Category: সাদীপুর

  • সোনারগাঁয়ে ৬০ পরিবার পানিবন্দি, রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    সোনারগাঁয়ে ৬০ পরিবার পানিবন্দি, রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের উটমা এলাকায় প্রায় ৬০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তা পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
    শনিবার (১ আগস্ট) সকালে উটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আয়োজিত মানববন্ধনে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা দ্রুত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে উটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারপাশে ইটের বাউন্ডারি নির্মাণের সময় তাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে প্রায় ৬০টি পরিবার কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং বর্ষা মৌসুমে পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
    তাদের দাবি, আগে এই পথ দিয়েই এলাকার মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করতেন। কিন্তু বাউন্ডারি নির্মাণের ফলে সামনে কিংবা পেছন দিয়ে বের হওয়ার মতো কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। এমনকি কোনো ব্যক্তি মারা গেলেও খাট বহন করে নেওয়ার মতো পথও নেই। নিচু এলাকায় পানি জমে থাকায় প্রতিদিন পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।
    ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বাউন্ডারি নির্মাণের সময় তারা আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। তাই এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে আগের চলাচলের রাস্তা পুনরায় খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাস্তা পুনরায় চালু হলে এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও নির্বিঘ্নে বিদ্যালয়ে যেতে পারবে। এ বিষয়ে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সেলিম, হোসেন, সাইদুর, কালাম, আওলাদসহ এলাকার অসংখ্য নারী-পুরুষ।

  • মদনপুর-ভুলতা সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে উন্নয়ন কাজ

    মদনপুর-ভুলতা সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে উন্নয়ন কাজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বাইপাস সড়কের নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর থেকে ভুলতা-গাউছিয়া পর্যন্ত অংশে সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নকাজ। এছাড়া সার্ভিস লেনেও বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করেই পাকা করার কাজ প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। উন্নয়নের এমন চিত্র এখন স্থানীয়দের মধ্যে ভয় ও শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের মাঝখানে থাকা শতাধিক বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক, যাত্রী, কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
    জানা গেছে, এশিয়ান হাইওয়ের গাজীপুরের ভোগড়া থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ ২০১৯ সালে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের আওতায় শুরু হয়। ভূমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণ ব্যয়সহ প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। নানা জটিলতায় গত সাত বছর ধরে ধীরগতিতে কাজ চললেও চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়নকাজ শুরু হলেও নিরাপত্তার বিষয়টি একেবারেই উপেক্ষিত হয়েছে। বন্দর উপজেলার বাসিন্দা সেলিম ও দ্বীন ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজ হওয়ায় আমরা অনেক খুশি। কিন্তু সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে কাজ চলছে এবং অনেক স্থানে পাকা করা হচ্ছে। এসব খুঁটি চালক ও যাত্রীদের জন্য ভয়াবহ বিপদের কারণ হতে পারে। এখনই এগুলো অপসারণ না করা হলে পরে কর্তৃপক্ষ আর গুরুত্ব দেবে না।’
    প্রাইভেটকার চালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘দেশের অনেক মহাসড়কে গাড়ি চালিয়েছি, কিন্তু সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে কাজ করতে আগে দেখিনি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করে এবং গাড়ির গতিও বেশি থাকে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেক বেশি।’
    ঢাকা বাইপাস সড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের রি-সেটেলমেন্ট অফিসার ফারদিন ইমাম বলেন, ‘বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবেও একাধিকবার বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাদের গাফিলতির কারণে নির্মাণকাজও ধীরগতিতে চলছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।’
    এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘সড়ক নির্মাণের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়মতো খুঁটি বসানোর স্থানে মাটি ভরাট করে দিতে না পারায় খুঁটিগুলো অপসারণ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিন অল্প অল্প করে এ ধরনের কাজ করা সম্ভব নয়, কারণ অন্য গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হয়। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার সড়কের দুই পাশে মাটি ভরাট করে দেওয়ার জন্য বলেছি। তা করা হলে একসঙ্গে দ্রুত খুঁটিগুলো অপসারণ করা সম্ভব হবে।’

  • সোনারগাঁয়ের সাদিপুরে এক কিলোমিটার সড়ক মরণফাঁদ, দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের

    সোনারগাঁয়ের সাদিপুরে এক কিলোমিটার সড়ক মরণফাঁদ, দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের সাদিপুর বড়বাড়ি মোড় থেকে কোনাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের কার্পেটিং উঠে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে হাঁটু সমান জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে সড়কটি বর্তমানে স্থানীয়দের জন্য যেন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃষ্টির সময় সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায়ই বিকল হয়ে যায়। বড় বড় গর্তের কারণে ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন রোগী, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির অধিকাংশ স্থানই খানাখন্দে ভরা। অনেক জায়গার পিচ উঠে গিয়ে মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এসব গর্তের মধ্য দিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।

    সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আমির উদ্দিন বলেন, “প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলাচলে খুবই সমস্যা হয়। প্রায়ই এ রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ারও কোনো উপায় থাকে না। অনেক ভোগান্তি নিয়েই আমাদের এ রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

    সাদিপুর এলাকার বাসিন্দা মো. আল আমীন প্রধান বলেন, “প্রতিদিন চাকরিজীবীসহ আমাদের এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টির সময় রাস্তাটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কয়েকদিন আগে সাদিপুর কেন্দ্রীয় মোল্লাবাড়ী মসজিদ মোড়ে একটি রিকশা উল্টে গিয়ে এক নারী যাত্রী গুরুতর আহত হন। এরপরও শত ভোগান্তি নিয়েই আমাদের চলাচল করতে হচ্ছে। সরকারের কাছে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।”

    স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বলেন, “নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে এত খারাপ রাস্তা আর আছে কি না আমার জানা নেই। জনপ্রতিনিধিরা যদি এ রাস্তা সংস্কার করতে না পারেন, তাহলে অন্তত নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করে দিন।”
    এ বিষয়ে সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী বলেন, “আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই রাস্তাটির সংস্কার কাজ শুরু হবে।”

    সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিন্নাত বলেন, “আমি আগে এ রাস্তার বিষয়ে অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এটি এলজিইডির রাস্তা। এ বিষয়ে উপজেলা পর্যায়ে সভায় আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • সোনারগাঁয়ে দেড় হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, দুই চুনা কারখানাকে দেড় লাখ ৫০ টাকা জরিমানা

    সোনারগাঁয়ে দেড় হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, দুই চুনা কারখানাকে দেড় লাখ ৫০ টাকা জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১ হাজার ৩০০টি আবাসিক চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুইটি চুনা কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    রোববার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নানাখী, সাদিপুর, নয়াপুর ও পঞ্চমীঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানে একটি চুনা কারখানা এক্সকেভেটর মেশিনের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং অপর একটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া ১ হাজার ৩০০টি আবাসিক চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। নানাখী এলাকার কিংস কনফেকশনারিকে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) সুহা তাবিল এবং তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার প্রকৌশলী শবিউল আওয়ালের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
    তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেখানে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম

    সোনারগাঁয়ে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের চৌত্রাপাশা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাইদ খন্দকার (৩৬) নামে এক প্রবাসীকে হত্যার চেষ্টায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছেন প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের চোত্রাপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে সাইদ খন্দকার ও তার পরিবারের সঙ্গে তার চাচা ইসমাইল খন্দকার, আজমাইল খন্দকার, হাসমত খন্দকার, আব্দুল আলী খন্দকার ও চাচাত ভাই শফিকুল খন্দকার, সাদিকুর খন্দকার, শান্ত খন্দকারদের বিরোধ চলছিল। এই ঘটনার জের ধরে শনিবার দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
    এ সময় আওয়ামীলীগ নেতা ইসমাইল খন্দকারের নেতৃত্বে আজমাইল খন্দকার, হাসমত খন্দকার, ও চাচাত ভাই শফিকুল সাদিকুর শান্তসহ ১০/১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সাইদ খন্দকারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন। পরে তার পরিবার তাকে বাচাতে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা করেন।

    স্থানীয়রা সাইদ খন্দকারকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে বং বর্তমানে সাঈদ খন্দকারের অবস্থা আশঙ্কা জনক। সংঘর্ষে আরও ৪ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন

  • সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান হাসান সম্রাট (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছেন থানা পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের ভারগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরমান উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের ভারগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকার আবু দায়েনের ছেলে।

    সুত্রে জানা যায়, আরমানের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া তিনি আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার এসআই হারুন ও এএসআই আরিফ এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শনিবার গভীর রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত আরমান বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি মাদক ব্যবসা, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। তার গ্রেপ্তারে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে এসেছে।

    সোনারগাঁ থানার এসআই হারুন মিয়া বলেন, আরমানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিলো বলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে কি না দেখার সুযোগ পাইনি।

  • সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে চুরির অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে চুরির অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়ন এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাড়ির কাজের মহিলার স্বামীকে অভিযুক্ত করেছেন বাড়ির মালিক। গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  গত ৫ তারিখের পর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সালাউদ্দিন মাসুম বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এ সুযোগে বাড়িতে সম্প্রতি চুরির ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কোন দিন চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।
    সালাউদ্দিন মাসুম জানান, গত ৫ জুন তার বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। পরে বাড়ির কিছু অংশ সংস্কার করা হয়। ঈদুল আজহার সময় তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে এসে ঈদ উদযাপন করেন। ঈদ শেষে তারা চলে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তিনি জানতে পারেন যে তার বাড়িতে চুরি হয়েছে।
    তিনি আরও জানান, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাদের বাড়িতে কর্মরত এক গৃহকর্মীর স্বামী আলমগীর চুরির সঙ্গে জড়িত। তার বাড়িতে চুরির কিছু মালামাল পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘরে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
    এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে চুরি হওয়া মালামালের পরিমাণ এবং এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

  • সোনারগাঁয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু

    সোনারগাঁয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হামে আক্রান্ত হয়ে জাহিদুল ইসলাম নামে পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার মহাখালী সংক্রামক রোগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    মৃত জাহিদুল ইসলাম উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বরাবো গ্রামের মহাফুজের ছেলে এবং আলতাফ হোসেনের নাতি।
    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হলে শিশুটিকে মহাখালীর কলেরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার শরীরে হামের লক্ষণ দেখা দিলে তাকে মহাখালী সংক্রামক রোগ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. সুমাইয়া ইয়াকুব জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল ওই গ্রামে পাঠানো হয়েছে। তারা এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে দেখছেন, অন্য কোনো শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ রয়েছে কি না।

  • সোনারগাঁয়ে ২১শত অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    সোনারগাঁয়ে ২১শত অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ২১০০ চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
    সোমবার (১১ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার জামপুর ও সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানে জামপুর ইউনিয়নের মিরেরটেক এলাকায় চান অ্যান্ড সূর্য ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন কালভার্টের ভেতরে, মিরেরটেক বাজারের পশ্চিম পাশে, ফিলিং স্টেশনের পূর্ব পাশে এবং সাদিপুর ইউনিয়নের কাঠালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ করা হয়।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল এবং তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার প্রকৌশলী শবিউল আওয়াল।
    মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ গ্যাস লাইনের সোর্স পয়েন্ট কিলিং করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
    তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও যেখানে অবৈধ সংযোগ পাওয়া যাবে, সেখানে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সোনারগাঁয়ে শতবর্ষী কালভার্ট ভরাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাঁচ গ্রামের পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা

    সোনারগাঁয়ে শতবর্ষী কালভার্ট ভরাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাঁচ গ্রামের পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা-এর সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর বাজার এলাকায় শত বছরের পুরোনো একটি কালভার্ট সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) মদনপুর-টু-গাউছিয়া সড়কের পাশে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে পাঁচ গ্রামের কয়েকশত নারী-পুরুষ অংশ নেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা জানান, নয়াপুর বাজার সংলগ্ন এই কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরে সাদিপুর, হাতুরাপাড়া, আন্দারমানিকসহ অন্তত পাঁচ গ্রামের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কার কাজের সময় কালভার্টটি ভরাট করে ফেলা হয়েছে, ফলে পানি চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সোনারগাঁও উপজেলা উত্তরের সাবেক আমির মাওলানা ইসহাক মিয়া, গ্রাম বাংলা টিউব লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবু বক্কর, নয়াপুর উত্তরপাড়া মসজিদের সেক্রেটারি মো. ঈসমাইল, মো. আরিফ এবং সমাজসেবক মো. রুহুল আমিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    বক্তারা বলেন, কালভার্টটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মূল অংশ। এটি বন্ধ হয়ে গেলে আশপাশের অন্তত পাঁচ গ্রামের বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে।

    তারা আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক, প্রকল্প পরিচালক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

    মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তা সংস্কারের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই কালভার্ট ও সংযুক্ত খাল অক্ষত রেখে কাজ সম্পন্ন করতে হবে, যাতে এলাকার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকে।

    পরে বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

  • সোনারগাঁয়ে তিতাসের অভিযানে ২ চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে, দুই হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    সোনারগাঁয়ে তিতাসের অভিযানে ২ চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে, দুই হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান চালিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পরিচালিত এ অভিযানে ২টি চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় দুই হাজার চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
    বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে শিকদার বাড়ি এলাকায় একটি চুনা কারখানা সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং নয়াপুর এলাকায় আরেকটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
    অভিযানটি পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল এবং তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার শবিউল আওয়াল।
    এ সময় এক্সকাভেটর মেশিন ব্যবহার করে কারখানার স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয় এবং ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
    তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেখানে অবৈধ সংযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে আন্ডারপাস নির্মানের দাবিতে

    সোনারগাঁয়ে আন্ডারপাস নির্মানের দাবিতে

    নিউজ সোনারগাঁ :  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মদনপুর-গাজীপুর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের হাতুড়াপাড়া এলাকায় আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জামপুর ইউনিয়নের হাতুড়াপাড়া এলাকায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধন চলাকালে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
    মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, মদনপুর-গাজীপুর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত একটি সড়ক, যেখানে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। আশপাশে অবস্থিত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, কমিউনিটি হাসপাতাল ও ফিলিং স্টেশনসহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু নিরাপদ পারাপারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের রাস্তা পার হতে হচ্ছে।
    বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগ আন্ডারপাস নির্মাণের ব্যবস্থা না করেই সড়কের উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যা স্থানীয়দের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
    এ সময় দ্রুত আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। অন্যথায়, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
  • সোনারগাঁয়ে জমি বিরোধে বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে পরিবার

    সোনারগাঁয়ে জমি বিরোধে বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে পরিবার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার গজারিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
    ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহ (হবি) (৫০) জানান, একই এলাকার মৃত নূরুল হক গোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ২৬ মার্চ এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি ২৭ মার্চ তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
    অভিযোগের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ওইদিন বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে এর পরেই রাতে দুর্বৃত্তরা তার বসতবাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। একই সঙ্গে ঘরের টিন কুপিয়ে ক্ষতিসাধন করা হয়।
    হাবিবুল্লাহ বলেন, “গভীর রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরিবারের সদস্যরা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।”
    তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
    এ বিষয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আব্দুল হক জানান, খবর পাওয়ার পরপরই রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নিতে বাধা, সংঘর্ষে আহত ২০

    জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নিতে বাধা, সংঘর্ষে আহত ২০

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী গ্রামে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে মাটি ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাজহরদী গ্রামের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
    আহতদের মধ্যে রয়েছেন কবির, আকতার, সাদ্দাম, মোস্তফা, আনোয়ার, মামুন, আমিনুল, নজরুল ও কবির হোসেনসহ মোট ২০ জন। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, কাজহরদী ও পাশের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। ভাটার নিকটবর্তী হওয়ায় প্রভাবশালী একটি চক্র রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে কৃষিজমির মাটি কেটে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, অনেক সময় জমির মালিকদের কাছ থেকে মাটি কিনে নেওয়া হলেও, বেশ কিছু ক্ষেত্রে জোরপূর্বক মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে পার্শ্ববর্তী জমির পাড় ভেঙে কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
    শনিবার রাতে মাটি কাটতে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহত কবির অভিযোগ করেন, হানিফ, মহাসিন, শারজাহান ও শানুদের নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন পিস্তল, হকিস্টিক, দা ও কুড়াল নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শারজাহান বলেন, তিনি কন্ট্রাকটর হানিফের অধীনে কাজ করেন। প্রথমে গ্রামবাসী তাদের মোটরসাইকেল ও ভেকু ভাঙচুর করে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
    এ বিষয়ে তালতলা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মারামারির সত্যতা পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহিবুল্লাহ বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ে ৪দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

    সোনারগাঁয়ে ৪দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

    নিউজ সোনারগাঁ: ড়নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা এলাকায় গত ৪দিন ধরে ১৩ বছরের এক কিশোর নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
    নিখোঁজ কিশোরের বাবা নুর ইসলাম (৪৮) জানান, গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বরগাঁও এলাকা থেকে তার ছেলে নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    নুর ইসলাম জানান, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো তথ্য না পাওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সোনারগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
    নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে কসটেপ মোড়ানো প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে কসটেপ মোড়ানো প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সোহেল নামের এক প্রতিবন্ধী অটোচালকের কসটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে খবর পেয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা উপজেলার মুছারচর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    নিহত সোহেল সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় অটোচালক ছিলেন। সোহেলের স্ত্রী ও দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
    নিহতের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার জানান, সোমবার দুপুরে সোহেল অটোগাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাত ৮টার দিকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। মঙ্গলবার সকালে মুছারচর উত্তর পাড়া রাস্তার ঢালে তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান তিনি।
    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
    নিহতের পরিবার দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।