• রাত ৩:০৭ মিনিট মঙ্গলবার
  • ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
সনমান্দী তে কালামের জনসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় নেতাকর্মীর ঢল এমপি’র হস্তক্ষেপে হকারমুক্ত হলো ফুটওভার ব্রিজ সোনারগাঁয়ে অটোচালক রজ্জব হত্যার প্রধান আসামী আটক সোনারগাঁয়ের কাপড় ব্যবসায়ীর লাশ বুড়িগঙ্গায় উদ্ধার মেঘনা সেতু ফুট ওভারব্রিজের রেলিংয়ের সাপোর্টিং খুটি কেটে নিলো সওজের কর্মীরা সোনারগাঁয়ে স্মার্ট লুকস জেন্টস পার্লার এন্ড স্পা সেন্টার উদ্বোধন সোনারগাঁ সরকারী ডিগ্রী কলেজের হিসাব রক্ষককে পিটিয়ে আহত সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস বোতলজাত করার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু হঠাৎ ওসমান শিবিরে ধাক্কা সোনারগাঁও পৌরসভায় বৃদ্ধ শ্বশুরকে কুপিয়ে জখম করলো ছেলের বউ আমার দেয়ার কিছু নেই কিন্তু আপনাদের নেয়ার অনেক কিছু আছে..এমপি কায়সার হাসনাত আদমপুর বাজারে হাটার রাস্তা সরু করে অবৈধ দোকান নির্মাণ আনন্দবাজার হাটের ইজারা পেলেন প্যানেল চেয়ারম্যান নবী হোসেন সোনারগাঁয়ে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার কাঁচপুরে গ্রেপ্তার এড়াতে ৬ তলা থেকে লাফিয়ে পড়লেন যুবক জামপুরে মাহফুজুর রহমান কালামের উঠান বৈঠক সোনারগাঁয়ের কান্দারগাঁয়ে ১২ বছরে ৪ খুন, আহত-৫০ এলাকা ছাড়া ৫০ পরিবার পিরোজপুর কান্দারগাঁয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১ জনকে কুপিয়ে হত্যা জনগণের দোয়া চেয়ে গণসংযোগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হায়দার এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের বসার জন্য সোহাগ রনি’র ছাউনী নির্মাণ
করোনাভাইরাস: নারায়ণগঞ্জ থেকে কেন মানুষ গোপনে অন্য এলাকায় পালিয়ে যাচ্ছে?

করোনাভাইরাস: নারায়ণগঞ্জ থেকে কেন মানুষ গোপনে অন্য এলাকায় পালিয়ে যাচ্ছে?

Logo


বাংলাদেশের ভেতরে করোনাভাইরাসের এপিসেন্টার বা মূলকেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জকে। সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বেশি তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেবে শনিবার পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৪৮২ জনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে আছেন ৮৩ জন।
গত কয়েকদিন ধরেই নারায়ণগঞ্জ থেকে কিছু মানুষ গোপনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে গেছেন। এসব মানুষ হয়তো নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পেশার সাথে জড়িত।
যেসব জেলায় নারায়ণগঞ্জ থেকে মানুষ গিয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, গাজীপুর, ভোলা ও বরিশাল।
গত সপ্তাহের শেষের দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফেনী গিয়েছেন এমন দুজন ব্যক্তির জানালেন, নারায়ণগঞ্জে তারা ‘ছোটখাটো চাকুরীর’ সাথে সম্পৃক্ত। মার্চ মার্চের ২৬ তারিখ থেকে কোন কাজ না থাকায় তারা গ্রামের বাড়ি ফেনীতে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেন।

তাদের আশংকা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জে তারা যেখানে বসবাস করেন সে বাড়িতে বা তার আশপাশে যদি কারো দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া তাহলে হয়তো সে এলাকা থেকে আর বের হতে পারবেন না। সেজন্য তারা গ্রামের বাড়ি চলে যান।

তারা জানান, নারায়ণগঞ্জে বেশ কয়েকজনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের খবর ছড়িয়ে গেলে তাদের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জে তারা কার্যত বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন। তবে দুজনেই জানিয়েছেন, গ্রামের বাড়িতে যাবার পর তারা পরিবারের সদস্যদের সাথেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখছেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ থেকে গোপনে বরিশালের উজিরপুরে যাওয়ার কারণে সেখানে বেশ কয়েটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

গত বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ থেকে মাইক্রোবাস, পিকআপ ও অ্যাম্বুলেন্সে করে কিছু মানুষ ঠাকুরগাঁও গিয়েছে। এখন সেসব ব্যক্তি এবং তাদের বহনকারী যানবাহন খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে প্রশাসন।

দেশজুড়ে যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ হলেও নারায়ণগঞ্জ থেকে দলে দলে মানুষ কিভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে সে প্রশ্ন উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে ভৈরবে পালিয়ে যাবার কারণে পাঁচকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে ভৈরব উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

নারায়ণগঞ্জ থেকে ভৈরবে পালিয়ে যাবার কারণে পাঁচকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে ভৈরব উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

কেন নারায়ণগঞ্জ থেকে মানুষ গোপনে চলে যাচ্ছে?

বাংলাদেশের সংক্রামক রোগ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর-এর উপদেষ্টা মোশতাক হোসেন বলেন, যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় সামাজিকভাবে একঘরে করে দেবার প্রবণতা বাড়ছে।
এ বিষয়টি নিয়ে মানুষের মনে এক ধরণের ভীতি তৈরি হয়েছে।
সেজন্য করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকলেও এখন অনেকে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হচ্ছেন না বলে উল্লেখ করেন মি: হোসেন।
তিনি বলেন, ” দেখা যাচ্ছে কোন বাসায় সন্দেহভাজন রোগীকে পরীক্ষা করতে আসলেই তার বাসা তথাকথিত লকডাউন হয়ে যাচ্ছে। তারা টেস্টের রেজাল্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করছে না।”
ফলে মানুষের মধ্যে রোগটা লুকিয়ে রাখা বা এক জায়গা থেকে পালিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাবার প্রবণতা বাড়ছে বলে মি: হোসেন মনে করেন।

ফলে মানুষের মধ্যে রোগটা লুকিয়ে রাখা বা এক জায়গা থেকে পালিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাবার প্রবণতা বাড়ছে বলে মি: হোসেন মনে করেন।
তিনি বলেন, লকডাউন বিষয়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা দেবার একটি পদ্ধতি।
“এটাকে যদি ভয়াবহভাবে উপস্থাপন করা হয় তাহলে তো জনস্বাস্থ্যের জন্য যে উদ্দেশ্য , ভাইরাসটা যেন ছড়িয়ে না পড়ে, সে উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হচ্ছে।”
নারায়ণগঞ্জের উদাহরণ দিয়ে মি: হোসেন বলেন, লকডাউন নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হবার কারণেই অনেকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গোপনে অন্য এলাকায় চলে গেছে।
“তারা ভাবছে লকডাউনের সময় ঘরে বসে থাকবে, তারা না খেয়ে মারা যাবে। মৃত্যু হলেও কেউ দেখতে আসবে না। এই আশঙ্কা থেকেই তারা অন্য জায়গায় যাচ্ছে।”
এত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution