নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পেচাইনা এলাকায় এক বিএনপি নেতার মাদক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবির ওই ব্যক্তি পেচাইনা এলাকার বাসিন্দা এবং এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে একটি বড় সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, ওই ব্যক্তিকে সোনারগাঁও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আরশাফ ভূঁইয়ার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া, অতীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিমের বাড়িতে বসবাসকারী কয়েকজনের ওপর হামলা এবং বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তারা মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে।
Category: থানা
-

বিএনপি নেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল, এলাকায় নানা অভিযোগ
-

সোনারগাঁয়ে মাদককারবারীসহ গ্রেফতার ৩০, উদ্ধার গাঁজা-ইয়াবা
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও মাদকসেবীসহ মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩ কেজি গাঁজা ও ৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে সোনারগাঁ থানার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোনারগাঁ থানা সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা ও ৫১ পিস ইয়াবাসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন চেঙ্গাকান্দির আবু সাঈদ (২৮), পাকুন্ডা মধ্যপাড়ার আব্দুল কাদির (৪১), ভাটিবন্দরের মোছা. আছিয়া (৫৫) ও শাহপুরের কাউসার (৪০)।
এ ছাড়া বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন মোফাজ্জল মিয়া, নুর হোসেন, রুহুল আমিন, সুলতান মিয়া, সাব্বির হোসেন, আলামিন ও মোহাম্মদ আলী।
একই অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৮ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়। তারা হলেন তানভির হোসেন (২৪), ফাহিম (১৯), সাকিব খান (২৪), মমিন মিয়া (৩২), আরিফুল ইসলাম (১৯), কামাল হোসেন (৪২), সবুজ (৩১), রিপন (২৬), সাগর (৩২), নুর মোহাম্মদ (৪৬), আউয়াল (৪০), রকি হোসেন (৩১), মহাদেব চন্দ্র দাস (২৯), অহিদ (২৯), কাউসার (২৩), কামাল (২৫), সাগর (২৫) ও আব্দুল লতিফ (৪৫)।
এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় ইসলামপট্টি এলাকা থেকে মো. আরাফাত (১৯) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবীসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে সোনারগাঁ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক মামলায় ৩ জন, পরোয়ানাভুক্ত ১ জন, মাদকসেবী ৫ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ১ জন, নিয়মিত মামলায় ২ জন এবং রাজনৈতিক মামলায় ১ জনসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সোনারগাঁ থানা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, মাদক মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোঃ মামুন মিয়া (৩৫), মোঃ আমজাদ হোসেন (৪৮) ও মোঃ সুমন (৩৮)। তারা সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া মাদকসেবনের অভিযোগে অপু (২২), মোঃ রাসেল (৩০), শফি উদ্দিন (৩৮), জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ও রমজান হোসেন (৩০)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে পঞ্চমীঘাট এলাকার আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় শেরপুরের কাউসার আহমেদ (২৭)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাজনৈতিক মামলায় ভারগাঁও-আদমপুর এলাকার আব্দুল করিম (৫৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া নিয়মিত মামলায় হাবিবপুরের উজ্জল (৩৮) ও বাড়ী মজলিস এলাকার মোঃ হৃদয় (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ১৩ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদক মামলাসহ গ্রেপ্তার ১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক মামলায় ৪ জন, নিয়মিত মামলায় ৪ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ২ জন এবং মাদকসেবনের অভিযোগে ৮ জনসহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সোনারগাঁ থানা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় রাজা শেখ ওরফে রাজু (২৩), মো. অহিদুল্লাহ (৫০), মো. জনি (১৯) ও আক্তার হোসেন (৪২)কে।
এ ছাড়া নিয়মিত মামলায় মো. ইউসুফ (২৪), মহর আলী (৫৩), নয়ন সরকার (৪৪) ও রাসেল (৩৫)কে এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত নন্দ কিশোর মিথুন ও আওলাদ হোসেন (২৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে মাদকসেবনের অভিযোগে আরও ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন ছালাম (২৫), সোহাগ ইসলাম (২৪), মো. নাছির (২৯), সোহাগ মোল্লা (৩৪), মো. সাগর (২৪)সহ অন্যরা।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। -

সোনারগাঁয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ সুমন (৪৩) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৫০ মিনিটে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের রামগোবিন্দেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের তত্ত্বাবধানে সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ সোহেল রানার নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় রামগোবিন্দেরগাঁও এলাকার সুমনের বসতঘরের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি সাদা-লাল শপিং ব্যাগের ভেতর পুরোনো খবরের কাগজে মোড়ানো ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার সুমন জানায়, পলাতক আলী নুরের সহায়তায় বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো তার হেফাজতে রেখেছিল।
পুলিশ আরও জানায়, সিডিএমএস পর্যালোচনায় গ্রেপ্তার সুমনের বিরুদ্ধে পূর্বের দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা এবং ২০০৯ সালের ২০ অক্টোবর কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলায় তিনি এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সুমন ও পলাতক আলী নুরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদক মামলায় ৩ ও পরোয়ানাভুক্ত ২ জনসহ গ্রেপ্তার ১২
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক মামলায় ৩ জন, পরোয়ানাভুক্ত ২ জন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ১ জন এবং মাদকসেবী ৬ জনসহ মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সোনারগাঁ থানা এলাকায় দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মাদক মামলায় রয়েছেন শিরিনা আক্তার (৩০), মাসুম (৪৮) ও মো. ইউসুফ (৩২)। পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন মাহিম (২২) ও আলী আক্কাস (২৭)।
এ ছাড়া মাদকসেবনের অভিযোগে মো. রাব্বি সরকার (২৭), মো. ওমর ফারুক (৪৩), মো. সাদেক হোসেন (২৬), মো. মাসুম আলম (৩০), তৌহিদুর রহমান সিয়াম (২৫) ও মো. রিফাত হোসেন (২৭)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, নিয়মিত মামলায় মো. ছানোয়ার হোসেন (৪৬) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। -

সোনারগাঁয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৮
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক মামলায় এক আসামি ও সাত মাদকসেবীসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সোনারগাঁ থানা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তার হওয়া মাদক মামলার আসামি হলেন মো. ফারুক হোসেন (৪৪)। তিনি সোনারপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।
এ ছাড়া মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নুর আলম (৪৮), বকুল হোসেন (২৮), দীন ইসলাম (৩৫), মো. মাসুম রানা (২৯), কবির হোসেন (৩২), মো. রিফাত (২২) ও জহিরুল ইসলাম রাজু (২৭)কে। তাদের মধ্যে কয়েকজন সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার এবং মো. রিফাত সিদ্ধিরগঞ্জের মিছিরগঞ্জ কলাবাগ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আটজনকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। -

সোনারগাঁয়ে ২ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৬০ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের বিসমিল্লাহ সিএনজি পাম্পের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নারী হলেন দুলু বেগম (৬০)। তিনি কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার গোলবাড় এলাকার মৃত আলী নেওয়াজের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. সফিউদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে দুলু বেগমকে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। -

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত তিনজন ও মাদকসেবনের অভিযোগে সাতজনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
রোববার (৩০ আগস্ট) সোনারগাঁ থানা এলাকায় দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার পরোয়ানাভুক্ত তিনজন হলেন, পেকিরচর এলাকার দিলু মিয়ার ছেলে আরিফ, কাঁচপুর এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে মো. তোফাজ্জল ওরফে তুহিন এবং আষাড়িয়ার চর এলাকার জিন্নত আলীর ছেলে সাদেকুর রহমান (৩৫)।
এ ছাড়া মাদকসেবনের অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকার সজল (২৮) ও রিফাত (২৮), সোনারগাঁয়ের মহজমপুরের মো. সাদ্দাম হোসেন (৩২), চৌরাপাড়ার ইব্রাহিম (৩০), রংপুরের বচ্চুনা এলাকার মো. নাজমুল (২০), শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকার মো. মাসুম রানা (৪০) এবং রংপুরের মডেলপাড়া এলাকার হাসান (১৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ আরও জানায়, মাদকসেবন ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়ালও চলমান থাকবে।
-

সোনারগাঁয়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেপ্তার ১৮
সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দিনব্যাপী থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে মাদক মামলার দুই আসামি গোলজার হোসেন (৩৫) ও সাগর (২২) এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মো. আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে সজল, রিফাত, রবিন, আবুল হোসেন, রাজু, মোক্তার হোসেন, আক্তার হোসেন, আজিজুল হক, আলী আকবর, কাওসার, আল আমিন, বাছেদ, আবুল কালাম, তৌফিকুল ইসলাম শাওন ও সোহাগসহ আরও ১৫ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক সেবনের অভিযোগে আটক ১৫ জনের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়ালের জন্যও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🔴 নজরদারিতে সোনারগাঁ
পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। -

দালালমুক্ত সেবা, অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স: সোনারগাঁ থানার ওসি
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাকে দালালমুক্ত করার পাশাপাশি মাদক, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন সোনারগাঁ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে সোনারগাঁও থানার হলরুমে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
মতবিনিময় সভায় ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সমাজকে সচেতন করার পাশাপাশি অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পুলিশ ও সাংবাদিক একসঙ্গে কাজ করলে সমাজ থেকে অপরাধ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”
তিনি বলেন, “মাদক আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
থানাকে দালালমুক্ত করার বিষয়ে নবাগত ওসি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই থানায় এসে সেবা নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। থানায় কোনো দালালচক্রের স্থান থাকবে না। জনগণের আস্থা অর্জনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পুলিশ কাজ করবে।
সভায় সাংবাদিকরা সোনারগাঁ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নির্মূল, যানজট নিরসন, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন।
নবাগত ওসি সাংবাদিকদের দেওয়া পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করবে। অপরাধ দমনে পুলিশ-সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মতবিনিময় সভায় সোনারগাঁয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। -

সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১১
পরিমল বিশ্বাস : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলায় ১১ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতের শুরু থেকে সোনারগাঁ থানার সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক, পিপিএমের তত্ত্বাবধানে সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) হারুন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী ব্রিজের ওপর অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সোনাময়ী গ্রামের মো. বাহাউদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ রবিউল ইসলামকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এ ছাড়া মাদক সংক্রান্ত মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৭ জন ও পরোয়ানাভুক্ত ৩ জনসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে পুলিশি পাহারায় নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। -

হত্যা ও চাঁদাবাজি মামলায় সেই ডালিম কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সদস্য ও কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম ডালিমকে হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। পরে তাকে আরও একটি চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সোনারগাঁ থানার একটি হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ডালিম। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডালিমকে পরে একটি চাঁদাবাজি মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর কাঁচপুরের লিটন নামে এক ব্যক্তি খুন হন। এ ঘটনায় নিহতের বড়বোন রাশিদা বেগম বাদী হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় ডালিম দুই নম্বর আসামি ছিলেন। মামলাটি বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।
এদিকে ডালিমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির পাশাপাশি প্রতারণা করে বিয়ের অভিযোগও করেছেন এক নারী। তিনি ডালিমের বিরুদ্ধে বিয়ের পর স্বীকৃতি না দেওয়া ও হুমকির অভিযোগ করেন। -

সোনারগাঁয়ে ট্রাক ডাকাতিকালে ভুয়া পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মালবাহী ট্রাকে ডাকাতির সময় হিরা শেখ (৪০) নামে এক ভুয়া পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের চাঁদমহল সিনেমা হলের সামনে থেকে ট্রাক থামিয়ে ডাকাতির সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসময় তার কাছ থেকে পুলিশের পোশাক কটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতকে আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হিরা শেখ বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার পটিখালী এলাকার মৃত আলী আকবর শেখের ছেলে।
জানা যায়, সোনারগাঁ থানার উপ পরিদর্শক আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই সাইফুল ইসলাম ও সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় ভুয়া পুলিশ সদস্য হিরা শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। মালবাহী একটি ট্রাকে ডাকাতির সময় পুলিশের পোশাক পড়া অবস্থায় হিরা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের পোশাকদারী আরো পাঁচজন পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানাসহ বিভিন্ন থানা ডাকাতি ও অস্ত্র মামলাসহ ১৩ টি মামলা রয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, ডাকাতির তথ্য পেয়ে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের পোশাক পড়ে ডাকাতি করার সময় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরো পাঁচজন পুলিশের পোশাকদারী পালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
-

সোনারগাঁয়ে পুলিশের হাতকড়াসহ পালালো মাদক মামলার আসামী
সোনারগাঁয়ে ইয়াবাসহ আটক আসামি হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান তালতলা কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক এইচএম জসিম উদ্দিন।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম মো. রাজু। ৩০ বছর বয়সী রাজু জামপুর ইউনিয়নের কোবাগা গ্রামের প্রয়াত হোসেন আলীর ছেলে।
পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, পুলিশের এক অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় রাজুকে। তাকে আটকের পর হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীরা পুলিশের রাস্তা অবরোধ করে ঘিরে ধরে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সুযোগ পেয়ে আটক আসামি হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রাজুর বড়ভাই আক্তারকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ।
তবে, রাত সাড়ে নয়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া রাজুকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
-

সোনারগাঁয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাত সজিব ওরফে ব্লেড সজিব গ্রেফতার
নিজস্ব প্রতিবক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাত সজিব ওরফে ব্লেড সজিবকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেল দীপংকর ঘোষের তদারকিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোনারগাঁ থানাধীন এলাকা থেকে সজিব ওরফে ব্লেড সজিবকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার সজিব সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা এলাকার মো. শহিদুল্লাহর ছেলে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় ডাকাতিসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে।
পরে গ্রেফতার আসামিকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় সোনারগাঁ থানার মামলা নম্বর-১৫, তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৬, দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারার মামলায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।