• সকাল ৬:১৫ মিনিট মঙ্গলবার
  • ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : হেমন্তকাল
  • ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
আজ কি চমক দেখাবে পারবে ব্রাজিল? মাদক মামলায় ফেঁসে যাচ্ছে না.গঞ্জের ৪ পুলিশ সদস্য ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সেক্রেটারী সহ বিএনপি ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার দলিল লিখক মোশারফ এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন সোনারগাঁয়ে এক সঙ্গে তিন পুত্র সন্তানের জম্ম প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সোনারগাঁয়ে শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা নদী খনন করে নৌ-জেটি নির্মাণ ও আনন্দবাজারের নিম্ন অংশ ভরাটে চেয়ারম্যানের অভিনন্দন সোনারগাঁয়ে চেয়ারম্যানের পুত্রসহ দুইজন ইয়াবাসহ গ্রেফতার কাঁচপুর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ নিখোঁজ সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানে আরো ৪ জন গ্রেপ্তার সাংবাদিক পরিমল বিশ্বাস এর মায়ের পরলোক গমন নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে থানা বিএনপির নিন্দা সোনারগাঁয়ে ৬ বিএনপির নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা বন্দরে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা ॥ আটক-২ নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশী তল্লাসীর নিন্দা স্বপনের আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে নারায়ণগঞ্জ থেকে রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকবে নাশকতার মামলায় সোনারগাঁয়ে ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সাবেক সভাপতি মোসলেহ উদ্দিনের ইন্তেকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সস্পাদক আব্দুল হাই ভুঁইয়ার স্মরণে আলোচনা সভা
উপজেলা প্রাণী হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মরছে গরু

উপজেলা প্রাণী হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মরছে গরু

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁ উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগে ভাল মানের পশু ডাক্তার না থাকায় মাঠ কর্মী পশু চিকিৎসা করানোর ফলে একে একে ভূল চিকিৎসা সাধারণ খামারিদের পশুর মৃত্যু হচ্ছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ নির্বিকায় কোন সমাধান নেই।

সোনারগাঁয়ে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের অবহেলায় এবং মাঠকর্মী দিয়ে পশুর অপচিকিৎসায় একের পর এক পশু মারা গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন খামারিরা।

গত কয়েকদিনে সোনারগাঁ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কয়েকজন উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার টাকা চুক্তির বিনিময়ে ভূল চিকিৎসা দেওয়ার ফলে বহু গরু, ছাগল মারা গিয়েছে। এ অবস্থায় খামারিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ হাবীরের দাবী উপজেলায় স্থায়ী ভ্যাটেনারী সার্জন না থাকায় একে পর এক অপ চিকিৎসা হচ্ছে। ভ্যাটেনারী সার্জনের পদ থাকলেও তিনি অন্যত্র বদলি হওয়ার কারনে এ পদে এখনও কেউ যোগদান করেনি।

জানা যায়, গত(১৬সেপ্টেম্বর) বুধবার সোনারগাঁ পৌরসভার গোয়ালদী এলাকায় মোকাররম হোসেন নামের এক খামারীর প্রায় দুই লাখ টাকার মূল্যের এক গর্ভবতী গাভী সোনারগাঁ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা  মোঃ কামরুল হাসানের ভূল চিকিৎসায় মারা যায়। তার খামারে আরো ২০টি ছোট বড় গরু রয়েছে। গোয়ালদী এলাকায় মোকাররম হোসেন নামের এক খামারী জানান, তিনি কৃষি ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তিনি এ খামার গড়ে তোলেন। এ খামারের সবচেয়ে দামী গরুটি ভূলচিকিৎসার কারনে মারা যায়।

তিনি আরো জানান, গরুটি অসুস্থ হলে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে ফোন করে পরামর্শ চাইলে উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা  মোঃ কামরুল হাসান ১৫ হাজার টাকা বিনিময়ে গরুটি সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে গিয়ে গরুকে ইনজেকশন পুশ করলে ৩ ঘন্টা পর গরুটি মারা যায়।

অপর দিকে গত মঙ্গলবার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী খামারি জাহানারা বেগম জানান, তিনি জানান ওই গরুটা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮কেজি দুধ দোহন করতেন। এ গরুটা সকাল বিকেল দুধ দোহন করার ফলে গরুর শরীর থেকে ক্যালসিয়াম কমে যাওয়ার অজুহাতে কামরুল হাসান বাড়িতে গিয়ে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে দুটি ইনজেকশন পুশ করে। ইনজেকশন পুশ করার ২ঘন্টার মাথায় গরুর শুয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ৫শ টাকা নিয়ে তিনি আরেক উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা তাবারক হোসেন ভূইয়াকে এ গরুর দায়িত্ব দিয়ে সটকে পড়েন। তাবারক হোসেন দায়িত্ব নিয়ে পুনরায় ওই টাকায় চুক্তি করে আরো ২টি ইনজেকশন পুশ করেন। পরে গরুটি মারা যায়। গরুটি মারা যাওয়ায় ওই খামারির পরিবার নি:স্ব হয়ে পড়েছেন।

অপরদিকে হামছাদী এলাকায় গত জুলাই মাসে মফিজ উদ্দিনের গরু, সোনারগাঁ পৌরসভার সাহাপুর এলাকায় উন্নত জাতের ৪টি ছাগল, গোবিন্দপুর এলাকায় কাউসার মিয়ার একটি গরু ভূল চিকিৎসার মারা যায়।

অভিযুক্ত সোনারগাঁ উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চুক্তির বিনিময়ে চিকিৎসার কথা স্বীকার করেন। তবে চিকিৎসা দেওয়া তার দায়িত্ব। গরু মরে গেলে তার কি করার আছে বলে তিনি সরল সহজ দেন।তিনি জানান বাচা মরার বিষয়টি সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে।

সোনারগাঁ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ হাবীব বলেন, চুক্তির বিনিময়ে চিকিৎসা করার কোন নিয়ম নেই। ভ্যাটেনারী সার্জনের পদ থাকলেও এ পদে এখনও কেউ যোগদান করেনি। ফলে উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাদের দিয়ে এ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। ভ্যাটেনারী সার্জন প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে দরকার। শুধুমাত্র উপজেলা একটি পদ রয়েছে। তারপরও এ পদটি এখন শূন্য রয়েছে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution