নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার মহজমপুর বাজার এলাকায় মইনীয়া যুব ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
দেশে চলমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও ইভটিজিংয়ের মতো অপরাধের প্রতিবাদে এই ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন করা হয়। সারা দেশে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে আওলাদে রাসুল (দ.) বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শাহজাদা ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল হাসানী আল মাইজভান্ডারী (মা.) প্রতিষ্ঠিত সংগঠন মইনীয়া যুব ফোরামের সম্মানিত সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক এ মইনুদ্দীন আল হাসানীর নির্দেশনায় দেশব্যাপী প্রতিবাদ বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সোনারগাঁয়ে এ ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে মইনীয়া যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি মোহাম্মদ সালেক বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের ঘটনা পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ঘুমন্ত প্রশাসনের সুযোগে অনৈতিক ও অমানবিক অপরাধ বেড়ে চলেছে, যা জাতির জন্য অশুভ সংকেত। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র গঠনে নারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিশুরাই আগামীর কর্ণধার। তাই নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান তিনি, যাতে নারীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে। তিনি বলেন, মইনীয়া যুব ফোরামের প্রায় ৩০ হাজার সদস্য সারাদেশে নারী নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং সমাজ থেকে অনৈতিকতা দূর করতে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সচেতনতামূলক ক্যাম্পিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মইনীয়া যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মাসুম, সোনারগাঁ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজাদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক হযরত আলী, ডা. জেমিমা জেরিন আঁখি, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কলেজ শিক্ষার্থী, স্বাস্থ্যকর্মী, সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
জুলাই অভ্যুত্থানে কেবল দোষী পুলিশ সদস্যদের বিচারেরর মুখোমুখি করে বাকি পুলিশ সদস্যদের নির্বিঘ্নে কাজ করা সুযোগ দিতে হবে। তবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ’
বৈঠকে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা নিবার্চনের জন্য পুলিশকে প্রস্তুত হতে বলেছেন। কিন্তু আমরা বলেছি, মাঠপর্যায়ে পুলিশ যেভাবে মার খাচ্ছে, তাতে খুব দ্রুত পুলিশের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর নানামুখী চাপে পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মবের উপদ্রব। পুলিশকে বাঁচাতে হলে, মব বন্ধ করতে হবে।
তথ্যসুত্র : বাংলানিউজ






