Category: পৌরসভা

  • অরক্ষিত সোনারগাঁয়ের বিজয়স্তম্ভ, ভাঙ্গছে দেয়াল, হচ্ছে সৌন্দর্যবর্ধনের সামগ্রী চুরি

    অরক্ষিত সোনারগাঁয়ের বিজয়স্তম্ভ, ভাঙ্গছে দেয়াল, হচ্ছে সৌন্দর্যবর্ধনের সামগ্রী চুরি

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অযত্ন ও অবহেলায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত বিজয়স্তম্ভ। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় রাতের বেলা এটি মাদকসেবী ও চোরদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এরই মধ্যে একে একে চুরি হয়ে যাচ্ছে বিজয়স্তম্ভের সৌন্দর্যবর্ধনের বিভিন্ন সামগ্রী। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাটি রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

    জানা গেছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সোনারগাঁয়ের অসংখ্য মানুষ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেন। বীর শহীদদের স্মৃতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ করিয়ে দিতে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় শহীদ মজনু পার্কে ২০১৪ সালে বিজয়স্তম্ভটি উদ্বোধন করা হয়।

    এরপর থেকে প্রতিবছর মহান স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গেছে। এর সুযোগে স্থাপনাটি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে এবং চারপাশের দেয়ালে লাগানো থাই গ্রিলসহ বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধনের সামগ্রী চুরি হতে শুরু করেছে।

    সরেজমিনে যা দেখা গেছে, বিজয়স্তম্ভের চারপাশের দেয়াল অনেকটাই অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। দেয়াল ও গাছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার-ব্যানার লাগানো রয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় দেয়াল ও বিজয়স্তম্ভের বিভিন্ন অংশের রং খসে পড়েছে। স্থাপনাটিতে লাগানো অনেক বাতি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার কিছু বাতি ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    এ ছাড়া দেয়ালের ওপর সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো থাই গ্রিলের বেশ কিছু অংশ চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রাতের বেলা বিভিন্ন যানবাহনও সেখানে পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। বিজয়স্তম্ভের পাশ দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের ধাক্কায় মূল দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিয়মিত তদারকি না থাকায় বিজয়স্তম্ভ এলাকায় মাদকসেবী ও চোরদের আনাগোনা বেড়েছে। রাতের আঁধারে চোরেরা বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধনের সামগ্রী খুলে নিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভারী যানবাহনের ধাক্কায় স্থাপনাটির দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিএনপি নেতা বলেন, “বিজয়স্তম্ভটি সবার জন্য শ্রদ্ধার স্থান হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্মিত হওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা এখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন না। তারা উপজেলা চত্বরে নতুন করে বিজয়স্তম্ভ নির্মাণ করে সেখানে ফুল দেন।”

    সোনারগাঁয়ের কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেখানে বিজয়স্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেখানে অনেক শহীদ মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস জড়িয়ে আছে। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে এটি আজ অবহেলিত হয়ে ধ্বংসের পথে। এখান দিয়ে যাওয়ার সময় অবহেলিত বিজয়স্তম্ভটি দেখে বুক কেঁপে ওঠে। পরিস্থিতির কারণে আমরা আজ রোহিঙ্গাদের মতো বেঁচে আছি।”

    মুক্তিযোদ্ধারা আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থাপনাটি রক্ষায় দ্রুত সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে চুরি হয়ে যাওয়া সৌন্দর্যবর্ধনের সামগ্রী পুনঃস্থাপন এবং বিজয়স্তম্ভ এলাকায় মাদকসেবী ও চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • রাস্তায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও দোকানের মালামাল রাখার অপরাধে সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,জরিমানা

    রাস্তায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও দোকানের মালামাল রাখার অপরাধে সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে সরকারি রাস্তা উপর গাছের স্তূপ তৈরী করে বিক্রি করার অভিযোগে তিনটি টিম্বার প্রতিষ্ঠানকে ২০০০ টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে পৌরসভার সাহাপুর ও হাতকোপা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন, সোনারগাঁ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মামুন সরকার।

    অভিযানে মা-বাবার দোয়া, জয়নাল এবং আল-আমীন টিম্বারকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানের সহায়তা করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আতাউর রহমানসহ সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

    এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন সরকার বলেন,দীর্ঘদিন ধরে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং সরকারি রাস্তা দখল করে দোকানের মালামাল রাখার অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৬০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন সরকারি রাস্তার উপর কোনো ধরনের মালামাল রেখে ব্যবসা করে জনগণের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। রাস্তা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    এ সময় তিনি হুঁশি করে বলেন, ভবিষ্যতে একই ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

  • অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার পৌরসভার গাড়ি, চুরিতে জড়িতে পৌর কর্মচারীরা

    অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার পৌরসভার গাড়ি, চুরিতে জড়িতে পৌর কর্মচারীরা

    নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সোনারগাঁও পৌরসভার লাখ লাখ টাকার সরকারি গাড়ি রোদ-বৃষ্টিতে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। এতে অপচয় হচ্ছে সরকারী সম্পদ।

    সময়মতো সংস্কার ও যত্ন নেওয়া হলে এসব গাড়ি এভাবে নষ্ট হতো না বলে মনে করছেন পৌরসভার অনেক বাসিন্দা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার পাশে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা একটি গাড়ি বর্তমানে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মরিচা ধরে গাড়িটির বিভিন্ন অংশ একে একে খসে পড়ছে। এর পাশেই পড়ে রয়েছে মাটি খনন ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত আরেকটি গাড়ি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় সেটির চাকা নষ্ট হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর সরকারি ব্যবস্থাপনায় পৌরসভার বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য দুটি গাড়িসহ প্রয়োজনীয় যানবাহন দেওয়া হয়। কিছুদিন ব্যবহারের পর নতুন গাড়ি পাওয়ার পর পুরোনো গাড়িগুলো মেরামত ও সংরক্ষণ না করে খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হয়। এতে রোদ-বৃষ্টিতে গাড়িগুলোতে মরিচা ধরে ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়ে।
    তাদের অভিযোগ, গাড়িগুলো এভাবে পড়ে থাকার সুযোগে রাতের আঁধারে বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভার কিছু কর্মচারীর সহযোগিতায় চোরেরা এসব যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে বিক্রি করেছে। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর চুরির ঘটনা বেড়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পৌরসভার দু-একজন কর্মচারী আটকও হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

    স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থে কেনা এসব যানবাহন এভাবে ফেলে না রেখে দ্রুত সংস্কার, সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের অপচয় রোধ হবে, অন্যদিকে পৌরসভার নাগরিক সেবাতেও এগুলো কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
    তবে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দাবি, গাড়িগুলো সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাওয়ার পরই সেখানে রাখা হয়েছে। এগুলো সরকারি সম্পদ হওয়ায় নিয়মনীতি অনুসরণ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

  • সনমান্দি কান্দাপাড়ায় ৫ শতাধিক মানুষের ভরসা নড়বড়ে সাঁকো, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    সনমান্দি কান্দাপাড়ায় ৫ শতাধিক মানুষের ভরসা নড়বড়ে সাঁকো, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের ৫ শতাধিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি নড়বড়ে সাঁকোর ওপর ভরসা করে চলাচল করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এই সাঁকো পারাপার হতে হচ্ছে শিশু, নারী, পুরুষ ও বৃদ্ধদের।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কান্দাপাড়া গ্রামে শিশু ও বৃদ্ধসহ ৫ শতাধিক মানুষের বসবাস। গ্রামের মানুষের চলাচলের অন্যতম মাধ্যম এই সাঁকোটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সাঁকোর ওপর দিয়ে প্রতিদিন শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করে এবং মুসল্লিরা নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যান। এছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনে বৃদ্ধ ও নারীদেরও বাধ্য হয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

    তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন অসুস্থ ও জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীরা। নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে রোগী পারাপার করতে গিয়ে স্বজনদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সাঁকোটির পরিবর্তে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

    কান্দাপাড়া গ্রামের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • সোনারগাঁও পৌরসভার শাহাপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    সোনারগাঁও পৌরসভার শাহাপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিনের টানা বৃষ্টি কিংবা সামান্য ভারী বর্ষণ হলেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাপুর এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে গোয়ালপাড়া, নয়াপাড়া, জেলেপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, এটি তাদের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায় এবং অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে।

    স্থানীয়দের দাবি, অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আশপাশের পুকুর-ডোবা ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যেতে পারে না এবং দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা স্থায়ী থাকে।

    জলাবদ্ধতার কারণে অনেক বাড়িতে বিষাক্ত সাপ, ব্যাঙসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণী ঢুকে পড়ছে। অনেক পরিবারের রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রান্নাবান্নাও ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও নারীরা।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ বলেন, “শাহাপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ দ্রুত নিরসনে আমি সোনারগাঁও পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। অতি দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং একটি টেকসই ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তির সঙ্গে চলাচল করতে পারেন।”

  • সোনারগাঁয়ে পুকুরে ডুবে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু, খালা গুরুতর আহত

    সোনারগাঁয়ে পুকুরে ডুবে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু, খালা গুরুতর আহত

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পৌরসভার চিলারবাগ এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে আয়ান (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোজা নামে অপর এক শিশু গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে শহীদ মজনু পার্ক সংলগ্ন একটি পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে আয়ান, রোজা ও শান্তা নামে তিন শিশু চিলারবাগ এলাকার শহীদ মজনু পার্ক সংলগ্ন একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তাদের বাড়ি ফিরে যেতে বললেও তারা কথা শোনেনি। একপর্যায়ে শান্তা বাড়ি ফিরে গেলেও আয়ান ও রোজা পুকুরে থেকে যায়। পরে তারা পানিতে তলিয়ে গেলে বিষয়টি কেউ টের পায়নি।
    কিছু সময় পর পরিবারের সদস্যরা শিশুদের খোঁজাখুঁজি শুরু করলে স্থানীয়দের কাছ থেকে তারা জানতে পারেন যে, আয়ান ও রোজা পুকুরে গোসল করছিল। পরে স্বজনরা পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আয়ানের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রোজা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
    নিহত আয়ান সনমান্দি ইউনিয়নের গোপেরবাগ এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে। সে তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। আয়ান ও রোজা সম্পর্কে মামা-খালা।
    এ মর্মান্তিক ঘটনায় দুই পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • সোনারগাঁয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, ‘ভুমিদস্যুদের ভয়ে’ নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

    সোনারগাঁয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, ‘ভুমিদস্যুদের ভয়ে’ নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ির সীমান প্রাচীর ভেঙে ঘরে ভাঙচুর ও আঙ্গিনার গাছপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের জমি দখল করে ভূমিদস্যুতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) উপজেলার সোনারগাঁ পৌরসভার বাণীনাথপুর গ্রামে জাকির হোসেন ও মো. মহিউদ্দিনের বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, হামলায় নিজেদের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে নেতৃত্ব দেন বাণীনাথপুর গ্রামের টুকুন মেম্বারের ছেলে মো. মোশারফ ও মো. মালেক এবং পাশের সাহাপুর গ্রামের হাজী সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে মো. সগির। তারা ভুক্তভোগীর বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে সীমানা প্রাচীরও ভেঙে দেয়।

    এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন বলে জানান।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোশারফ স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি সোনারগাঁ পৌরসভা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক। মালেক এ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। সগিরও বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই চিহ্নিত চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জমি কেনাবেচার দালালি, চাঁদাবাজি এবং ভুয়া সাইনবোর্ড খাটিয়ে জমি দখল করছে। সাধারণ মানুষের জমিতে জোরপূর্বক নিজেদের বা ভুয়া সাইনবোর্ড টাঙিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা এবং চাঁদা না দিলে নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

    ক্ষতিগ্রস্ত মো. জাকির হোসেন ও মো. মহিউদ্দিন বলেন, “আমরা কোনো অপরাধ না করেও আজ নিঃস্ব। আমাদের বাড়িঘর ভেঙে দিয়ে সীমানা প্রাচীর ও গাছপালা কেটে ফেলা হয়েছে। আমরা এই চিহ্নিত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

    তারা এ বিষয়ে আইনগতভাবে মামলা করবেন বলেও জানান।

    এদিকে অভিযোগ পেলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার হোসেন।

  • “বাবাকে পিটিয়ে হত্যার বিচার চাই” শিশু কন্যা ওয়াকিয়ার আর্তনাদে আবেগঘন

    “বাবাকে পিটিয়ে হত্যার বিচার চাই” শিশু কন্যা ওয়াকিয়ার আর্তনাদে আবেগঘন

    নিজস্ব প্রতিবেদক : “আমার বাবাকে যারা মেরেছে, তাদের বিচার চাই। আমার বাবাকে আর ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না, কিন্তু হত্যাকারীদের শাস্তি হোক।” এমন হৃদয়বিদারক আহ্বান জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশু কন্যা ওয়াকিয়া। তার আবেগঘন আর্তনাদে উপস্থিত শতাধিক মানুষও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
    শনিবার (৬ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে নিহত ফয়জুল মিয়ার পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। মানববন্ধনে নিহতের স্বজন, এলাকাবাসী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
    জানা যায়, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের গাবতলি এলাকায় অবস্থিত এভারগ্রীন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে গত বুধবার রাত ১০টার দিকে ফয়জুল মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন এবং তিন কন্যা সন্তানের জনক।
    নিহতের পরিবারের অভিযোগ, নিরাময় কেন্দ্রের মালিক সজীব, রকি ও তাদের সহযোগীদের নির্যাতন ও মারধরের কারণেই ফয়জুল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে নুরজাহান বেগম সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বজনরা।
    মানববন্ধনে নিহতের স্ত্রী মাসুদা বেগম বলেন, “আমার তিন সন্তানের বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি একজন অসহায় নারী। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
    নিহতের ভাই বিল্লাল হোসেন বলেন, “আমার ভাই সুস্থ অবস্থায় নিরাময় কেন্দ্রে গিয়েছিল। কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা তার লাশ পেয়েছি। এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে যেন ছাড় দেওয়া না হয়। আমরা দ্রুত তদন্ত ও সকল আসামির গ্রেপ্তার দাবি করছি।”
    এ সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, গাবতলি গ্রামের ইসমাইল মেম্বারের ছেলে রকি, সজীবসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তারা সকল অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
    উল্লেখ্য, নিহত ফয়জুল মিয়া উপজেলার কাঁচপুর বেহাকৈর এলাকার ফোছন আলীর ছেলে। পরিবারের দাবি, মাদক নিরাময় কেন্দ্রে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। তাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
    মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা পরিষদ এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় “ফয়জুল হত্যার বিচার চাই”, “হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করো” এবং “নিরাময় কেন্দ্রের নামে নির্যাতন বন্ধ করো” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

  • সোনারগাঁয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদ করায় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদ করায় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ফতেকান্দি এলাকায় সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) নেতাসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফতেকান্দি গ্রামের পিয়ার আলীর ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব অনিক খাঁন সিয়ামের সঙ্গে প্রতিবেশী তাইজুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে গত ২ এপ্রিল তাইজুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

    তাইজুল ইসলামের অভিযোগ, মামলার বিষয়টি জানার পর গত মঙ্গলবার রাতে অনিক খাঁন সিয়ামের লোকজন মানুষের চলাচলের সরকারি রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়। বুধবার সকালে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা এর প্রতিবাদ করলে অনিক খাঁন সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
    এ সময় তাইজুল ইসলামের ভাতিজা আবুল বাশারের দুটি ঘর ভাঙচুর করা হয় এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
    স্থানীয় বাসিন্দা তমিজউদ্দিন বলেন, “সরকারি হালটের ওপর ঘর নির্মাণ এবং রাস্তা দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।”
    আরেক বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছে। হঠাৎ করে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
    তাইজুল ইসলাম বলেন, “জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো অধিকার কারও নেই। প্রতিবাদ করায় আমার ভাতিজার ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।”
    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অনিক খাঁন সিয়াম। তিনি বলেন, “রাস্তা বন্ধ বা ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।”
    নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক শাকিল সাইফুল্লাহ বলেন, “এটি তার ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হলে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।”
    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার জানান, বুধবার সকাল ৭টার দিকে ৯৯৯ থেকে একটি কল পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, “ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • অসুস্থ বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ

    অসুস্থ বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফারুক আহমেদের পক্ষ থেকে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বানিনাথপুর শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই আখড়ার কর্তার মায়ের জন্য একটি হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়েছে।
    সম্প্রতি বানিনাথপুর এলাকায় অসুস্থ বৃদ্ধার পরিবারের কাছে এ হুইলচেয়ার পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে মানবিক এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
    উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকারিয়া সালেহ সপন, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু ও আবু সাইদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতা রাব্বি জুয়েল এবং আলাউদ্দীন আর্মি।
    এসময় বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

  • সোনারগাঁ পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, বিচিং পাউডার না ছিটানোর অভিযোগ

    সোনারগাঁ পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, বিচিং পাউডার না ছিটানোর অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও জীবাণুনাশক বিচিং পাউডার ছিটানোর কথা থাকলেও সোনারগাঁ পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় সেই সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পৌরবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার হাতে গোনা কয়েকটি এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অধিকাংশ ওয়ার্ডের অলিগলি ও গ্রামাঞ্চলের ভেতরে পড়ে থাকে কোরবানির বর্জ্য। অনেক স্থানে দীর্ঘ সময় রক্ত ও বর্জ্য পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি বেশিরভাগ এলাকায় বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা।

    এর আগে সোনারগাঁ পৌরসভার প্রশাসক কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও বিচিং পাউডার ছিটানোর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নাম ও মোবাইল নম্বর প্রকাশ করে নাগরিকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে বাস্তবে অনেক এলাকাবাসী সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

    পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা জানান, “ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেওয়ার পর রাত পর্যন্ত অনেক জায়গায় বর্জ্য পড়ে ছিল। দুর্গন্ধে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ পৌরসভার পক্ষ থেকে দ্রুত পরিষ্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।”
    আরেক বাসিন্দা বলেন, “শুধু প্রধান সড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় কাজ করা হয়েছে। ভেতরের মহল্লা ও গ্রামাঞ্চলের দিকে তেমন নজর দেওয়া হয়নি। বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি অধিকাংশ স্থানে।”

    সোনারগাঁও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাজী ফিরোজ জানান, অন্যবারের চেয়ে এবার মানুষ বাড়িতে পেক কাঁদার জন্য রাস্তাঘাটে বেশী কোরবানী করেছে। অনেকে নিজ উদ্যোগে পরিস্কার করলেও অনেকে বর্জ্য অপসারন না করো রাস্তায় ফেলে চলে গেছেন নিয়মমাফিক পৌর সভা থেকে এগুলো পরিস্কার করার থাকলে পৌরসভা থেকে কোন লোকজন বর্জ্য পরিস্কার ও বিচিং পাউডার ছিটানোর কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

    রবাসীর দাবি, কোরবানির ঈদে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সব ওয়ার্ডে সমানভাবে সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

  • সোনারগাঁয়ে মাদকাসক্ত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে মাদকাসক্ত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার জয়রামপুর গ্রামে ফয়সাল নামে এক মাদকাসক্ত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা মর্গে পাঠানো হয়।
    নিহত ফয়সাল জয়রামপুর গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছেড়ে চলে যান। তার বাবা ঢাকায় অন্য ছেলেদের সঙ্গে বসবাস করতেন। স্ত্রীও দুই সন্তান নিয়ে আলাদা হয়ে যান।
    জানা গেছে, গত শুক্রবার ফয়সাল তার দুই সন্তানকে বড় স্ত্রীর কাছে রেখে বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর থেকে তাকে আর বাইরে দেখা যায়নি।
    এদিকে রোববার থেকে তার ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে ভাড়াটিয়ারা অন্যত্র চলে যান। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা পুলিশকে খবর দেন।
    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফয়সালের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ ধারণা করছে, কয়েকদিন আগেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। দীর্ঘ সময় লাশ ঘরের ভেতরে থাকায় তা পচে অর্ধগলিত হয়ে যায়।
    পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠায়।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • সোনারগাঁয়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা উদ্ধার, পরিবারের সন্ধান চায় স্থানীয়রা

    সোনারগাঁয়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা উদ্ধার, পরিবারের সন্ধান চায় স্থানীয়রা

    সোনারগাঁয়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা উদ্ধার, পরিবারের সন্ধান চায় স্থানীয়রা
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার দুলালপুর এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধাকে পাওয়া গেছে। সোমবার সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। পরে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগো তারুণ্য ফাউন্ডেশন।
    জানা যায়, দুলালপুর এলাকার মার্বেল ফ্যাক্টরির পেছনে, পানাম সিটি হাই স্কুলের পাশ থেকে ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করা হয়। তার বয়স আনুমানিক ৭০ বছরের বেশি। তবে তিনি নিজের নাম-ঠিকানা বা গ্রামের কোনো তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে পারছেন না।
    বর্তমানে স্থানীয়দের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ওই বৃদ্ধা। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি পথ হারিয়ে এ এলাকায় চলে এসেছেন।
    এ বিষয়ে জাগো তারুণ্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেন বা পরিবারের খোঁজ জানেন, তাহলে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
    যোগাযোগ:
    জাগো তারুণ্য ফাউন্ডেশন
    মোবাইল: ০১৮৪৫৫৫২৫৪৬
    স্থানীয়দের মতে, দ্রুত তার পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে নিরাপদে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

  • সোনারগাঁয়ে তেলের গাড়ি ডাকাতির সূত্রে অভিযান: লুট হওয়া সাউন্ড গ্রেনেডসহ অস্ত্র উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে তেলের গাড়ি ডাকাতির সূত্রে অভিযান: লুট হওয়া সাউন্ড গ্রেনেডসহ অস্ত্র উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ডাকাতি হওয়া তেলের গাড়ির সূত্র ধরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে লুট হওয়া সাউন্ড গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত কোনো আসামিকে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ইটাখোলা এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া একটি তেলের গাড়ির বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। শিবপুর সার্কেলের এসপি সালাউদ্দিন কাদেরের নেতৃত্বে এবং সোনারগাঁ থানা পুলিশের সহযোগিতায় পৌরসভার লাহাপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
    অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনাস্থল থেকে গত ৫ আগস্টে পুলিশের কাছ থেকে লুট হওয়া সাউন্ড গ্রেনেডসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
    এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে মো. আজিজুল (পিতা: নুর মোহাম্মদ), সাং-হামছাদি গ্রামের নাম উল্লেখ করেছে পুলিশ।
    সার্কেল এসপি সালাউদ্দিন কাদের বলেন, “ডাকাতি হওয়া তেলের গাড়ির সূত্র ধরে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অস্ত্র ও সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
    এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • বরেশ্যরের খাল পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা জনসাধারনের

    বরেশ্যরের খাল পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা জনসাধারনের

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বরেশ্যরের খাল পুনরুদ্ধারের জোর দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাবিলগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে দমদমা, শোলপাড়া, সাদিপুর, বাড়িমজলিশ, চিলারবাগ, ইছাপাড়া, টিপরদি, গোয়ালদি, পানাম ও বইদ্দারবাজার অতিক্রম করে মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়া এই খাল একসময় ছিল এলাকার মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে খালটির পানি কৃষিকাজ, নৌপথে যাতায়াত এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। কিন্তু বর্তমানে দখল, ভরাট এবং অবৈধ স্থাপনার কারণে খালটি তার স্বাভাবিক রূপ হারিয়েছে।
    বিশেষ করে চিলারবাগ ও বাড়িমজলিশ এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত অংশটি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য সরাসরি খালে ফেলার কারণে পানিদূষণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে করে খালটি এখন আর উপকারে আসছে না, বরং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে স্থানীয়দের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
    এলাকাবাসী জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই আশপাশের এলাকায় পানি জমে যায়, যা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। পরিবেশ দূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
    তবে সরকারের চলমান খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে বরেশ্যরের খাল আবারও তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁও উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—খাল দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নিয়মিত খনন ও সংস্কার এবং শিল্প বর্জ্য নিঃসরণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।
    স্থানীয়দের মতে, এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে খালটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বরেশ্যরের খাল পুনরুদ্ধার জরুরি হয়ে

  • সোনারগাঁয়ে ১৫০ অসহায় পরিবারকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    সোনারগাঁয়ে ১৫০ অসহায় পরিবারকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫০টি অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে ‘আলোর পথ সমাজকল্যাণ সংস্থা’।
    বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে উপজেলার নয়ামাটি গ্রামে সংস্থার সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
    সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিতরণ করা ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল গরুর মাংস, পোলাও চাল, সেমাই, চিনি, ভোজ্যতেল ও গুঁড়া দুধ।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সভাপতি ও সমাজসেবক মেহেদী হাসান, উপদেষ্টা আসাদুল ইসলাম, সোনারগাঁ উপজেলা দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি, সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ দুলাল, মো. সৌরভ, মোহাম্মদ সাগরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও তার অর্থ পাঠের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
    সংস্থার নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে তাদের এ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত, অনলাইন পোর্টাল স্টাইল, বা আকর্ষণীয় শিরোনামসহ আরেকভাবে লিখে দিতে পারি।