Category: ইউনিয়ন

  • জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নিতে বাধা, সংঘর্ষে আহত ২০

    জমি থেকে ইটভাটায় মাটি নিতে বাধা, সংঘর্ষে আহত ২০

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী গ্রামে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে মাটি ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাজহরদী গ্রামের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
    আহতদের মধ্যে রয়েছেন কবির, আকতার, সাদ্দাম, মোস্তফা, আনোয়ার, মামুন, আমিনুল, নজরুল ও কবির হোসেনসহ মোট ২০ জন। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, কাজহরদী ও পাশের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। ভাটার নিকটবর্তী হওয়ায় প্রভাবশালী একটি চক্র রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে কৃষিজমির মাটি কেটে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, অনেক সময় জমির মালিকদের কাছ থেকে মাটি কিনে নেওয়া হলেও, বেশ কিছু ক্ষেত্রে জোরপূর্বক মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে পার্শ্ববর্তী জমির পাড় ভেঙে কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
    শনিবার রাতে মাটি কাটতে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহত কবির অভিযোগ করেন, হানিফ, মহাসিন, শারজাহান ও শানুদের নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন পিস্তল, হকিস্টিক, দা ও কুড়াল নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শারজাহান বলেন, তিনি কন্ট্রাকটর হানিফের অধীনে কাজ করেন। প্রথমে গ্রামবাসী তাদের মোটরসাইকেল ও ভেকু ভাঙচুর করে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
    এ বিষয়ে তালতলা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মারামারির সত্যতা পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহিবুল্লাহ বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • উপজেলা প্রশাসনের জরিমানার পরও প্রভাব পড়েনি মোগরাপাড়া কাঁচাবাজারে

    উপজেলা প্রশাসনের জরিমানার পরও প্রভাব পড়েনি মোগরাপাড়া কাঁচাবাজারে

    নিউজ সোনারগাঁ: মাহে রমজানকে সামনে রেখে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হলেও তার বাস্তব প্রভাব দেখা যায়নি মোগরাপাড়া চৌরাস্তার কাঁচাবাজারে। বরং জরিমানার অর্থ পুষিয়ে নিতে কিছু ব্যবসায়ী আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
    গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বাজারে তদারকি করেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এ সময় অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং পণ্য ক্রয়ের চালান বা রসিদ দেখাতে না পারার অভিযোগে প্রায় ২০ জন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। অভিযানের শেষে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় তদারকির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
    কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রশাসনের লোকজন চলে যাওয়ার পর আগের অবস্থায় ফিরে যান অধিকাংশ দোকানি। অনেক দোকানেই মূল্য তালিকা টানানো হয়নি, চালান রসিদও নেই। যে লেবুর দাম বেশি রাখার কারণে জরিমানা করা হয়েছিল, সেটিও আগের দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় কিছু পণ্যের দাম আরও বেড়েছে।
    তরমুজ বিক্রেতাদের মধ্যেও একই চিত্র দেখা যায়। যাদের মূল্য তালিকা ও চালান না থাকায় জরিমানা করা হয়েছিল, তারা পরদিন তরমুজের কেজিতে আরও ১০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। বৃহস্পতিবার যেখানে তরমুজের কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে শুক্রবার দাম আরও বেশি রাখা হয়।
    একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মোবাইল কোর্টে যে জরিমানা করা হয়েছে, সেই টাকা তুলতেই বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করছেন অনেকে।
    ফলের দোকানগুলোতেও একই অবস্থা। মূল্য তালিকা না থাকার কারণে যেসব দোকানিকে জরিমানা করা হয়েছিল, তাদের অনেকেই এখনো পূর্ণাঙ্গ মূল্য তালিকা টানাননি। শুধু খেজুরের বাক্সে সীমিতভাবে দাম উল্লেখ করা হয়েছে। আবার অনেক দোকানে সব পণ্যের জন্য একই ধরনের মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যা বাস্তব দামের সঙ্গে মিলছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
    এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর মনিটরিং না থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা কঠিন হবে।

  • ইসলামপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি মান্নান, সহায়তার আশ্বাস

    ইসলামপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি মান্নান, সহায়তার আশ্বাস

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ইসলামপুরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।

    শুক্রবার সকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ঘুরে দেখেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বিডিআরসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    গত বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের কিছু আগে ইসলামপুর এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে জুম্মান, নুরুল আলম ও মাহিজ উদ্দিনের বাড়িতে।
    ক্ষতিগ্রস্ত নুরুল আলম জানান, এলাকাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় তাদের বাড়ির ১০টি কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে ১০টি পরিবার বসবাস করে আসছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. জাহেদ চৌধুরী বলেন, মোট তিনজন বাড়ির মালিকের ১৮টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্দিষ্টভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

    পরিদর্শনকালে এমপি মান্নান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

  • সোনারগাঁয়ে সুদের টাকা নিয়ে মারধর, নগদ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে সুদের টাকা নিয়ে মারধর, নগদ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা জামপুর ইউনিয়নের বেলাবো গ্রামে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করে আহত ও নগদ অর্থ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।
    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বেলাবো গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল বাশার (৪৫) এ হামলার শিকার হন। তিনি একই গ্রামের মো. মিয়া হোসেনের ছেলে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে পাঁচ মাস মেয়াদে একই এলাকার সেরু মিয়ার ছেলে আবু সাঈদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা সুদে নেন আবুল বাশার। তবে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্ত আবু সাঈদ টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
    ভুক্তভোগীর দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি নগদ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে হাটে যাওয়ার পথে আবু সাঈদ, নূর নবী ও সাওন মিয়াসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে সুদের টাকা পরিশোধের জন্য জোরাজুরি করে। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইফতারের আগে আরও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
    তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
    এ ঘটনায় আবুল বাশার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানার তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ইফতারে আগ মুর্হুতে সোনারগাঁয়ে ১৮ টি বসত ঘরে আগুন

    ইফতারে আগ মুর্হুতে সোনারগাঁয়ে ১৮ টি বসত ঘরে আগুন

    নিউজ সোনারগাঁ: মাহে রহমানের প্রথম দিনে সবাই যখন ব্যস্ত ইফতার নিয়ে ঠিক তখন তাদের জীবনে নেমে আছে আগুন নামক এক নরক। মুর্হুতেই চোখের সামনে সব কিছৃ পুড়ে ছাই।  বেঁচে থাকার জন্য এক টুকরো কাগড়ও উদ্ধার করতে পারেনি তারা শুধু জীবন টুকু নিয়ে বেঁচে গেছে ১৮টি পরিবার।

     

    আজ বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের একটু আগে

    নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ইসলামপুরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এসময় স্থানীয় জুম্মান, নুরুল আলম ও মাহিজ উদ্দিনের বাড়িতে আগুন লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পরে।

     

    অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত নুরুল আলম বলেন, শিল্প এলাকা হওয়ায় আমাদের বাড়ির ১০ টি রুমে ১০ টি পরিবার দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছিলো। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগপর্যন্ত সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ মো: জাহেদ চৌধুরী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ৩টি ইউনিট ১ ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। সর্বমোট ৩জন বাড়িওয়ালার ১৮টি ঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো সুনির্দিষ্ট ভাবে জানানো সম্ভব নয়।

  • সোনারগাঁয়ে কিশোরের ছুরিকাঘাতে ৫ কিশোর আহত

    সোনারগাঁয়ে কিশোরের ছুরিকাঘাতে ৫ কিশোর আহত

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে এক কিশোরের ছুরিকাঘাতে পাঁচজন কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকার পারটেক্স খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
    অভিযুক্ত আমিন (১৫) তার খেলার সঙ্গী নিরব (১৬), সুজন (১৫), কাউসার মিয়া (১৬), সোহান (১৬) ও চঞ্চল (১৬)-কে ধারালো স্টিলের ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে তারা রক্তাক্ত জখম হয়। আহতরা সবাই কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা।
    ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত আমিনকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং তার কাছ থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ-এর কাছে সোপর্দ করে।
    এ ঘটনায় রাত ৩টার দিকে গুরুতর আহত নিরবের খালা শিউলী আক্তার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
    অভিযুক্ত আমিন কাঁচপুর পুরান বাজার এলাকার কবির মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ে ৪দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

    সোনারগাঁয়ে ৪দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ

    নিউজ সোনারগাঁ: ড়নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানা এলাকায় গত ৪দিন ধরে ১৩ বছরের এক কিশোর নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
    নিখোঁজ কিশোরের বাবা নুর ইসলাম (৪৮) জানান, গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বরগাঁও এলাকা থেকে তার ছেলে নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    নুর ইসলাম জানান, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো তথ্য না পাওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে সোনারগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
    নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন এলাকায় এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    স্থানীয়রা সড়কের পাশে একটি পিলারের ওপর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
    পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এবং অন্যান্য উপায়ে তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
    উদ্ধারকৃত মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
    এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • যে কারণে খুন হোন নাঈম

    যে কারণে খুন হোন নাঈম

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে টাকা লেনদেনের জেরে এক রাজমিস্ত্রিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের পরমেশ্বরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিববুল্লাহ।

    নিহত মো. নাঈম হোসেন (২২) ওই গ্রামের প্রয়াত আ. হেকিমের ছেলে।

    রাত নয়টার দিকে নিজ বাড়ির ২০০ গজ দূরে খালের পাশে মাঠ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানান নিহত নাঈমের বড় ভাই নাছিমুল।

    সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সোনারগাঁ থানায় তিনি একটি হত্যা মামলাও দায়ের করেছেন।

    এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে দুপুরে ওসি মহিববুল্লাহ বলেন, “টাকা লেনদেনের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে।”

    এগারো ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন নাঈম। নাঈম যখন খুব ছোট তখন মা-বাবা দুʼজনই মারা যান। ভাই-বোনেরাই বড় করে তোলেন তাকে। পিঠাপিঠি ভাই নাছিমুল রাজমিস্ত্রিদের ঠিকাদার। নাঈম তার সঙ্গেই রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন বলেও জানান বড়ভাই।

    গত রাতেও পাশাপাশি চায়ের দোকানে ছিলেন এ দুই ভাই। কারও একজনের কল পেয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে সেখান থেকে পরে চলে যায় নাঈম।

    “আমার ভাই কারে যেন ফোনে বলতেছিল, ‘আমার কাছে টাকা নাই’। দুই-তিনবার এই কথা বলছে। ও তখন একটু দূরে দাঁড়াইয়া কথা বলতেছিল। আমি কিছু জিগাই নাই। কিছুক্ষণ পর দেখি ভাই সেইখানে নাই। একটু পর আমিও বাড়িতে চলে যাই। তখন বাজে রাত সাড়ে আটটা”, বলছিলেন নাছিমুল।

    তিনি আরও বলেন, বাড়িতে এসে ছোটভাইকে মোবাইলে কলও দিয়েছিলেন, কিন্তু তা বন্ধ পান। এর ৩০ মিনিট না যেতেই বাইরে হৈ-চৈ শুনতে পেয়ে বেরিয়ে আসেন নাছিমুল। লোকজন “ডাকাত, ডাকাত” বলে চিৎকার করছিল। পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে খালি মাঠটিতে গিয়ে নাঈমকে রক্তাক্ত দেখতে পান।

    “ওর চেহারা চেনা যাচ্ছিলো না। এলাকার লোক চিনতে পারে নাই। আমিই ওর জামা-কাপড় দেইখা চিনছি। হাসপাতালে নিছিলাম, ডাক্তার জানায় আসার আগেই মারা গেছে”, যোগ করেন নিহতের বড়ভাই।

    নিহতের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পায় পুলিশ। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ।

    প্রাথমিক তদন্তের বরাতে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও তিনি সুদের বিনিময়ে মানুষকে টাকা ধার দিতেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে তার এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে।”

    এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও পুলিশ কাজ করছে, জানান তিনি।

  • সোনারগাঁয়ের সনমান্দিতে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ের সনমান্দিতে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন কর্মীর ওপর মারধর, হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পৃথক দুটি ঘটনায় অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা ওসমান গনি, তার বাবা এবং ভাই হৃদয় মিয়াসহ কয়েকজন জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মেয়ের জামাই মাসুম মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা করে। এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলায় ওসমান গনি, তার বাবা ও ভাইসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
    অপরদিকে দড়িকান্দী এলাকায় আরেকটি ঘটনায় আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে ছিনতাইয়ের অভিযোগে মারধর করে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হয়। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, বাজারে কেনাকাটা করতে যাওয়ার পথে তার কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে ‘জামায়াত ট্যাগ’ দিয়ে মারধর করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
    এছাড়া জামায়াতের কর্মী ওসমান ও কাউসারকেও বিএনপির সমর্থকদের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে বলে সংগঠনটির নেতারা দাবি করেছেন।
    ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, সনমান্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহন ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাসুম বিল্লাহকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে তারা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাবেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা না নিলে তা পক্ষপাতের শামিল হবে।
    তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
    এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকায় ঘটনাগুলো নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ ভোট কেন্দ্রে জোড় যার কেন্দ্র তার

    সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ ভোট কেন্দ্রে জোড় যার কেন্দ্র তার

    সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চিরকিশোর ও চরহোগরা দুটি কেন্দ্র কে গণতন্ত্রের অভিযাপ হিসেবে অখ্যায়িত করেন উপজেলার রাজনীতিবিদরা। কারণ “সেখানে জোড় যার কেন্দ্র তার” এই নীতিতে দীর্ঘদিন চলছে কেন্দ্র দুটি। সেখানে গত দুই যুগ ধরে একই পদ্ধতি চলছে নির্বাচন বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।

    সুত্র জানায়, সোনারগাঁ উপজেলার চারদিকে নদীবেষ্ঠিত চরলাঞ্চল হিসেবে পরিচিত শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকাটি। চরদিকে নদী হওয়ার কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও তেমন নেই। যদিও সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি পু্লিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলেও সেটিতে লোকবলের অভাবে আইন চলে গরীবদের জন্য। প্রভাবশালী কারো বিরুদ্ধে কখনও আইন প্রয়োগ করতে দেখা যায়নি ফাঁড়িটির কর্তৃপক্ষের। ফলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থাকলে নামে মাত্র তাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে জোড় যার কেন্দ্র তার নীতিতে চলমান রয়েছে। গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে পর থেকে সেথানে এই নীতিতে চলছে নির্বাচন। ফলে অনেক রাজনীতিবিদ এটিকে সোনারগাঁয়ে অভিশাষ হিসেবে অখ্যায়িত করেন।

    জানাগেছে, চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা এলাকাটি নিয়ন্ত্রন করতেন প্রয়াত নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দুইজন আওয়ামী লীগের প্রার্থি কায়সার হাসনাতকে সমর্থন দেয়ার কারণে সেখানে বিপুল ভোট জয়লাভ করে নৌকা তখন বিএনপির প্রার্থীর রেজাউল করিমের বাড়ি শম্ভুপুরা হলেও তার ভরাডুবি হয়। এর পর মোতালেব মেম্বার ও নাছির মেম্বারের মধ্যে দ্বন্ধ শুরু হলে সেখানকার নিয়ন্ত্রন চলে যায় নাছির মেম্বারের কাছে। ফলে সেখানে এরপর জাতীয় ও স্থানীয় যত নির্বাচন হয়েছে সবগুলো নির্বাচনে নাছির মেম্বার কেন্দ্রে ভোটার বিহীন করে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সিল মেরে পুরো ভোট তার সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়ে নিতেন। সে সময় নাছির মেম্বার ছিলো চরকিশোরগঞ্জ গ্রামের অলিখিত সরকার। তিনি যার বলতে তাই হতো। কেউ তার বিরুদ্ধে কোন দিন কথা বললেই হত্যা না হয় পঙ্গুত্ব বরন করতে হতো। তখন নাছির মেম্বারের বিরুদ্ধে গিয়ে জাতীয় পার্টিতে মোতালেব মেম্বার যোগদান করলেও এলাকায় নাছির মেম্বারের বিরুদ্ধে দাড়াতে পারেননি। নাছির মেম্বারের মৃত্যুর পর তার ছেলে..  ওই এলাকার আধিপত্য নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেন। এরপর ৫ আগষ্টের পর নাছির মেম্বারের ছেলে এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মোতালেব মেম্বার তার নিয়ন্ত্রনে নেন। তখন মোতালেব মেম্বারের নেতৃত্বে দফায় দফায় নাছির মেম্বার ও তার লোকজনকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করে বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বর্তমানে নাছির মেম্বার চরকিশোরগঞ্জ এলাকার অলিখিত সরকার হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেখা দিয়েছে আগের মতো অনিশ্চয়তা। স্থানীয়রা আশংকা করছেন এবারও নাছির মেম্বারের মতো মোতালেব মেম্বার কেন্দ্র দখল করে নিজের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সিল মেরে ভোট বাক্স ভরে নিবেন বলে আশংকা করছেন প্রার্থিরা।

    প্রার্থিরা জানান, গত ১৭ বছর দেশে কোন জনগনের প্রতিনিধিত্বমুলক কোন নির্বাচন হয়নি। সব জায়গায় সরকারী দল তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে নামের ভোটে জয়লাভ করিয়েছে। তারপরও চার কিশোর ও চলগোহরা কেন্দ্র দুটি সব সময়ই জোড় জবরদস্তিতে নির্বাচনের কথা শুনে আসছে সেজন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করবো দুটি কেন্দ্র যেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেয়া হয়।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছেন, উপজেলার যে কয়েকটি কেন্দ্র ঝূকিপুর্ণ রয়েছে তারমধ্যে চরকিশোরগঞ্জ ও চরগোহরা অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহৃিত করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বিধান করা হবে।

    গুছিয়ে নিউজ লিখে দেন

    ***

    সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় রাজনীতিতে ‘গণতন্ত্রের অভিশাপ’ হিসেবে পরিচিত। উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই দুই কেন্দ্রে বহু বছর ধরে “জোর যার, কেন্দ্র তার” নীতিতেই নির্বাচন হয়ে আসছে। ফলে ভোটের দিন সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি কমে যায়, আর প্রভাবশালীরাই ফলাফল নির্ধারণ করে দেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল হওয়ায় চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি তুলনামূলক কম। সেখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও জনবল সংকটের কারণে তা অনেকটাই অকার্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কখনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না, ফলে আইন যেন শুধু দুর্বলদের জন্যই প্রযোজ্য।

    রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এই দুই কেন্দ্রে প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে ভোট পরিচালনার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। সে সময় প্রয়াত নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী কায়সার হাসনাতকে সমর্থন দেয়ায় ওই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বিপুল ভোটে জয়ী হয়, যদিও বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিমের বাড়ি একই ইউনিয়নে হওয়া সত্ত্বেও তিনি আশানুরূপ ফল পাননি।

    পরবর্তীতে নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বারের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় নাছির মেম্বারের হাতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার সময়ে ভোটারবিহীন কেন্দ্র, জোরপূর্বক সিল মারা এবং একতরফা ভোট গ্রহণ ছিল নিয়মিত ঘটনা। কেউ প্রতিবাদ করলে হামলা বা নির্যাতনের শিকার হতে হতো। নাছির মেম্বারের মৃত্যুর পর তার ছেলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। পরে তিনি এলাকা ছাড়লে মোতালেব মেম্বার পুনরায় নিয়ন্ত্রণ নেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

    বর্তমানে আবারও কেন্দ্র দুটিকে ঘিরে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা আশঙ্কা করছেন, আগের মতোই কেন্দ্র দখল ও জোরপূর্বক ভোট গ্রহণের ঘটনা ঘটতে পারে।

    একাধিক প্রার্থী বলেন, “গত ১৭ বছরে দেশে প্রকৃত অর্থে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়নি। তারপরও এই দুই কেন্দ্র সবসময় বেশি বিতর্কিত। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, যেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।”

    স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এবার অন্তত এই দুই কেন্দ্রে ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের অবসান ঘটে।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত, তার মধ্যে চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা অতি ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচনকে ঘিরে সেখানে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

    সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণাকালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সোনারগাঁ থানাধীন সনমান্দী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নীলকান্দা গ্রামের একটি মসজিদের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়ার (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন কর্মীরা।
    এ সময় সনমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছাফির উদ্দিন মজনুর ভাইসহ মুশফিকুর রহমান মোহন (৩৮), জাহিদুল ইসলাম সুমন (৩৬), রূপচাঁন (৪৫) এবং আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একত্রিত হয়ে কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
    হামলায় কর্মী মোঃ তাজিবুর রহমানকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে গুরুতর জখম করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কাজী নাসির উদ্দিনসহ অন্যদেরও মারধর করা হয়। এ সময় হামলাকারীরা ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
    তবে অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক

    সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক

    সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক
    সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানকে বিজয়ী করতে নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ–৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাকুন্ডা এলাকায় এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
    জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ভূইয়ার সভাপতিত্বে এবং ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিক ফেরদৌস তুষারের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১নং সহ-সভাপতি ও জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিত মল্লিক।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সানোয়ার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভুইঁয়া, উপজেলা জাসাসের সভাপতি আমির হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জামপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহিন শিকদার, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান, ইউপি সদস্য নাদিয়া নূর রানুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
    সভায় আল মুজাহিত মল্লিক বলেন, নারায়ণগঞ্জ–৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনলে এলাকার রাস্তাঘাট, কালভার্টসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
    বক্তারা নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার তৈরির আহ্বান জানান।

  • বড় ভাইকে আরেকবার সুযোগ দেয়ার আহ্বান ছোট ভাইয়ের

    বড় ভাইকে আরেকবার সুযোগ দেয়ার আহ্বান ছোট ভাইয়ের

    নিউজ সোনারগাঁ :  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন তার ছোট ভাই এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক ও সিআইপি বজলুর রহমান।
    বুধবার বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও বটতলা, পাঁচানি ও চরগোয়ালদী এলাকায় ঘোড়া প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালান তিনি।
    এ সময় বজলুর রহমান বলেন, অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোসহ নানা ক্ষেত্রে তার অবদান এলাকার মানুষ জানে। তিনি কখনো এলাকার মানুষের সাথে প্রতারণা করেননি।
    তিনি আরও বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সৎ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে আগামী নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকে ভোট দিয়ে আমার বড় ভাই অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে আরেকবার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি এলাকাবাসীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।
    প্রচারণাকালে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

  • ১২ তারিখ সকালে ধানের শীষে ভোট দেবেন সকলে: আজহারুল ইসলাম মান্নান

    ১২ তারিখ সকালে ধানের শীষে ভোট দেবেন সকলে: আজহারুল ইসলাম মান্নান

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখ সকালে সবাই যেন ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেন। তিনি বলেন, “আপনাদের ভোটেই আমি নির্বাচিত হতে চাই এবং নির্বাচিত হলে সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করবো।”

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনাকালে ভোটারদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি। চড়পাড়া এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করে লাধুরচর, সেককান্দি সহ ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন চান।
    এ সময় তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। স্থানীয়রা তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানান এবং গণসংযোগে অংশ নেন।
    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
    আজহারুল ইসলাম মান্নান আরও বলেন, “সোনারগাঁয়ের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে দিন-রাত গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই, যেন ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করা যায়।”
    গণসংযোগে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় প্রাণবন্ত নির্বাচনী পরিবেশ ও উৎসবমুখর আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

  • সোনারগাঁয়ে আদালতের রায়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলো প্রকৃত মালিককে

    সোনারগাঁয়ে আদালতের রায়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলো প্রকৃত মালিককে

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের পানাম গাবতুলী এলাকায় বিজ্ঞ আদালতের রায় ও ডিক্রির আলোকে বিরোধীয় জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) সরেজমিনে আদালত, পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে ঢাকঢোল পিটিয়ে দখল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এবং জমির সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টানানো হয়।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী সিভিল জজ আদালতে দায়েরকৃত দেওয়ানি মামলার বাদী মো. শাহাবুদ্দিন আদালতের রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে জমির দখল বুঝে পান। আদালতের নির্দেশে দেওয়ানি মামলার দখলি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়।
    ডিএসবি, নারায়ণগঞ্জ সূত্র জানায়, সদর আদালতের সিনিয়র সিভিল জজের স্মারক নং ০৩/২০২৬ (তারিখ: ১৮/০১/২০২৬) এর প্রেক্ষিতে দেওয়ানি ডিক্রিজারি নং ০৬/২০২৫ মামলার দখলি পরোয়ানা জারির জন্য ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
    নির্ধারিত দিনে দখল কার্যক্রমে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সহযোগিতার জন্য ২৩ সদস্যের একটি পুলিশ ফোর্স নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে ছিলেন ১ জন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), ২ জন সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই), ১০ জন পুরুষ কনস্টেবল ও ১০ জন নারী কনস্টেবল।
    বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের নাজিরের উপস্থিতিতে আদালতের রায় ও ডিক্রির আলোকে বাদীর জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় জমির সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টানানো হয়।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় পানাম গাবতুলী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও শান্তি ফিরে এসেছে।
    আপনি চাইলে এটি আরও সংক্ষিপ্ত বা শিরোনাম ভিন্নভাবে সাজিয়ে দিতে পারি, অথবা অন্য পত্রিকার স্টাইল অনুযায়ীও এডিট করে দেব।