Category: বিনোদন

  • কোক স্টুডিওর শুটিংয়ে বড় সরদার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্তের অভিযোগে মানববন্ধন

    কোক স্টুডিওর শুটিংয়ে বড় সরদার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্তের অভিযোগে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন বড় সরদার বাড়িতে ‘কোক স্টুডিও বাংলা’র শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া এবং শুটিংয়ের সময় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে সোনারগাঁ জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে ‘সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গন’ ও ‘সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোনারগাঁ বাংলার ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম সূতিকাগার। প্রায় পাঁচ শতাব্দী প্রাচীন বড় সরদার বাড়ি জাতীয় ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। অথচ ‘কোক স্টুডিও বাংলা’র সিজন-৪-এর শুটিংয়ের জন্য সংরক্ষিত এই স্থাপনাটি মাত্র ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    তাদের অভিযোগ, বিশেষজ্ঞদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত চার দিন ধরে শুটিংয়ের কাজে ভারী লাইটিং সরঞ্জাম, বড় জেনারেটরসহ বিভিন্ন ভারী সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। স্থাপনার দেয়াল ও কাঠামোগত অংশে পেরেক, গজাল ও রড ঠুকে ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

    সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের সভাপতি, কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েস বলেন, বড় সরদার বাড়ি সংরক্ষণ ও পুনর্নির্মাণে অতীতে প্রায় ২৫ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এমন একটি স্পর্শকাতর জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা কীভাবে নামমাত্র মূল্যে বাণিজ্যিক শুটিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

    শুটিংয়ের কারণে দৃশ্যমান ক্ষতির পাশাপাশি স্থাপনাটির ভেতরের কাঠামোগত কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা করার দাবি জানান তিনি।

    সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, বড় সরদার বাড়ি শুধু ইট-কাঠের স্থাপনা নয়; এটি সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বাণিজ্যিক স্বার্থে জাতীয় সম্পদ ব্যবহারের পেছনে কোনো সিন্ডিকেট জড়িত কি না, তা তদন্ত করতে হবে।

    তিনি বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

    সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের সভাপতি শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে এবং সুজন সোনারগাঁ শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের সহসভাপতি কবি রহমান মুজিব এবং সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল। এ ছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

    অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, “আমরা সঠিক ও নিয়মানুসারেই কোক স্টুডিওর কাছে ৬ লাখ টাকা ভাড়ায় বড় সরদার বাড়িটি ভাড়া দিয়েছি। তবে বড় সরদার বাড়ি ভাঙার বিষয়টি সঠিক নয়। শুটিংয়ের ফলে এমন অবস্থা হয়নি; এ অবস্থা পূর্ব থেকেই ছিল। তারপরও আমরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী মেইনটেন্যান্সের কাজ পরিচালনা করছি।

  • দেশে ১৩১৫ কারুশিল্পীর মধ্যে ৯৩২ জনই নারী

    দেশে ১৩১৫ কারুশিল্পীর মধ্যে ৯৩২ জনই নারী

    নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশীয় লোক ও কারুশিল্পের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, বিকাশ এবং কারুশিল্পীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত  নতুন করো ‘কারুশিল্প জরিপ করা হয়েছে। জরিপে দেশের ৯টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৩১৫ জন ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পীকে নিবন্ধিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯৩২ জনই নারী, যা মোট নিবন্ধিত কারুশিল্পীর ৭০ দশমিক ৮ শতাংশ।

    ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রণীত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ১৮০ দিনের বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২৫ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। নির্দিষ্ট অঞ্চলে সরাসরি মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৯ জন দক্ষ তথ্য সংগ্রহকারীর একটি দল ৯টি উপজেলায় নিবিড়ভাবে জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
    জরিপের তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত ১ হাজার ৩১৫ জন কারুশিল্পীর মধ্যে ৮৫৮ জনের প্রধান পেশাই কারুশিল্প। অর্থাৎ তারা পূর্ণকালীনভাবে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
    এছাড়া নিবন্ধিত কারুশিল্পীদের মধ্যে ৪০ জন প্রাতিষ্ঠানিক কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ৮১ জন জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন কারুমেলায় অংশ নিয়েছেন এবং বিশেষ অবদানের জন্য ২৫ জন বিভিন্ন পর্যায় থেকে পুরস্কার পেয়েছেন।
    জরিপ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের লোক ও কারুশিল্প খাতের বর্তমান অবস্থা এবং কারুশিল্পীদের সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে এ জরিপের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে কারুশিল্পে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ এ খাতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেছে।
    জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কারুশিল্পীদের ঋণ সহায়তা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পণ্য বিপণনের সুযোগ এবং জাতীয় মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে লুপ্তপ্রায় লোকশিল্প পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণেও এসব কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

  • সোনারগাঁয়ে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বর্ষাকালীন নৌভ্রমণ

    সোনারগাঁয়ে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বর্ষাকালীন নৌভ্রমণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, সোনারগাঁ শাখার উদ্যোগে আনন্দ-উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ষাকালীন নৌভ্রমণ-২০২৬। বুধবার (১২ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
    সকালে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার নৌঘাট থেকে চরকিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে নৌভ্রমণ শুরু হয়। বর্ষার নদীর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্য দিয়ে ভ্রমণকালে অংশগ্রহণকারীরা আনন্দ-আড্ডা, মতবিনিময় এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন।
    আয়োজকদের পক্ষ থেকে দুপুরের খাবার ও র্যাফেল ড্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এতে শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।
    সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি দূর করার পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করে। একই সঙ্গে এটি শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আনন্দ ও বিনোদনের একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে।
    নৌভ্রমণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, সোনারগাঁ শাখার সভাপতি আবদুর রহিম এবং সাধারণ সম্পাদক এমরান মিয়া। তাঁদের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের সহযোগিতায় পুরো আয়োজনটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
    অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সুন্দর ও ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের জন্য সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

  • কারুশিল্পী জরিপ ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহকারীদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    কারুশিল্পী জরিপ ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহকারীদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কারুশিল্পীদের সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে ‘কারুশিল্পী জরিপ ২০২৬’-এর তথ্য সংগ্রহকারীদের নিয়ে এক বিশেষ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ও দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে এইওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সভাপতি জনাব চন্দ্র শেখর সাহা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলম।
    বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প সংরক্ষণ এবং এর সঠিক তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলতে ‘কারুশিল্পী জরিপ ২০২৬’ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ডিজিটাল ও পদ্ধতিগত উপায়ে কারুশিল্পীদের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের কারুশিল্প খাতের বর্তমান অবস্থা, সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে।
    তারা আরও বলেন, এ জরিপের সফল বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের দক্ষতা, আন্তরিকতা ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ দেশের কারুশিল্প খাতের উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এই জরিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের কারুশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিবৃন্দ।

  • সোনারগাঁয়ে ৪ দিনের জন্য বন্ধ সরদারবাড়ি, চলছে কোকা-কোলার শুটিং; দর্শনার্থীদের ভোগান্তি

    সোনারগাঁয়ে ৪ দিনের জন্য বন্ধ সরদারবাড়ি, চলছে কোকা-কোলার শুটিং; দর্শনার্থীদের ভোগান্তি

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহাসিক সরদারবাড়ি চার দিনের জন্য দর্শনার্থীদের প্রবেশে বন্ধ রাখা হয়েছে। সেখানে একটি কোকা-কোলা কোম্পানির বিজ্ঞাপনের শুটিং চলছে বলে জানা গেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা সরদারবাড়ি পরিদর্শন করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
    সোমবার (২৯ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরদারবাড়িতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। জাদুঘরের ভেতরে শুটিংয়ের বিভিন্ন সেট ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। এ সময় অনেক দর্শনার্থী সরদারবাড়ির সামনে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত ডেকোরেশনের কারণে সরদারবাড়ির ভবনের কিছু নকশা ও অলংকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক শাখাওয়াতের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, জাদুঘরের পরিচালক চার দিনের জন্য সরদারবাড়ি কোকা-কোলা কোম্পানির কাছে ভাড়া দিয়েছেন। এজন্য ৬ লাখ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের কোনো কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি।
    ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অনেক দূর থেকে এসে জানতে পারলাম সরদারবাড়ি চার দিনের জন্য বন্ধ। আগে থেকে কোনো নোটিশ বা ঘোষণা থাকলে আমরা হয়তো অন্যদিন আসতাম। বিনা নোটিশে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা বন্ধ রাখায় আমরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছি।”
    এ ঘটনায় দর্শনার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কর্তৃপক্ষ যেন জনসাধারণকে আগাম অবহিত করে এবং ঐতিহাসিক স্থাপনার স্বাভাবিক দর্শন কার্যক্রম বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  • সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে মালদ্বীপের হাইকমিশনার

    সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে মালদ্বীপের হাইকমিশনার

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের মাননীয় হাইকমিশনার হার এক্সেলেন্সি শিউনীন রশিদ। এ সময় তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
    সফরকালে হাইকমিশনার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ফাউন্ডেশনে সংরক্ষিত বাংলাদেশের সমৃদ্ধ লোকজ ঐতিহ্য, বর্ণাঢ্য ইতিহাস এবং চিরায়ত লোকশিল্প ও কারুশিল্প ঘুরে দেখেন। তারা বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হন।
    বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায় এবং বাংলাদেশের লোকজ শিল্প-সংস্কৃতির সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করে।
    ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, এই সফরের মাধ্যমে মাননীয় হাইকমিশনার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তারা জানান, সংস্কৃতি দেশ ও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • জাপানের ‘মিনিস্টার’স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সোনারগাঁয়ের কৃতি সন্তান নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা

    জাপানের ‘মিনিস্টার’স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সোনারগাঁয়ের কৃতি সন্তান নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা

    বিনোদন প্রতিবেদক: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বড় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশী-কানাডিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা। এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব ‘শর্ট শর্টস ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অ্যান্ড এশিয়া (এসএসএফএফ অ্যান্ড এশিয়া) ২০২৬’-এ তাঁর পরিচালিত অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ‘আফটার আস’ মর্যাদাপূর্ণ ‘সেভ দ্য আর্থ! মিনিস্টার’স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছে।

    গত শুক্রবার (৫ জুন) পরিবেশ দিবস উপলক্ষে উৎসব কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

    নির্মাতা ওয়াহিদ ইবনে রেজা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সন্তান। তিনি সোনারগাঁয়ের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম এর সন্তান।

    বর্তমানে কানাডা প্রবাসী ওয়াহিদ ইবনে রেজা
    ভিএফএক্স ও অ্যানিমেশনের মাধ্যমে মিডিয়ার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তার নির্মিত অ্যানিমেটেড মুভি ‘আফটার আস’ চলচ্চিত্রটিতে বর্তমান দুনিয়ায় পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে শক্তিশালী বার্তা দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ফিল্ম বোর্ড অব কানাডার প্রযোজনায় নির্মিত ‘আফটার আস’ চলচ্চিত্রটিতে মানুষের বিলুপ্তির পর একটি নেকড়ে ও উলভারিনের প্রকৃতির সাথে সহাবস্থান খোঁজার গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
    চলচ্চিত্রটির ভূয়সী প্রশংসা করে জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিরোতাকা ইশিহারা বলেন, “এটি একটি ব্যতিক্রমী চিন্তার ফসল। ধ্বংসের পরেও প্রকৃতির পুনরুজ্জীবিত হওয়ার ক্ষমতা এবং প্রাণীদের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানের সারমর্মকে এটি সূক্ষ্ম অথচ শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছে।”
    পুরস্কার প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পরিচালক ওয়াহিদ ইবনে রেজা উৎসব কর্তৃপক্ষ ও প্রযোজনা সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভিএফএক্স ও অ্যানিমেশন দুনিয়ায় কাজ করা এই নির্মাতা তাঁর সাড়ে পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সামারা ওয়াহিদকে চলচ্চিত্রটি উৎসর্গ করে বলেন, “আমি সত্যিই আশা করি যে আমরা একসাথে এই পৃথিবীকে ওর (সামারা) এবং ওর প্রজন্মের বেড়ে ওঠার জন্য আরও ভালো একটি জায়গা করে তুলতে পারব।”
    পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ৩০ জুন, বুধবার পর্যন্ত উৎসবের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হচ্ছে।

  • ঈদুল আযহায় খোলা থাকবে সোনারগাঁও জাদুঘর, দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা

    ঈদুল আযহায় খোলা থাকবে সোনারগাঁও জাদুঘর, দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকলেও দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
    কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের ছুটিতে পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকজ শিল্পের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী,
    ঈদের দিন (২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার): দুপুর ১২:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকবে।
    ঈদের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ দিন (২৯ মে থেকে ৩১ মে ২০২৬): প্রতিদিন সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন।
    ঈদের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে সোনারগাঁও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দেশীয় ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির নান্দনিক পরিবেশে সকলকে পরিবারসহ ঘুরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

  • সোনারগাঁও জাদুঘরের জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের বিনোদনস্থলে কেরাম খেলা, সমালোচনার ঝড়

    সোনারগাঁও জাদুঘরের জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের বিনোদনস্থলে কেরাম খেলা, সমালোচনার ঝড়

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও জাদুঘর এলাকার জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত মাঠের গোলঘর দখল করে দোকান সংশ্লিষ্টদের কেরাম খেলার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
    গত ২১ মে দিনের বেলায় তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, জামদানী পল্লীর ভেতরে পর্যটকদের বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত খোলা স্থানে কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে কেরাম খেলায় অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে দর্শনার্থীদের স্বাভাবিক চলাচল ও অবকাশযাপনের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
    সুশীল সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধির ভাষ্য, দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটনকেন্দ্রে এমন কার্যক্রম কাম্য নয়। তারা বলেন, পর্যটন এলাকাগুলোতে শৃঙ্খলা ও পরিবেশ বজায় রাখা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত স্থান অন্য কাজে ব্যবহৃত হলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
    একাধিক পর্যটক জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে যদি নির্ধারিত বিশ্রামস্থল বা বিনোদন এলাকা অন্য কাজে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়, তাহলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নষ্ট হয়। তারা চান, পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে এসব স্থানে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হোক।
    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারও দাবি, জামদানী পল্লী ও জাদুঘর এলাকা দেশের ঐতিহ্য বহন করে। এখানে এমন কার্যক্রম চলতে থাকলে বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।
    তারা দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সোনারগাঁও জাদুঘর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

  • মহান মে দিবসে সোনারগাঁও জাদুঘর বন্ধ থাকবে

    মহান মে দিবসে সোনারগাঁও জাদুঘর বন্ধ থাকবে

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পর্যটন কেন্দ্র বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর) মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (শুক্রবার) ‘মহান মে দিবস’ পালনের কারণে জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে না।

    জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের স্মরণে পালিত এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। ফলে ওই দিন সোনারগাঁও জাদুঘরে আগত দর্শনার্থীরা ভেতরে প্রবেশ বা কোনো প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারবেন না।

    তবে পরদিন থেকেই জাদুঘরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে। আগামী ২ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ (শনিবার) থেকে যথারীতি প্রতিদিনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি পুনরায় উন্মুক্ত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে, সংশ্লিষ্টরা দর্শনার্থীদের আগেভাগে বিষয়টি জেনে পরিকল্পনা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কেউ অপ্রস্তুত অবস্থায় এসে বিড়ম্বনায় না পড়েন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য সোনারগাঁও জাদুঘর একটি অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হওয়ায়, এই সাময়িক বন্ধের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতি, কারুশিল্প এবং বাংলার ইতিহাসের সমৃদ্ধ নিদর্শন সংরক্ষণে সোনারগাঁও জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে ভিড় জমায়।

  • সোনারগাঁও জাদুঘরে পরিদর্শনের নতুন সময়সূচি ঘোষনা

    সোনারগাঁও জাদুঘরে পরিদর্শনের নতুন সময়সূচি ঘোষনা

    নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন দেশের সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য ও প্রাচীন শিল্পকর্মের এক অনন্য ভাণ্ডার। ইতিহাস ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি পরিচিত সোনারগাঁও জাদুঘর নামে, যেখানে বাংলার গ্রামীণ জীবন, কারুশিল্প, নকশা ও ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।
    সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশ, প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এবং নান্দনিক সংগ্রহশালা মিলিয়ে এই স্থানটি পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এক আদর্শ গন্তব্য। এখানে ঘুরে দেখার পাশাপাশি দর্শনার্থীরা বাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ও শিল্পের সাথে সরাসরি পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
    🔶 পরিদর্শন সময়সূচি:
    প্রতিদিন সকাল ১০:৩০টা থেকে বিকাল ৫:৩০টা পর্যন্ত জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।
    🔶 সাপ্তাহিক ছুটি:
    বর্তমানে কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই। সপ্তাহের যেকোনো দিনই নির্দ্বিধায় ভ্রমণ করা যাবে।
    প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর থাকে এই ঐতিহ্যের আঙিনা। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব কিংবা প্রিয়জনদের নিয়ে একদিনের অবকাশযাপন কিংবা শিক্ষা সফরের জন্য এটি হতে পারে চমৎকার একটি স্থান।
    আপনি যদি ইতিহাস, সংস্কৃতি আর প্রকৃতির ছোঁয়া একসাথে উপভোগ করতে চান, তবে সোনারগাঁয়ের এই জাদুঘরটি আপনার জন্য হতে পারে একটি স্মরণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।

  • সোনারগাঁয়ে শুরু হয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা

    সোনারগাঁয়ে শুরু হয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা

    নিউজ সোনারগাঁ :নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁয়ে শত বছরের পুরোনো বটগাছের নিচে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা’।

     

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) থেকে উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে এই মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীদের প্রধান্য থাকায় এই মেলাটি দীর্ঘকাল ধরে ‘বউ মেলা’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

     

    এদিন শত শত হিন্দু নারী ঝুড়িতে করে দেশীয় মৌসুমি ফল, কবুতর এবং দেবীর নামে উৎসর্গ করার জন্য পাঁঠা নিয়ে বটগাছের নিচে জড়ো হন। স্থানীয়ভাবে ‘সিদ্ধেশ্বরী কালীতলা’ হিসেবে পরিচিত এই

     

    স্থানটিকে সবাই এখন ‘বউতলা’ নামেই চেনে।

     

    স্বামীর সোহাগিনী হওয়া এবং সংসার জীবনের বাঁধন আমৃত্যু অটুট রাখার কামনায় নারীরা এই বৃক্ষতলে পূজা অর্চনা করেন। ভক্তরা বটগাছের গোড়ায় মাটি ও দুধ ঢেলে এবং কড়ি দিয়ে নিজেদের মনোবাঞ্ছা পূরণের প্রার্থনা করেন। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্তূপীকৃত ফল প্রসাদ হিসেবে সবার মাঝে বিতরণ করা হয়।

     

    ঐতিহ্যের নানা উপকরণের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। মেলায় বাঁশি, কাঠের খেলনা, মৃৎশিল্প সামগ্রী, জলচৌকি এবং ঐতিহ্যবাহী খই, কদমা, নিমকি ও জিলাপিসহ হরেক রকমের দোকান বসেছে। মূলত নারীদের মেলা হলেও সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।

     

    পূজার পুরোহিত পন্ডিতদের মতে, বিশুদ্ধ পঞ্জিকা অনুযায়ী আজকে পহেলা বৈশাখ। এই শুভদিনে পরিবারের ও স্বামীর মঙ্গল কামনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীরা সিদ্ধেশ্বরী মায়ের আরাধনা করতে এখানে আসেন।

     

    মেলার আয়োজক নিলোৎপল রায় জানান, প্রায় শত বছরের বেশি সময় ধরে এই সার্বজনীন পূজার আয়োজন করা হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই মেলা চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। এলাকার শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য।

  • শুভ নববর্ষ উপলক্ষে সোনারগাঁওয়ে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন

    শুভ নববর্ষ উপলক্ষে সোনারগাঁওয়ে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন

    নিউজ সোনারগাঁ : বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে ঘিরে বর্ণিল আয়োজন করেছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও গ্রামীণ শিল্পের সমন্বয়ে সোনারগাঁওয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সপ্তাহব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’।
    আগামী ১ থেকে ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (১৪-২০ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণ-এ এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
    মেলার উদ্বোধনী দিন ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। এরপর দুপুর ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার শুভ উদ্বোধন করা হবে। একই দিন দুপুর ১টা থেকে শুরু হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো অংশগ্রহণ করবে।
    মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কারুশিল্পীরা তাদের তৈরি নান্দনিক পণ্যসামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রয় করবেন। থাকবে মাটির তৈজসপত্র, নকশিকাঁথা, পাটজাত পণ্য, লোকজ অলংকারসহ নানা ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীর সমাহার। এছাড়াও শিশু-কিশোরদের জন্য থাকবে বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন।
    আয়োজকরা জানান, বাংলা নববর্ষের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং দেশীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এ আয়োজন।
    লোকজ সংস্কৃতির টানে ও নতুন বছরের আমেজে পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণের জন্য সকলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আয়োজকরা।

  • ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সোনারগাঁও জাদুঘর খোলা থাকবে

    ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সোনারগাঁও জাদুঘর খোলা থাকবে

    নিউজ সোনারগাঁ : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আগামী ২৬ মার্চ আগামীকাল বৃহস্পতিবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে সোনারগাঁও জাদুঘর।

    জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানায়, দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে ঘুরে দেখতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিশেষভাবে জাদুঘর খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সাধারণত জাদুঘরটি শুক্রবার থেকে বুধবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে শীতকালীন সময়ে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়ে থাকে।
    কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, স্বাধীনতা দিবসে বাড়তি দর্শনার্থীর চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রেখে জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ের দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করলেন জাপানের ১১০ বিনিয়োগকারী

    সোনারগাঁয়ের দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করলেন জাপানের ১১০ বিনিয়োগকারী

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেছেন জাপানের ১১০ সদস্য বিশিষ্ট জাপানের একটি বিনিয়োগকারী দল। ব্রাক ইপিএল এর উদ্যোগে জাপানি প্রতিনিধি দলটি সোনারগাঁয়ের অনন্য স্থাপত্যকীর্তি প্রাচীন পানাম নগরী,বড় সরদার বাড়ী ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর পরিদর্শন করেন।
    মঙ্গলবার দুপুরে জাপানি প্রতিনিধি দলটিকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন  চত্বরে স্বাগত জানান, ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক একে আজাদ সরকার ও রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা একেএম মুজাম্মিল হক।
    পরে তারা রেস্টোরেশনকৃত ঐতিহাসিক বড় সরদার বাড়ি ও শিল্পাচার্য জয়নুল জাদুঘর ঘুরে দেখেন। এ সময় পরির্শনকারীরা জাদুঘরে রক্ষিত বিভিন্ন লোক ও কারুশিল্পের ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়া সোনারগাঁয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থাপনা বড় সরদার বাড়ির স্থাপত্য রীতি দেখে অভিভূত হন। এর আগে এ প্রতিনিধি দলটি সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরী পরিদর্শন করেন। জাপানের এ বিনিয়োগকারী দলটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান থেকে বাংলাদেশে এসেছেন।
    এ বিনিয়োগকারী দলের সাথে ব্রাক ইপিএলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিতি ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ ও সোনারগাঁ থানা পুলিশের দুটি পৃথক ইউনিট তাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিযোজিত ছিলেন।

     

  • ‘আমাকে দেখেই অশালীন ভঙ্গি দেখাতে শুরু করে’, রাতের রাস্তায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতা সোফি চৌধুরীর

    ‘আমাকে দেখেই অশালীন ভঙ্গি দেখাতে শুরু করে’, রাতের রাস্তায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতা সোফি চৌধুরীর

    মহিলারা কতটা সুরক্ষিত? বার বার এই প্রশ্ন ওঠে। আরও একবার সেই প্রশ্নই উস্কে দিলেন গায়িকা তথা অভিনেত্রী সোফি চৌধুরী। মুম্বইয়ের জনবহুল রাস্তাতেই তাঁর সঙ্গে ঘটে গিয়েছিল ভয়ঙ্কর ঘটনা। সম্প্রতি এক সক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন সোফি।

    মাত্র এক মাস আগের এই ঘটনায় মানসিক ভাবে খুব বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন সোফি। মুম্বইয়ের বান্দ্রা এলাকার ঘটনা। সোফি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি ‘অশালীন’ ভঙ্গিমা করতে শুরু করেন। সোফি বলেছেন, “কিছু দিন আগেরই ঘটনা। বান্দ্রার রাস্তা দিয়ে আমি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। এক ব্যক্তি প্যান্টের চেন খুলতে লাগল। খুব আপত্তিকর ভঙ্গিতে তাকিয়েছিল সে।”

    তবে এই ব্যক্তি কি ইচ্ছে করেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিল? সোফি বলেছেন, “আমার মনে হয় না সচেতন ভাবে সে এই কাজ করেছিল। আসলে কিছু ক্ষেত্রে পুরুষেরা কোনও কারণ ছাড়াই এই ধরনের কাণ্ড ঘটিয়ে থাকে।” এখানেই শেষ নয়। আরও এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সোফি। খার অঞ্চলে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন সোফি। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে দেখে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে এবং আপত্তিকর ভঙ্গি দেখাতে শুরু করে।

    সোফির কথায়, “এ ধরনের ঘটনা রোজকার হয়ে গিয়েছে। মনে আছে, তখন আমি লন্ডনের স্কুলে পড়ি। এক ব্যক্তি আমাকে দেখে ছবি তুলতে শুরু করল।”

    বর্তমানে নিরাপত্তারক্ষী সঙ্গে থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনুরাগীরা নিজস্বী তোলার অছিলায় অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন বলেও দাবি করেন সোফি।