নিউজ সোনারগাঁ: নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সোনারগাঁয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দলের নেতাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এসেছে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Tuhin Mahmud সম্প্রতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন। তার ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক Khairul Islam Sajib প্রকাশ্যে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান।
সজিব তার বক্তব্যে বলেন, তুহিন মাহমুদকে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একজন হিসেবে জানেন ও সম্মান করেন। যেহেতু বিষয়টি জনসম্মুখে তোলা হয়েছে, তাই কোথায়, কীভাবে এবং কারা হামলা করেছে—তা স্পষ্টভাবে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, সঠিক তথ্য ও প্রমাণ দিলে সহযোগিতার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।
এর জবাবে তুহিন মাহমুদ সজিবকে উদ্দেশ করে লিখিত বক্তব্য দেন। তিনি সহযোগিতার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নির্বাচনের সময় ও পরবর্তী কয়েকটি ঘটনার বর্ণনা দেন।
তুহিন মাহমুদের ভাষ্যমতে, সাদিপুর ইউনিয়নের বরাব গ্রামের এনসিপি কর্মী মো. কিবরিয়া ১২ তারিখ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রায় ২০ মিনিট আগে ধানের শীষের ব্যাজ পরিহিত কয়েকজনের হামলার শিকার হন। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি নেতা সোহেল রানার চাচাতো ভাই সাদ্দাম নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়। এ ঘটনায় অডিও রেকর্ড থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব সাব্বির আল-রাজ নির্বাচনের দিন ছাত্রদলের এক নেতার কাছ থেকে প্রকাশ্যে হামলার হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তুহিন মাহমুদ। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিএনপির ইকবাল হোসেন তাকে কয়েক মাস এলাকায় না থাকার জন্য সতর্ক করেছেন বলেও দাবি করা হয়।
তবে তুহিন মাহমুদ তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, কিছু ঘটনা দুই দলের নেতাদের আন্তরিক সহযোগিতায় সমাধান হয়েছে এবং সে জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সোনারগাঁয়ের স্বার্থে এনসিপি ও বিএনপির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।
Tag: সোনারগাঁয়ে নির্বাচন-পরবর্তী হামলার অভিযোগে এনসিপি–বিএনপি নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য
-

সোনারগাঁয়ে নির্বাচন-পরবর্তী হামলার অভিযোগে এনসিপি–বিএনপি নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য