• ভোর ৫:২১ মিনিট রবিবার
  • ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
মেঘনা সেতু ফুট ওভারব্রিজের রেলিংয়ের সাপোর্টিং খুটি কেটে নিলো সওজের কর্মীরা সোনারগাঁয়ে স্মার্ট লুকস জেন্টস পার্লার এন্ড স্পা সেন্টার উদ্বোধন সোনারগাঁ সরকারী ডিগ্রী কলেজের হিসাব রক্ষককে পিটিয়ে আহত সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস বোতলজাত করার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু হঠাৎ ওসমান শিবিরে ধাক্কা সোনারগাঁও পৌরসভায় বৃদ্ধ শ্বশুরকে কুপিয়ে জখম করলো ছেলের বউ আমার দেয়ার কিছু নেই কিন্তু আপনাদের নেয়ার অনেক কিছু আছে..এমপি কায়সার হাসনাত আদমপুর বাজারে হাটার রাস্তা সরু করে অবৈধ দোকান নির্মাণ আনন্দবাজার হাটের ইজারা পেলেন প্যানেল চেয়ারম্যান নবী হোসেন সোনারগাঁয়ে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার কাঁচপুরে গ্রেপ্তার এড়াতে ৬ তলা থেকে লাফিয়ে পড়লেন যুবক জামপুরে মাহফুজুর রহমান কালামের উঠান বৈঠক সোনারগাঁয়ের কান্দারগাঁয়ে ১২ বছরে ৪ খুন, আহত-৫০ এলাকা ছাড়া ৫০ পরিবার পিরোজপুর কান্দারগাঁয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১ জনকে কুপিয়ে হত্যা জনগণের দোয়া চেয়ে গণসংযোগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হায়দার এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের বসার জন্য সোহাগ রনি’র ছাউনী নির্মাণ এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের বসার জন্য সোহাগ রনি’র ছাউনী নির্মাণ ১১ই মে তারিখে সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আহত যুবলীগ নেতা নাছিরের খোঁজ নেননি দলীয় নেতারা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলী হায়দার এর গণসংযোগ
সোনারগাঁবাসীর আগ্রহ ভোট নয়, আগ্রহ নৌকার প্রার্থী নিয়ে

সোনারগাঁবাসীর আগ্রহ ভোট নয়, আগ্রহ নৌকার প্রার্থী নিয়ে

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:, আগামী মাসের ৭ই অক্টোবর সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে সোনারগাঁয়ে ৭জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বলে শুনা গেলেও জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি কাউকে না জানিয়ে গোপনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে শুনা যাচ্ছে। গত ২রা সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষনা করার পর অনেকে তারাহুরা করে বর্তমান ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্রার্থীরা। তবে আওয়ামীলীগ ছাড়া বাকি অন্য কোন দলের নেতারা উপ-নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। সেজন্য এবার নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে নাকি বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন তা নিয়েও শঙ্কার রয়েছেন সোনারগাঁবাসী।

গত ২২ জুলাই সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মৃত্যুবরণ করার পর এ আসনটিকে শুন্য ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ৩ মাসের মধ্যে শুন্য এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত বাধ্যতামুলক। সে কারনে গত ২রা সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে উল্লেখ করা হয় আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী মাসের ৭ তারিখে। তফসিল ঘোষনার পর আওয়ামীলীগের ৭জন প্রকাশ্যে ও ১জন গোপনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি বিএনপি ও জাতীয়পার্টিসহ অন্যান্যদলগুলো। সে কারণে ৮জন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রার্থীর মধ্যে কে নৌকা প্রতিক পাবেন তা নিয়ে পুরো উপজেলা জুড়ে চলছে আলোচনা। চলছে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ও মনোনয়ন কে পেতে পারেন সে হিসেব নিকেশ।

আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিক দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার পর থেকে নির্বাচনের আগে দলের প্রার্থীদের তালিকা পাঠানোর জন্য কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেন জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দকে। কিন্তু এবারই প্রথম কেন্দ্র থেকে কোন প্রার্থীর তালিকা যাওয়া হয়নি। সে কারণে নেতাকর্মীরা মনে করেছেন গোয়েন্দা তথ্য, জনপ্রিয়তা ও দলের সাংগঠনিক দিক বিবেচনা করে মনোনয়ন দিবে আওয়ামীলীগ। এছাড়া এ উপজেলাটি রাজধানীর নিকটবর্তি হওয়ায় ও এ উপজেলাটির উপর দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি অবস্থানের কারনে আন্দোলন সংগ্রামে এ পথটি রাজনীতিতেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে এবং এখানে জাতীয়পার্টির এমপি থাকার কারণে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তার গুরুত্ব বিবেচনা করে মনোনয়নটি দেয়া হতে পারে। সেজন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা চিন্তা ভাবনা করেই মনোনয়নটি দিবেন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে মামুনুর হক কান্ডের পর সোনারগাঁয়ের গুরুত্বটা আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার কারণে হয়তো কেন্দ্র নিজেরাই এ আসনটির ব্যাপারে সিদ্বান্ত নিবেন। তবে অন্য দলের কোন প্রার্থী না থাকার কারণে এখানে ভোট গ্রহন হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে শংশয়। কারণ মনোনয়ন না পেলে কোন প্রার্থী বহিস্কারের ভয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে আসবে না। এছাড়া মনোনয়নের শেষ তারিখ যেহেতু আগামী ১৩ তারিখ ফলে আজ শুক্রবার অথবা কাল শনিবারই নিশ্চিত হবে যাবে কে হবেন নৌকার মাঝি।

সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত উপজেলা নির্বাচনে একজন বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে অনেক খড়কুটো পোহাতে হচ্ছে। সে কারনে আগামী উপ নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী হবে তার সম্ভাবনা একেবারেই কম। ফলে অন্য দলের প্রার্থীও না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী। সে কারনে তারা ভোট নয় বরং প্রার্থী নিয়ে বেশী মাথা ঘামাচ্ছেন। তারা আরো জানান, দল যদি বয়োজোষ্ট হিসেবে কাউকে মনোনয়ন দেন সে ক্ষেত্রে উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট সামসুল ইসলাম ভুইয়াকে দিতে পারেন। আবার সংগঠনিক দিক বিবেচনা করে মাহফুজুর কালামকে মনোনয়ন দিতে পারেন। যদিও ওনাকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গন্য করা হয় তারপর দলের স্বার্থে তাকেও দিতে পারেন সে সম্ভাবনাও রয়েছে। অপরদিকে, মামুনুর কান্ড হিসেবে গন্য করলে বর্তমান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুর ইসলাম নান্নুও মনোনয়ন পেতে পারেন আবার আওয়ামীলীগ পরিবার হিসেব করলে মরহুম মোশারফ হোসেনের ভাই মনির হোসেনও মনোনয়ন পেতে পারে। তবে, অন্য দলের প্রার্থী না থাকলে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবু ওমরকে জাতীয়পার্টির ছায়া প্রার্থী হিসেবে অনেকে মনে করে মনোনয়ন নিয়ে আসতে পারেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে কে মনোনয়ন পাবেন তা এখনও নিশ্চিত বলতে পারছেন না কেউ। সে জন্য মনোনয়ন নিশ্চিত করতে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মনোনয়ন প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। অনেকে আবার গোপনে বিভিন্ন ভাবে মিটিংও চালিয়ে যাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতিকের জন্য।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution