নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা ও অপচয় রোধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের নির্দেশে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার বিভিন্ন মার্কেটে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন সরকার অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় পল্লী বিদ্যুৎ ও পুলিশের পৃথক টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।
অভিযানকালে মার্কেটগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা এবং রাত ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ রাখার বিষয়ে ব্যবসায়ী ও মার্কেট সমিতির প্রতিনিধিদের সতর্ক করা হয়। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
মার্কেট সমিতির প্রতিনিধিরা সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে চলার বিষয়ে প্রশাসনকে আশ্বস্ত করেন। এটি প্রাথমিকভাবে সতর্কতামূলক অভিযান হওয়ায় এদিন কাউকে জরিমানা করা হয়নি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন সরকার বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও দেওয়া হয়েছে, যাতে সবাই সরকারের নির্দেশনা মেনে চলেন।
তিনি আরও বলেন, এরপরও কেউ সরকারি নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটালে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Category: প্রশাসন
-

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অপচয় রোধে সোনারগাঁয়ে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান
-

সোনারগাঁয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা ভ্রাম্যমান আদালতের
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের নীতিমালা অনুসরণ না করে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির দায়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার দুটি রেস্টুরেন্ট ও একটি মিষ্টির দোকানকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেল ফাইরুজ তাসনিমের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে সিকদার ডাইন, বৈশাখী রেস্তোরা এবং ঈঁশাখা মিষ্টি ঘরকে ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলেই জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুত ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. মোশাররফ হোসেন (মুর্শিদ), কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের পেশকার বায়েজিদ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় না রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে খাসির মাংসে পানি মিশনোর অপরাধে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলায় খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে আব্দুল বাতেন (৫৫) নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল বুধবার বেলা সারে ১০টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেল এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম এ অর্থদণ্ড দেন।
মাংস ব্যবসায়ী বাতেন উপজেলার বারদী ইউনিয়নের দৈলরদী গ্রামের মৃত এলাহী ব্যাপারীর ছেলে।সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাংস বিক্রি করেন।
জানা যায়, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৭০ হাজার টাকা জড়িমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের জেল দন্ডিত করা হয়। এ সময় মাংস ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন, উপজেলা প্রানীসম্পদ অফিসার মোছাম্মৎ নইফা বেগম, পেশকার বায়েজিদ ও সোনারগাঁ থানা পুলিশের এসআই পারভেজসহ সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফিল্ড ফ্যাসিলেটর মোঃ ইকবাল হোসেন।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানান, ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
-

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের শিশু পার্ক, সংস্কারের দাবি
রবিউল হুসাইন, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত একমাত্র শিশু পার্কটি এখন প্রায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পার্কটির বিভিন্ন খেলাধুলার সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে পড়ে থাকায় বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত পার্কটি এখন শুধু সাইনবোর্ডেই সীমাবদ্ধ।
সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের ভেতরে থাকা দোলনা, স্লাইডারসহ বিভিন্ন রাইড দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শিশুদের আকর্ষণের জন্য স্থাপন করা বাঘ, সিংহ, জিরাফ, ময়ূর, হাতি, ক্যাঙ্গারু ও হরিণসহ বিভিন্ন ভাস্কর্যের বেশিরভাগই ভেঙে গেছে। পুরো পার্ক এলাকা ঝোপঝাড়ে ছেয়ে থাকায় শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ নেই।
উপজেলা ডাকবাংলোর উত্তর-দক্ষিণ পাশে অবস্থিত আবাসিক এলাকার মধ্যে ২০২২ সালে পার্কটি নির্মাণ করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত হলেও আশপাশের এলাকার শিশুরাও অবসর সময়ে এখানে এসে খেলাধুলা ও বিনোদন উপভোগ করত। তবে বর্তমানে পার্কটির অধিকাংশ রাইড অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
স্থানীয়রা জানান, পার্কটিতে শিশুদের জন্য কোনো ছাউনি বা বৃষ্টির সময় আশ্রয়ের ব্যবস্থাও নেই। ফলে রোদ কিংবা বৃষ্টির সময় শিশুদের নিরাপদে অবস্থানের সুযোগ থাকে না।
স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বলেন, “উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছোট পরিসরে গড়ে তোলা এই পার্কটি একসময় শিশুদের আনন্দের কেন্দ্র ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলায় এর বিভিন্ন রাইড নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। দ্রুত সংস্কার করে শিশুদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।”
এদিকে পার্কের অযত্নে বেড়ে ওঠা ঝোপঝাড়ে সাপ, পোকামাকড় ও মশার উপদ্রব দেখা দেওয়ায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিয়ে সেখানে যেতে ভয় পান।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিক আল জিনাত বলেন, “উপজেলা পরিষদের শিশু পার্কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমি অবগত আছি। পার্কটি সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কার করে শিশুদের ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংস্কার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে শিশু পার্কটিকে পুনরায় সচল করা হলে এলাকার শিশুরা নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে খেলাধুলার সুযোগ পাবে। -

আবেদন করার ১ ঘন্টার মধ্যে হুইলচেয়ার নিয়ে হাজির ইউএনও
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জে দ্রুত সেবাদানের এক নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিন্নাত। আবেদনের মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই জন্মগত প্রতিবন্ধী রাজু (২৮)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি হুইলচেয়ার।
বুধবার (৬ মে) সকালে উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরের উদ্যোগে কাঁচপুর ইউনিয়নের ললাটি গ্রামে রাজুর বাড়িতে গিয়ে ইউএনও নিজেই এই সহায়তা পৌঁছে দেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাজু মো. জাকির হোসেন ও হাফেজা বেগম দম্পতির বড় ছেলে। জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে সে দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী জীবনযাপন করছে। আর্থিক সংকটের কারণে এতদিন তার জন্য একটি হুইলচেয়ার কেনা সম্ভব হয়নি।
রাজুর বাবা মো. জাকির হোসেন জানান, “এই হুইলচেয়ার আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এখন আমার ছেলে কিছুটা হলেও চলাফেরা করতে পারবে। সকালে স্থানীয় এক বিএনপি কর্মীর মাধ্যমে আবেদন করি, আর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ইউএনও স্যার নিজে এসে হুইলচেয়ার দিয়ে যান—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”
এ বিষয়ে ইউএনও আসিফ আল জিন্নাত বলেন, রাজু জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। আবেদন পাওয়ার পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তার বাড়িতে হুইলচেয়ার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের কাছে কেউ সহায়তা চাইলে আমরা চেষ্টা করি দ্রুততম সময়ে তা নিশ্চিত করতে।”
এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন, স্থানীয় নেতাকর্মী এবং রাজুর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। -

সোনারগাঁয়ে জ্বালানি কার্যক্রম তদারকিতে বিশেষ সভা, “ট্যাগ অফিসার” নিয়োগ
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জ্বালানি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় জোরদার করতে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও আসিফ আল জিনাত।
সভায় প্রতিটি ফিলিং স্টেশনের জন্য একজন করে “ট্যাগ অফিসার” নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে তেল বিতরণে শৃঙ্খলা আনা, অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা এবং মজুতদারি ও কালোবাজারি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
ট্যাগ অফিসাররা দৈনিক মজুদ ও সরবরাহ যাচাই, মিটার রিডিং পর্যবেক্ষণ, বিক্রয় ও স্টকের হিসাব মিলানোসহ সার্বিক তদারকি করবেন। এছাড়া প্রতিদিন তিনবার স্টক আপডেট, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিক্রি শুরু এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে সতর্কতা, মোবাইল কোর্ট ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -

লাইসেন্সবিহীন দোকানে জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযান
নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁ উপজেলায় ফিলিং স্টেশন ব্যতীত লাইসেন্সবিহীন বিভিন্ন দোকান ও খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রয় এবং অবৈধভাবে মজুদ করার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের অনিয়ম রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোনো অসাধু ব্যক্তি অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করলে বা অবৈধভাবে মজুদ করলে সুনির্দিষ্ট তথ্য (ছবি ও ভিডিওসহ) ইনবক্সে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা আশা করছেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। -

সোনারগাঁবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউএনও আসিফ আল জিনাত
সোনারগাঁবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউএনও আসিফ আল জিনাত
নিউজ সোনারগাঁ : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোনারগাঁবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের জীবনে নিয়ে আসে আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা। এই পবিত্র উৎসব সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, সমৃদ্ধি ও পারস্পরিক সহমর্মিতা।
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সবাই ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়াবে এবং একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
শেষে তিনি সোনারগাঁবাসীর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে সবাইকে ঈদ মোবারক জানান। -

সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ তৌফিকুর রহমান।
অভিযান চলাকালে তরমুজের দাম বেশি রাখার অভিযোগে মো. মুছা নামে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করার দায়ে বৈশাখী রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় দুটি মুদি দোকানকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ তৌফিকুর রহমান জানান, পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। -

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাখালী ও কাঁচপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ পাওয়া গেলেও অন্য স্টেশনগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী জ্বালানি বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে বেশিরভাগ স্টেশনেই অকটেনের মজুদ প্রায় নেই বললেই চলে।
রোববার (দুপুর ১২টা) কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিমের নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে কাঁচপুর এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া সোনাখালী এলাকার মেসার্স আবাদী ফিলিং স্টেশন ও কাঁচপুরের এস ইন্টারন্যাশনাল ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে দেখা যায়, স্টেশন দুটি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জ্বালানি বিক্রি করছে এবং তাদের স্টক রেজিস্টারও যাচাই করা হয়।
এ সময় আবাদী ফিলিং স্টেশনে অকটেন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানা যায়। পরে তাদের কাগজপত্র পরীক্ষা করে নির্ধারিত নিয়মে জ্বালানি বিক্রির নির্দেশনা দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অন্যদিকে এস ইন্টারন্যাশনাল ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের যথাযথভাবে বিক্রয় রশিদ প্রদান করতে দেখা গেছে।
মোবাইল কোর্টের পক্ষ থেকে সরকার প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী তেল মজুদ ও বিক্রয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। -

মোগরাপাড়া চৌরাস্তা উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, যানজট নিরসনেই উদ্যোগ: ইউএনও
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত।
তিনি জানান, ঈদের আগ মুহূর্তে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাড়ি ফেরা, মহাসড়কে তীব্র যানজট এবং সেই সুযোগে ছিনতাই ও ডাকাতির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইউএনও বলেন, বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। অতীতেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এবার সেটি টেকসই করার জন্য প্রশাসন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মহাসড়কের যানজট নিরসনে সরকার ইতোমধ্যে প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান নিজে উপস্থিত থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে কাজ করছে।
উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের বিষয়েও প্রশাসন কাজ করছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে উপজেলার পরিবেশকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন ইউএনও।
এদিকে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় পরিবেশ স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পথচারী ও সুশিল সমাজের লোকজন। তারা উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগটি চলমান থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
-

সোনারগাঁয়ে মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় উচ্ছেদ অভিযান আগামীকাল
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান জানিয়েছেন, জনগণ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করেই আগামীকাল সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সোমবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, মোগরাপাড়া এলাকায় মাদককারবারীদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা আগামীকালের মধ্যে প্রস্তুত করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌরাস্তায় দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিন্নাত। উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মহিবুল্লাহ, সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিবসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় এমপি মান্নান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি মোগরাপাড়া চৌরাস্তাকে যানজট ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন। -

সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক নেতার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সরকারি হাসপাতালের জমি দখলের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা সভায় দখলদারিত্ব নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। বুধবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ইউএনও আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এ নিয়ে সভায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউএনও আসিফ আল জিনাত, সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিবুল্লাহ, সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমাইয়া ইয়াকুব দখল হওয়া জায়গার আধাপাকা ভবনটি আংশিক ভেঙ্গে দেন। তবে স্থানীয়রা বিষয়টিকে অসম্পূর্ণ উচ্ছেদ বলে দাবি করেছেন।জানা যায়,উপজেলার ব্যস্ততম মোগরাপাড়া চৌরাস্তা-বারদী সড়কের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় তিন রাস্তার মোড়ে সরকারী জমি দখল করে সোনারগাঁও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক অমিত হাসান জোরপূর্বক অবৈধভাবে আধাপাকা মার্কেট নির্মাণ করছেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় প্রশাসন দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। প্রশাসনকে নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে প্রতিদিন রাতে ও দিনে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এতে করে ওই সড়কের চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহন যাত্রীরা চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বুধবার আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ স্থাপনার সামনের অংশ ভেঙ্গে ফেলে। তবে সম্পূর্ণ অংশ না ভেঙ্গে উপরের চালা রেখেই ইউএনও ও ওসি ফিরে যান।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা সভায় সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সুমাইয়া ইয়াকুব বলেন, হাসপাতালের জমি দখলই নয়, তার কমপ্লেক্সের ভেতরে রাতের বেলায় বহিরাগতরা ঢুকে মাদক সেবন করে থাকে। এছাড়াও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে। হাসপাতালের ভেতরে প্রভাবশালীরা ঢুকে চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে ফ্রি ওষধ লিখিয়ে নিচ্ছেন। হাসপাতাল যেন গাড়ির গ্যারেজ। দিন রাত হাসপাতালের ভেতরে গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
অপরদিকে গণ সংহতির নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস এক ভিডিও বার্তায় বলেন, সরকারি হাসপাতালের জমি দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার অবৈধ দখলদারিত্বে নিন্দা জানিয়েছেন। দখলদারিত্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিএনপিকে অনুুরোধ জানিয়েছেন। তাছাড়া প্রশাসনকে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে যানজট মুক্ত করার জন্য সম্পূর্ন উচ্ছেদ করার দাবি জানিয়েছেন।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, সড়কের পাশে হাসপাতালের জমিতে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাকি অংশ উচ্ছেদ হবে।
-

সোনারগাঁয়ে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে চার যানবহনকে জরিমানা
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নয়াবাড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সোনারগাঁ উপজেলায় এই অভিযানে শব্দদূষণকারী ৪টি যানবাহনকে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৮টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়েছে।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সোনারগাঁ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেল ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সেগুফতা মেহনাজ, এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনারগাঁ ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মঞ্জুরুল মোর্শেদ। সোনারগাঁও থানা পুলিশ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জনাব টিটু বড়ুয়া প্রসিকিউশন প্রদান করেন।
অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ১৫(২) ধারা মোতাবেক এই জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয় জানিয়েছে যে, শব্দদূষণ বন্ধে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে অস্থায়ী হাটের ইজারা কত টাকায় পেলেন যারা
সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ২০২৫ সালের জন্য অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন হাটের ইজারা প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। মোট ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারদের নাম ও ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইজারাকৃত অস্থায়ী হাট ও ইজারাদারদের তালিকা:
১. হোসেনপুর কবরস্থান সংলগ্ন বিল্লাল বেপারীর বাড়ীর পাশের হাট, ৩৮ হাজার ৫শত টাকায় ইজারা পেয়েছেন আলী আহম্মেদ।
২. মঙ্গলেরগাঁও গিয়াস উদ্দিনের বালুর মাঠ হাট ৩৬ হাজার টাকয়, ইজারা পেয়েছেন জালাল উদ্দিন।
৩. মেঘনা শিল্পনগরী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বালুর মাঠ হাট ৪৪ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন মেম্বার।
৪. খুলিয়াপাড়া বালুর মাঠ হাট ৫৫ হাজর ৫শত টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোস্তফা কামাল বাবুল।
৫. বৈদ্যেরবাজার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মাঠ হাট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোঃ শফিউদ্দিন ভূইয়া।
৬. অলিপুরা বাজার সংলগ্ন হাট ৪০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোহন মিয়া।
৭. ধন্ধীর বাজার হাট ৬০ হাজার ৭শত টাকায় ফরহাদ আহমেদ তুহিন।
৮. ভটেরপাড়া করিম বেপারীর বালুর মাঠ সংলগ্ন হাট ৪ লাখ ৫১ হাজার ২শত টাকায়, ইজারা পেয়েছেন মোঃ আলমগীর হোসেন।
৯. তালতলা বালুর মাঠ হাট ৭২ হাজার টাকায় , ইজারা পেয়েছেন মোঃ গোলজার হোসেন।
১০. মুন্দিরপুর নোয়াদ্দা বাবু বাজার হাট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোঃ জাকির হোসেন বাবুল।
১১. নয়াপুর বাগানবাড়ী হাট ৮ লাখ ২০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন সেলিম সরকার।
১২. চৌড়াপাড়া হাট ৩৫ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোঃ শাহজালাল।
১৩. গঙ্গাপুর বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠ হাট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন জনাব মোঃ সালাউদ্দিন।
১৪. কাঁচপুর ইউনিয়নের পাঠাহাত্তা বালুর মাঠ হাট – (ইজারাদারের নাম অনুল্লিখিত)
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুষ্ঠুভাবে পশুর হাট পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদারকি থাকবে। হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভেটেরিনারি টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টিম প্রস্তুত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১৩টি অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন
নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সোনারগাঁ উপজেলায় ১৩টি অস্থায়ী গরু ও ছাগলের হাট ইজারা প্রদানের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে উপজেলা প্রশাসন। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী এবার, হোসেনপুর, মঙ্গলেরগাঁও, মেঘনা শিল্পনগরী, খুলিয়াপাড়া (সোনারগাঁ সরকারী কলেজ সংলগ্ন), বৈদ্যেরবাজার, অলিপুরা, ধন্ধীর বাজার, ভটেরপাড়া, তালতলা, মুন্দিরপুর, নয়াপুর, গঙ্গাপুর এবং কাঁচপুর এলাকায় অস্থায়ীভাবে পশুর হাট বসানো হবে। এসব হাটের সরকারি মূল্য সর্বনিম্ন ৩৪ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
দরপত্র জমাদানের সময়সূচি:
দরপত্র সংগ্রহ: ২২ মে থেকে ২৫ মে ২০২৫, সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা (অফিস চলাকালীন সময়ে)।
দরপত্র জমা: ২৬ মে ২০২৫, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
দরপত্র খোলা হবে: ২৬ মে বিকাল ২টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে।
প্রধান শর্তাবলি:
প্রতিটি দরপত্রের সঙ্গে নির্ধারিত দরের ৫০% অর্থ ডিডি/পে-অর্ডার আকারে জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতাকে অনুমোদনের পর অবশিষ্ট অর্থসহ ১৫% ভ্যাট ও ১০% আয়কর তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করতে হবে।
হাট বসানো যাবে ঈদের আগে সর্বোচ্চ তিন দিন।
মহাসড়কের ওপর কিংবা ১০ মিটারের মধ্যে হাট বসানো যাবে না এবং যানজট সৃষ্টি হয় এমন কোনো অবস্থান নির্বাচন করা যাবে না।
প্রতিদিন সকাল ৭টার মধ্যে ইজারাদারদের নিজ খরচে হাট প্রাঙ্গণ পরিষ্কার রাখতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইজারা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে অফিস চলাকালীন সময়ে পাওয়া যাবে।