• রাত ৩:১৮ মিনিট বুধবার
  • ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : বসন্তকাল
  • ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
কাঁচপুরে বিভিন্ন বে-সরকারী ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতেরর অভিযান ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাঁচপুর যুবলীগের সভাপতি মাহবুব পারভেজের গণসংযোগ সোনারগাঁয়ে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তির বিরুদ্ধে সনমান্দী তে কালামের জনসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় নেতাকর্মীর ঢল এমপি’র হস্তক্ষেপে হকারমুক্ত হলো ফুটওভার ব্রিজ সোনারগাঁয়ে অটোচালক রজ্জব হত্যার প্রধান আসামী আটক সোনারগাঁয়ের কাপড় ব্যবসায়ীর লাশ বুড়িগঙ্গায় উদ্ধার মেঘনা সেতু ফুট ওভারব্রিজের রেলিংয়ের সাপোর্টিং খুটি কেটে নিলো সওজের কর্মীরা সোনারগাঁয়ে স্মার্ট লুকস জেন্টস পার্লার এন্ড স্পা সেন্টার উদ্বোধন সোনারগাঁ সরকারী ডিগ্রী কলেজের হিসাব রক্ষককে পিটিয়ে আহত সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস বোতলজাত করার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ১ ব্যক্তির মৃত্যু হঠাৎ ওসমান শিবিরে ধাক্কা সোনারগাঁও পৌরসভায় বৃদ্ধ শ্বশুরকে কুপিয়ে জখম করলো ছেলের বউ আমার দেয়ার কিছু নেই কিন্তু আপনাদের নেয়ার অনেক কিছু আছে..এমপি কায়সার হাসনাত আদমপুর বাজারে হাটার রাস্তা সরু করে অবৈধ দোকান নির্মাণ আনন্দবাজার হাটের ইজারা পেলেন প্যানেল চেয়ারম্যান নবী হোসেন সোনারগাঁয়ে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার কাঁচপুরে গ্রেপ্তার এড়াতে ৬ তলা থেকে লাফিয়ে পড়লেন যুবক জামপুরে মাহফুজুর রহমান কালামের উঠান বৈঠক সোনারগাঁয়ের কান্দারগাঁয়ে ১২ বছরে ৪ খুন, আহত-৫০ এলাকা ছাড়া ৫০ পরিবার
২৬ মামলার আসামী হয়েও পদ বঞ্চিত বিএনপি নেতা সেলিম সরকার

২৬ মামলার আসামী হয়েও পদ বঞ্চিত বিএনপি নেতা সেলিম সরকার

Logo


নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: দলকে ভালবেসে দলের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে ২৬টি মামলার আসামী হয়েও পদ বঞ্চিত হয়েছেন সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরকার। বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরিয়ে সিনিয়ন সহ-সভাপতির পদ দেয়া হয়েছে। সেলিম সরকারের অভিযোগ দল তাকে মুল্যায়ন করেনি। নামে মাত্র সহ-সভাপতির পদ দেয়া হয়েছে। তবে থানা বিএনপি সভাপতি জানান তাকে মুল্যায়ন করে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সহ-সভাপতির পদ দেয়া হয়েছে।

সুত্র জানান, গত কয়েকদিন আগে সম্মেলনের মাধ্যমে সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষনা করা হয়। ১০১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটিতে সভাপতি করা হয় কামরুজ্জামান মাসুমকে ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আ: রহমানকে। অভিযোগ রয়েছে আ: রহমান গত ১৪ বছরে তার মুখে কখনও বিএনপি শ্লোগান দিতে দেখা যায়নি। সেই কমিটিতে সেলিম সরকারকে দেয়া হয়েছে সিনিয়র সহ-সভাপতি। যিনি বিলুপ্ত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি দেয়া হয়েছে। সুত্র জানান, বর্তমান বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান সেলিম সরকারকে সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও কামরুজ্জামানকে থানা কমিটিতে নিয়ে আসার কথা ছিল। সেই কথা রাখেনি মান্নান। তাকে দল থেকে বাদ দেয়ার জন্য সকল কলকাঠি নেড়েছেন সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান মাসুম। কামরুজ্জামানের বিরোধীতার কারণে সেলিম সরকারকে দল থেকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু অবশেষে মান্নান তাকে সহসভাপতির পদে বহাল রাখেন। দলের অনেক নেতাকর্মী জানান, মান্নান মোশারফ থানা বিএনপির সভাপতি ও সেক্রেটারী হলেও মোশারফ হোসেন ও সনমান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজনু চাননা মান্নানের ঘনিষ্ট কোন কর্মী দলের ভাল কোন পদে থাকুক। সে জন্য মান্নান পন্থী অনেক নেতাকে বাদ দিয়ে দল গঠন করেছেন। ফলে মান্নান পন্থী নেতারাই মান্নানের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া শুরু করেছেন। মান্নানকে কর্মী শুন্য করতেই গভীর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছেন বিগত দিনে যারা মান্নানের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদ বঞ্চিত সেলিম সরকার জানান, ১৯৯১ সালে তিনি নারায়ণগঞ্জ যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুকুরের হাত ধরে ছাত্রদলের রাজনীতিতে পদচলা শুরু করেন। শাহ আলম মুকুর প্রথম তাকে সাদিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলেন আহবায়ক বানান। পরে ১৯৯৬ সালে তাকে ছাত্রদলের সভাপতির পদ দেন। সেই সময় সোনারগাঁয়ের এমপি ছিলেন রেজাউল করিম। ২০০১ সালে সে সময় শাহ আলম মুকুল দবির ভুইয়া পস্থী থাকায় রেজাউল করিম সাদিপুর ছাত্রদলের কথিত ছাত্রদল সভাপতি বানান ইব্রাহিমকে। ২০০১ সালে রেজাউল করিম এমপি ও সাবেক মহিলা এমপি গোলবদনের ছেলে মাসুমের ইশারায় আমাকে তৎকালীন সোনারগাঁ থানাে এস,আই বাতেন ঘুম থেকে তুলে নিয়ে দুদিন থানা লকআপে আটকে রেখে পরদিন বারদী মছলন্দপুর গ্রামের একটি ডাকাতি মামলায় কোর্টে চালান করে। দেড়মাস মিথ্যা মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে এসে প্রকাশ্যে আমি রেজাউলের বিরোধিতা করতে থাকি। রেজাউল করিম ক্ষমতায় থাকাকালীন আমি দশ পয়সারও দলীয় সুযোগ সুবিধা পাই নাই। মূল দলের সভাপতি মাসুম সহ রেজাউল পন্থী কাউকেই নয়াপুর পার্টি অফিসে ঢুকতে দেই নাই। দল ক্ষমতায় থাকতেই আমি বিরোধী দলের নেতার মত সময় কাটিয়েছি।

বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পর খন্দকার আবু জাফর থানা বিএনপির সভাপতি হয়ে আসার পর রেজাউল করিমের ভয়ে যখন কেউ জাফরের পক্ষে কাজ করতে রাজি হয়নি, তখন আমই সর্বপ্রথম জাফর সাহেবকে নিয়ে মাঠে নামি। তখন সর্বপ্রথম সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে জাফর সাহেবের পদচারনা শুরু। সেই কমিটিতে আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। তারপরের কমিটিতে পিছাওয়ালা আমিরকে নিয়ে বহু যুদ্ধের পর আমাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়। তিন বছর পর আমিরকে বহিষ্কার করে আমাকে সেক্রেটারী করা হয়। আমি কট্টরপন্থী শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার অনুগত হওয়ায় আমার নামে ২৬টি গায়েবি মামলা দেয়া হয়। বর্তমানে রয়েল রির্সোটের মামুনুল কান্ডে আমার নামে ৩টি মামলা হয়। সেই থেকে আমি ফেরারী জীবন যাপন করছি। দলের জন্য এতো কিছু করার পরও দল আমাকে মুল্যায়ন করেনি। কামরুজ্জামান মাসুমের সাথে আমার ব্যক্তিগত দ্বন্ধের কারণে দলের পদ-পদবী থেকে আমাকে বঞ্চিত করছে দল।

এ ব্যাপারে আজহারুল ইসলাম মান্নান জানান, দল সেলিম কে অবমুল্যায়ন করেনি দল কাকে মুল্যায়ন করে সিনিয়র সহসভাপতি বানিয়ে।


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution