Tag: শম্ভুপুরায় গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুর ঘটনায় জনির গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

  • শম্ভুপুরায় গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুর ঘটনায় জনির গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

    শম্ভুপুরায় গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুর ঘটনায় জনির গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নে গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে প্রতারণা, মানসিক নির্যাতন ও হুমকির মুখে পড়ে ঝুমুর আত্মহননে বাধ্য হয়েছেন। তারা অভিযুক্ত জনির গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
    নিহতের বাবা বাসেদ মিয়া অভিযোগ করেন, ঝুমুরের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে জনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার পর জনি তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং হুমকি দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ের দাবিতে গত রোববার জনির বাড়িতে গেলে ঝুমুর নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেন বলে দাবি পরিবারের।
    গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার তার মৃত্যু হয়।
    এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী, ইউপি সদস্য শামিম, এজাজ এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি।
    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী। তিনি বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঝুমুর ইউপি সদস্য শামিমের এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি নিয়ে তারা কথা বলছেন।”
    ইউপি সদস্য শামিম বলেন, “ঝুমুরের সঙ্গে জনির সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার আলোচনা হয়েছিল।” তবে আইনগতভাবে এমন সমঝোতা বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
    অন্যদিকে অভিযুক্ত জনি পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি নিউজ করে যা করার করেন।”
    এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।