• সকাল ১১:০২ মিনিট সোমবার
  • ১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : শীতকাল
  • ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
বিশ্বকাপেও খেলতে পারবে না আর্জেন্টিনা শম্ভুপুরায় তৃণমূল আওয়ামী লীগ কর্মীদের মারধরের ঘটনায় ২২ জনের নামে মামলা অজ্ঞাত ৫০ সনমান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী সম্মেলন সোনারগাঁয়ে নুনেরটেকে অসহায় মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ সোনারগাঁয়ে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলের দাবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন এর মানববন্ধন শম্ভুপুরা কর্মী সম্মেলনে আওয়ামীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষ আহত ১৫ সোনারগাঁয়ে এনজিও কর্মকর্তাদের কুপিয়ে টাকা ছিনতাই সোনারগাঁয়ে ২ দিন ধরে ব্যবসায়ী নিখোঁজ ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে পৌর আওয়ামীলীগ গঠন হবে. পৌরসভা সম্মেলনে নেতারা স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃতি করে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য \ মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা সোনারগাঁয়ে দারুণ নাজাত মাদ্রাসায় হাফেজদের পাগড়ী প্রদান ও মেধাবী গরিব ছাত্রদের কুরআন মাজিদ বিতরন মোগরাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কর্মী সম্মেলন তৃনমুল থেকে আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে বর্তমান কমিটি. কায়সার হাসনাত সাবেক রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জম্মবার্ষিকীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরন দেশের উন্নয়নই বিএনপির অন্তরজ্বালা সোনারগাঁয়ে ওবায়দুল কাদের হজের খরচ কমলো ৩০ শতাংশ কত বার যৌন মিলনে সুখের হয় দাম্পত্য আগামী কাল থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী লোকজ উৎসব সোনারগাঁয়ে নিখোঁজের ৮দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার আনন্দবাজার হাটের বালু ভরাটের কাজ পরিদর্শন এমপি খোকার
ইতিহাস ছোঁয়া বনাম ইতিহাস গড়ার লড়াই

ইতিহাস ছোঁয়া বনাম ইতিহাস গড়ার লড়াই

Logo


ইংল্যান্ড শেষবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল ১৯৯০ সালে। তখনও পরাধীন ক্রোয়েশিয়া। পরের বছর মিলল স্বাধীনতা। এমনই ফুটবল ঐতিহ্য যে স্বাধীন হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিলেন দাভর সুকেররা। এবার লুকা মদরিচদের চ্যালেঞ্জ আরও একধাপ এগিয়ে ফাইনালে পৌঁছনো। ইতিহাসের হাতছানির সামনে সুকেরের উত্তরসূরিরা।

কুড়ি বছর পর বিশ্বকাপের শেষ চারে ক্রোয়েশিয়া। আঠাশ বছর পর উঠেছে ইংল্যান্ডও। এখনও পর্যন্ত সাত বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে বড় প্রতিযোগিতায় একবারই দেখা। ২০০৪ সালের ইউরোতে। সেবার ইংল্যান্ড জিতেছিল। শেষ দু’বারের দেখাতেও বড় ব্যবধানে জিতেছে তারা। ইতিহাস, মুখোমুখি সাক্ষাৎ, সবেতেই এগিয়ে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ জেতার ঐতিহ্যও রয়েছে। তবে তার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গিয়েছে। ৫২ বছর পর ফের বিশ্বজয়ের গন্ধ বাতাসে। টেমসের পাড়ে উন্মাদনা তাই অন্য চেহারা নিয়েছে।

ক্রোয়েশিয়া আবার নতুন ইতিহাস লিখতে মরিয়া। প্রথমবারের জন্য ফাইনালে ওঠার তাগিদ শিবির জুড়ে। দলে রয়েছেন মদরিচ, ইভান রাকিতিচের মতো তারকারা। এই দু’জনকে বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডারের মধ্যে ধরা হচ্ছে এখন। গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে জেতা বাড়িয়েছে মনোবল। পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচের মধ্যে চারটিতেই বিপক্ষের চেয়ে বলের দখল বেশি ছিল ক্রোয়েশিয়ার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও বল পায়ে রাখতে চাইবেন তাঁরা।

দলে ভরপুর অভিজ্ঞতা। গোলরক্ষক সুবাসিচ, স্ট্রাইকার মারিও মাঞ্জুকিচরাও পেরিয়ে গিয়েছেন তিরিশের গণ্ডি। দেশের ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকার জন্য সোনালি প্রজন্মের এর চেয়ে ভালো সুযোগ আসবে না।তবে ক্রোয়েশিয়ার দুর্বলতা হল সেটপিস। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালেও ফ্রি-কিক থেকেই হজম করতে হয়েছিল গোল।

ইংল্যান্ডের শক্তি আবার এই সেটপিসেই। রক্ষণের বাঁ-দিক নিয়েও চিন্তা রয়েছে ক্রোয়েশিয়ার। যার সুবিধা নিতেই পারেন ইংল্যান্ডের রাহিম স্টারলিং ও জেসে লিনগার্ড। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হলেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। ছয় গোল করে ফেলেছেন তিনি। সোনার বুট পাওয়ার দৌড়ে তিনিই সবার চেয়ে এগিয়ে। তবে ইংল্যান্ড কোনও একজনের ওপর নির্ভর করছে না।সোনার বল পাওয়ার দাবিদার হিসেবে আবার ধরা হচ্ছে মদরিচকে। অর্থাত্, দুই অধিনায়কই দুই দলের প্রাণভোমরা। দু’জনের ওপরই নির্ভর করছে দল। মদরিচ মাঝমাঠ থেকে কখনও কখনও হয়ে উঠছেন ফলস নাইন। গোলও করছেন। আর হ্যারি কেন তো আলো দিচ্ছেন গোলের মাধ্যমে।

ইংল্যান্ড দলে ভিড় তারুণ্যের। প্রত্যেকেই দ্রুত দৌড়ন। কোচ গ্যারেথ সাউথগেট একসূত্রে বেঁধেছেন দলকে। আর এই দল হয়ে ওঠাই শক্তি ইংল্যান্ডের। ক্রোয়েশিয়া অবশ্য মোটেই সমীহ করছে না বিপক্ষকে। বলা হচ্ছে, ইংল্যান্ড যতই দুর্দান্ত দল হোক না কেন, যতই প্রতিশ্রুতিবান দল হোক না কেন, ক্রোয়েশিয়া তুলনায় অনেক ওজনদার।

অর্থাত্, ইংল্যান্ড যতই ঐতিহ্যে ভরপুর হোক না কেন, ক্রোয়েশিয়া অতীত নিয়ে ভাবছে না। বরং ফাইনালকে পাখির চোখ করছেন মদরিচরা!

আজকের লড়াই কোথাও হয়ে উঠছে ইতিহাস ছোঁয়ার সঙ্গে ইতিহাস গড়ার। ইংল্যান্ড আগেও উঠেছে ফাইনালে, চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। হ্যারি কেনদের সামনে তাই ইতিহাস ছোঁয়ার হাতছানি। মদরিচের সামনে আবার নতুন ইতিহাস গড়ার হাতছানি। ক্রোয়েশিয়া কখনও বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বাদ পায়নি যে!


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution