• সকাল ৮:০৫ মিনিট শুক্রবার
  • ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
ঈদ জামাতে যে সব নিয়ম কানুন মানতে অনুরোধ জানিয়েছেন ওসি হাফিজুর রহমান ঢাবি ছাত্র সংগঠন ডাসাসের ইফতার আয়োজন ও নতুন কমিটি ঘোষণা” সোনারগাঁয়ে ৪ জনের দেহে করোনা সনাক্ত ঈদকে সামনে রেখে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে রোগীর চাপ জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর আলমগীর সিরাজুদ্দীন এবং কিছু কথা এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার ঈদ সামগ্রী বিতরন মোগরাপাড়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে সোহাগ রনি’র খাদ্য সামগ্রী বিতরন সোনারগাঁ রয়েল রির্সোট হামলায় ঘটনায় সানি গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে ৭টি দোকানে ভূস্মিভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি থানা যুবলীগের ব্যানারে বৈদ্যেরবাজারে আল-আমিন সরকারের ঈদ সামগ্রী বিতরণ রোজা হবে ৩০টি: সৌদি আরব খালেদা জিয়া ও মান্নানের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও ঈদ সামগ্রী বিতরন চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহাগ রনির উদ্যোগে ২৫০০ জনকে ঈদ সামগ্রী বিতরন সোনারগাঁয়ে ১১ জনের নমুনায় ৬ জনের দেহে করোনা সনাক্ত চেয়ারম্যান প্রার্থী আল-আমিন সরকারের উদ্যোগে ১৫শ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন সোনারগাঁয়ে থানা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে চোরাই মোবাইল বেচাকেনার অভিযোগে ২জন আটক সোনারগাঁয়ে আরো ৬ জনের দেহে করোরা সনাক্ত রাস্তায় ঘুরে ঘুরে আওয়ামীলীগ নেত্রীর অসহায়দের ইফতার বিতরন কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান জাফর ইকবালের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ
মারা গেলেন কিংবদন্তি এমটি এম শামসুজ্জামান

মারা গেলেন কিংবদন্তি এমটি এম শামসুজ্জামান

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: প্রখ্যাত ও শক্তিমান অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান আর নেই। আজ শনিবার সকালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার ছোট মেয়ে কোয়েল আহমেদ।  ‘আমার বাবা এবার সত্যি সত্যি না ফেরার দেশে চলে গেছেন’, এ কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন কোয়েল।

 

এর আগে বেশ কয়েকবার এটিএম শামসুজ্জামানের মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়েছিল।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।

 

তার পূণাঙ্গ নাম আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান। তিনি এটিএম শামসুজ্জামান হিসেবেই অধিক পরিচিত। তিনি ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড় বাড়ি আর ঢাকায় থাকতেন দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে।

 

 

পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাই স্কুলে। পগোজ স্কুলে তার বন্ধু ছিল আরেক অভিনেতা প্রবীর মিত্র। ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট হাই স্কুল থেকে। তারপর জগন্নাথ কলেজে (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন।

তার বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল এবং শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন।

 

মাতা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন জলছবি চলচ্চিত্রের জন্য। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের নয়নমণি চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনা আসেন তিনি। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত দায়ী কে? চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তিনি রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালিতে অভিনয় করেন ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

জলছবি, যাদুর বাঁশি, রামের সুমতি, ম্যাডাম ফুলি, চুড়িওয়ালা, মন বসে না পড়ার টেবিলে চলচ্চিত্রে তাকে কৌতুক চরিত্রে দেখা যায়। তার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আমজাদ হোসেনের নয়নমণি চলচ্চিত্রটি। এ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন। এর আগে নারায়ণ ঘোষ মিতার লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করেন। এ ছাড়া খল চরিত্রে তার কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো – অশিক্ষিত, গোলাপী এখন ট্রেনে, পদ্মা মেঘনা যমুনা, স্বপ্নের নায়ক।

এ ছাড়া বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তিনি পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – অনন্ত প্রেম, দোলনা, অচেনা, মোল্লা বাড়ির বউ, হাজার বছর ধরে, চোরাবালি।

১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। এ ছাড়া খান আতাউর রহমান, কাজী জহির, সুভাষ দত্তদের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। এরপর ২০০৯ সালে প্রথম পরিচালনা করেন শাবনূর-রিয়াজ জুটির এবাদত নামের ছবিটি।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution