নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ফয়জুল ইসলাম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সজিবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জামান জানান, বুধবার রাতে কুমিল্লার কোর্টবাড়ি এলাকা থেকে সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফয়জুল দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধরে এনে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে মারধর করে ফয়জুলকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সজিব আত্মগোপনে ছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Tag: সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
-

সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সজিব গ্রেপ্তার
-

সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পরিচালক পলাতক
নিজস্ব প্রতিবেদক: সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রোগীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পরিচালক পলাতক
সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া চৌধুরীপাড়া এলাকায় অবস্থিত এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক রোগীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রটির পরিচালক সজীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত ফয়জল (৫৫) কাঁচপুর পশ্চিম বেহাকৈর এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত ফোছন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের অভিযোগ, ফয়জল দীর্ঘদিন ধরে এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধরে এনে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মারধরের মাধ্যমে ফয়জলকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পরিচালক সজীব আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।