• রাত ৪:২৯ মিনিট বৃহস্পতিবার
  • ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সোনারগাঁও পৌরসভায় বৃদ্ধ শ্বশুরকে কুপিয়ে জখম করলো ছেলের বউ আমার দেয়ার কিছু নেই কিন্তু আপনাদের নেয়ার অনেক কিছু আছে..এমপি কায়সার হাসনাত আদমপুর বাজারে হাটার রাস্তা সরু করে অবৈধ দোকান নির্মাণ আনন্দবাজার হাটের ইজারা পেলেন প্যানেল চেয়ারম্যান নবী হোসেন সোনারগাঁয়ে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার কাঁচপুরে গ্রেপ্তার এড়াতে ৬ তলা থেকে লাফিয়ে পড়লেন যুবক জামপুরে মাহফুজুর রহমান কালামের উঠান বৈঠক সোনারগাঁয়ের কান্দারগাঁয়ে ১২ বছরে ৪ খুন, আহত-৫০ এলাকা ছাড়া ৫০ পরিবার পিরোজপুর কান্দারগাঁয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১ জনকে কুপিয়ে হত্যা জনগণের দোয়া চেয়ে গণসংযোগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হায়দার এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের বসার জন্য সোহাগ রনি’র ছাউনী নির্মাণ এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের বসার জন্য সোহাগ রনি’র ছাউনী নির্মাণ ১১ই মে তারিখে সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আহত যুবলীগ নেতা নাছিরের খোঁজ নেননি দলীয় নেতারা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলী হায়দার এর গণসংযোগ সোনারগাঁয়ে ১০টি টিনশেট ও ১টি দোকান পুড়ে ছাই, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রস্তুতি মুলক সভা টুমোরো নেভার কামস❞ জামপুরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এমপি কায়সার আনসার ও টুরিস্ট পুলিশের হামলায় সোনারগাঁ যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নাছির আহত সনমান্দি ইউনিয়নবাসীর দোয়া নিয়ে আলী হায়দারের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু
ঈদের দিনে গরীরের কোরবানীর মাংসের হাট

ঈদের দিনে গরীরের কোরবানীর মাংসের হাট

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া, কাঁচপুর ও মেঘনা শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন স্থানে বসেছেন কোবানীর মাংসের হাট। কোরবানী ঈদের দিন মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে যে মাংস পান গরীর অসহায় লোকজন সে মাংস বিক্রির জন্যই মুলত এ হাট।

আজ (২৯ জুন) বৃহস্পতিবার বিকেলে বিভিন্ন বাজারগুলোতে বসে এ হাট। আর এ হাটের ক্রেতা হলেন যারা কোরবানী না করেন তারা আর খাবার হোটেল মালিকরা। আর এ হাটকে কেন্দ্র করে মাংস মাপার পাল্লা নিয়ে বসেন এক ধরনের মৌসুমী

নিয়ে। দালালরা যেখানে পাল্লা নিয়ে বসেন সেখানে মাংস নিয়ে যান মাংস সংগ্রহকারীরা। তাদের মাধম্যে বিক্রেতা ও ক্রেতার দামাদামি হয়। দামাদামি শেষে মাংস বিক্রির পর মাংস বিক্রেতার কাছ থেকে কেজি হিসেবে মেপে দেয়ার কারণে পাল্লার দালাল রাখেন ১০টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। মাংসের বাজার বসাতে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষই লাভবান।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ছিন্নমুল মাংস বিক্রেতা জানান, বছরের একটা দিন উপলক্ষে তারা মাংস খাওয়ার সুযোগ পান। সে সুযোগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সকাল বেলা বেরিয়ে পড়েন মাংস সংগ্রহে। বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে এক টুকরো দুই টুকরো করে পরিবারের সবাই মিলে অনেক মাংস সংগ্রহ করা হয়ে যায়। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে তারা কারো না কারো বাড়িতে গিয়ে মাংস খাবার ভাগ্যও মিলে যায়। পরিবারের সদস্যদের সংগ্রহ করা মাংস নিজেদের খাবারের জন্য রেখে বাকি টুকু বিক্রি করে দেন এতে কিছু টাকা পান তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মাংস বিক্রেতা জানান, আমরা আর্থিক অস্বচ্ছতার কারণে কোরবানী দিতে পারেননি। পরিবারের লোকজনকে কোরবানীর মাংস থেকে বঞ্চিত না করতে চুপচাপ এখানে এসে মাংস কিনে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যদের জন্য।

অপরদিকে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের এক চাকরীজীবি জানান, তারা এ এলাকায় বাসাভাড়া থেকে চাকরী করেন। সেজন্য তারা কোরবানী করেননি। কিন্তু পরিবারের পরিজনকে কোরবানীর মাংস খাওয়াবেন না সেটা হতে পারে না সেজন্য তিনি এখানে এসেছেন মাংস কিনতে। এছাড়া এ বাজারে মাংসের দামও কম।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution