Category: ফিচার

  • সোনারগাঁয়ে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন বিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পিং

    সোনারগাঁয়ে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন বিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পিং

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার মহজমপুর বাজার এলাকায় মইনীয়া যুব ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
    দেশে চলমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও ইভটিজিংয়ের মতো অপরাধের প্রতিবাদে এই ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন করা হয়। সারা দেশে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে আওলাদে রাসুল (দ.) বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শাহজাদা ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল হাসানী আল মাইজভান্ডারী (মা.) প্রতিষ্ঠিত সংগঠন মইনীয়া যুব ফোরামের সম্মানিত সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক এ মইনুদ্দীন আল হাসানীর নির্দেশনায় দেশব্যাপী প্রতিবাদ বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সোনারগাঁয়ে এ ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে মইনীয়া যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি মোহাম্মদ সালেক বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের ঘটনা পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ঘুমন্ত প্রশাসনের সুযোগে অনৈতিক ও অমানবিক অপরাধ বেড়ে চলেছে, যা জাতির জন্য অশুভ সংকেত। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
    তিনি আরও বলেন, একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র গঠনে নারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিশুরাই আগামীর কর্ণধার। তাই নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান তিনি, যাতে নারীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে। তিনি বলেন, মইনীয়া যুব ফোরামের প্রায় ৩০ হাজার সদস্য সারাদেশে নারী নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং সমাজ থেকে অনৈতিকতা দূর করতে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
    সচেতনতামূলক ক্যাম্পিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মইনীয়া যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মাসুম, সোনারগাঁ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজাদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক হযরত আলী, ডা. জেমিমা জেরিন আঁখি, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কলেজ শিক্ষার্থী, স্বাস্থ্যকর্মী, সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

  • “সামাজিক জীবনে উন্নতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরামর্শের তাৎপর্য”  মোঃ মহসীন কবীর

    “সামাজিক জীবনে উন্নতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরামর্শের তাৎপর্য” মোঃ মহসীন কবীর

    ইসলামের ইতিহাস ও নবী মহুাম্মদ (সা.) এর জীবনী/ অধ্যয়ন করলে দেখা যায়, পরামর্শ গ্রহণ এবং পরামর্শ প্রদানের গুরুত্ব কতটা ছিল। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন “এবং যারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে কাজ করে ” সূরা আল-শুরা (৪২:৩৮)

    এই আয়াতে আল্লাহ বলেন, মুমিনেরা তাদের কাজকর্ম নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে ঠিক করে নেয়। অর্থাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শুরা বা পরামর্শের গুরুত্ব অনেক বেশি ।
    নবীজির জীবনে পরামর্শ কেবলমাত্র একটি সামাজিক রীতি নীতি ছিলনা, বরং তা ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। পরামর্শের মাধ্যমে নবীজি র নেতৃত্ব ও মিশনের উন্নয়ন ঘটে এবং ইসলামের সুসংহত ভিত্তি গড়ে ওঠে । নবীজি সাহবী (রাঃ) গনকে নিয়ে ও পরামর্শ করতেন। সাহাবী (রাঃ)’গন বলতে বাধ্য হতেন যে , হুযুর (সাঃ) এর মতো এতো মাশোয়ারা বা পরামর্শ করতে আর কাউকে দেখিনি ।
    প্রথমত, নবীজির জীবনে পরামর্শের গুরুত্বের মলূ কারণ ছিল সম্মিলিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন। নবী (সা.) সর্বদাই আল্লাহর নির্দেশনা অনসুরণ করলেও, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সাহাবাদের মতামত গ্রহণ করতেন। এটি ছিল এক ধরনের দলগত চিন্তা-ভাবনা, যা ভুলের সম্ভাবনা কমায় এবং সঠিক পথ অনসুরণের সহায়ক হয়। উদাহরণস্বরূপ, খলিফা হিজরত মদিনায় মহান যুদ্ধে যখন দুশ্চিন্তায় পড়েন, তখন সাহাবাদের পরামর্শ গ্রহণ করে কৌশল নির্ধারণ করতেন। এতে তার নেতৃত্ব শক্তিশালী ও কার্যকর হয়।
    দ্বিতীয়ত, নবীজির জীবনে পরামর্শ ছিল সততা ও বিনিময়ের মাধ্যম। পরামর্শদাতারা তার সাথে খোলামেলা আলোচনা করতেন এবং নবী (সা.) তাদের মতামত শ্রবণ করতেন। এতে একটি বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হতো যা সামগ্রিক সামাজি ক ঐক্যের জন্ম দেয়। এমনকি কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ও নবী সাহাবাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেন, যা দলের সকল সদস্যকে সম্মানিত ও সুরক্ষিত বোধ করতো। এটি পরামর্শের মাধ্যমে নেতৃত্বের গণতন্ত্রও সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ।
    তৃতীয়ত, পরামর্শ নবীজির জীবনে সমস্যা সমাধানে র একটি কার্যকর উপায় ছি ল। নবী (সা.) যেখানেই সমস্যার সম্মুখীন হতেন, যেমন কুরাইশদের বিরোধ, মদিনার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা যুদ্ধকালীন সংকট, তিনি সব সময় সাহাবাদের সাথে আলোচনা করতেন। এক্ষেত্রে পরামর্শ ছিল সমস্যা বিশ্লেষণ ও সমাধানের পথ উদঘাটনের অন্যতম মাধ্যম। এতে শুধুমাত্র মহুাম্মদ (সা.)র ব্যক্তিগত জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ না থেকে সম্পুর্ণ সমাজের বদ্ধিুদ্ধিমত্তা কাজে লাগানো সহজ হতো।
    চতুর্থত, পরামর্শ নবীজির জীবনে নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম হাতিয়ার ছিল। নবী (সা.) নিজে একজন প্রাজ্ঞ ও দরূদর্শী নেতা হলেও, তিনি বঝুতে পারতেন একা নেতৃত্ব দেয়া যথেষ্ট নয়।
    বিভিন্ন সময় সাহাবাদের পরামর্শ গ্রহণ করে তিনি আরও উন্নত ও ফলপ্রসূনীতি গ্রহণ করতে ন।
    এটি নবীজির নেতৃত্বকে সময়োপযোগী, কার্যকর এবং মানবিক করে তুলত। অবশেষে, নবীজির জীবনে পরামর্শের মাধ্যমে ইসলামের সুশাসন ও সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি মজবতু হয়। পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে নবীজির নেতৃত্বে দলগত ঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল এবং কঠিন সময়ে সাহাবারা একযোগে কাজ করতে পারত। এভাবেই নবীজির পরামর্শ গ্রহণের সংস্কৃতি ইসলামের ইতিহাসে এক মহৎ দৃষ্টান্ত হয়ে আছে ।
    সংক্ষেপে বলা যায়, নবীজির জীবনে পরামর্শ ছিল সফল নেতৃত্ব, সম্মিলিত বদ্ধিুদ্ধিমত্তা, সমস্যার সমাধান এবং সমাজের ঐক্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তিনি দেখিয়েছেন যে নেতৃত্ব মানেই একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহণের নাম। তাই বর্তমান যুগে ও আমরা নবীজির পরামর্শ গ্রহণের ঐতিহ্য থেকে শিক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দলগত চিন্তাভাবনা ও মতবিনিময়কে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এতে ব্যক্তি গত এবং সামাজিক জীবনে উন্নতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
    লেখক পরিচিতি :-
    মোঃ মহসীন কবীর,
    সহকারী ম্যানেজার (অবঃ), সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের (সাবীক), অর্থ মন্ত্রণালয়াধীন, ঢাকা।

  • পুলিশকে বাঁচাতে হলে, মব বন্ধ করতে হবে

    পুলিশকে বাঁচাতে হলে, মব বন্ধ করতে হবে

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গত সোমবার (১৭ মার্চ) পুলিশের মাঠ পর্যায়ের ১২৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে পুলিশের অপরিসীম গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়া যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পুলিশের হাতেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

    আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ।

    প্রধান উপদেষ্টার এ কথার এক দিন পরেই মব জাস্টিস শিকার হলেন খিলক্ষেত থানা পুলিশ। পুলিশের গাড়িতে থাকা এক ধর্ষককে গণধোলার পাশাপাশি উত্তেজিত জনতার হামলায় আহত হলে সাতজন পুলিশ সদস্য।

    মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে খিলক্ষেত বাজার এলাকায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, পুলিশ খবর পেয়ে জান মিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসছিল।

    পরে খিলক্ষেত বাজার এলাকায় এলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায়। এতে পুলিশের সাত সদস্য আহত হন। খিলক্ষেত মধ্যপাড়া এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণকে মারধর করা হচ্ছে- এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

    তিনি জানান, অভিযুক্ত তরুণকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার পথে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে নেয় এবং মারধর করে। পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের ওপরও হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা।

    খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, হামলায় থানার পরিদর্শক আশিকুর রহমান আশিকসহ সাতজন আহত হয়েছেন। পুলিশ সদস্য আশিক গুরুতর আহত।

    এদিকে গুলশান বিভাগের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখার জন্য পুলিশ ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অক্লান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছে অথচ বারবার মব জাস্টিসের শিকার হচ্ছে পুলিশ। মব জাস্টিস’ বন্ধ না হলে পুলিশের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়।

    বেশ কয়েকদিন যাবত ব্যাপক পুলিশের তৎপরতার কারণে রাজধানীতে ছিনতাই ডাকাতিসহ অনেক অপরাধ কমে গিয়েছে। আজকে খিলক্ষেতের ঘটনাটি পুলিশের মনোবলে আঘাত করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ভিডিও দেখা যায় যে পুলিশের গাড়িতে উঠে জনতা লাফালাফি করছে এবং ধর্ষণের অভিযোগ এক যুবককে গণধোলাই দেওয়া হচ্ছে। বারবার পুলিশের উপর হামলা হচ্ছে। জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের  পরে থানায় থানায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের মনোবল একেবারেই ভেঙে পড়ে। সেই পুলিশের মনোবল গত ছয় মাসে ধীরে ধীরে ফিরে আসছে। গত ছয় মাসে পুলিশ বাহিনীর মোটামুটি একটা প্লাটফর্মে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এই পুলিশের উপরেই বারবার হামলা হচ্ছে।

    গত সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেই বৈঠকে  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ ও মব বৃদ্ধির কারণে পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    ঢাকা: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গত সোমবার (১৭ মার্চ) পুলিশের মাঠ পর্যায়ের ১২৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে পুলিশের অপরিসীম গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়া যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পুলিশের হাতেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

     

     

    জুলাই অভ্যুত্থানে কেবল দোষী পুলিশ সদস্যদের বিচারেরর মুখোমুখি করে বাকি পুলিশ সদস্যদের নির্বিঘ্নে কাজ করা সুযোগ দিতে হবে। তবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ’

    বৈঠকে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা নিবার্চনের জন্য পুলিশকে প্রস্তুত হতে বলেছেন। কিন্তু আমরা বলেছি, মাঠপর্যায়ে পুলিশ যেভাবে মার খাচ্ছে, তাতে খুব দ্রুত পুলিশের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর নানামুখী চাপে পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মবের উপদ্রব। পুলিশকে বাঁচাতে হলে, মব বন্ধ করতে হবে।

    তথ্যসুত্র : বাংলানিউজ

  • জায়েদ খানকে প্যানেলে রাখছেন না ডিপজল, সেক্রেটারি পদে পছন্দ মৌসুমী

    জায়েদ খানকে প্যানেলে রাখছেন না ডিপজল, সেক্রেটারি পদে পছন্দ মৌসুমী

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আসন্ন। আর মাত্র দুই মাস পরই নির্বাচন হওয়ার কথা। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন। চিত্রনায়ক জায়েদ খানকে তার প্যানেলে রাখা হচ্ছে না।

    প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে ডিপজল জানান, তার প্যানেল প্রস্তুত। থাকছে নানা চমক। তবে শিল্পী সমিতির তিন বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে থাকছেন না ডিপজলের প্যানেলে। যদিও ডিপজলের সঙ্গে তার সু-সম্পর্ক রয়েছে।

    এই জনপ্রিয় অভিনেতা আরও বলেন, জায়েদ খান জুনিয়র ছেলে। ও আমার কমিটিতে থাকবে। তবে সেক্রেটারি আমি এখনো চিন্তা করি নাই। তবে যে আসবে, ভালোই আসবে। নতুন কাউকে নিয়ে আমি চিন্তা করব।

    শোনা যাচ্ছে, ডিপজলের প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে পারেন মৌসুমী। ডিপজল বলেন, ‘মৌসুমী আসতে পারে। রুবেলও আসতে পারে। তারা দুজনেই ফিফটি-ফিফটি। পুরো হান্ড্রেড কাউকে ধরি নাই। তবে যাকে নেব সবাই খুশি হবে, আমার মনে হয়।’

    শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে নির্বাচন করেন ডিপজল। বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

  • দরজার বাইরের তালা ভেঙে উদ্ধারকৃত নারীর লাশটি মডেল মাহমুদার

    দরজার বাইরের তালা ভেঙে উদ্ধারকৃত নারীর লাশটি মডেল মাহমুদার

    নারায়ণগঞ্জের গোগনগর এলাকা থেকে সোমবার মধ্যরাতে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে। তার নাম মাহমুদা আক্তার (৩০)। তিনি শহরের দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকার আক্কাছ আলীর মেয়ে। শহরের উকিলপাড়া এলাকার “টপটেন” নামের একটি মেগামলের বিক্রয়কর্মী ছিলেন তিনি। ইতিপূর্বে তিনি একাধিক শর্টফিল্মে কাজ করেছিলেন বলে বলে জানা গেছে। তার পরিচয়পত্র থেকে পুলিশ এসব তথ্য উদঘাটন করেছে বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম।

    সোমবার রাতে গোগনগর আলামীননগর এলাকার মোহাম্মদ আলী আকবরের তিনতলা ভবনের নিচ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে পঁচা দূর্গন্ধ ছড়ালে এলাকাবাসী থানা পুলিশকে জানরায়। পরে পুলিশ এসে ফ্ল্যাটের দরজার বাইরের তালা ভেঙে উদ্ধার করে এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ। পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এদিকে ওই নারীর ফ্ল্যাট তল্লাশি করে উদ্ধার হয় তার একটি পরিচয়পত্র। সেই পরিচয়পত্রের সূত্র ধরেই পুলিশ তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। তবে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মাহমুদার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় আসেনি। তার বাবার বাসায় গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি।

    সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে মাহমুদার বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারের ৭বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বয়ফ্রেন্ডকে স্বামী পরিচয় দিয়ে আলামীননগর এলাকার মোহাম্মদ আলী আকবরের বাড়ির এই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন মাহমুদা। ধারণা করা হচ্ছে, দুই/তিনদিন আগে দ্বিতীয় স্বামী মাহমুদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে তার সেই কথিত স্বামীর পরিচয় এখনো জানা যায়নি। পুলিশ তার পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে মাহমুদার মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    জানা গেছে, মডেলিংয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে চাওয়া মাহমুদা ছিলেন অত্যন্ত উচ্চবিলাসী। তার জীবন যাপনও ছিলো সেই ধরনের। এ কারণেই স্বামী ও কন্যা সন্তান ফেলে রেখে অনেকের সাথে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতেন তিনি। যার কারনে মা-বাবাসহ পরিবারের কেউই তার সাথে কোন সর্ম্পক রাখেননি।#

  • সেলেনা গোমেজে প্রেমিকাকেই বিয়ে করছেন হলিউডের জাস্টিন বিবার

    সেলেনা গোমেজে প্রেমিকাকেই বিয়ে করছেন হলিউডের জাস্টিন বিবার

    কৈশোরেই যেমন গান দিয়ে বাজিমাত করেছেন, তেমনি সেলেনা গোমেজের সঙ্গে প্রেম করে দুনিয়া মাতিয়েছেন তিনি। তিনি জাস্টিন বিবার। হলিউডের মিউজিকে নতুন প্রজন্মের ভালোবাসার নাম।

    দীর্ঘদিন তার সঙ্গে জড়িয়ে শোনা যায় যুক্তরাষ্ট্রের মডেল হেইলি বেলডউইনের নাম। তারা প্রেম করছেন, সেই খবর পুরনো। এরপরই আসে বিয়ের খবর। সেই খবরে নতুন করে জানা গেল, সম্প্রতি তার বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। পাত্রী প্রেমিকা হেইলিই। এ খবরটি জানিয়েছে মার্কিন মিডিয়া।

    বিবিসি বলছে, ২৪ বছর বয়সী এ পপ তারকা বাহামাস রিসোর্টে বাগদানের এ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করেন। আর সিএনএনের খবর অনুযায়ী, বিবারের বাবা মা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    বিবারের বাবা জেরেমি তার পুত্রের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে বলেছেন, ‘আমি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে আছি’। অন্যদিকে তার মা প্যাঁটি ম্যালেত্তা টুইটারে তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেছেন, ‘হবু পূত্রবধূ খুব পছন্দ হয়েছে আমার।’

  • ভ্রুর যত্ন নেবেন যেভাবে

    ভ্রুর যত্ন নেবেন যেভাবে

    সুন্দর একজোড়া ভ্রু বলে দিতে পারে না বলা অনেক কথাই। এইতো সম্প্রতি দক্ষিনী এক অভিনেত্রীর ভ্রু নাচানো নিয়ে কী তোলপাড়টাই না হলো! সুন্দর ভ্রু মানে সুন্দর মুখশ্রী। সুন্দর ভ্রু পেতে চাইলে নজর রাখতে হবে কিছু বিষয়ের দিকে। চলুন জেনে নেই-

    ঘন ঘন আই ব্রো প্লাক করবেন না। মাসে একবারই যথেষ্ট। ঘন ঘন আই ব্রো প্লাক করলে শেপ তা সম্পূর্ণ কৃত্রিম দেখায়। মাসে একবার প্লাক করলে শেপ ন্যাচারাল থাকে। অনেকে ভ্রুতে কাজল লাগান। কিন্তু কাজল দিলে ভ্রু খুব মোটা লাগে আর বোঝা যায় যে এটা আসল না। তাই ভ্রুর কালার অনুযায়ী হালকা শেডের আই ব্রো পেন্সিল দিয়ে খুব হালকা ভাবে এক একবার টেনে নিন।

    যাদের ভ্রু পাতলা, প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল তুলায় ভিজিয়ে ভ্রু জোড়ায় লাগাতে পারেন। এটি ভ্রু ঘন করতে সাহায্য করবে।

    ভ্রু প্লাকের সময় বেশি ধনুকের মতো শেপ দেবেন না। আপনার ভ্রু ঠিক যেমন তার থেকে সামান্য বাঁকা ধনুকের শেপ দিন। যেমন ভ্রু তেমন ভাবে প্লাক করুন তাহ লে ন্যাচারাল লাগবে। ভ্রুর কর্নার আর নিচের সাইড বেশি করে প্লাক করবেন। তাহলে ভ্রু বেশ তীক্ষ্ণ দেখাবে। যাই দিয়ে প্লাক করুন না কেন, তা একবার ডেটল জলে ধুয়ে নিতে পারেন। কারণ ডেটল ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।

    ভ্রু মোটা রাখলে সাজের ক্ষেত্রেও কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। চোখে খুব বেশি ভারী মেকআপ নয়, বরং চোখের ওপর মোটা করে এবং কিছুটা টেনে আইলাইনার লাগালেই দেখতে ভালো লাগবে। সে ক্ষেত্রে চোখের নিচে কাজল দেওয়ার দরকার নেই। তবে পাপড়িতে ঘন করে মাশকারা লাগাতে ভুলবেন না।