Category: সর্বশেষ

  • সৎ ও মেধাবীরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করছে দুদক কমিশনার: ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান

    সৎ ও মেধাবীরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করছে দুদক কমিশনার: ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান

    সৎ ও মেধাবীরাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করছে। ৪আগষ্ট শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন প্রসূত একটি বাড়ি একটি খামার ও নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) অফিসের সেবা প্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ও গণশুনানী কেন্দ্র ‘সেবালয়’ উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান বিগত দিনের এ উপজেলায় সহ চাকুরী জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি উল্লেখ করেন। তিনি উপস্থিত ছাত্র/ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন, জীবনের মূল্যবান সময়গুলো অবহেলা করলে তা আর ফিরে আসবেনা। মূল্যবান সময়গুলোতে লক্ষ ঠিক করে সততার সহিত এগিয়ে গেলে নিজের জীবনের প্রতিষ্ঠা সহ দেশকে উন্নয়নের শিখড়ে নিতে বেশী সময় লাগার কথা নয়।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিভাগের দুদক পরিচালক-নাসিম আনোয়ার, নারায়নগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া খান প্রমুখ।

    এর আগে প্রধান অতিথি একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভ’মি) অফিসের সেবা প্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ও গণশুনানী কেন্দ্র ‘সেবালয়’ উদ্বোধন করেন এবং দুপ্তারা এলাকায় গাছের চারা রোপন করেন।#

  • শামীম ওসমানের আশ্বাসে ট্রাফিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

    শামীম ওসমানের আশ্বাসে ট্রাফিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

    নারায়ণগঞ্জে ৯ দফা দাবীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে তাদের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে নগরীর চাষাঢ়ায় শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ও মনিটরিং পর্যবেক্ষণে রাজপথে নামেন। পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক জরুরি পথসভায় শামীম ওসমান তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবী পূরণের আশ্বাস প্রদান করে নানা দিক নির্দেশনা দেন। শামীম ওসমান তাদেরকে আগামী রবিবার পর্যন্ত ট্রাফিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ট্রাফিক পুলিশের উপর দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদানের আহবান জানান। তিনি বলেন, পুলিশের উপর দুইদিনের জন্য দায়িত্ব ছেড়ে দাও। পুলিশ যদি তোমাদের দাবী মোতাবেক যথাযথ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে রবিবার থেকে তোমাদের সাথে নিয়ে আমি নিজেই মাঠে নামব। শামীম ওসমানের আহবানে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা ত্রুটিযুক্ত গাড়ির আটককৃত চাবিগুলো পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে ট্রাফিক কার্যক্রম দুইদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের নের্তৃবৃন্দ এ পথসভায় উপস্থিত ছিলেন।

    পথসভা শেষে শামীম ওসমান গণমাধ্যমকে জানান, গত পাঁচদিন ধরে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোল করে আসছে তা ন্যায়সঙ্গত। নারায়ণগঞ্জের ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা যেসব সমস্যা চিহ্নিত করেছে, আগামী রবিাবর তার তালিকা তিনি দেখবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি সেটা পৌঁছাবেন। তিনি বলেন, পুলিশ যদি তাদের দাবী মোতাবেক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে দেশের অন্য কোথাও আন্দোলন না হলেও নারায়ণগঞ্জের মানুষের স্বার্থে আমি ছাত্রদের নিয়ে সমস্যা সমাধানে আমি মাঠে নামব। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ঠিক করাসহ সব ধরনের অবৈধ কাজ বন্ধে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব। নারায়ণগঞ্জের শিক্ষিত ছাত্রসমাজের এই ভূমিকার প্রশংসাও করেন শামীম ওসমান।

    শামীম ওসমান জানান, শিক্ষার্থীদের এই শক্তিকে তিনি সমাজের মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে উৎসাহিত করে যথাযথভাবে কাজে লাগাবেন। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য বহিরাগত একটি গ্রুপ আনেআদলনরত শিক্ষার্থীদের ভেতরে ঢুকে ষড়যন্ত্র করছে। ফেসবুক নির্ভর ওই গ্রুপটি বিভিন্ন ধরণের উস্কানিমূলক ও অশ্লীল ছবি পোস্ট করে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে আন্দোলন ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, এই শিক্ষার্থীরা আমার সন্তান। শুধু এমপিগিরিটা আমার কাছে বড় কথা না। ওদেরকেও দেখার দায়িত্ব আমার আছে। তাদেরকে যাতে কেউ ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে আমি সেটা দেখব। শিক্ষার্থীদের পাশে আমি ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকব। পরে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে চাষাঢ়ার বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন।#

  • ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে গনপরিবহন চলাচল  বন্ধ

    ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে গনপরিবহন চলাচল  বন্ধ

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় ছাত্রদের গাড়ি ভাংচুর এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষার নামে হয়রানী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার দাবীতে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ রুটে সকল প্রকার গনপরিবহন চলাচল  বন্ধ রেখেছে  পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। শুক্রবার(৩আগষ্ট) সকাল থেকে মালিকও শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। কোন রকম আগাম ঘোষনা ছাড়া গনপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীরা। নারায়ণগঞ্জ  টার্মিনালসহ বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীদের র্দীঘক্ষন দাড়িয়ে  অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

    বাস চলাচল বন্ধ থাকায় নারায়ণগঞ্জ থেকে অনেক যাত্রীকে বিকল্প ব্যবস্থায় সিএনজি, রিক্সাসহ বিভিন্ন পরিবহনে করে ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে হয়। আর এই সুযোগে  রিক্সা ও সিএনজি চালকরা  দ্বিগুন ও তিনগনের বেশী ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছেন যাত্রীদের কাছ থেকে।

    নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন জানান, রাস্তায় কোন কারন ছাড়াই ছাত্ররা নির্বিচারে গাড়ি ভাংচুর করছে। গত পাচঁ দিনে নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটে শত শত গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। এতে অনেক পরিবহন শ্রমিক আহত হয়েছে। শ্রমিকরা নিজের জীবনের নিরাপত্তার  দাবিতে বাস চালাচ্ছেনা। বাস ভাংচুরের কারনে মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।  যে কারনে শ্রমিকরা গাড়ি চালাতে চাচ্ছেনা। তবে  গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার কেন্দ্রীয় কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

    নারায়ণগঞ্জ পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সামসুজ্জামান জানান,  রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালের সামনে বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনার পর থেকে প্রতিদিনই ছাত্ররা রাস্তায় যানবাহন ভাংচুর করছে। চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র , ফিটনেস  পরিক্ষার নামে  গাড়ির চাবি নিয়ে যাচ্ছে। এতে করে সড়কে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছে পরিবহন শ্রমিকরা । অনেক জায়গায় গাড়ি ভাংচুরের কারনে শ্রমিকরা আহত হয়েছে। কিন্তু এসব ঘটনা মিডিয়ায় আসছেনা।  তাই বাধ্য হয়ে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে সকাল থেকে গাড়ি চলাচল বন্ধ রেখেছি আমরা। তিনি বলেন, গনপরিবহন ও রাস্তায় শৃংখলা আমরাও চাই। আমারা  জীবিনের নিরাপত্তা চাই।  সকারকে এই বিষয়য়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

    নারায়ণগঞ্জ বাস টার্মিনালে দাড়িয়ে থাকার যাত্রী সালাম মিয়া জানান, কোর রকম পূর্ব ঘোষনা ছাড়া গনপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় যাত্রীরা চরম দুভোর্গে পড়েছে। র্দীঘ সময় দাড়িয়ে থেকে বাস না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে ভেঙ্গে বিকল্প পরিবহনে ঢাকায় যেতে হয়েছে।  এদিকে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন দুরপাল্লার গাড়ির সাথে সল্পদুরত্ব রুটে চালচলকারি  বাস মিনিবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    সফিকুল ইসলাম নামের আরেক যাত্রী বলেন, পরিবহন মালিক শ্রমিকদের কাছে যাত্রীরা  জিন্মি হয়ে পড়েছে।  তারা যে ভাবে হঠাৎ করে গনপরিবহন রাস্তায় চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তা মোটেও উচিত হয়নি। আর এতে যাত্রীরা বাসা থেকে বের হয়ে এসে দুভোর্গের শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন,  রিক্সা ও সিএনজি চালকরা এই সুযোগে কয়েকগুন ভাড়া  হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, সড়কে যে বিশৃংখরা চলছে তা দুর করতে সরকাকে  কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

    মেঘনা ঘাট থেকে ঢাকা যাবেন হোসেন মিয়া। কিন্তু তিন ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে কোন যানবাহন না পেয়ে মেঘনা থেকে ঢাকার গুলিস্থান যেতে সিএনজি  পাচঁশ টাকায় সিএজি ঠিক করেছেন। তিনি জানান, তার এক নিকট আত্বীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তার চিকিৎসা করানোর জন্যই তিনি বাধ্য হয়ে বেশী টাকা ভাড়া গুনে ঢাকা যাচ্ছেন।

    উৎসব পরিবহনের বাসের চালক সাব্বির হোসেন জানান,  রাস্তায় কোন দুর্ঘটনা বা কোন কিছু ঘটলেই গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। কিন্তু এর কোন বিচার হয়না। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে যেমন বাসের চালক ও হেলপাড়কে আইনের আওতায় আনা হয় ঠিক তেমনি বাবে কেউ যদি অন্যায় ভাবে বাস ভাংচুর ও অগিনসংযোগ করে তাদেরও আইনের আওওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। তবেই সড়কে শৃংখলা ফিরে আসবে বলে তিনি দাবি করেন।#

  • ২য় দিনের মতো শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ: শিমরাইল এবং চাষাঢ়া উত্তাল 

    ২য় দিনের মতো শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ: শিমরাইল এবং চাষাঢ়া উত্তাল 

    রাজধানীর উত্তরায় গাড়ি চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ আজও উত্তাল। দ্বিতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সরকার সারা দেশের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করলেও সকাল দশটা থেকে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল নিয়ে শহরের চাষাঢ়ায় বিজয় স্তম্ভের সামনে এসে অবস্থান নেয়। পৌনে এগারোটার দিকে তারা বঙ্গবন্ধ সড়ক, নবাব সলিমুল্লাহ সড়ক এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের মুখে অবস্থান নিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এসময় সড়কগুলিতে শত শত যানবাহন আটকা পরে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কয়েকটি যানবাহন ভাংচুরও করে।

    তারা শিক্ষার্থী হত্যার বিচার, নিরাপদ সড়ক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবী দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করে মিছিল শ্লোগান দেয় এসময় নারায়ণগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

    এদিকে একই দাবীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীমরাইল মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে স্থানয়ি বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে যানবাহন আটকা পড়ে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বুধবারের মতো কোন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের কাউকে বৃহস্পতিবারের আন্দোলনে মাঠে নামতে দেখা যায়নি।

    আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ৯ দফা দাবী বাস্তবায়নের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল যে আশ।বাস দিয়েছেন তা দ্রুত বাস্তাবায়ন চান।
    এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে শহরের চাষাঢ়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যাপাক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের আন্দোলন করছে। তাদেরকে আমরা বুঝিয়েছি, যেন কারো জানমালের ক্ষতি না করে। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে উশৃংখল হতে না পারে এবং আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসন কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।#

  • ৩০০ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া স্বাচিপ নেতা অমিত রায়

    ৩০০ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া স্বাচিপ নেতা অমিত রায়

    নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন স্বাচিপ নেতা অমিত রায়। নিজে তিনি রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখেন না। লেখে অন্য কেউ। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করলেও ভয়ংকর ক্ষেপে যান তিনি। তার বেপরোয়া আচরনের শিকার হয়েছেন ৩০০ শয্যা হাসপাতালেরই স্বাস্থ সেবা কমিটির সদস্য ও এনটিভির জেলা প্রতিনিধি নাফিজ আশরাফ। প্রশ্ন উঠেছে একজন প্রভাবশালী সাংবাদিকের সাথেই যিনি এমন আচরন করেন সাধারন মানুষের সাথে তিনি কি আচরন করেন।

    গতকাল ৩০ জুলাই সকালে নাফিজ আশরাফ নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোতালেব মিয়ার কাছে তার সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ন ও অপেশাদারি আচরনের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগে নাফিজ আশরাফ বলেন, গত ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা। পায়ে আঘাতজনিত কারণে আমার কন্যাকে নিয়ে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে হাজির হই। এ সময় কর্মরত চিকিৎসকের আসন শূণ্য পাই। পাশের চেয়ারে এক যুবক রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখছেন। তার পাশে তাকে ঘিরে তিন চার যুবক দাঁড়িয়ে। তাদেরকে ঐ যুবকের সহকর্মী মনে হলো। আমার মেয়ের পায়ের আঘাতের ক্ষত দেখলেন চেয়ারে বসা যুবক। তিনিই প্রেসক্রিপশন লিখলেন। আমি জানতে চাইলাম ডাক্তার কোথায়? তিনিই তো প্রেসক্রিপশন করবেন। যুবক কোনো উত্তর দিলেন না। ভেতরের কামরায় যেয়ে একজনকে দেখে জানতে পারলাম তিনি চিকিৎসক (কর্তব্যরত)। তিনি বেড়িয়ে আসলেন। আমি সাধারণত ব্যক্তিগত কারণে নিজের পেশার পরিচয় দেই না। তারপরও পরিস্থিতি বাধ্য করল নিজের ভিজিটিং কার্ড ( বসা যুবকের হাতে) দিলাম। এবং চিকিৎসক ডা. অমিত রায়ের কাছে মৌখিকভাবে নিজের পরিচয় দিলাম । তিনি তা আমলে না নিয়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম হাতে তুলে বাইরে গেলেন। মনে হলো খানিক পর অন্য রোগী দেখে ফিরে এসে নিজের আসনে বসলেন। আমার মেয়ের প্রেসক্রিপশনে সাক্ষর করতে করতে তাচ্ছিল্যের স্বরে বললেন,‘কি যেন পরিচয় আপনার?’ তখন আমার পরিচয় দিয়ে এ-ও বললাম, ‘আমি এই হাসপাতালের স্বাস্থ সেবা কমিটির সদস্য।’ কথাগুলো বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলাম। তিনি প্রেসক্রিপশনে সাক্ষর করে আমার হাতে তুলে দিলেন। আমি বললাম, আপনি রোগী দেখে তারপর প্রেসক্রিপশন ঠিক আছে কিনা দেখে দেন। কারণ এটা তো শিক্ষানবিশ লিখেছেন। ডা. অমিত রায় তখন উচ্চ স্বরে বলেন, ‘আপনার কাছে আমার শিখতে হবে? এখানে কোনো শিক্ষানবিশ নেই।’ তারপর তিনি ঝগড়া করার জন্য উদ্যত হলেন। আমি বললাম,‘ নো, নো ঝগড়া। আমি জেনে নেই।’ তারপর আমি যখন পিএস সিদ্দিকুর রহমান সাহেবকে ফোন করি ডা. অমিত তখন ধমক দিয়ে আমাকে বেরিয়ে যেতে বলেন। ফোনে পিএস সিদ্দিকুর রহমান ডা. অমিত রায়ের ব্যাপারে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন। এতে পরিষ্কার হয়ে যায় রোগীরা কতটা অসহায় এই চিকিৎসকের কাছে। প্রসঙ্গত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা জনসেবা করার জন্য চিকিৎসকদের যে নির্দেশ দিয়েছেন, ডা. অমিত রায় কী তাঁর চেয়ে উর্ধ্বের কেউ?

    এ ব্যাপারে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোতালেব মিয়ার  মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।#

  • সড়ক বললে ভূল করা হবে, সড়কের বেহাল অবস্থা  

    সড়ক বললে ভূল করা হবে, সড়কের বেহাল অবস্থা  

    বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন এর দাঁশেরগাও হতে প্রেমতলা পর্যন্ত একমাত্র রাস্তাটি র্দীঘদিন ধরে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।  দাসেরগাঁ থেকে প্রেমতলা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি র্দীঘ দিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় সম্পূর্ন সড়ক জুড়ে ছোট বড় খানা খন্দক ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ  গর্তে ও খানা খন্দকে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে যে কেউ দেখে মনে করবে এইটি সড়ক নয় যেন  খাল অথবা জলাভুমি। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মুছাপুর ইউনিয়নস্থ দাঁশের গাও ও প্রেমতলাসহ এর আশে পাশের হাজার হাজার লোকজন।

    অপর দিকে মালামাল পরিবহন করতে না পেরে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ওই এলাকার ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। রাস্তার বেহাল অবস্থা থাকার কারনে ছাত্র/ছাত্রীরা যানবাহন না পেয়ে  পায়ে হেঁটে স্কুল ও মাদ্রাসা যাওয়া আসা করতে দেখা যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, মুছাপুর ইউনিয়নের দাঁশেরগাও হইতে প্রেমতলা এলাকাতে প্রচুর পরিমানে ইটভাটা নির্মানের কারনে ওই রাস্তা দিয়ে ইট বোঝাই ট্রাকের আনাগোনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। এই কারনেই রাস্তাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।  ফলে বেহাল এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অবর্ণনীয়  দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। তারা আরো জানান,  এ ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।#