Category: খেলাধূলা

  • মদনপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁনপুর খেলাঘর চ্যাম্পিয়ন

    মদনপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁনপুর খেলাঘর চ্যাম্পিয়ন

    বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউপি’র কেওঢালা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ সংলগ্ন খেলার মাঠে আয়োজিত মরহুম মোবারক আলী স্মৃতি ডিগবার ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলায় শনিবার (৪ আগষ্ট) বিকেলে মামা ভাগিনা ফুটবল দলকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা অর্জন করেছে চাঁনপুর খেলাঘর ফুটবল দল।

    প্রায় ১৬টি দলের অংশগ্রহণে মাসব্যাপি টুর্নামেন্টের ফাইনালে বিজয়ী দলকে ৩২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন এবং পরাজীত দলকে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন ও ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয়। খেলায় আরিফুল ইসলাম আলীনূরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ সালাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে মেঘনা থানার আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল সরকার টিপু, মদনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. কাজী কবির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।#

  • প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গলাচিপা যুব সমাজ একাদশ

    প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গলাচিপা যুব সমাজ একাদশ

    শুক্রবার সকাল ৭টায় আই.ই.টি. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশগ্রহন করেন গলাচিপা ফুটবল একাদশ ও গলাচিপা যুব সমাজ একাদশ। খেলায় চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন গলাচিপা যুব সমাজ একাদশ। খেলায় ৪-০ গোলে গলাচিপা ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরুষ্কার বিতরণ করেন জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন লিটন। খেলায় সেরা নির্বাচিত হন মোঃ হোসেন এবং ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন মোঃ আশিকুর।#

  • হাসিয়ে গেলো বিশ্বকাপ, কাঁদিয়ে গেলো বিশ্বকাপ

    হাসিয়ে গেলো বিশ্বকাপ, কাঁদিয়ে গেলো বিশ্বকাপ

    শিরোনামের সঙ্গে যোগ হতে পারতো ‘ভিজিয়ে গেলো বিশ্বকাপ।’ শব্দ কমাতে তা দেয়া হয়নি। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপের সঙ্গে একেবারে শেষ মুহূর্তে যে জড়িয়ে গেলো ‘ভিজিয়ে’ শব্দটি।

    রোববার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের ফাইনাল বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই হাসি-কান্নার অভিনব মিলন দেখেছে বিশ্ব। একটি বল নিয়ে ২২ ফুটবল সেনানীর ৯০ মিনিটের যুদ্ধটা ছিল আসলে প্রতীকী। পৃথিবীর সব চোখ যে ছিল মস্কোর অলিম্পিক কমপ্লেক্সে ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা লুঝনিকি স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে।

    বিশ্বকাপ ফাইনাল শুরুর আগের কয়েক ঘণ্টার উন্মাদনা দেখেছেন সবাই। দেখেছেন মাঠে ২২ ফুটবলারের সর্বশক্তি দিয়ে দেশের মাথা উঁচু করানোর লড়াই। দেখেছেন প্রায় ৮০ হাজার দর্শকের উম্মাদনা। দেখেছেন ফাইনাল শেষে হাজার হাজার মানুষের অশ্রু-কারো খুশির, কারো বেদনার।

    বিশ্বকাপ ফুটবল মানে পুরো পৃথিবীকে এক সূতোয় গেঁথে দেয়ার উপলক্ষ। বিশ্বকাপ মানে জাত-গোষ্ঠির ভেদাভেদ ভোলানোর মহান তীর্থক্ষেত্র। বিশ্বকাপ মানে সবার এক সুরে গান গাওয়া। যেখানে সব দেশ, সব জাতির একই ভাষা ‘ফুটবল।’

    পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দেশ রাশিয়ার ১১ শহরে সেই বিশ্বকাপ ঘিরে পুরো একমাস ছিল হাসি-কান্নার ফুয়ারা। একটি চামড়ার গোলক যে একই সাথে কত মানুষকে হাসাতে এবং কাঁদাতে পারে সেটা বোঝা যায় বিশ্বকাপে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বলা হয় তার বিজ্ঞাপন বিশ্ব দেখে চার বছর পরপর।

    মস্কোর লুঝনিকিতে হাসি-কান্না দেখেছি, দেখেছি স্পার্টাকে। দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর সেন্ট পিটার্সবাগ, ক্রীড়া রাজধানীখ্যাত কাজান, গা পোড়ানো গরমের শহর সামারা, নিঝনি নভগোরদ আর সারানা-সব জায়গায় ছিল একই দৃশ্য। ম্যাচের আগে সবাই হাসছে, পরে এক ভাগের চোখে আনন্দ অশ্রু, আরেক ভাগের বেদনার।

    আগামী চার বছর বিশ্বের সেরা দলের মুকুট থাকবে ফরাসিদের মাথায়। আপসোসে পুড়বে ক্রোয়াটরা-তীরে এসে তরী ডোবায়। এই বিশ্বকাপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর শিক্ষা নেবে ব্রাজিল, আর্জেন্টনা, জার্মানি, স্পেন, উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড, পর্তুগালসহ জায়ান্ট দলগুলো। আগামীতে আরো চমক দেখানোর অনুপ্রেরণার সন্ধান করবে বেলজিয়াম, জাপান, কোরিয়াসহ অনেক দল।

    বছর ঘুরতে না ঘুরতেই রাশিয়া বিশ্বকাপ ছাপিয়ে সামনে চলে আসবে কাতার। তবে লেলিন-পুুতিনদের দেশের বিশ্বকাপ মানুষকে অনেক দিনই মনে রাখতে হবে। ফাইনালের দুই দিন আগে ফিফা প্রেসিডন্টে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবকদের হাসির কথা। লাল পোষাকের হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর হাসিকে ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেন ‘বিশ্বকাপের প্রাণ।’

    বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার প্রধান দ্বিতীয়বার বললেন বিশ্বকাপের পর্দা নামার পর। রোববার পুরস্কার বিতরণ শেষে আরেকবার লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বক্তব্য দিলেন ইনফান্তিনো। মাঠে লড়াই করে যারা দীর্ঘ এক মাস মানুষকে আনন্দ দিয়েছেন, যারা ছিলেন বিশ্বকাপের আসল নায়ক-সেই ফুটবলারদের অনন্য শৈলীর সঙ্গে তিনি স্বেচ্ছাসেবকদেরও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।

    ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলাররা লুঝনিকির মাঠ ত্যাগের পরপরই সেখানে জড়ো হয়েছিলেন লুঝনিকি আর স্পার্টাকের দায়িত্ব পালন করা স্বেচ্ছাসেবকরা। ইনফান্তিনো আসলেন, তাদের আবার ধন্যবাদ দিলেন। কয়েকবার উচ্চারণ করলে ‘পাসিবা’ মানে ধন্যবাদ।

    স্বেচ্ছাসেবকরা গাইলেন ‘আমি বাকরুদ্ধ, কারণ আমি তোমায় ভালোবাসি। মনে রেখো চিরদিন।’ সঙ্গে নাচলেনও। ওই সময় মাঠে প্রবেশের সুযোগ হওয়া হাতেগোনা কিছু মানুষও নাচলেন তাদের সঙ্গে। গ্যালারিতে লাল ঢেউ উঠলো। এক সময় সমস্বরে আওয়াজ উঠলো ‘গুডবাই ওয়ার্ল্ড কাপ।’ হাসির সঙ্গে কারো চোখে বিদায়ের কান্নাও।

    তার আগে অঝোরে বেশ সময়ে কেঁদেছিল মস্কোর আকাশ। শরীরের পানি ছেড়ে আনন্দে বাড়তি সংযোজন ছিল প্রকৃতির। বৃষ্টির ফোটা কারো গাল বেয়ে পড়া বেদনার অশ্রু মুছে দিয়েছে, কারো আনন্দ অশ্রুতে সম্পৃক্ত হয়েছে।

    রাশিয়া বিশ্বকাপকে গুডবাই বলা হয়েছে রোববার রাতে লুঝনিকিতে স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েই। কিন্তু রাশিয়াকে গুডবাই জানাতে আরো দিন চারেক অপেক্ষা। চলে যাওয়া বিশ্বকাপ আর ফিরবে না। কিন্তু বিশ্বকাপের অনেক স্মৃতি কখনো মুছবেও না। ফুটবল কাউকে হাসালো, কাউকে কাঁদালো। আর ফাইনালের পর বৃষ্টি ভেজালো সবাইকে। বিশ্বকাপ যেমন হাসিয়ে-কাঁদিয়ে গেলো, তেমন ভিজিয়ে গেলো। লিভ ইট আপ।

  • বিশ্বজয়ীদের বরণ করে নিচ্ছে ফ্রান্স

    বিশ্বজয়ীদের বরণ করে নিচ্ছে ফ্রান্স

    বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিল ৩২টি দেশ। সবারই প্রত্যাশা ছিল বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা জয়ের। তবে সেখানে ফেবারিট হিসেবে ছিল কয়েকটি নাম। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, স্পেন, জার্মানি এবং ফ্রান্স। নানা ঘটন-অঘটন পটিয়সির বিশ্বকাপ ছিল রাশিয়ার ২১তম আসর। গ্রুপ পর্বের শুরু থেকেই প্রতিটি ম্যাচেই বারুদ ছড়িয়েছিল রাশিয়া বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্বেই জার্মানির বিদায়, দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে স্পেন, আর্জেন্টিনা এবং কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ব্রাজিলের বিদায় বিশ্বকাপকে অনেকটাই প্রাণহীন করে দিয়েছিল।

    কিন্তু ফাইনালে ফরাসী সৌরভ ছড়িয়ে যখন গ্রিজম্যান-এমবাপেরা বিশ্বকাপের ট্রফিটা হাতে তুলে নিলেন, তখন আরও একবার প্রমাণ হলো, ট্যলেন্ট ইজ টেম্পোরারি অ্যান্ড ক্লাস ইজ পারমানেন্ট। বিশ্বকাপ ফাইনালের চাপ ধরে রেখে, স্নায়ু শক্ত রেখে ম্যাচটা বের করে আনার মত ক্ষমতা এবং যোগ্যতা ছিল কেবল ফ্রান্সেরই। ক্রোয়েশিয়া হয়তো কিছু প্রতিবা দিয়ে আবেগ তৈরি করতে পেরেছিল। মাঠের খেলায়ও বেশ পারঙ্গমতা দেখিয়েছিল; কিন্তু দিন শেষে বিশ্বজয়ীর নাম ফ্রান্স। ফেবারিটের মতই জিতলো ফরাসিরা।

  • স্পেনে ফিরে এসেছেন আলভেজ-নেইমাররা

    স্পেনে ফিরে এসেছেন আলভেজ-নেইমাররা

    গ্রীষ্মের দলবদলে রেকর্ড ট্রান্সফারে স্প্যানিশ লা লিগা ছেড়ে ফরাসি লিগ ওয়ানে পাড়ি দিয়েছিলেন নেইমার। ফ্রান্স ছেড়ে আবারও স্পেনে উড়ে এসেছেন ব্রাজিলিয়ান এ সুপারস্টার। তার সঙ্গে স্পেনে ফিরেছেন এক সময় বার্সেলোনার হয়ে খেলা তার জাতীয় দলের সতীর্থ দানি আলভেজ।

    তবে এবার এখানকার কোনো ক্লাবে হয়ে খেলতে নয়। এসেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলতে।

    উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে আজ শক্তিশালী রিয়ালের মুখোমুখি হচ্ছে নেইমারের ক্লাব পিএসজি। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১.৪৫ মিনিটে পিএসজিকে স্বাগত জানাবে লস ব্লাঙ্কোসরা। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এই ম্যাচের জন্য ইতিমধ্যেই মাদ্রিদে এসে পৌঁছেছেন নেইমার-আলভেজ-কাভানিরা।

    লা লিগায় ধুঁকতে থাকলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে এবারের মৌসুমেও দারুণ ফর্মে রিয়াল মাদ্রিদ। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর আজকের ম্যাচের স্বাগতিক হিসেবে তাদের ফেবারিট হিসেবে এগিয়ে রাখতে চাইবে অনেকেই।প্রতিপক্ষকে সম্মান দিচ্ছেন পিএসজি কোচ উনাই এমরিও। ময়দানী লড়াই শুরুর আগে এ প্রসঙ্গে এমরি বলেন, ‘প্রতিপক্ষের প্রতি আমাদের বেশ সম্মান রয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য আমাদের সামার্থ্য যোগ্যতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমাদের অগ্রগতি যাচাই করার জন্য এই ম্যাচটি দারুণ একটি সুযোগ। নেইমারের মতো তারকাকে দলে পেয়ে আমি বেশ আনন্দিত। সে আমাদের দলকে সাহায্য করার জন্য এসেছে।’