Tag: সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়লো ৮ মণের বিশাল হাউস মাছ

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে সিমেন্টভর্তি ট্রলার ডুবে দুই যুবক নিখোঁজ

    সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে সিমেন্টভর্তি ট্রলার ডুবে দুই যুবক নিখোঁজ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী এলাকায় মেঘনা নদীতে দুই হাজার ব্যাগ সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রলার ডুবে দুই যুবক নিখোঁজ হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ দুই যুবকের নাম রানা ও শুভ। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

    ঘটনার পর সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালায়, কিন্তু নিখোঁজদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যেরবাজারের আমান সিমেন্ট ফ্যাক্টরি থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার জন্য দুই হাজার ব্যাগ সিমেন্টবোঝাই করে ট্রলারটি। দুপুর ২টার দিকে মাঝনদীতে নোঙর করে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ট্রলারের চালক রানা ও সহযোগী শুভ। কিছুক্ষণ পর ট্রলারের তলা ফেটে পানি ঢুকে সেটি নদীর তলদেশে ডুবে যায়।

    খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও বৈদ্যেরবাজার ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

    বৈদ্যেরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, “সিমেন্টবোঝাই ট্রলারটি মাঝনদীতে অবস্থানকালে ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা দুই যুবক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

    সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র অফিসার জাহেদুল ইসলাম বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে ট্রলারের তলা ফেটে পানি ঢুকে এটি ডুবে গেছে। দুই ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সকাল থেকে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।”

    অন্যদিকে, আমান সিমেন্ট কোম্পানির ম্যানেজার নাদিরুজ্জামান বলেন, “ট্রলারটি আমাদের কারখানা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার কথা ছিল। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খবর পাই, ট্রলারটি নদীতে ডুবে গেছে।”

    উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে পুলিশের সঙ্গে নৌ-চাঁদাবাজদের সংঘর্ষ

    সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে পুলিশের সঙ্গে নৌ-চাঁদাবাজদের সংঘর্ষ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে বালু ও মালবাহী বিভিন্ন নৌযানে চাঁদাবাজির সময় পুলিশের সঙ্গে নৌ-চাঁদাবাজদের সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও টেটাবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পাশ্ববর্তী কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার নলচর গ্রামের বারেকের নেতৃত্বে তার ছেলে মহসিন, হাসনাত, রানা, সাজ্জাদসহ ২০-৩০ জনের একটি চাঁদাবাজ চক্র নদীতে বালু ও পণ্যবাহী নৌযান থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে।

    মঙ্গলবার সকালে বারেকের নেতৃত্বে টিটু, মহসিনসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র—টেটা, বল্লম ও রামদা নিয়ে ‘এসবি জয়নব বৃষ্টি পরিবহন’ নামের একটি বাল্কহেডে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় শ্রমিক মহিবুল্লাহ ও জাকারিয়া ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

    খবর পেয়ে বৈদ্যেরবাজার ও চালিভাঙ্গা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালালে চাঁদাবাজরা পুলিশের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে এএসআই মাকসুদ, কনস্টেবল সোহাগ ও কনস্টেবল সাইদুর আহত হন। পরে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে চাঁদাবাজ রানা ও সাজ্জাদকে আটক করে।

    আহতদের প্রথমে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে কনস্টেবল সোহাগ ও শ্রমিক জাকারিয়া ইসলামের অবস্থা অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    বাল্কহেডের সুকানী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, “আমরা আড়াইহাজারের মরিচাকান্দি এলাকা থেকে বালু নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। নুনেরটেকে পৌঁছালে চাঁদাবাজরা আমাদের নৌযান আটক করে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের দুই শ্রমিককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। প্রায় প্রতিদিনই এ পথে তারা নৌযান থেকে চাঁদা আদায় করে থাকে।”

    অভিযুক্ত বারেকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাকে এসএমএস পাঠানো হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

    বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান জানান, “দীর্ঘদিন ধরে একটি চাঁদাবাজ চক্র মেঘনা নদীতে নৌযান থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। আজ সকালে তারা শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলা হয়। বর্তমানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়লো ৮ মণের বিশাল হাউস মাছ

    সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়লো ৮ মণের বিশাল হাউস মাছ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় আট মণ ওজনের বিরল প্রজাতির হাউস মাছ। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাছটি বৈদ্যেরবাজার ঘাটে নিয়ে এলে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উৎসুক জনতা মাছটি এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমায়।

    মাছ ব্যবসায়ী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার জেলে হাবিবুল্লাহ মিয়ার জালে মেঘনার চাঁদপুর মোহনায় বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি পিকআপ-ভ্যানে করে বৈদ্যেরবাজার মাছ বাজারে আনা হলে নিলামের মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার টাকায় তিনি ও আরেক ব্যবসায়ী সেজন মাছটি কিনে নেন।

    মাছটি কাটার পর ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

    সোনারগাঁ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, “মেঘনা নদীতে বিশাল আকারের একটি হাউস মাছ ধরা পড়ার খবর পেয়েছি। এটি মূলত সামুদ্রিক মাছ, যা স্থানীয়ভাবে হাউস মাছ নামে পরিচিত। এর প্রকৃত নাম রেফিন ফিস বা স্টিং রে ফিস। বাজারে এই মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।”

    অত্যন্ত বিরল এই মাছটি ধরা পড়ায় স্থানীয়দের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। মাছটি এত বড় আকৃতির হওয়ায় অনেকে একে নিয়ে ছবি তোলেন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।