Tag: চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

  • সোনারগাঁও পৌরসভার শাহাপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    সোনারগাঁও পৌরসভার শাহাপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিনের টানা বৃষ্টি কিংবা সামান্য ভারী বর্ষণ হলেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাপুর এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে গোয়ালপাড়া, নয়াপাড়া, জেলেপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, এটি তাদের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায় এবং অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে।

    স্থানীয়দের দাবি, অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আশপাশের পুকুর-ডোবা ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যেতে পারে না এবং দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা স্থায়ী থাকে।

    জলাবদ্ধতার কারণে অনেক বাড়িতে বিষাক্ত সাপ, ব্যাঙসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণী ঢুকে পড়ছে। অনেক পরিবারের রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রান্নাবান্নাও ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও নারীরা।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ বলেন, “শাহাপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ দ্রুত নিরসনে আমি সোনারগাঁও পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। অতি দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং একটি টেকসই ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তির সঙ্গে চলাচল করতে পারেন।”

  • সোনারগাঁয়ের দড়িকান্দি–বাংলাবাজার সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    সোনারগাঁয়ের দড়িকান্দি–বাংলাবাজার সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার দড়িকান্দি থেকে বাংলাবাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দে ভরা, ভাঙাচোরা এই সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
    এই সড়কের পাশে রয়েছে অন্তত পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, একটি ইউনিয়ন পরিষদ, চারটি কবরস্থান এবং একটি ব্যস্ত বাজার। ফলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচলে সড়কটি সবসময়ই ব্যস্ত থাকে। এছাড়াও আশেপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যাতায়াতে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের অবস্থা আরও করুণ হয়ে ওঠে। বৃষ্টির পানি জমে বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীরা সময়মতো স্কুলে পৌঁছাতে পারে না, শ্রমিকরা কাজে যেতে দেরি করে এবং ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
    সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন অসুস্থ রোগী ও জরুরি সেবা প্রার্থীরা। অনেক সময় রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। বিশেষ করে প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার এমন অবস্থার কারণে অনেক ডেলিভারি রোগী সময়মতো চিকিৎসকের কাছে পৌঁছাতে পারেন না, যা জীবনঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
    এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। তারা দ্রুত এই সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
    স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা প্রয়োজন। তারা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।