বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সোনারগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শেষ হয়। পরে মাতৃদুগ্ধ পান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমাইয়া ইয়াকুব এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
এ বছরের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ছিল, “জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উন্নয়ন করি বাস্তবায়ন।”
আলোচনায় বক্তারা বলেন, মায়ের দুধ শিশুর জন্য সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গ পুষ্টির উৎস। এটি শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও মাতৃদুগ্ধ পান করানোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বক্তারা মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের ব্যবহার: ঘর ঠান্ডা করার বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। তা সে এয়ারকন্ডিশনার হোক বা এয়ার কুলার, অথবা ফ্যান। বিদ্যুৎ খরচের কথা মাথায় রেখে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের ব্যবহার করতে হবে। ফ্যান এবং এসি একসঙ্গে চালাতে হবে। তাপমাত্রা রাখতে হবে ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে। ‘টাইমার’ সেট করে ঘুমিয়ে পড়তে হবে, যাতে ঘর ঠান্ডা হয়ে আপনাআপনি সময়মতো এসি বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমও ভাল হবে, বিদ্যুতের বিলও আকাশছোঁয়া হবে না।
ফ্যানের ব্যবহার: এসি বা এয়ারকুলার সাধ্যের বাইরে হলে ফ্যানের ব্যবহারেই ঘর ঠান্ডা করতে হবে। সিলিং ফ্যানের পাশাপাশি টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যান রাখলে তাপমাত্রা আরও একটু কমতে পারে। সঙ্গে যদি টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে ভেজা কাপড় ঝুলিয়ে দেওয়া যায়, তা হলে সেটি খানিক কুলারের কাজ করবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া: যদি ঘরের তাপমাত্রা কমাতে না পারেন, তা হলে জানবেন, আপনার শরীর নিজেই নিজেকে ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়। আর তা হল, ঘাম। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো আর্দ্র অঞ্চলে ঘামের দাপট খুব স্বাভাবিক। কিন্তু স্বাভাবিক বলে সতর্ক না হলে মুশকিল। কারণ, প্রবল ঘামের কারণে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যেতে থাকে। তাই রাতে ঘুমোনোর সময়ে হাতের কাছে জলের বোতল রাখবেন। যাতে বেরিয়ে যাওয়া জলের ঘাটতি পূরণ করতে বেশি খাটতে না হয়। ঘন ঘন জল না খেলে শরীর শুষ্ক হয়ে গিয়ে অন্য সমস্যা দেখা দেয়।
পাতলা চাদর ব্যবহার: গ্রীষ্মে চাদর দেখেই গরম বেড়ে যায় যেন। কিন্তু ঘরে এসি চললে বা এয়ার কুলার চললে হালকা সুতির চাদর গায়ে দিয়ে রাখতে পারেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়্ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে তা সুবিধাজনক। তা ছাড়া বিদেশে গ্রীষ্মের সময়ে অনেকে ‘সামার কমফর্টার’ ব্যবহার করেন। ধরা যাক, আমেরিকার কিছু অংশে তাপমাত্রা খুবই বেশি, সেখানে এই ধরনের হালকা চাদর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আর্দ্রতা দূর করতে সাহায্য করে। এগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে ব্যবহারের জন্যও আদর্শ। অতিরিক্ত নয়, অল্প উষ্ণতা দিতে পারে বলে ঘুম ভাল হয়।
রাতে ঠান্ডা জলে স্নান করা এড়ানো: অনেকেই গরমকালে রাতে ঘুমোনোর আগে ঠান্ডা জলে স্নান করেন। এতে আরাম হয় ঠিকই, কিন্তু এই অভ্যাসের অন্যান্য ঝুঁকি রয়েছে। স্নানের জল যদি ঈষদুষ্ণ থাকে, তা হলে কোনও সমস্যা নেই। তবে জল যদি শীতল হয়, তা হলে রাতে স্নান করা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। ভাল ঘুমের জন্য মনের প্রশান্তি, স্থিরতা দরকার। এ দিকে হঠাৎ ঠান্ডা জলে স্নান করলে স্থিরতার বদলে শরীর উদ্দীপিত হয়ে উঠতে পারে। ফলে আদপে ভাল ঘুমের থেকে বঞ্চিত হতে পারেন আপনি। অথবা স্নানের পর চট করে ঘুমও আসতে চাইবে না।

















