সোনারগাঁ পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, বিচিং পাউডার না ছিটানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও জীবাণুনাশক বিচিং পাউডার ছিটানোর কথা থাকলেও সোনারগাঁ পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় সেই সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পৌরবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার হাতে গোনা কয়েকটি এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অধিকাংশ ওয়ার্ডের অলিগলি ও গ্রামাঞ্চলের ভেতরে পড়ে থাকে কোরবানির বর্জ্য। অনেক স্থানে দীর্ঘ সময় রক্ত ও বর্জ্য পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি বেশিরভাগ এলাকায় বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা।

এর আগে সোনারগাঁ পৌরসভার প্রশাসক কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও বিচিং পাউডার ছিটানোর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নাম ও মোবাইল নম্বর প্রকাশ করে নাগরিকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে বাস্তবে অনেক এলাকাবাসী সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা জানান, “ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেওয়ার পর রাত পর্যন্ত অনেক জায়গায় বর্জ্য পড়ে ছিল। দুর্গন্ধে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ পৌরসভার পক্ষ থেকে দ্রুত পরিষ্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।”
আরেক বাসিন্দা বলেন, “শুধু প্রধান সড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় কাজ করা হয়েছে। ভেতরের মহল্লা ও গ্রামাঞ্চলের দিকে তেমন নজর দেওয়া হয়নি। বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি অধিকাংশ স্থানে।”

সোনারগাঁও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাজী ফিরোজ জানান, অন্যবারের চেয়ে এবার মানুষ বাড়িতে পেক কাঁদার জন্য রাস্তাঘাটে বেশী কোরবানী করেছে। অনেকে নিজ উদ্যোগে পরিস্কার করলেও অনেকে বর্জ্য অপসারন না করো রাস্তায় ফেলে চলে গেছেন নিয়মমাফিক পৌর সভা থেকে এগুলো পরিস্কার করার থাকলে পৌরসভা থেকে কোন লোকজন বর্জ্য পরিস্কার ও বিচিং পাউডার ছিটানোর কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

রবাসীর দাবি, কোরবানির ঈদে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সব ওয়ার্ডে সমানভাবে সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *