Category: স্বাস্থ্য

  • সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টয়লেট থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

    সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টয়লেট থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি টয়লেট থেকে অজ্ঞাত এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ মার্চ) দুপুরে হাসপাতালের টয়লেটের পাইপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার তিথী জানান, সকালে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি টয়লেট ব্লক হয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে কর্মীরা পাশের নির্মাণাধীন আরেকটি টয়লেটের পাইপ দিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা পাইপের ভেতর নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান। এটি হাসপাতালের ভেতর থেকে কেউ ফেলেছে নাকি বহিরাগত কেউ এসে ফেলে গেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ঘটনার পরপরই থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক নাঈমুল ইসলাম বলেন, “হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের বিষয়টি জানালে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাই। বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • সোনারগাঁয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসল খাওয়ানো ক্যাম্পেইন উদ্বোধন 

    সোনারগাঁয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসল খাওয়ানো ক্যাম্পেইন উদ্বোধন 

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসল খাওয়ানো ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আহমেদ তিথী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসল খাওয়ানোর মাধ্যমে দিবসটি উদ্ধোধন করেন। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত, মেডিকেল অফিসার রোগ নিয়ন্ত্রণ আয়োশা আক্তার শেফা, সার্জারী কনসালটেন্ট ফারজানা সুলতানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) আঃ মতিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আহমেদ তিথী জানান, দিবসটি উপলক্ষে ২৬৪টি অস্থায়ী, ১টি স্থায়ী এবং ১টি ভ্রাম্যমান কেন্দ্রে ৬মাস থেকে ১১ মাস বয়সের সারে আট হাজার এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬০ হাজার শিশুদের টিকা খাওয়ানো হবে।

  • ফর্সা ত্বক চান? নিয়মিত খেতে হবে এই জুস

    ফর্সা ত্বক চান? নিয়মিত খেতে হবে এই জুস

    আপনি কি সব ধরণের ক্রিম এবং ক্লিনজার ব্যবহার করে ক্লান্ত, কিন্তু কিছুই আপনার নিস্তেজ ত্বকের উন্নতি করে না? যদি তাই হয়, তাহলে আপনার ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। কীভাবে? অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে। এই খাবারগুলো কেবল সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয় বরং প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল, নরম এবং স্বাস্থ্যকর ত্বককে উন্নীত করতেও সাহায্য করে। সাম্প্রতিক একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে, সুস্থতা বিশেষজ্ঞ এবং সৌন্দর্য লেখক বসুধা রাই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জুস তৈরির রেসিপি শেয়ার করেছেন। এটি প্রস্তুত করা সহজ এবং মাত্র কয়েকটি উপাদানের প্রয়োজন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পুষ্টিগুণ কীভাবে তৈরি করবেন-

    বিটরুট

    ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, বিটরুট প্রাকৃতিক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য ব্রণ কমাতে এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে সাহায্য করে।

    গাজর

    গাজর হলো ভিটামিন এ (রেটিনল) এর একটি দুর্দান্ত উৎস, যা স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টের একটি জনপ্রিয় উপাদান। রেটিনল ত্বকের কোষ উৎপাদনে সহায়তা করে, ছিদ্র খুলে দেয়, ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে এবং কোলাজেন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে।

    আমলকি

    আমলকি ভিটামিন সি থাকে, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্রি র‍্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং দৃঢ়, তরুণ ত্বকের জন্য কোলাজেন উৎপাদনকে সমর্থন করে।

    হলুদ

    হলুদের প্রধান সক্রিয় যৌগ, কারকিউমিন, অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং বার্ধক্যের দৃশ্যমান লক্ষণকে বিলম্বিত করতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্রণ এবং ব্রণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

    আদা

    আদার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের বার্ধক্য কমাতে এটিকে চমৎকার করে তোলে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেও সমৃদ্ধ যা একটি স্বাস্থ্যকর, উজ্জ্বল ত্বকে অবদান রাখে।

    জুস তৈরির রেসিপি

    তৈরি করতে যা লাগবে

    ২-৩টি বিটরুট

    ৬-৮টি গাজর

    ৫টি আমলকি

    ছোট এক টুকরো কাঁচা হলুদ

    ছোট এক টুকরো আদা।

    যেভাবে তৈরি করবেন

    সবকিছু ঠান্ডা জুসারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার গ্লাসে ঢেলে খেয়ে নিনন। যদি জুসার না থাকে, তাহলে ব্লেন্ডারে সবকিছু ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। এভাবে নিয়মিত পান করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে দ্রুতই।

  • পুরুষের যৌন অক্ষমতা কি হৃদ্‌রোগের লক্ষণ

    পুরুষের যৌন অক্ষমতা কি হৃদ্‌রোগের লক্ষণ

    পুরুষদের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন সমস্যা—ইরেকটাইল ডিজফাংশন। এ সমস্যায় ভুগলে যৌনমিলনের সময় পুরুষাঙ্গ যথেষ্ট দৃঢ় বা উত্থিত হতে পারে না। এ সমস্যায় ভোগা অনেকে বিষয়টি লজ্জা ও দ্বিধার কারণে গোপন করেন বা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যাঁদের অনেকে আবার কবিরাজের শরণাপন্ন হন, সেবন করেন হারবাল। কেউ কেউ সমস্যাটা নিজের মধ্যে চেপে রেখে বিষণ্নতায় ভোগেন। অথচ গবেষকেরা বলছেন, ইরেকটাইল ডিজফাংশন হতে পারে হৃদ্‌রোগেরও লক্ষণ।

    ‘ভাসকুলার মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধে এ সমস্যার জন্য দ্রুত হৃদ্‌রোগ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ গবেষণায় ইরেকটাইল ডিজফাংশন ও হার্টের রোগের ওপর পরিচালিত আগের ২৮টি পরীক্ষা বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকেরা নিশ্চিত হয়েছেন, হার্ট ও রক্তনালির কার্যক্রম ব্যাহত হলে সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হতে পারে না।

    বিষয়ে মেডিকেল নিউজ টুডে ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রক্তনালিগুলো পুরোপুরি প্রশস্ত হতে ব্যর্থ হয় এবং শরীরের নিচের অংশে পর্যাপ্ত রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হতে পারে না। ফলে সহবাসের সময় পুরুষের সমস্যা হয়। এন্ডোথেলিয়াল ডিজফাংশন (রক্তনালির কার্যক্রমে বিঘ্ন) হচ্ছে অ্যাথেরোসক্লেরোসিসের (রক্তনালিতে চর্বি জমা) অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। অ্যাথেরোসক্লেরোসিস হলে ধমনির ভেতরের দেয়ালে চর্বিযুক্ত উপাদান পুঞ্জীভূত হয়ে রক্তনালি শক্ত ও সংকীর্ণ হয়ে যায়, ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কাজেই সমস্যাটি পুরুষাঙ্গে হলেও এটি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো জটিল রোগের একটি আগাম সতর্কসংকেত হতে পারে।

    রক্তনালির এ অস্বাভাবিকতা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমানো যায়। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যাভ্যাসে স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন ও শরীরচর্চা, ধূমপান বর্জন, সঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য দিকনির্দেশনা মেনে চলতে হবে। নিয়মিত যোগব্যায়ামের পাশাপাশি হাঁটা বা ধীরে দৌড়ানোর মতো ব্যায়াম হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায় ৫০ শতাংশ।

    ভবিষ্যতে কার্ডিওভাসকুলার (হার্ট ও রক্তনালি) রোগের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে—এ পূর্বাভাস দিতে পারে ইরেকটাইল ডিজফাংশন। ইন্টারমিডিয়েট রিস্কে আছেন—এমন পুরুষদের ক্ষেত্রে এ পূর্বাভাস সত্য হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যাঁদের উচ্চমাত্রায় উচ্চ সংবেদনশীল সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন নামক প্রদাহের মার্কার রক্তে বেশি, তাঁরা ইন্টারমিডিয়েট রিস্কের অন্তর্ভুক্ত। তাই ইরেকটাইল ডিজফাংশনের মতো সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়। জীবনযাপনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও অসংগতি দূর করলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমবে। এই ইতিবাচক পরিবর্তন হৃদ্‌যন্ত্রের পাশাপাশি পুরুষত্বহীনতার সমস্যাও দূর করবে। কাজেই ইরেকটাইল ডিজফাংশনের চিকিৎসায় লজ্জা না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা ও সচেতন থাকা জরুরি।

    অধ্যাপক ডা. জেহাদ খান: অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট, ইবনে সিনা কার্ডিয়াক সেন্টার, ঢাকা।

  • বৈশাখে পাতে ইলিশ কোরমা

    বৈশাখে পাতে ইলিশ কোরমা

    বৈশাখে ইলিশ না থাকলে বাঙালিদের উৎসব যেন সম্পূর্ণই হয় না। পান্তা ভাতের সঙ্গে বিভিন্ন রকমের ভর্তার পাশাপাশি ইলিশ মাছের আইটেমও থাকে। ভাজা কিংবা ঝোল করা ছাড়াও ইলিশের আরও কয়েক পদ রান্না করা যায়। তাই বৈশাখ উপলক্ষে তৈরি করতে পোরেন ইলিশ কোরমা।

    উপকরণ:
    ১) মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছের কয়েক টুকরো।
    ২) নারকেল দুধ ১কাপ।
    ৩) পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ।
    ৪) আদা বাটা, রসুন বাটা এক চামচ।
    ৫) টমেটো কুচি।
    ৬) কাঁচা মরিচ বাটা এক চামচ
    ৭)শুকনা মরিচ গুঁড়া।
    ৮) কাজুবাদাম বাটা এক টেবিল চামচ।
    ৯) পোস্তদানা বাটা এক টেবিল চামচ।
    ১০) টকদই দুই চামচ।
    ১১) চিনি ও লবণ স্বাদমত।
    ১২)  সয়াবিন তেল ও তেজপাতা।
    প্রণালি: মাছগুলো প্রথমে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। এবার কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভাজতে হবে। খুব বেশি লাল করে ভাজা যাবে না। মিডিয়াম আঁচে নরম করে ভাজতে হবে। চাইলে এই সময় অল্প লবণ দেওয়া যেতে পারে। এতে পেঁয়াজ ভাজিটা নরম হবে। এখান থেকে কিছু ভাজা পেঁয়জ তুলে রাখুন। কেননা রান্নার শেষে এর ওপরে ছিটিয়ে দেওয়ার জন্য। এখন বাকি পেঁয়াজ ভাজায় টমেটো কুচি দিয়ে ভুনে নিতে হবে। এরপর একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচামরিচ বাটা ও মরিচ গুড়া দিয়ে ভালোমতে কষাতে হবে, যেন মশলার কাঁচা গন্ধটা না থাকে। এবার একটা বাটিতে টকদই, নারকেল দুধ, কাজুবাদাম বাটা ও পোস্তদানা বাটা নিতে হবে। এই মিশ্রণটি মিশাতে হবে এবং কিছুক্ষণ কষাতে হবে। মশলা ভালো করে কষে তেল উঠে এলে লবণ, চিনি দিয়ে নেড়ে নিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য সময় কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। একদম অল্প আঁচে রান্না করতে হবে।
  • ৩০০ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া স্বাচিপ নেতা অমিত রায়

    ৩০০ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া স্বাচিপ নেতা অমিত রায়

    নারায়ণগঞ্জ তিনশ শয্যা হাসপাতালে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন স্বাচিপ নেতা অমিত রায়। নিজে তিনি রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখেন না। লেখে অন্য কেউ। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করলেও ভয়ংকর ক্ষেপে যান তিনি। তার বেপরোয়া আচরনের শিকার হয়েছেন ৩০০ শয্যা হাসপাতালেরই স্বাস্থ সেবা কমিটির সদস্য ও এনটিভির জেলা প্রতিনিধি নাফিজ আশরাফ। প্রশ্ন উঠেছে একজন প্রভাবশালী সাংবাদিকের সাথেই যিনি এমন আচরন করেন সাধারন মানুষের সাথে তিনি কি আচরন করেন।

    গতকাল ৩০ জুলাই সকালে নাফিজ আশরাফ নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোতালেব মিয়ার কাছে তার সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ন ও অপেশাদারি আচরনের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগে নাফিজ আশরাফ বলেন, গত ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা। পায়ে আঘাতজনিত কারণে আমার কন্যাকে নিয়ে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে হাজির হই। এ সময় কর্মরত চিকিৎসকের আসন শূণ্য পাই। পাশের চেয়ারে এক যুবক রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখছেন। তার পাশে তাকে ঘিরে তিন চার যুবক দাঁড়িয়ে। তাদেরকে ঐ যুবকের সহকর্মী মনে হলো। আমার মেয়ের পায়ের আঘাতের ক্ষত দেখলেন চেয়ারে বসা যুবক। তিনিই প্রেসক্রিপশন লিখলেন। আমি জানতে চাইলাম ডাক্তার কোথায়? তিনিই তো প্রেসক্রিপশন করবেন। যুবক কোনো উত্তর দিলেন না। ভেতরের কামরায় যেয়ে একজনকে দেখে জানতে পারলাম তিনি চিকিৎসক (কর্তব্যরত)। তিনি বেড়িয়ে আসলেন। আমি সাধারণত ব্যক্তিগত কারণে নিজের পেশার পরিচয় দেই না। তারপরও পরিস্থিতি বাধ্য করল নিজের ভিজিটিং কার্ড ( বসা যুবকের হাতে) দিলাম। এবং চিকিৎসক ডা. অমিত রায়ের কাছে মৌখিকভাবে নিজের পরিচয় দিলাম । তিনি তা আমলে না নিয়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম হাতে তুলে বাইরে গেলেন। মনে হলো খানিক পর অন্য রোগী দেখে ফিরে এসে নিজের আসনে বসলেন। আমার মেয়ের প্রেসক্রিপশনে সাক্ষর করতে করতে তাচ্ছিল্যের স্বরে বললেন,‘কি যেন পরিচয় আপনার?’ তখন আমার পরিচয় দিয়ে এ-ও বললাম, ‘আমি এই হাসপাতালের স্বাস্থ সেবা কমিটির সদস্য।’ কথাগুলো বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলাম। তিনি প্রেসক্রিপশনে সাক্ষর করে আমার হাতে তুলে দিলেন। আমি বললাম, আপনি রোগী দেখে তারপর প্রেসক্রিপশন ঠিক আছে কিনা দেখে দেন। কারণ এটা তো শিক্ষানবিশ লিখেছেন। ডা. অমিত রায় তখন উচ্চ স্বরে বলেন, ‘আপনার কাছে আমার শিখতে হবে? এখানে কোনো শিক্ষানবিশ নেই।’ তারপর তিনি ঝগড়া করার জন্য উদ্যত হলেন। আমি বললাম,‘ নো, নো ঝগড়া। আমি জেনে নেই।’ তারপর আমি যখন পিএস সিদ্দিকুর রহমান সাহেবকে ফোন করি ডা. অমিত তখন ধমক দিয়ে আমাকে বেরিয়ে যেতে বলেন। ফোনে পিএস সিদ্দিকুর রহমান ডা. অমিত রায়ের ব্যাপারে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন। এতে পরিষ্কার হয়ে যায় রোগীরা কতটা অসহায় এই চিকিৎসকের কাছে। প্রসঙ্গত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা জনসেবা করার জন্য চিকিৎসকদের যে নির্দেশ দিয়েছেন, ডা. অমিত রায় কী তাঁর চেয়ে উর্ধ্বের কেউ?

    এ ব্যাপারে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোতালেব মিয়ার  মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।#

  • নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগির চিকিৎসা প্রদানের প্রশিক্ষন কর্মসুচির উদ্বোধন

    নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগির চিকিৎসা প্রদানের প্রশিক্ষন কর্মসুচির উদ্বোধন

    নারায়ণগঞ্জে নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগির নিরাপদ চিকিৎসা প্রদানের জন্য মমতাময় নারায়ণগঞ্জ প্রকল্প এবং পরিচিতিমুলক প্রশিক্ষন কর্মসুচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ আলী আহাম্মদ চুনকা মিলনায়তনে নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজির মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হসপিস প্যালিয়েটিভ কেয়ার এলায়েন্স এর যৌথ উদ্দোগে তিন বছর ব্যাপি সেবা ও গবেষনা মুলক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ম্যাডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড হসপিস প্যালিয়েটিভ কেয়ার এলায়েন্স এর নির্বাহী পরিচালক স্টিফেন কনর, নারায়নগঞ্জ বিএমএর সভাপতি ডাঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে জানানো হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২লাখ মানুষের মধ্যে সাত হাজার নাগরিক এবং সারা বাংলাদেশে ৬লাখ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের সেবা পাবে।#

  • দেশে প্রতি হাজারে অটিজম শিশুর সংখ্যা ১.৭

    দেশে প্রতি হাজারে অটিজম শিশুর সংখ্যা ১.৭

    দেশে ১৬ থেকে ৩০ মাস বয়সী শিশুদের মাঝে অটিজম বিস্তারের হার প্রতি হাজারে ১ দশমিক ৭ জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা) কর্তৃক দেশব্যাপী শিশুর ওপর পরিচালিত জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    ২০১৭ সালের মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশের ৮টি বিভাগের ৩০টি জেলার ৮৫টি এলাকা চিহ্নিত করে ৩৮ হাজার ৪৪০ জন শিশুর ওপর এ জরিপ পরিচালনা করা হয়।

    জরিপে দেখা গেছে, গ্রামের চেয়ে শহরে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুর সংখ্যা বেশি। গ্রামীণ এলাকায় প্রতি হাজারে ১ দশমিক ৪ জন, শহর এলাকায় প্রতি হাজারে ২ দশমিক ৫ জন আক্রান্ত পাওয়া যায়। জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলে আক্রান্ত মেয়ে শিশুর চাইতে ছেলে শিশুর সংখ্যা প্রায় আড়াই গুণ বেশি দেখা যায়।

    বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ব্লক অডিটোরিয়ামে ইপনা’র আয়োজনে ডিসেমিনেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে জরিপে প্রাপ্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ডিসেমিনেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, আইসিডিডিআর, বি’র উপ-নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারপার্সন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

    অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ’র উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ শিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে জরিপে প্রাপ্ত ফলাফল উপস্থাপন করেন ইপনা’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার। জরিপ নিয়ে প্রারম্ভিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইপনার ডা. জান্নাতআরা শেফা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইপনাকে এ ধরনের বড় জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি আন্তরিক। বিশেষ করে অটিজম ও অন্যান্য স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারের সুরক্ষায় সরকার দু’টি আইন করেছে।

    এই জরিপের মাধ্যমে প্রাপ্ত হারকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতে অটিজম আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারের সেবায় সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি হাতে নেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ইপনা প্রতিষ্ঠায় প্রধানন্ত্রী ও তার সুযোগ্য কন্যা, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ, স্কুল সাইকোলজিস্ট, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাডভাইসরি প্যানেলের বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অটিজম আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারের সেবায় ইপনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় পাশে থাকবে। সব ধরনের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে হবে।

    উল্লেখ্য, ইপনা তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অটিজম ও অন্যান্য স্নায়ু বিকাশ জনিত সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ দেবার পাশাপাশি উচ্চতর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

  • ডায়াবেটিস নিয়ে নতুন তথ্য

    ডায়াবেটিস নিয়ে নতুন তথ্য

    এতদিন পর্যন্ত ডায়াবেটিসকে সাধারণত টাইপ ১ এবং টাইপ ২ এ দু’টি ভাগে ভাগ করা হলেও নতুন এক গবেষণার ফলে বলা হচ্ছে দু’ধরনের নয়, ডায়াবেটিস আসলে পাঁচ ধরনের এবং এর প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে আলাদা চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের এক দল গবেষক নতুন এই তথ্য সামনে এনেছেন। তাদের আশা এর ফলে ডায়াবেটিস নিরাময়ে প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসতে পারে এবং এই গবেষণা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। তবে এ রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এখনই কোনো পরিবর্তন আসছে না বরং তার জন্য হয়তো আরও সময় লাগবে। বিশ্বে প্রতি ১১ জনে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন – আর একবার আক্রান্ত হলে রোগীদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, অন্ধত্ব, কিডনি অচল হয়ে পড়া এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলার মতো ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    ডায়াবেটিস মূলত রক্তে অনিয়ন্ত্রিত সুগার লেভেল হিসেবে চিহ্নিত একটি রোগ। সর্বশেষ এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজিতে। এতে দেখানো হয়েছে যে ডায়াবেটিস রোগীদের পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ক্লাস্টারে ভাগ করা যায়।

    ক্লাস্টার ১ – এটা মোটা দাগে টাইপ ১ ধরণের তীব্র মাত্রার অটোইমিউন ডায়াবেটিস, যা মানুষকে তখনই আক্রান্ত করে যখন সে বয়সে তরুণ এবং তাকে দেখতে স্বাস্থ্যবান মনে হয়। এই ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় না।

    ক্লাস্টার ২ – এরা ওই ধরণের ইনসুলিন-ঘাটতির ডায়াবেটিস রোগী যাদেরকে শুরুতে ক্লাস্টার ১ এর রোগীদের মতোই মনে হয়। এরা তরুণ, এদের ওজন নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু ইনসুলিন উৎপাদনে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে – যদিও এদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় কোন গলদ নেই।

    ক্লাস্টার ৩ – এরা তীব্র ইনসুলিন-প্রতিরোধী ডায়াবেটিস রোগী, যারা সাধারণত অতিরিক্ত মোটা। এরা শরীরে ইনসুলিন তৈরি করছে, কিন্তু এদের শরীর সেই ইনসুলিনে সাড়া দেয় না।

    ক্লাস্টার ৪ – এটি ওজনের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা-ধরণের ডায়াবেটিস, যা অসম্ভব স্থূলকায় মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এ ধরণের মানুষ আবার মেটাবোলিজমের দিক থেকে ক্লাস্টার ৩ ধরনের মানুষদের চেয়ে বরং স্বাভাবিক মানুষদের কাছাকাছি।

    ক্লাস্টার ৫ – বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা ধরণের ডায়াবেটিস, যা ওই ধরণের মানুষদের হয় যখন তাদের বয়স বেড়ে যায়। অর্থাৎ এই রোগীরা অন্য গ্রুপগুলোর মানুষদের তুলনায় বেশী বয়স্ক, তবে এদের ডায়াবেটিসের মাত্রা কম।

    গবেষণায় দেখা গেছে ক্লাস্টার ২ রোগীদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, আর ক্লাস্টার ৩ রোগীদের বেশী ঝুঁকি কিডনি সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার – ফলে বেশী করে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কয়েকটি ক্লাস্টারের রোগীরা উপকৃত হতে পারেন।

  • আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি প্রকল্প উপস্থাপনের নির্দেশ

    আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি প্রকল্প উপস্থাপনের নির্দেশ

    ঢাকা সেনানিবাস আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের জন্য দ্রুত উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। পাশাপাশি এর বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে শিগগিরই প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা সেনানিবাসের আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি প্রকল্পের ওপর প্রকল্প বাছাই কমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এই নির্র্দেশ দেন। সভায় মন্ত্রী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা ও নানামুখী উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষের জন্য আধুনিকমানের প্যাথলজি সেবা গ্রহণের সুযোগ আরও সহজতর হবে। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ইনস্টিটিউটের পরিচালক মেজর জেনারেল দেবাশীষ সাহাসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।