• রাত ১২:০২ মিনিট শনিবার
  • ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শীতকাল
  • ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
মজহমপুর একাদশ বিজয়ী হৃদয়ে-৯৮ ব্যাচের শীত বস্ত্র বিতরণ ঢাকা এ বছর পাচ্ছে না শৈত্যপ্রবাহের দেখা হঠাৎ থমকে গেছে সোনারগাঁও পৌরসভা কাঁচপুরে এক জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৮ নেতাদের নালিশের পর এড: সামসুল ইসলামকে এমপি মির্জা আজমের ফোন এ এক দুঃখী বালিকার অশ্রুঝরা গল্প পাঁচ হেলিকপ্টার বহনে সক্ষম বিশাল যুদ্ধজাহাজ সামনে আনল ইরান সোনারগাঁয়ে তাহুরা ইমতিয়াজ ফাউন্ডেশনের শীত বস্ত্র বিতরণ কাঁচপুরে শীতলক্ষা নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সোনারগাঁয়ে আরো ১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৩ বাকি তিন ম্যাচ ওমানে করার প্রস্তাব, রাজি নয় বাংলাদেশ মেকআপ উঠে লিপস্টিক মুছে গেলেও যা করেন দীপিকা পানাম নগরীতে ফেনসিডিলসহ আসিফ নামের এক ভাড়াটিয়া আটক সোনারগাঁয়ে আরো ২ জনের দেহে করোনা সানাক্ত, মোট সনাক্ত ৭৯৬ সাংবাদিকদের তিন দিন প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ সোনারগাঁ থানা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পৌরসভা ও বৈদ্যেরবাজার এলাকায় ২ জনের দেহে করোনা সনাক্ত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার জমি জোর করে বালু ভরাটের চেষ্টা
রোজ এক বাটি দই খান আর ডাক্তারকে ভুলে যান!

রোজ এক বাটি দই খান আর ডাক্তারকে ভুলে যান!

Logo


কথায় বলে প্রতিদিন একটা করে আপেল খেলে নাকি কোনও দিন ডাক্তারের মুখ দেখতে হয় না। এই কথাটা যে দইয়ের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবছেন তো? আসলে সম্প্রতি জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা কমতে শুরু করে।

ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পেটের রোগ, আর্থ্রাইটিস এবং অ্যাস্থেমার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। তবে এখানেই শেষ নয়, প্রতিদিনের ডায়েটে দইয়ের অন্তর্ভুক্তি ঘটলে মেলে আরও অনেক উপকার, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

একাধিক গবেষণার পর চিকিৎসকেদের মনে আর কোনও সন্দেহ নেই যে নানাবিধ জটিল রোগ থেকে দূরে রাখতে এবং সার্বিকভাবে দেহের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো প্রতিদিন শুধু নয়, দিনে দুবার করে দই খাোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এই প্রোবায়োটিকটির শরীরে উপস্থিত একাধিক উপকারি ব্যাকটেরিয়া এবং পুষ্টিকর উপাদান নানাভাবে শরীরের কাজে লেগে থাকে। যেমন ধরুন…

১. ওজন হ্রাস পায়: একেবারে ঠিক শুনেছেন! প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়া এতটাই জোর কদমে চলতে থাকে যে দেহের ইতি-উতি মেদ জমার আশঙ্কা যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু, অতিরিক্তি ওজনরে কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে নিয়মিত দু-কাপ করে দই খেতে ভুলবেন না যেন!

২. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং স্ট্রেপটোকক্কাস থ্রেমোফিলাস নামক দুটি ব্যাকটেরিয়া শরীরের অন্দরে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৩. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: বেশি কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা পাকস্থলিতে হজমে সহায়ক ভাল ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে দই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, পৃথক একটি গবেষণায় দেখা গেছে পেপটিক আলসার হওয়ার পিছনে দায়ি এইচ পাইলোরি নামক ব্য়াকটেরিয়াকে মেরে ফলতেও দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। সেই কারণেই তো পেপটিক আলসারের চিকিৎসায় দইয়ের অন্তর্ভুক্তির পিছনে সাওয়াল করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. স্ট্রেসের মাত্রা কমে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দই খাওয়ার পর আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হয় যে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটি কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, বর্তমান সময়ে যেসব মারণ রোগগুলির কারণে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, তার প্রায় সবকটির সঙ্গেই স্ট্রেসের যোগ রয়েছে। তাই তো নিয়মিত দই খাওয়ার প্রয়োজনয়ীতা যে বেড়েচে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই।

প্রতিদিন দই খেলে যে ৭ টি স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়

৫. হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: রক্তে খারাপ কোলেস্টরল বা এল ডি এল-এর মাত্রা কমানোর পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় দই। তাই তো নিয়মিত এই দুগ্ধজাত খাবারটি খেলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। তাই তো পরিবারে যদি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ইতিহাস থাকলে দইকে সঙ্গ ছাড়ার ভুল কাজটি করবেন না যেন!

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে সংক্রমণ থেকে ভাইরাল ফিবার, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে সুস্থ জীবনের পথ প্রশস্ত হয়।

৭. দুধের আদর্শ বিকল্প বলা যেতে পারে: এমন অনেকই আছেন যারা একেবারে দুধ খেতে পারেন না। কারও গন্ধ লাগে, তো কারও বমি পাই। এই ধরনের সমস্যাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়। প্রসঙ্গত, দুধ থেকে দই হওয়ার সময় ল্যাকটোজ, ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়ে যায়। ফলে দই খেলে না গা গোলায়, না বমি পায়।

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: দইয়ে পরিমাণ মতো বেসন এবং অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে যদি মুখে লাগাতে পারেন তাহলে ত্বক নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না। আসলে দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ফসফরাস এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পলন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এই ফেস প্যাকটি সপ্তাহে কম করে ২-৩ বার লাগালে দারুন উপকার মেলে।

৯. হাড়ের জন্য খুব উপকারি: দুধের মতো দইয়েও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম। এই দুটি উপাদান দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বুড়ে বয়সে গিয়ে যদি অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন উপকার মিলবেই মিলবে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution