নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বারদী ইউনিয়নের বড় আলমদী শাউপাড়া বাগান এলাকা থেকে আশরাফুল (১৭) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
নিহত আশরাফুল বারদী ইউনিয়নের মহিলা গ্রাম পুলিশ ফুলেছা বেগমের বাবাহারা একমাত্র ছেলে। পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিহতের মা ফুলেছা বেগম ও তার বোন অভিযোগ করে বলেন, আশরাফুল আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন
Tag: পরিবারের দাবি হত্যা
-

সোনারগাঁয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
-

সোনারগাঁয়ে প্রেমিকার ভাড়া বাসায় মিললো প্রেমিকের লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা
নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁ উপজেলায় প্রেমিকার ভাড়া বাসা থেকে সজিব (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত সজিব মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে।
প্রেমিকার নাম বিথী (ডিভোর্সি), তিনি জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার ধারারচর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ উপজেলার হাবিবুরপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন এবং স্থানীয় একটি বিউটি পার্লারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
নিহতের মা রাশিদা বেগম জানান, মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে হাবিবুরপুর এলাকার হারুনের ভাড়া বাসা থেকে সজিবের রহস্যজনক লাশ উদ্ধার করা হয়। পরদিন বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্ত শেষে বিকাল ৬টায় গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর গ্রামে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫-৬ মাস আগে বিথীর সঙ্গে সজিবের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাবার্তাও চূড়ান্ত হয়। এরপর থেকেই সজিব নিয়মিত প্রেমিকা বিথীর ভাড়া বাসায় যাতায়াত করতেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের দাবি, প্রেমিকা বিথী পরিকল্পিতভাবে সজিবকে হত্যা করেছে।