• রাত ৮:২০ মিনিট শুক্রবার
  • ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শীতকাল
  • ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁয়ে নুনেরটেকে অসহায় মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ সোনারগাঁয়ে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলের দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন এর মানববন্ধন শম্ভুপুরা কর্মী সম্মেলনে আওয়ামীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষ আহত ১৫ সোনারগাঁয়ে এনজিও কর্মকর্তাদের কুপিয়ে টাকা ছিনতাই সোনারগাঁয়ে ২ দিন ধরে ব্যবসায়ী নিখোঁজ ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে পৌর আওয়ামীলীগ গঠন হবে. পৌরসভা সম্মেলনে নেতারা স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃতি করে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য \ মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা সোনারগাঁয়ে দারুণ নাজাত মাদ্রাসায় হাফেজদের পাগড়ী প্রদান ও মেধাবী গরিব ছাত্রদের কুরআন মাজিদ বিতরন মোগরাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কর্মী সম্মেলন তৃনমুল থেকে আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে বর্তমান কমিটি. কায়সার হাসনাত সাবেক রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জম্মবার্ষিকীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরন দেশের উন্নয়নই বিএনপির অন্তরজ্বালা সোনারগাঁয়ে ওবায়দুল কাদের হজের খরচ কমলো ৩০ শতাংশ কত বার যৌন মিলনে সুখের হয় দাম্পত্য আগামী কাল থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী লোকজ উৎসব সোনারগাঁয়ে নিখোঁজের ৮দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার আনন্দবাজার হাটের বালু ভরাটের কাজ পরিদর্শন এমপি খোকার পরিবেশ দুষনের পর টিন ও তার কাটার বেড়া দিয়ে ফিলিং ষ্টেশন দখলের চেষ্টা করছে রহিম ষ্টীলস সোনারগাঁয়ে ৫১ তম বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির পুরষ্কার বিতরণ এমপি খোকার উদ্যোগে কম্বল বিতরন
শিশুর স্থায়ী দাঁত ওঠার সমস্যায় ভীত না হওয়ার পরামর্শ

শিশুর স্থায়ী দাঁত ওঠার সমস্যায় ভীত না হওয়ার পরামর্শ

Logo


প্রায়ই দেখা যায় শিশুর দুধদাঁত একসঙ্গে দুই-তিনটি পড়ছে, কিন্তু স্থায়ী দাঁত ওঠার সময় উঠছে মাত্র একটি। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অস্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে ডেন্টাল সার্জনরা অভিভাবকদের ভীত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, ডেন্টাল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এর সুরাহা সম্ভব।
আরফার বয়স চার বছর ১১ মাস। এরই মধ্যে তার দুটো দাঁত পড়ে গেছে। তাকে নিয়ে বাবা আরাফাত সিদ্দিকীর দুশ্চিন্তার শেষ নেই! মেয়ের দুটো দাঁত পড়েছে, কিন্তু একটি উঠলেও আরেকটি দাঁত ওঠার ক্ষেত্রে স্পেস (জায়গা) কম। দাঁতগুলো ঠিকমতো উঠবে তো? তবে আরফার মা ফারিয়া মোশাররফ বলেন, ‘আমার ভাবি একজন ডেন্টিস্ট। তিনি পাশের দাঁত নড়ছে কিনা, দেখতে বললেন। দেখি সত্যি পাশের দাঁতটিও নড়ছে। পরে আরফা নিজেই ওই দাঁত নড়িয়ে ফেলে দিয়েছে। আমার মনে হয়, ওর দাঁত ঠিকমতোই উঠবে।’
মগবাজারের বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আকলিমা আক্তারের উপরের পাটির সামনের দিকের ডান পাশের একটি দাঁতের গ্যাপ (ফাঁক) রয়েছে। কারণ ছোটবেলায় দাঁতটা ঠিকমতো ওঠেনি। এ প্রসঙ্গে তার স্বামী তারেক সালমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই জায়গাটাতে দাঁতটা নতুন করে ওঠেইনি। পরিবারের অভিভাবকরা বিষয়টি সেভাবে বোঝেননি, তারা চিকিৎসকের কাছে নিয়েও যাননি।’
তিনি বলেন, ‘আমি মাঝে মাঝে এটা নিয়ে মজা করি। আমাদের দুই সন্তান। মেয়ের বয়স পাঁচ বছর। তার দাঁতে মায়ের মতো কোনও সমস্যা এখনও পাইনি। আর ছেলের বয়স ছয় মাস, তার তো এখনও দাঁত সেভাবে ওঠেনি।’
মিরপুরের বাসিন্দা সুমনা আহমেদ ও শাহরিয়ার শরীফ দম্পতির পাঁচ বছরের মেয়ে ফাহমিনা আহমেদের দুটি দাঁত একসঙ্গে পড়েছে। কিন্তু একটি দাঁতও ওঠেনি। এ নিয়ে চিন্তিত এই দম্পতি। সুমনা আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত, দেখা যাক কী হয়!’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলী আজগর মোড়ল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিশুর দাঁত পড়ে যাওয়ার পর না ওঠা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এক্সরে করে দেখতে হবে, কী কারণে দাঁত উঠতে পারছে না। শিশুদের চোয়ালগুলো খাবারের সময় মুভমেন্ট হয়। আমরা আগেকার দিনে শক্ত খাবার বেশি খেতাম। শক্ত খাবার খেলে মুখের এই অংশটুকুর ম্যাসেজ হতো, অটোমেটিক্যালি দাঁত উঠে যেতো।’
এখনকার শিশুরা শক্ত খাবার একেবারেই খায় না, ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ জন্য মুখের নড়াচড়া কম হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে দাঁত ওঠে না। এক্সরে করে দেখতে হবে যে, দাঁতটা ভেতরে আছে কিনা, থাকলেও এর পজিশন ঠিক আছে কিনা। মাংসের কারণে যদি উঠতে না পারে সেক্ষেত্রে ওই মাংসটুকু একটু কেটে দিতে হয়।’
নিটোল ডেন্টাল চেম্বারের ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. আনোয়ারুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুটি দাঁত পড়ে যাওয়ার পর একটি উঠেছে, একটি দাঁত ওঠেনি— এক্ষেত্রে প্রথমে এক্সরে দেখতে হবে পারমানেন্ট টুথ জার্ম আছে কিনা। যদি টুথ থাকে তাহলে বাধা পাচ্ছে কোন কারণে, সেটা দেখতে হবে। যেকোনও ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার হতে পারে। দাঁতের রুট ঠিকমতো তৈরি হচ্ছে না, বা বাধা পাচ্ছে কোন কারণে?’
তিনি বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় টুথ জার্মই নেই। দাঁত পড়ে গেছে কিন্তু নিচে আর কোনও দাঁত নেই। সেক্ষেত্রে আর কিছু করার থাকে না।’
বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডেন্টাল সার্জন নাজমুল হক সজিব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিটি দুধদাঁতের নিচে একটি করে স্থায়ী দাঁত থাকে। প্রত্যেক দুধ দাঁত পড়ার নির্দিষ্ট সময় আছে। কোনোটি ছয় বছরে পড়ে, কোনোটা সাত বছরে পড়ে, কোনোটা আট বছরে পড়ে। যে দাঁতটা ছয় বছরে পড়ার কথা, সেটা যদি চার-সাড়ে চার বছরে নষ্ট হয়ে যায়, বা তুলে ফেলতে হয় সেক্ষেত্রে নিচের দাঁতটি উঠতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘যেসব শিশুর গ্রোথ কম তাদের দাঁতও দেরিতে উঠবে। কারো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দাঁত উঠবে।’
ডা. আলী আজগর মোড়ল বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে মা-বাবা বা অভিভাবকদের ডেন্টাল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।’ সুত্র বাংলা  ট্রিভিউন


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution