• বিকাল ৪:০৭ মিনিট বুধবার
  • ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  • ঋতু : গ্রীষ্মকাল
  • ১৮ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
এই মাত্র পাওয়া খবর :
যেতে_যেতে_পথে দরগাবাড়ি_নহবতখানা মনোনয়ন জমা দিয়ে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে নৌকার পরিবার দাবি, নৌকা না পেলেই বিদ্রোহী, এড. সামসুল ইসলাম মোগরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যারা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আহবায়ক কমিটি, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন প্রশাসক নির্বাচনের ঘোষনা দিলেন আরিফ মাসুদ বাবু ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে জামায়াত সোনারগাঁয়ে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার মেয়াদের ১৫ মাস পর সোনারগাঁও পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আরিফ মাসুদ বাবু বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুনামেন্টে জামপুর ইউনিয়ন ৫ – ০ গোলে জয়ী বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুনামেন্টে ২-০ গোলে বিজয়ী বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদ শিল্প-কারখানা স্থাপন ও ভরাটে বদলে গেছে সোনারগাঁয়ের মানচিত্র বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টে জামপুর বনাম নোয়াগাঁও খেলা ড্র দবিরউদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের সাথে মত মিনিময় সভা ওদের কাজ হলো ষড়যন্ত্র করা, এমপি খোকা সোনারগাঁ সংঘের নতুন কমিটি গঠন আরিফ মাসুদ বাবু’র সমর্থন চাইলেন সোহাগ রনি মনোনয়নের সংবাদ শুনে রাস্তায় সেজদায় লুটিয়ে পড়েন সোহাগ রনি’র নেতাকর্মীরা
শিশুর স্থায়ী দাঁত ওঠার সমস্যায় ভীত না হওয়ার পরামর্শ

শিশুর স্থায়ী দাঁত ওঠার সমস্যায় ভীত না হওয়ার পরামর্শ

Logo


প্রায়ই দেখা যায় শিশুর দুধদাঁত একসঙ্গে দুই-তিনটি পড়ছে, কিন্তু স্থায়ী দাঁত ওঠার সময় উঠছে মাত্র একটি। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অস্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে ডেন্টাল সার্জনরা অভিভাবকদের ভীত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, ডেন্টাল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এর সুরাহা সম্ভব।
আরফার বয়স চার বছর ১১ মাস। এরই মধ্যে তার দুটো দাঁত পড়ে গেছে। তাকে নিয়ে বাবা আরাফাত সিদ্দিকীর দুশ্চিন্তার শেষ নেই! মেয়ের দুটো দাঁত পড়েছে, কিন্তু একটি উঠলেও আরেকটি দাঁত ওঠার ক্ষেত্রে স্পেস (জায়গা) কম। দাঁতগুলো ঠিকমতো উঠবে তো? তবে আরফার মা ফারিয়া মোশাররফ বলেন, ‘আমার ভাবি একজন ডেন্টিস্ট। তিনি পাশের দাঁত নড়ছে কিনা, দেখতে বললেন। দেখি সত্যি পাশের দাঁতটিও নড়ছে। পরে আরফা নিজেই ওই দাঁত নড়িয়ে ফেলে দিয়েছে। আমার মনে হয়, ওর দাঁত ঠিকমতোই উঠবে।’
মগবাজারের বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আকলিমা আক্তারের উপরের পাটির সামনের দিকের ডান পাশের একটি দাঁতের গ্যাপ (ফাঁক) রয়েছে। কারণ ছোটবেলায় দাঁতটা ঠিকমতো ওঠেনি। এ প্রসঙ্গে তার স্বামী তারেক সালমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই জায়গাটাতে দাঁতটা নতুন করে ওঠেইনি। পরিবারের অভিভাবকরা বিষয়টি সেভাবে বোঝেননি, তারা চিকিৎসকের কাছে নিয়েও যাননি।’
তিনি বলেন, ‘আমি মাঝে মাঝে এটা নিয়ে মজা করি। আমাদের দুই সন্তান। মেয়ের বয়স পাঁচ বছর। তার দাঁতে মায়ের মতো কোনও সমস্যা এখনও পাইনি। আর ছেলের বয়স ছয় মাস, তার তো এখনও দাঁত সেভাবে ওঠেনি।’
মিরপুরের বাসিন্দা সুমনা আহমেদ ও শাহরিয়ার শরীফ দম্পতির পাঁচ বছরের মেয়ে ফাহমিনা আহমেদের দুটি দাঁত একসঙ্গে পড়েছে। কিন্তু একটি দাঁতও ওঠেনি। এ নিয়ে চিন্তিত এই দম্পতি। সুমনা আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত, দেখা যাক কী হয়!’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলী আজগর মোড়ল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিশুর দাঁত পড়ে যাওয়ার পর না ওঠা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এক্সরে করে দেখতে হবে, কী কারণে দাঁত উঠতে পারছে না। শিশুদের চোয়ালগুলো খাবারের সময় মুভমেন্ট হয়। আমরা আগেকার দিনে শক্ত খাবার বেশি খেতাম। শক্ত খাবার খেলে মুখের এই অংশটুকুর ম্যাসেজ হতো, অটোমেটিক্যালি দাঁত উঠে যেতো।’
এখনকার শিশুরা শক্ত খাবার একেবারেই খায় না, ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ জন্য মুখের নড়াচড়া কম হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে দাঁত ওঠে না। এক্সরে করে দেখতে হবে যে, দাঁতটা ভেতরে আছে কিনা, থাকলেও এর পজিশন ঠিক আছে কিনা। মাংসের কারণে যদি উঠতে না পারে সেক্ষেত্রে ওই মাংসটুকু একটু কেটে দিতে হয়।’
নিটোল ডেন্টাল চেম্বারের ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. আনোয়ারুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুটি দাঁত পড়ে যাওয়ার পর একটি উঠেছে, একটি দাঁত ওঠেনি— এক্ষেত্রে প্রথমে এক্সরে দেখতে হবে পারমানেন্ট টুথ জার্ম আছে কিনা। যদি টুথ থাকে তাহলে বাধা পাচ্ছে কোন কারণে, সেটা দেখতে হবে। যেকোনও ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার হতে পারে। দাঁতের রুট ঠিকমতো তৈরি হচ্ছে না, বা বাধা পাচ্ছে কোন কারণে?’
তিনি বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় টুথ জার্মই নেই। দাঁত পড়ে গেছে কিন্তু নিচে আর কোনও দাঁত নেই। সেক্ষেত্রে আর কিছু করার থাকে না।’
বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডেন্টাল সার্জন নাজমুল হক সজিব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিটি দুধদাঁতের নিচে একটি করে স্থায়ী দাঁত থাকে। প্রত্যেক দুধ দাঁত পড়ার নির্দিষ্ট সময় আছে। কোনোটি ছয় বছরে পড়ে, কোনোটা সাত বছরে পড়ে, কোনোটা আট বছরে পড়ে। যে দাঁতটা ছয় বছরে পড়ার কথা, সেটা যদি চার-সাড়ে চার বছরে নষ্ট হয়ে যায়, বা তুলে ফেলতে হয় সেক্ষেত্রে নিচের দাঁতটি উঠতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘যেসব শিশুর গ্রোথ কম তাদের দাঁতও দেরিতে উঠবে। কারো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দাঁত উঠবে।’
ডা. আলী আজগর মোড়ল বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে মা-বাবা বা অভিভাবকদের ডেন্টাল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।’ সুত্র বাংলা  ট্রিভিউন


Logo

Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution