়েশা আমজাদ ক্লিনিক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আমজাদ ডাক্তারের ছেলে দুলাল মিয়ার স্ত্রী শিউলী সরকার তার ক্লিনিকে ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন রোগের রোগী দেখতেন। পরে ভুল চিকিৎসায় কয়েকজন রোগী তার ভুল চিকিৎসায় মারা যাবার পর তিনি একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস পাশ করেন বলে দাবি করেন। সেই শিউলী সরকার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় একটি নতুন হাসপাতাল নির্মানের প্রক্রিয়া শুরু করেন। হাসপাতালটি চালু করার আগেই তিনি দালালের মাধ্যমে মেঘনা নদীর চলাঞ্চল এলাকা থেকে গাইনীসহ বিভিন্ন নিরিহ রোগীকে কম খরচে ভাল চিকিৎসা দিবেন বলে নির্মানাধীন হাসপাতালে এনে বেঞ্চে বসিয়ে পেসক্রিপশন লিখে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকালে দালালের মাধ্যমে ঝনা নামের এক রোগীকে তার হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় ডাঃ শিউলী সরকার তাকে একটি রুমে নিয়ে যায় সেখানে একটি বেঞ্চে বসিয়ে তার কি সমস্যা শুনেই তার কাছ থেকে টাকা রেখে একটি পেসক্রিপশন ধরিয়ে দেন। পরে রোগী ঝনা আক্তার সিড়ি দিয়ে নামার সময় জ্ঞান হারিয়ে সিড়ির মধ্যে পড়ে যান। এসময় তার সঙ্গে থাকা মায়ের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে ধরাধরি করে একটি সিড়িতে বসিয়ে মাথায় পানি দিতে থাকেন এতেও তার জ্ঞান না ফিরলে কিছুক্ষন পর শিউলী সরকার সিড়ির মধ্যে বসিয়েই তাকে চিকিৎসা দিতে থাকেন। পরে পথচারী ও স্থানীয়রা ডাঃ শিউলী সরকার তাকে হাসপাতালে না পাঠিয়ে সিড়িতে বসিয়ে চিকিৎসা দেয়ায় তার উপর চড়াও হয়। পরে স্থাণীয় ও পথচারীরা রোগী ঝনা আক্তারকে অজ্ঞান অবস্থায় গাড়ীতে তুলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়।

ঝর্না আক্তারের মা জানান, কতদিন ধরে তার মেয়ের মাথায় খুব ব্যাথা সে জন্য তাকে সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে প্রবেশ করার সময় একজন মহিলা বলে আপনার মেয়ের কি হয়েছে। আমি বললাম আপনি কে? সে তখন বললো আমি আয়েশা আমজাদ ক্লিনিকের লোক। রোগীর অবস্থা তো খুব খারাপ তাকে এ হাসপাতালে নিয়ে কোন চিকিৎসা পাবেন না। বরং সময় নষ্ট করে মেয়ের বারোটা বাজাবেন। আমারও মেয়ে আছে আমি মেয়ের কষ্ট বুঝি। চলেন আমি আপনার মেয়েকে একটা ভাল হাসপাতালে কম টাকার মধ্যে ভাল চিকিৎসা করিয়ে দেই। এই ভুলভার বুঝিয়ে সে আমাকে ডাঃ শিউলী সরকারের কাছে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শিউলী সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এমবিবিএস ডাক্তার আপনাদের কৈইফত দিয়ে ডাক্তারী করতে হবে। আমার স্বামী ও শশুরবাড়ীর লোকজন এ হাসপাতাল করেছে আমি আমাদের হাসপাতালে বসি। এখানে বসে কি চিকিৎসা দিব সেটা কি আপনাদের কাছে বলতে হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হালিমা সুলতানা জানান, ঝনা নামের যে রোগীটা আমাদের হাসপাতালে এসেছে তাকে আমি দেখেছি সে একেবারে দূর্বল তার পেসার কমে গেছে। সেজন্য সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেছে। যে ডাক্তার তার চিকিৎসা করেছে সে ঝর্নার শারীরিক অবস্থা না দেখেই তারাহুরো করে পেসক্রিপশন করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। ভাগ্য ভাল স্থানীয় লোকেরা তাকে সময় মত হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল নয়ত রোগীর ভাগ্য খারাপ হতে পারতো।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution