নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মেহেদী হাসান (২৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার মেঘনা শিল্পনগরীর প্রতাপের চর এলাকায় অবস্থিত একটি ফ্রেশ সল্ট কোম্পানিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের ইমানেরকান্দি গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান ওই প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সিলিন্ডার লোড-আনলোডের কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাজ করার সময় হঠাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক পঙ্কজ কুমার আচার্য্য জানান, “ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা শিল্প প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
Tag: সোনারগাঁয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের আরও এক সদস্যের মৃত্যু
-

সোনারগাঁয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত
-

সোনারগাঁয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের আরও এক সদস্যের মৃত্যু
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম মুন্নি আক্তার (১৪)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শরীরের প্রায় ২৮ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় মুন্নি গত সোমবার রাতে ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে সিলিন্ডারের লাইনে লিকেজ থেকে আগুন ধরে যায়। এতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। তাদের সবাইকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে ৭ সেপ্টেম্বর মানব চৌধুরী এবং পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর বাচা চৌধুরী মারা যান।
বর্তমানে মুন্নির দুই বোন— তন্নি ও মৌরি— এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খান বলেন, “একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনায় কারও গাফিলতি থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”