নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক নারীকে মারধর, অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আঘাত এবং বিষাক্ত ট্যাবলেট খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীসহ নয়জনের বিরুদ্ধে। নিহত নারীর ভাই মো. রাব্বি (২০) এ ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মোসাঃ মরিয়ম (৩৫) এর সঙ্গে ইকবাল হোসেনের ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১১ বছরের একটি কন্যা ও ১৫ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ইকবাল হোসেন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে মরিয়মের বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে মাদক সেবন করতেন। এতে বাধা দেওয়ায় মরিয়মকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
গত ৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ইকবাল হোসেনসহ ইয়ামিন, আরমান, দিপু ও হিরন মরিয়মের ঘরে প্রবেশ করে মাদক সেবন শুরু করেন। মরিয়ম প্রতিবাদ করলে ইকবালের নির্দেশে আরমান, দিপু ও হিরন তাকে দুই হাত ধরে আটকে রাখেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় ইয়ামিন তাকে কিল-ঘুষি ও তলপেটে লাথি মারেন। এতে তার চোখের নিচে গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, দিপু পিস্তল দিয়ে মরিয়মের ডান হাতের কব্জি ও পিঠে আঘাত করেন। হিরনও অপর একটি পিস্তল দিয়ে তার পিঠে আঘাত করেন। পরে ইয়ামিন তার হাতেও আঘাত করেন। একপর্যায়ে মরিয়ম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
পরে আরমানের দেওয়া অজ্ঞাতনামা একটি ট্যাবলেট ইকবাল ‘ব্যথার ওষুধ’ বলে মরিয়মকে জোর করে খাওয়ান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ট্যাবলেট খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।
অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর ছালেহা বেগম, শিউলী বেগম, লাইলি বেগম ও আনারকলি অন্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মরিয়মকে মৃত ভেবে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের করে নেওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মরিয়মকে প্রথমে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই রাব্বি এ ঘটনায় ইকবাল হোসেনসহ নয়জনের বিরুদ্ধে বেআইনি মারধর, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, বিষ প্রয়োগে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ এনে আইনগত ব্যবস্থা এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
Category: সম্ভপুরা
-

সোনারগাঁয়ে নারীকে মারধরের পর বিষাক্ত ট্যাবলেট খাইয়ে হত্যার অভিযোগ, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
-

সোনারগাঁয়ে রামগোবিন্দের গাঁও সমাজে মাদকবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রামগোবিন্দের গাঁও সমাজে মাদকবিরোধী এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উঠান বৈঠকটি ৫ই(সেপ্টেম্বর)শনিবার রাম গোবিন্দের গাঁও প্রাইমারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বৈঠকে বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এ সময় মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুলিশের মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একযোগে কাজ করতে হবে। -

সোনারগাঁয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর হুগলা এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, গোপনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২১ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে সোনারগাঁ থানা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
অভিযুক্তরা হলেন চর হুগলা এলাকার মো. ইয়ামিন (৩৫) ও মো. ইব্রাহিম খলিল (৩০)।
ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তার স্বামী প্রায় দেড় বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সুযোগে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব ও কুরুচিপূর্ণ কথা বলতেন। এতে রাজি না হওয়ায় গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ঘরে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় মো. ইয়ামিন জোরপূর্বক ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন এবং মো. ইব্রাহিম খলিল মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
পরবর্তীতে ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ইয়ামিন তাকে প্রায় আট মাস ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ইয়ামিন তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং গর্ভপাতের জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গর্ভপাত করতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর এবং পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ওই নারী।
ভুক্তভোগী জানান, বর্তমানে তিনি তিন সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, “এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। -

চর কিশোরগঞ্জে ওয়াজ মাহফিল চলাকালে যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় ওয়াজ মাহফিল চলাকালে রনি মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার ভাই সাব্বির মিয়াও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মালদ্বীপ এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহত রনি মিয়া ওই এলাকার মরহুম মিন্টু মিয়ার প্রথম সন্তান।
অভিযোগ রয়েছে, চরহোগলা এলাকার বাসিন্দা রেজা মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ওরফে ‘চাপাটি বাবু’ এবং ইকবালসহ কয়েকজন অতর্কিতভাবে রনি ও তার ভাই সাব্বিরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় চাপাতি দিয়ে রনিকে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রনি মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় মালদ্বীপ ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
এ বিষয়ে শম্ভুপুরা ইউনিয়ন যুবদল নেতা ইয়ামিন জানান, ঘটনার পর তারা সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। থানা থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
তবে হামলার সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বা কোনো পক্ষের সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও হামলার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। -

শম্ভুপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অপুর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অপুর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১আগস্ট) বিকাল ৩টায় শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যােগে হোসেনপুর জনকল্যাণ সমিতির অডিটোরিয়ামে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মিলাদ মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ্জালাল সিকদার।
অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপি সিঃ সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপি সিঃ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মতিন বেপারী,ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুলহাজ উদ্দিন,শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন মন্জিল,ফরদি ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা সভাপতি সামছুজ্জামান সাহেব,হোসেনপুর এস.পি ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আঃ গনি,ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড সভাপতি গাজী মালেক,৪নং ওয়ার্ডর সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন,ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আবুল বাশার,ইউনিয়ন বিএনপি’র যুব বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল রানা,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন,৫নং ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আল-আলামিন,শম্ভুপুরা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদুজ্জামান, ৩নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি নুর হোসেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন যুবদলনেতা তরিকুল ইসলাম সরকার।
এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, এলাকাবাসী এবং আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
মাহফিলে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।দোয়া ও মাহফিলে মরহুম শফিকুল ইসলাম অপুর জীবনের বিভিন্ন দিক এবং তার অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।
-

একরামপুরে গ্রামবাসী-প্রবাসীদের উদ্যোগে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের একরামপুর গ্রামে গ্রামবাসী ও প্রবাসীদের অর্থায়ন এবং যুবসমাজের উদ্যোগে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় একরামপুর গ্রামে এ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মেজবাহ উদ্দিন স্বপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামের পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য, যুবসমাজের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ফলে গ্রামের মাটির রাস্তা ও পাকা সড়ক রাতেও আলোকিত থাকবে। এতে পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকি কমবে এবং বিদ্যুৎ খরচ ছাড়াই পরিবেশবান্ধব উপায়ে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামবাসী, প্রবাসী ও যুবসমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ প্রকল্প গ্রামের উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। -

রাজু হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা মোতালেব মেম্বার ও যুবদল নেতা শাহাদাত প্রধানকে ‘মিথ্যা আসামি’ করার অভিযোগ পরিবারের
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর-কিশোরগঞ্জ এলাকায় রাজু হত্যা মামলায় ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব মেম্বার ও তার ছেলে, যুবদল নেতা শাহাদাত প্রধানকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।
শাহাদাত প্রধানের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তার শ্বশুর ও স্বামী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এলাকার কিছু নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদের রাজু হত্যা মামলায় জড়িয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় তার শ্বশুর ও স্বামী বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তার দাবি। এছাড়া, তার শ্বশুর প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ থাকায় তার স্বামীও বাড়িতেই ছিলেন বলে তিনি জানান।
শাহাদাত প্রধানের বোন বলেন, তার বাবা মোতালেব মেম্বার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের বিভিন্ন বিপদ-আপদে পাশে থেকেছেন এবং বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে দুঃসময়েও দল ছেড়ে যাননি। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার বাবা একাধিক মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বাবা ও ভাইকে এই হত্যা মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তার বাবা ও ভাই পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত ২৭ জুলাই রাত প্রায় ১১টার দিকে রাজুকে মারধরের ঘটনার পর তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, এমন ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, এই মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের পরিবারসহ এলাকার কয়েকটি নিরীহ পরিবারের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে তারা দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার বাদী, তদন্তকারী সংস্থা কিংবা পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। -

চরহোগলায় রাজু হত্যা: বিএনপি নেতা শাহাদাতের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন, ঘটনাস্থল থেকে শর্টগান উদ্ধার
চরহোগলায় রাজু হত্যা: বিএনপি নেতা শাহাদাতের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন, ঘটনাস্থল থেকে শর্টগান উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা গ্রামে রাজু (৩৮) হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শাহাদাতের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাজু হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্তদের কারণে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা একটি দেশীয় শর্টগান ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পুলিশ অস্ত্র ও গুলি জব্দ করে তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাজু হত্যা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। -

সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা এলাকায় রাজু (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, মাদকের প্রতিবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় মোতালেব প্রধানের ছেলে শাহাদাত প্রধান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শাহাদাত প্রধান পূর্বে একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, তিনি যুবদল নেতা শান্ত হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলাসহ আরও ১০–১২টি মামলার আসামি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা আদালতের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-

শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আল মুজাহিদ মল্লিকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আল মুজাহিদ মল্লিকের সঙ্গে শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি এবং বিভিন্ন পেশাজীবী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আল মুজাহিদ মল্লিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মনির হোসেন তোতা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জুয়েল রানা, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন যুবদল নেতা সোহেল ভান্ডারী ও গফুর সরকার, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, আসহাব আল মামুন, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ফজলু মেম্বার, শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য ডা. জামান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সাজেদ আলী, সাবেক সদস্য সাজ্জাদ, শম্ভুপুরা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আবুল বাশার এবং সোনারগাঁ উপজেলা জিয়া পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন পিন্টুসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখে এলাকার উন্নয়ন এবং আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় কার্যক্রমকে গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রধান অতিথি মো. আল মুজাহিদ মল্লিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবায় একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। -

সোনারগাঁয়ে তিন যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী আসলাম মিয়া আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তিন যুবককে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মো. আসলাম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে নিজ এলাকা চর কিশোরগঞ্জ থেকে তাকে আটক করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোতার ছেলে নাছিরকে এলাকাবাসী আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে আসলাম মিয়ার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে শাহ সুলতান গাজী (৩৫), আব্দুল্লাহ (২০) ও আল মামুন (২৩)-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহতদের স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে। তারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আসলাম মিয়া ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিন যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। -

শম্ভুপুরায় গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুর ঘটনায় জনির গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নে গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে প্রতারণা, মানসিক নির্যাতন ও হুমকির মুখে পড়ে ঝুমুর আত্মহননে বাধ্য হয়েছেন। তারা অভিযুক্ত জনির গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিহতের বাবা বাসেদ মিয়া অভিযোগ করেন, ঝুমুরের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে জনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার পর জনি তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং হুমকি দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ের দাবিতে গত রোববার জনির বাড়িতে গেলে ঝুমুর নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেন বলে দাবি পরিবারের।
গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী, ইউপি সদস্য শামিম, এজাজ এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী। তিনি বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঝুমুর ইউপি সদস্য শামিমের এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি নিয়ে তারা কথা বলছেন।”
ইউপি সদস্য শামিম বলেন, “ঝুমুরের সঙ্গে জনির সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার আলোচনা হয়েছিল।” তবে আইনগতভাবে এমন সমঝোতা বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত জনি পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি নিউজ করে যা করার করেন।”
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। -

সোনারগাঁয়ে ছেলের অভিযোগের জেরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, আহত নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনাইরকান্দী মসজিদবাড়ি এলাকায় ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জেরে এক অসহায় নারীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই নারী আহত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ২৯ মে শুক্রবার জুমার নামাজের পর মনাইরকান্দী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে তাওসিন (১৬), ওরফে ইন্দুর, মাদক সেবন ও বিভিন্ন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তির উসকানিতে এলাকাবাসীর একটি দল তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
ভুক্তভোগী তাওসিনের মা নার্গিস আক্তার বলেন, “আমার ছেলে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তাহলে তাকে আইনের হাতে তুলে দিন। কিন্তু আমার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করবেন না। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছি, ক্ষমাও চেয়েছি। কিন্তু তারা কোনো কথা শোনেনি। জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে মালামাল ভাঙচুর করেছে। এতে আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভাঙচুরের সময় রডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নার্গিস আক্তারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেও তাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নার্গিস আক্তার ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বিচার আইনের মাধ্যমে হওয়া উচিত, নিজেরা আইন হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। -

সোনারগাঁয়ে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাবেদ আলী
নিউজ সোনারগাঁ : সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন করেছেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলহাজ মোঃ সাবেদ আলী।
সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ কালচারাল সাংস্কৃতিক ফোরাম-এর উদ্যোগে গত ১৩ মে জাতীয় শিশু কল্যাণ মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
এ সম্মাননার খবরে শম্ভুপুরা ইউনিয়নে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তার শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজনরা এ অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সাবেদ আলীর এ অর্জন শম্ভুপুরা ইউনিয়নবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়। সহকর্মীরা জানান, তিনি একজন দক্ষ জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি মানবিক ও সেবাপরায়ণ ব্যক্তি হিসেবেও এলাকায় পরিচিত। এই সম্মাননা তাকে ভবিষ্যতে আরও বেশি জনকল্যাণমূলক কাজে অনুপ্রাণিত করবে। -

শম্ভুপুরায় মাদকসহ তিন মাদকাসক্ত আটক, গাছে বেঁধে রাখল এলাকাবাসী
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা এলাকায় মাদক ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ তিন মাদকাসক্তকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে তাদের গাছে বেঁধে রাখা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই তাদের হাতেনাতে ধরা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের।
আটককৃতরা হলেন— শাওন (পিতা: জাহাঙ্গীর), জাহাঙ্গীর (পিতা: নুর ইসলাম, গ্রাম: রামগৌবিন্দের গাঁও) এবং রোমান (পিতা: মেছের আলী, গ্রাম: মোগারচর)।
ঘটনার পর তাদের স্থানীয় ইউপি সদস্য মেজবাহ উদ্দিন স্বপনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সকালে তাদের সোনারগাঁ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। -

সোনারগাঁয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী মোশারফ প্রধানের উদ্যোগে একদিন ব্যাপি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা।
সোনারগাঁয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী মোশারফ প্রধানের উদ্যোগে একদিন ব্যাপি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা।
সোনারগাঁয়ে’র শম্ভুপুরা ইউনিয়নে মেম্বার পদপ্রার্থী হাজী মোঃ মোশারফ প্রধানের উদ্যোগে মাহাবুব অপটিক্যাল এর ব্যবস্থাপনা একদিন ব্যাপি বিনামূল্যে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২২ এপ্রিল(মঙ্গলবার)সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপজেলা’র শম্ভুপুরা ইউনিয়ন রামগোবিন্দের গাঁও গ্রামে পরিচালিত হয়।
হাজী মোঃ মোশারফ প্রধানের উদ্যোগে মাহাবুব অপটিক্যাল এর আয়োজনে গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের কারিগরি সহযোগিতায় এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
ক্যাম্পে আগত রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার নাহাল মোস্তাক খান(অর্ণব) সকাল থেকেই উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন থেকে কয়েকশ নারী-পুরুষ ও শিশু চক্ষু সেবা নিতে ভিড় জমান।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগীদের চোখ পরীক্ষা করেন।ইউনিয়নের স্থানীয় লোকজন এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান,স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ তাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এই ক্যাম্প বড় ধরনের সুবিধা বয়ে এনেছে।
উপস্থিত স্থানীয়দের মধ্যে মোঃ মফিজ উদ্দিন জানান,শম্ভুপুরা ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চক্ষু সেবা এক মহতী উদ্যোগ।