Category: বারুদী

  • বন্দরে দুই স্কুল ছাত্রী অপহরন গ্রেফতার-২

    বন্দরে দুই স্কুল ছাত্রীকে অপহরনের ঘটনায় অপহরনকারী মঈনুল(২৫) ও রিয়াদ (২৩)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার বন্দর একরামপুর সিএসডি গেট এলাকা থেকে অপহরন করে নারায়ণগঞ্জ ফতুলা নিলে পুলিশ ফতুল্লা থেকে স্কুল ছাত্রীদের উদ্ধার করে অপহরনকারীদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করে।

    বন্দর থানার এস আই হামিদুল ইসলাম জানান, একরামপুর এলাকার রতন মিয়ার মেয়ে শ্রাবন্তী ও একই এলাকার বাদল মিয়ার মেয়ে পুষপ বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেনীর ছাত্রী স্কুলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হলে সিএসডি গেটের সামনে এলে অপহরনকারী মঈনুল ও রিয়াদ মিথ্যে প্রলভোন দেখিয়ে তাদের নিয়ে যায়। স্কুল ছাত্রীর ভাই সংবাদ পেয়ে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার কুতুবপুর এলাকা থেকে দুই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় ও অপহরনকারীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। অপহরনকারী দুই জনকে অপহরন মামলায় আদালতে প্রেরন করে বন্দর থানা পুলিশ।#

  • সড়ক বললে ভূল করা হবে, সড়কের বেহাল অবস্থা  

    সড়ক বললে ভূল করা হবে, সড়কের বেহাল অবস্থা  

    বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন এর দাঁশেরগাও হতে প্রেমতলা পর্যন্ত একমাত্র রাস্তাটি র্দীঘদিন ধরে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।  দাসেরগাঁ থেকে প্রেমতলা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি র্দীঘ দিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় সম্পূর্ন সড়ক জুড়ে ছোট বড় খানা খন্দক ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ  গর্তে ও খানা খন্দকে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে যে কেউ দেখে মনে করবে এইটি সড়ক নয় যেন  খাল অথবা জলাভুমি। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মুছাপুর ইউনিয়নস্থ দাঁশের গাও ও প্রেমতলাসহ এর আশে পাশের হাজার হাজার লোকজন।

    অপর দিকে মালামাল পরিবহন করতে না পেরে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ওই এলাকার ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। রাস্তার বেহাল অবস্থা থাকার কারনে ছাত্র/ছাত্রীরা যানবাহন না পেয়ে  পায়ে হেঁটে স্কুল ও মাদ্রাসা যাওয়া আসা করতে দেখা যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, মুছাপুর ইউনিয়নের দাঁশেরগাও হইতে প্রেমতলা এলাকাতে প্রচুর পরিমানে ইটভাটা নির্মানের কারনে ওই রাস্তা দিয়ে ইট বোঝাই ট্রাকের আনাগোনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। এই কারনেই রাস্তাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।  ফলে বেহাল এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অবর্ণনীয়  দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। তারা আরো জানান,  এ ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।#

  • বন্দর শিল্পকলা একাডেমী’র সদস্য সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ

    বন্দর শিল্পকলা একাডেমী’র সদস্য সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ

    বন্দর শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবেদন করেও সদস্য পদ পাননি খ্যাতিমান সংগীত ও সংস্কৃতবান ব্যক্তিরা। পক্ষান্তরে গ্রুপিং লবিং ও চাপ প্রয়োগ করে সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছে অধিকাংশ অশিল্পীরা। সূত্র জানায়, বন্দর শিল্পকলা একাডেমীর নতুন ভোটার সদস্য প্রক্রিয়া শেষ হয় কিছুদিন পূর্বে। কিন্তু শিল্পকলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গের জন্য হলেও একশ্রেণীর অসাধু স্বার্থান্বেষী লোক  প্রভাব বিস্তারের জন্য সুকৌশলে বেশ কিছু অসাংস্কৃতিক ব্যক্তিকে ঢুকিয়ে দেয়। যাদের সাংস্কৃতিক অংগনের সঙ্গে কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। তাদেরকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তি করে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির অপচেষ্টা করা হয়েছে।

    বন্দরের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংগীত পরিচালক মোঃ মানির হোসেন বন্দও শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য পদ পেতে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করেন। কিন্তু সদস্যের অযোগ্য আখ্যায়িত করে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। বিশিষ্ট বাউল শিল্পি আবুল সরকারের অন্যতম শিষ্য আসলাম সরকারকে অযোগ্য আখ্যায়িত করে বাদ দেয়া হয়। বাংলা একাডেমির সদস্য সাহিত্যিক ইয়াদী মাহমুদকে অযোগ্য আখ্যায়িত করে বাদ দেওয়া হয়। ছাড়াও বন্দরের আরও বেশ কিছু সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অভিযোগ করেন যে, সদস্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটাই ছিল ভুল। কেননা তারা এত কাছে থেকেও এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জড়িত থাকার পরেও জানেনইনা যে সদস্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বন্দরের প্রবীণ তবলা বাদক নারয়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর পুরস্কারপ্রাপ্ত যন্ত্র শিল্পী ফণী দাস তার ছেলে যন্ত্র শিল্পী কৃষ্ণ দাস তারা জানেইনা যে বন্দর শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য নেয়া হচ্ছে।

    বন্দর প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাট্য ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি নাট্য ব্যক্তিত্ব কাজিম উদ্দিন সদস্য সংগ্রহের বিষয়ে কিছুই জানেননা বলে জানান। বন্দরের ঐতিহ্যবাহি সিরাজউদ্দৌলা নাট্য গোষ্ঠীর কর্ণধার মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম খসরু । তিনি জানেন না এলাকায় সদস্য সংগ্রহের কাজ চলছে। প্রকৃত সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে নতুন করে সদস্য তালিকা প্রস্তুত করার দাবি জানিয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সকল ব্যক্তিবগ। সূত্র জানায়, প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজনকে ফোন কলের মাধ্যমে সঠিক প্রমাণাদি সহ শনিবার উপজেলা থাকতে বলা হয়, বলা বাহুল্য অনেক আবেদনকারী কোন প্রকার ফোন কল পাননি বলে দাবি করেন। অনেকেই দাবি করছেন শনিবার সকালে আবেদনকারীদের (সাহিত্য এবং সংস্কৃতিকর্মী) কোন প্রকার প্রমাণাদি দলিল না নিয়ে অভিনয় করে দেখাতে বলা হয় এবং ইচ্ছামতো যাচাই-বাছাই করে বেশকিছু অযোগ্য প্রার্থী সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যে ব্যক্তি কোন শিল্প সাহিত্যের সাথে জড়িত নয় এমনকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়  সংস্কৃতি চর্চা করে না অথবা রাজাকার বা তাদের দোসরদের সদস্য হওয়া অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে জানা সত্ত্বেও উক্ত তালিকায় এমন অনেক সদস্য সদস্যভুক্ত করা হয়।#